Top Ad

middle ad
Showing posts with label রাজ্য. Show all posts
Showing posts with label রাজ্য. Show all posts

মমতা ব্যানার্জীর পার্টি আরো একবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। আর জয়লাভ করতেই তৃণমূলের ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠা লুঙ্গিবাহিনী আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে লুঙ্গিবাহিনী তান্ডব শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত বেশকিছু ভিডিও সামনে আসছে যা জনগনকে বেশ অবাক করছে।


ক্যানিং থেকে শুরু করে বারুইপুরের বহু এলাকায় বিজেপি কর্মীরা ঘর ছেড়ে পলায়ন করেছেন। আরামবাগ, নন্দীগ্রাম সহ বেশকিছু স্থানে বিজেপি পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার খবর আগেই পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে ৯ জনকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।


লক্ষণীয় বিষয় যে, রাজ্যজুড়ে এমন অশান্তির নিয়ে একেবারে নিশ্চুপ রয়েছে মিডিয়া। বেশিরভাগ মিডিয়া সরকারি বিজ্ঞাপনের লোভে মুখে কুলুপ এঁটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। হাওড়ার এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে এক ব্যাক্তি বলেছেন যে কট্টরপন্থীরা তাদের বাড়ি ঘরের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। হিন্দু পাড়ায় এসে হিন্দুদের কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই ভাইরাল ভিডিওতে।




এছাড়াও অভিজিৎ সরকার নামের যে বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে তার এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তৃণমূলের গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রমনের আগে বিজেপি কর্মী লাইভ ভিডিও করেছিলেন।




সেখানে তিনি জানান যে তার বাড়িতে পোষা কুকুরের বাচ্চাদের পর্যন্ত তৃণমূল গুন্ডারা মেরে ফেলেছে। রাজ্যের এমন অশান্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন কিনা এখন সেটাই দেখার।


তৃণমূল জিততেই উপদ্রব শুরু লুঙ্গিবাহিনীর! ৯ জনের মৃত্যু, ঘরছাড়া বহু বিজেপি কর্মীর পরিবার


মমতা ব্যানার্জীর পার্টি আরো একবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। আর জয়লাভ করতেই তৃণমূলের ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠা লুঙ্গিবাহিনী আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে লুঙ্গিবাহিনী তান্ডব শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত বেশকিছু ভিডিও সামনে আসছে যা জনগনকে বেশ অবাক করছে।


ক্যানিং থেকে শুরু করে বারুইপুরের বহু এলাকায় বিজেপি কর্মীরা ঘর ছেড়ে পলায়ন করেছেন। আরামবাগ, নন্দীগ্রাম সহ বেশকিছু স্থানে বিজেপি পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার খবর আগেই পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে ৯ জনকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।


লক্ষণীয় বিষয় যে, রাজ্যজুড়ে এমন অশান্তির নিয়ে একেবারে নিশ্চুপ রয়েছে মিডিয়া। বেশিরভাগ মিডিয়া সরকারি বিজ্ঞাপনের লোভে মুখে কুলুপ এঁটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। হাওড়ার এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে এক ব্যাক্তি বলেছেন যে কট্টরপন্থীরা তাদের বাড়ি ঘরের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। হিন্দু পাড়ায় এসে হিন্দুদের কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই ভাইরাল ভিডিওতে।




এছাড়াও অভিজিৎ সরকার নামের যে বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে তার এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তৃণমূলের গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রমনের আগে বিজেপি কর্মী লাইভ ভিডিও করেছিলেন।




সেখানে তিনি জানান যে তার বাড়িতে পোষা কুকুরের বাচ্চাদের পর্যন্ত তৃণমূল গুন্ডারা মেরে ফেলেছে। রাজ্যের এমন অশান্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন কিনা এখন সেটাই দেখার।



কলকাতাঃ এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন ক্রেজ দেখা যাচ্ছে। আর সেটা হল বাংলার বিখ্যাত গানের প্যারোডি করা। আর সেই প্যারোডি গানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত গতিতে ভাইরালও হচ্ছে। সর্বপ্রথম এই ট্রেন্ট শুরু করেছিল বামেরা। সিপিএম-এর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করতে বামেরা বাংলার জনপ্রিয় একটি ওয়েব সিরিজের গান ‘টুম্পা সোনা”র প্যারোডি করে বিশাল জনপ্রিয়তা হাসিল করেছিল।



বামেদের ওই টুম্পা সোনা গানের প্যারোডি হিট হওয়ার পর তাঁরা একের পর এক গানের প্যারোডি শুরু করে। সবকটার মধ্যে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল টুম্পা সোনা। প্যারোডিতে পিছিয়ে নেই গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির পক্ষ থেকেও একটার পর একটা প্যারোডি করা হচ্ছে। যদিও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বামেদের থেকে অনেক পিছিয়ে গেরুয়া শিবির।


আর এবার বিজেপি আরও একটি বিখ্যাত বাংলা গানের প্যারোডি সামনে নিয়ে এল। বিজেপি এবার বিখ্যাত বাংলা গান ‘ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে” গানের প্যারোডি বের করে শাসক দল তৃণমূলকে বিঁধেছে। বিজেপি এই প্যারোডির নাম দিয়েছে ‘চাল চোরের এল পাড়াতে” শুনে নিন সেই ভাইরাল প্যারোডি …




‘ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে”-র প্যারোডি বানাল বিজেপি! নাম দিল ‘চাল চোরেরা এলো বাড়িতে”


কলকাতাঃ এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন ক্রেজ দেখা যাচ্ছে। আর সেটা হল বাংলার বিখ্যাত গানের প্যারোডি করা। আর সেই প্যারোডি গানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত গতিতে ভাইরালও হচ্ছে। সর্বপ্রথম এই ট্রেন্ট শুরু করেছিল বামেরা। সিপিএম-এর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করতে বামেরা বাংলার জনপ্রিয় একটি ওয়েব সিরিজের গান ‘টুম্পা সোনা”র প্যারোডি করে বিশাল জনপ্রিয়তা হাসিল করেছিল।



বামেদের ওই টুম্পা সোনা গানের প্যারোডি হিট হওয়ার পর তাঁরা একের পর এক গানের প্যারোডি শুরু করে। সবকটার মধ্যে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল টুম্পা সোনা। প্যারোডিতে পিছিয়ে নেই গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির পক্ষ থেকেও একটার পর একটা প্যারোডি করা হচ্ছে। যদিও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বামেদের থেকে অনেক পিছিয়ে গেরুয়া শিবির।


আর এবার বিজেপি আরও একটি বিখ্যাত বাংলা গানের প্যারোডি সামনে নিয়ে এল। বিজেপি এবার বিখ্যাত বাংলা গান ‘ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে” গানের প্যারোডি বের করে শাসক দল তৃণমূলকে বিঁধেছে। বিজেপি এই প্যারোডির নাম দিয়েছে ‘চাল চোরের এল পাড়াতে” শুনে নিন সেই ভাইরাল প্যারোডি …




জয়দীপ মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে হাতে হাত রেখে ময়দানে নামছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক ও নেতৃবৃন্দরা, ঠিক তারই আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ফাঁকফোকর ঠিক করতেই আগামী ৭ জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে জনসভা করতে আসছেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামের মাঠে হবে সেই জনসভা।


ইতিমধ্যেই সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এবং পুলিশ প্রশাসন। সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন  তৃণমূল জেলা সভাপতি গৌতম দাস, মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা, জেলার কো-অর্ডিনেটর ললিতা টিজ্ঞা, সুভাষ চাকী, যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি অম্বরীশ সরকার, জেলা পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত ও গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে দিনরাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গঙ্গারামপুর শহর সহ  জেলা জুড়ে অভিষেক ব্যানার্জির জনসভাকে সামনে রেখে প্রচার করে চলেছেন কর্মী সমর্থকরা এবং তারই আগে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে অভিষেক ব্যানার্জির জনসভার প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে যার চিত্র ধরা পড়ল এদিন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়।


জেলার প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ব্যস্ততা যাচ্ছে তুঙ্গে অভিষেক ব্যানার্জি জনসভাকে ঘিরে প্রচার চালাচ্ছে ব্যাপকভাবে তারা।তৃণমূল সূত্রে খবর, অভিষেকের সভায় প্রায় দু’লক্ষ কর্মী-সমর্থক হাজির করার লক্ষ্যে প্রচার চলছে। প্রতিদিন জেলার আটটি ব্লক ও তিনটি শহরের প্রতিটি অঞ্চল ও ওয়ার্ডে প্রচার চলছে।তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ৪ জানুয়ারি তাঁর সফর শুরু হবে। চলবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সফরে তিনি তিনটি কর্মীসভা ও একটি জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। 


৪ জানুয়ারি সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেবেন অভিষেক। সেখানে তার কর্মীসভার পর ৭ জানুয়ারি গঙ্গারামপুর জনসভা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস।
এ দিন গৌতম বলেন, ‘‘এর আগে জেলাতে এমন সভার আয়োজন হয়নি। সাধারণ মানুষ যে তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছেন, ভিড়ই সে কথা বলে দেবে।’’

৭ জানুয়ারি জেলার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে এক বিশাল জনসভা করতে চলেছেন অভিষেক ব্যানার্জি তারই আগে চলছে প্রস্তুতি

জয়দীপ মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে হাতে হাত রেখে ময়দানে নামছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক ও নেতৃবৃন্দরা, ঠিক তারই আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ফাঁকফোকর ঠিক করতেই আগামী ৭ জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে জনসভা করতে আসছেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামের মাঠে হবে সেই জনসভা।


ইতিমধ্যেই সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এবং পুলিশ প্রশাসন। সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন  তৃণমূল জেলা সভাপতি গৌতম দাস, মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা, জেলার কো-অর্ডিনেটর ললিতা টিজ্ঞা, সুভাষ চাকী, যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি অম্বরীশ সরকার, জেলা পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত ও গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে দিনরাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গঙ্গারামপুর শহর সহ  জেলা জুড়ে অভিষেক ব্যানার্জির জনসভাকে সামনে রেখে প্রচার করে চলেছেন কর্মী সমর্থকরা এবং তারই আগে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে অভিষেক ব্যানার্জির জনসভার প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে যার চিত্র ধরা পড়ল এদিন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়।


জেলার প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ব্যস্ততা যাচ্ছে তুঙ্গে অভিষেক ব্যানার্জি জনসভাকে ঘিরে প্রচার চালাচ্ছে ব্যাপকভাবে তারা।তৃণমূল সূত্রে খবর, অভিষেকের সভায় প্রায় দু’লক্ষ কর্মী-সমর্থক হাজির করার লক্ষ্যে প্রচার চলছে। প্রতিদিন জেলার আটটি ব্লক ও তিনটি শহরের প্রতিটি অঞ্চল ও ওয়ার্ডে প্রচার চলছে।তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ৪ জানুয়ারি তাঁর সফর শুরু হবে। চলবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সফরে তিনি তিনটি কর্মীসভা ও একটি জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। 


৪ জানুয়ারি সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেবেন অভিষেক। সেখানে তার কর্মীসভার পর ৭ জানুয়ারি গঙ্গারামপুর জনসভা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস।
এ দিন গৌতম বলেন, ‘‘এর আগে জেলাতে এমন সভার আয়োজন হয়নি। সাধারণ মানুষ যে তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছেন, ভিড়ই সে কথা বলে দেবে।’’

বছরের শুরুতে খাদ্যরসিক বাঙ্গালীর জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই কলকাতায় শুরু হতে চলেছে ঝটকা মাংসের অনলাইন ডেলিভারি। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। ঝটকা মাংস। এই উদ্যোগ নিয়েছেন জনা কয়েক বাঙ্গালী তরুণ- তাদের সংস্থা মিটার(Meater)-এর মাধ্যমে। সম্পূর্ণ ঝটকা পদ্ধতিতে, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে প্যাকেটজাত মাংস বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা হালাল মাংসের হোম ডেলিভারি করলেও ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারি কলকাতায় এই প্রথম।


সংস্থার অন্যতম সিদ্ধার্থ দে Viral News India-কে জানালেন, মকর সংক্রান্তি থেকেই আমাদের পরিষেবা শুরু হবে। প্রথম অবস্থায় কলকাতা শহরে পরিষেবা দেওয়া হবে এবং ধীরে ধীরে সারা রাজ্যেই ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারী দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, আমাদের এই উদ্যোগ আগামীতে জনপ্রিয়তা পাবে বলেই আশা।


খাদ্য স্বাধীনতার প্রশ্নে হালাল-ঝটকা বিতর্ক নতুন নয়। যারা হালাল খেতে চান না, তাদের জন্য বিকল্প ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারি প্রায় নেই বললেই চলে। এমনকি অনলাইন সংস্থা ‛বিগ বাস্কেট’-এ ঝটকা অর্ডার দিয়ে হালাল মাংসের ডেলিভারি পেয়েছেন, এমন উদাহরণও রয়েছে ভুরিভুরি। এমতবস্থায়, একপ্রকার বাধ্য হয়ে হালাল মাংস খেতেন বহু মানুষ। তাদের জন্য বিকল্প হয়ে উঠবে ‛মিটার(Meater)’- এমনটাই মত অনেকের। ফলে খাদ্য স্বাধীনতার দিকে একধাপ এগিয়ে যাবে বাঙ্গালী, এমনটাই মনে করছেন অনেকেই।


বাঙ্গালীদের হিন্দুদের জন্য সুখবর, শুরু হচ্ছে ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারি


বছরের শুরুতে খাদ্যরসিক বাঙ্গালীর জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই কলকাতায় শুরু হতে চলেছে ঝটকা মাংসের অনলাইন ডেলিভারি। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। ঝটকা মাংস। এই উদ্যোগ নিয়েছেন জনা কয়েক বাঙ্গালী তরুণ- তাদের সংস্থা মিটার(Meater)-এর মাধ্যমে। সম্পূর্ণ ঝটকা পদ্ধতিতে, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে প্যাকেটজাত মাংস বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা হালাল মাংসের হোম ডেলিভারি করলেও ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারি কলকাতায় এই প্রথম।


সংস্থার অন্যতম সিদ্ধার্থ দে Viral News India-কে জানালেন, মকর সংক্রান্তি থেকেই আমাদের পরিষেবা শুরু হবে। প্রথম অবস্থায় কলকাতা শহরে পরিষেবা দেওয়া হবে এবং ধীরে ধীরে সারা রাজ্যেই ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারী দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, আমাদের এই উদ্যোগ আগামীতে জনপ্রিয়তা পাবে বলেই আশা।


খাদ্য স্বাধীনতার প্রশ্নে হালাল-ঝটকা বিতর্ক নতুন নয়। যারা হালাল খেতে চান না, তাদের জন্য বিকল্প ঝটকা মাংসের হোম ডেলিভারি প্রায় নেই বললেই চলে। এমনকি অনলাইন সংস্থা ‛বিগ বাস্কেট’-এ ঝটকা অর্ডার দিয়ে হালাল মাংসের ডেলিভারি পেয়েছেন, এমন উদাহরণও রয়েছে ভুরিভুরি। এমতবস্থায়, একপ্রকার বাধ্য হয়ে হালাল মাংস খেতেন বহু মানুষ। তাদের জন্য বিকল্প হয়ে উঠবে ‛মিটার(Meater)’- এমনটাই মত অনেকের। ফলে খাদ্য স্বাধীনতার দিকে একধাপ এগিয়ে যাবে বাঙ্গালী, এমনটাই মনে করছেন অনেকেই।



পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda) কনভয়ে তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) কর্মীদের বিরুদ্ধে হা’ম’লা’র অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনার বিরোধিতায় মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে বিজেপির কর্মীরা প্রতিবাদ দেখায়। জানিয়ে দিই, জেপি নাড্ডার কনভয়ে বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও ছিলেন। আর তিনি গুরুতর আ’হ’ত হয়েছে। শনিবার পাটনিপুরার চৌরাস্তায় বিজেপির কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পোস্টার রাস্তার মধ্যে লাগিয়ে দেয় আর মমতা বিরোধী স্লোগান দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই ছবি গুলোর উপর দিয়ে রাস্তার মানুষ আর যানবাহন চলাচল করে। বিজয়বর্গীয়র সমর্থকদের দ্বারা এরকম প্রতিবাদের চর্চা গোটা শহর জুড়ে হচ্ছে।


উল্লেখ্য, দুদিন আগে ডায়মন্ড হারবারে নিজেদের কার্যক্রমে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ওনার সাথে ওনার কনভয়ে ছিলেন বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয় আর বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সমেত অনেক নেতা কর্মীরা। সেই সময় নাড্ডার কনভয়ে হা’ম’লা হয়। আর এই ঘটনার জন্য বিজেপি তৃণমূলকে দায়ি করে। এই ঘটনায় কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছাড়াও বিজেপির অনেক নেতা কর্মী আ’হ’ত হন।


ইন্দোরে আন্দোলনরত বিজয়বর্গীয়র সমর্থকরা বলেন, বিজেপি এখন বাংলায় ভালো শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আর সেটাতেই ভয় পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ভয়ে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করছে। তাঁরা জানায়, সেই কারণেই তাঁরা এহেন প্রতিবাদ করছে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাস্তার মধ্যে লাগিয়ে ওনাকে অপমান করা হচ্ছে।




বিজেপির এক নেতা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিংসাত্মক মনোভাবের বিরোধিতা করার জন্যই এরকম প্রতিবাদ করছি আমরা। আমাদের তরফ থেকে কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি হল, মমতা সরকারকে বরখাস্ত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক আর মহাসচিব বিজয়বর্গীয়কে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া হোক।

ভিডিওঃ রাস্তায় ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি, তার ওপরেই চলছে মানুষ, গাড়িঘোড়া


পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda) কনভয়ে তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) কর্মীদের বিরুদ্ধে হা’ম’লা’র অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনার বিরোধিতায় মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে বিজেপির কর্মীরা প্রতিবাদ দেখায়। জানিয়ে দিই, জেপি নাড্ডার কনভয়ে বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও ছিলেন। আর তিনি গুরুতর আ’হ’ত হয়েছে। শনিবার পাটনিপুরার চৌরাস্তায় বিজেপির কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পোস্টার রাস্তার মধ্যে লাগিয়ে দেয় আর মমতা বিরোধী স্লোগান দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই ছবি গুলোর উপর দিয়ে রাস্তার মানুষ আর যানবাহন চলাচল করে। বিজয়বর্গীয়র সমর্থকদের দ্বারা এরকম প্রতিবাদের চর্চা গোটা শহর জুড়ে হচ্ছে।


উল্লেখ্য, দুদিন আগে ডায়মন্ড হারবারে নিজেদের কার্যক্রমে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ওনার সাথে ওনার কনভয়ে ছিলেন বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয় আর বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সমেত অনেক নেতা কর্মীরা। সেই সময় নাড্ডার কনভয়ে হা’ম’লা হয়। আর এই ঘটনার জন্য বিজেপি তৃণমূলকে দায়ি করে। এই ঘটনায় কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছাড়াও বিজেপির অনেক নেতা কর্মী আ’হ’ত হন।


ইন্দোরে আন্দোলনরত বিজয়বর্গীয়র সমর্থকরা বলেন, বিজেপি এখন বাংলায় ভালো শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আর সেটাতেই ভয় পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ভয়ে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করছে। তাঁরা জানায়, সেই কারণেই তাঁরা এহেন প্রতিবাদ করছে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাস্তার মধ্যে লাগিয়ে ওনাকে অপমান করা হচ্ছে।




বিজেপির এক নেতা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিংসাত্মক মনোভাবের বিরোধিতা করার জন্যই এরকম প্রতিবাদ করছি আমরা। আমাদের তরফ থেকে কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি হল, মমতা সরকারকে বরখাস্ত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক আর মহাসচিব বিজয়বর্গীয়কে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া হোক।

ইংরেজি এবং হিন্দি নিউজ চ্যানেল তো ছিলই। এবার বাংলা ভাষায় নিউজ চ্যানেল শুরু করার কথা ঘোষণা করা হলো অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক-এর তরফে। আজ রিপাবলিকের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একথা ঘোষণা করা হচ্ছে। পাশপাশি বাঙালি ভাষায় কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ সাংবাদিক চেয়ে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, জেল থেকে বেরিয়ে অর্ণব গোস্বামী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব আঞ্চলিক ভাষায় নিউজ চ্যানেল শুরু করবেন।


প্রসঙ্গত, অর্ণব গোস্বামী তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু করেছিলেন কলকাতায়। তখন তিনি দি টেলিগ্রাফ সংবাদপত্রে কাজ করতেন। তাছাড়া, অর্ণব গোস্বামী আসামের মানুষ হলেও তিনি বাংলা ভালোই বলতে পারেন। ফলে অনুমান করা হচ্ছে যে তিনি মাঝে মাঝে বাংলা চ্যানেলেও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে পারেন। কারণ ইংরেজি চ্যানেলের পাশপাশি তিনি রিপাবলিক ভারত চ্যানেলে প্রায়ই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে থাকেন। এবং তাঁর সেই অনুষ্ঠান অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফলে অর্ণব গোস্বামী বাংলা চ্যানেল লঞ্চ করলে বাংলা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জগতে যে সতেজ বাতাস বইবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

‛আমরা আসছি’, বাংলা নিউজ চ্যানেল শুরু করার কথা ঘোষণা করলেন অর্ণব গোস্বামী


ইংরেজি এবং হিন্দি নিউজ চ্যানেল তো ছিলই। এবার বাংলা ভাষায় নিউজ চ্যানেল শুরু করার কথা ঘোষণা করা হলো অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক-এর তরফে। আজ রিপাবলিকের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একথা ঘোষণা করা হচ্ছে। পাশপাশি বাঙালি ভাষায় কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ সাংবাদিক চেয়ে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, জেল থেকে বেরিয়ে অর্ণব গোস্বামী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব আঞ্চলিক ভাষায় নিউজ চ্যানেল শুরু করবেন।


প্রসঙ্গত, অর্ণব গোস্বামী তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু করেছিলেন কলকাতায়। তখন তিনি দি টেলিগ্রাফ সংবাদপত্রে কাজ করতেন। তাছাড়া, অর্ণব গোস্বামী আসামের মানুষ হলেও তিনি বাংলা ভালোই বলতে পারেন। ফলে অনুমান করা হচ্ছে যে তিনি মাঝে মাঝে বাংলা চ্যানেলেও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে পারেন। কারণ ইংরেজি চ্যানেলের পাশপাশি তিনি রিপাবলিক ভারত চ্যানেলে প্রায়ই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে থাকেন। এবং তাঁর সেই অনুষ্ঠান অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফলে অর্ণব গোস্বামী বাংলা চ্যানেল লঞ্চ করলে বাংলা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জগতে যে সতেজ বাতাস বইবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।


বিশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলার বিশ্বশ্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাথেয়কে শিরোধার্য করে এবং বাংলার আগামীর সবুজায়নের জননেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাই অনুপ্রাণিত হয়ে মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি কৃষ্ণ দাসের তত্ত্বাবধানে ও গাজোল ব্লক জয় হিন্দ বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় শনিবার এক মহা সমারোহের মধ্য দিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের ঐকান্তিক মিলন সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল।

উক্ত সভায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বার্তা ও এলাকায় নব নির্মিত
এছাড়াও গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ববৃন্দগন উপস্থিত ছিলেন।
তারা ছিলেন যথাক্রমে, প্রধান উদ্যোগক্তা কৃষ্ণ দাস সভাপতি মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী ও জাহাঙ্গীর আলম (রাজীব) সভাপতি গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহীনীর উদ্যোগে এই মহা সমারোহের মিলন ঘটে। সুপ্রিয় চন্দ্র মুখপাত্র পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস, কপিল তালুকদার এডমিন প্রধান, রাজ্য AITCSSMC, রাকেশ পাড়ুই সম্পাদক পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, জিয়াউল মোমিন সাধারণ সম্পাদক মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনী, সাজু দেওয়ান সাধারণ সম্পাদক মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনী, জাহাঙ্গীর আলম (রাজীব) সভাপতি গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহীনী।এদিন স্টেডিয়ামের শুভ উন্মোচন সহ সম্প্রীতির মিলন মেলা সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়। এদিন গাজোলে এই মিলন ক্ষেত্রে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়ভাবে যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

এই মহত উদ্যোগকে সবুজায়নের ছোঁয়ায় উদ্বুদ্ধ করতে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিয় চন্দ (মুখপাত্র রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস ), কপিল তালুকদার (মুখ্য অ্যাডমিন, রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস সোস্যাল মিডিয়া সেল), রাকেশ বারুই (সম্পাদক, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদ), সহ আরো অন্যান্যরা। বরাবরই মালদা জয় হিন্দ বাহিনীর প্রধান তথা সভাপতি কৃষ্ণ দাসের নাম শিরোনামে উঠে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির আদর্শকে পাথেয় করে তিনি বরাবরই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তার এই উদ্যোগে গাজোলে এদিন এই মহাসমারোহের জনসমুদ্রের মিলনক্ষেত্র সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।








প্রধান বক্তা- কৃষ্ণ দাস, সভাপতি, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী।


সুপ্রিয় চন্দ্র- মুখপাত্র, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস।


প্রধান বক্তা- কৃষ্ণ দাস, সভাপতি, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী


সুপ্রিয় চন্দ্র- মুখপাত্র, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস


কপিল তালুকদার- এডমিন প্রধান, রাজ্য AITCSSMC


আদিবাসী গ্রামের লোকের বক্তব্য



গাজোলে জয় হিন্দ বাহিনীর মহা সমারোহের মিলন ক্ষেত্র পরিণত হল বন্ধনের মেলায়



বিশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলার বিশ্বশ্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাথেয়কে শিরোধার্য করে এবং বাংলার আগামীর সবুজায়নের জননেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাই অনুপ্রাণিত হয়ে মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি কৃষ্ণ দাসের তত্ত্বাবধানে ও গাজোল ব্লক জয় হিন্দ বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় শনিবার এক মহা সমারোহের মধ্য দিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের ঐকান্তিক মিলন সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল।

উক্ত সভায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বার্তা ও এলাকায় নব নির্মিত
এছাড়াও গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ববৃন্দগন উপস্থিত ছিলেন।
তারা ছিলেন যথাক্রমে, প্রধান উদ্যোগক্তা কৃষ্ণ দাস সভাপতি মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী ও জাহাঙ্গীর আলম (রাজীব) সভাপতি গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহীনীর উদ্যোগে এই মহা সমারোহের মিলন ঘটে। সুপ্রিয় চন্দ্র মুখপাত্র পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস, কপিল তালুকদার এডমিন প্রধান, রাজ্য AITCSSMC, রাকেশ পাড়ুই সম্পাদক পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, জিয়াউল মোমিন সাধারণ সম্পাদক মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনী, সাজু দেওয়ান সাধারণ সম্পাদক মালদা জেলা জয় হিন্দ বাহিনী, জাহাঙ্গীর আলম (রাজীব) সভাপতি গাজল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহীনী।এদিন স্টেডিয়ামের শুভ উন্মোচন সহ সম্প্রীতির মিলন মেলা সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়। এদিন গাজোলে এই মিলন ক্ষেত্রে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়ভাবে যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

এই মহত উদ্যোগকে সবুজায়নের ছোঁয়ায় উদ্বুদ্ধ করতে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিয় চন্দ (মুখপাত্র রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস ), কপিল তালুকদার (মুখ্য অ্যাডমিন, রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস সোস্যাল মিডিয়া সেল), রাকেশ বারুই (সম্পাদক, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদ), সহ আরো অন্যান্যরা। বরাবরই মালদা জয় হিন্দ বাহিনীর প্রধান তথা সভাপতি কৃষ্ণ দাসের নাম শিরোনামে উঠে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির আদর্শকে পাথেয় করে তিনি বরাবরই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তার এই উদ্যোগে গাজোলে এদিন এই মহাসমারোহের জনসমুদ্রের মিলনক্ষেত্র সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।








প্রধান বক্তা- কৃষ্ণ দাস, সভাপতি, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী।


সুপ্রিয় চন্দ্র- মুখপাত্র, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস।


প্রধান বক্তা- কৃষ্ণ দাস, সভাপতি, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী


সুপ্রিয় চন্দ্র- মুখপাত্র, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস


কপিল তালুকদার- এডমিন প্রধান, রাজ্য AITCSSMC


আদিবাসী গ্রামের লোকের বক্তব্য




ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর আরেকটি ভিডিও (Video) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে। এর আগে করোনাকালে ওনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে ওনাকে বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যায়। ওই ভিডিওতে আব্বাস বলছে, দিল্লীতে মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি যে, উনি যেন ভারতবর্ষে এমন মারক ভাইরাস পাঠাক যাতে দেশের ৫০ কোটি মানুষ মরে যায়। আব্বাস বলে, ওই ভাইরাসে আমি মরে গেলেও দুঃখ নেই।



যদিও ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আব্বাস সিদ্দিকী ক্ষমা চেয়েছিলেন। আর বলেছিলেন যে, আমি সেরকম কিছু বলতে চাইনি। আমার কথা বিকৃত করা হয়েছে। এবার আব্বাস সিদ্দিকীর আরেকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে আব্বাস সিদ্দিকীকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, ‘এটা বাংলা, এখানে সংখ্যাগরু আমরা। এখানে আমরা সংখ্যালঘু না। এটা মাথায় রাখো।”


আব্বাস সিদ্দিকী ওই ভিডিওতে আরও বলে, ‘এখানে আমরা সংখ্যাগুরু, আমরা এখানে ৩৫ শতাংশ এটা মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীরা হিন্দু নয়, মতুয়ারা হিন্দু নয়, দলিতরাও হিন্দু না। ওঁরা সবাই আলাদা ধর্ম। আর আমাদের এখানে এসে মেরে দেবে?” আব্বাস সিদ্দিকীর এই ভিডিওটি ঠিক কবেকার তা জানা নেই, তবে উনি এই ভাষণ মেদিনীপুরের পিংলায় দিয়েছিলেন সেটা ওনার পিছনের ব্যানার দেখলেই বোঝা যায়।





জানিয়ে দিই, আব্বাস সিদ্দিকী তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্যে নতুন দল গঠনের ঘোষণা করেছেন। আগামী ডিসেম্বর মাসেই ওনার নতুন দল প্রকাশ্যে আসবে। আর উনি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিটি মুসলিম বহুল এলাকায় তিনি প্রার্থী দেবেন আর তৃণমূলকে হারাবেন। এমনকি উনি জানুয়ারি মাসে কয়েকলক্ষ কর্মী সমর্থক নিয়ে বিশাল এক জনসভা করারও কথা বলেছেন।


ভিডিওঃ মতুয়া, আদিবাসী, দলিত এরা কেউ হিন্দু না! এটা বাংলা এখানে মুসলিমরাই সংখ্যাগুরুঃ আব্বাস সিদ্দিকী


ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর আরেকটি ভিডিও (Video) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে। এর আগে করোনাকালে ওনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে ওনাকে বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যায়। ওই ভিডিওতে আব্বাস বলছে, দিল্লীতে মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি যে, উনি যেন ভারতবর্ষে এমন মারক ভাইরাস পাঠাক যাতে দেশের ৫০ কোটি মানুষ মরে যায়। আব্বাস বলে, ওই ভাইরাসে আমি মরে গেলেও দুঃখ নেই।



যদিও ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আব্বাস সিদ্দিকী ক্ষমা চেয়েছিলেন। আর বলেছিলেন যে, আমি সেরকম কিছু বলতে চাইনি। আমার কথা বিকৃত করা হয়েছে। এবার আব্বাস সিদ্দিকীর আরেকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে আব্বাস সিদ্দিকীকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, ‘এটা বাংলা, এখানে সংখ্যাগরু আমরা। এখানে আমরা সংখ্যালঘু না। এটা মাথায় রাখো।”


আব্বাস সিদ্দিকী ওই ভিডিওতে আরও বলে, ‘এখানে আমরা সংখ্যাগুরু, আমরা এখানে ৩৫ শতাংশ এটা মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীরা হিন্দু নয়, মতুয়ারা হিন্দু নয়, দলিতরাও হিন্দু না। ওঁরা সবাই আলাদা ধর্ম। আর আমাদের এখানে এসে মেরে দেবে?” আব্বাস সিদ্দিকীর এই ভিডিওটি ঠিক কবেকার তা জানা নেই, তবে উনি এই ভাষণ মেদিনীপুরের পিংলায় দিয়েছিলেন সেটা ওনার পিছনের ব্যানার দেখলেই বোঝা যায়।





জানিয়ে দিই, আব্বাস সিদ্দিকী তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্যে নতুন দল গঠনের ঘোষণা করেছেন। আগামী ডিসেম্বর মাসেই ওনার নতুন দল প্রকাশ্যে আসবে। আর উনি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিটি মুসলিম বহুল এলাকায় তিনি প্রার্থী দেবেন আর তৃণমূলকে হারাবেন। এমনকি উনি জানুয়ারি মাসে কয়েকলক্ষ কর্মী সমর্থক নিয়ে বিশাল এক জনসভা করারও কথা বলেছেন।



জয়দীপ মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুর: গত দু’দিন ধরে চলতে থাকা ঠান্ডা হিমেল হাওয়ার জন্য পারদ নামল শীতের। আর তাতেই কাপড়ের দোকানগুলিতে শীত থেকে বাঁচার জন্য গরম পোশাক কেনার ভিড় উপচে পড়ছে ক্রমাগত। 

গত শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া হিমেল হাওয়ার জেরে ঠান্ডার পারদ ক্রমে নামতে থাকে। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে দাঁড়ায় ১৮-২০ ডিগ্রিতে। হাওয়া অফিস জানায়, রবিবার ছিল শীতলতম দিন। সেই কারণে করোনা আবহে শীতের চরম দাপট থেকে বাঁচার জন্য জেলা জুড়ে ছোট-বড়ো বিভিন্ন কাপড়ের দোকানগুলিতে গরম পোশাক কেনার ভিড় জমাচ্ছেন আবালবৃদ্ধবনিতা।


এদিন আবালবৃদ্ধবনিতা যথাযথভাবে পাল্লা দিয়ে দামি থেকে শুরু করে কম দামি অবধি শীতের শাল, চাদর, পশমের জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্য মাঙ্কি টুপি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু কিনতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সবে শুরু হয়েছে শীত। আগামীতে আরও ঠান্ডা পড়ে এবারের শীত সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করতে পারে। আর সেই খবর জানতে পেরেই সবাই গতানুগতিকভাবে দোকানগুলিতে ভিড় করছেন।


এদিকে গরম পোশাক বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন দোকান মালিক থেকে শুরু করে কর্মচারীরা। কেউ বলছেন দু’দিন ধরে হিমেল হাওয়াতে যে ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে তাতেই গরম পোশাকের বিক্রি বেশ জমে উঠেছে। আবার অনেকেই শুধু বসে বসে দোকানের মাছি তাড়াচ্ছেন দোকানের।


তবে যে যাই বলুক শীতের আমেজে বেশ চনমনে আবালবৃদ্ধবনিতা, তাদের গরম পোশাক কেনার উত্তেজনা দেখেই তা ঠাহর করা যাচ্ছে। পাশাপাশি যে দোকানগুলিতে পোশাক বিক্রি হচ্ছে সেগুলো সঠিক দাম থাকায় মানুষ যথাযথভাবে সঠিক দাম দিয়ে তা কিনতে পারছেন। অন্যদিকে, আরও কয়েকজন দোকানদার জানান, তাদের দোকানে ছোট থেকে বড়ো সবার জন্যই বিভিন্ন দামের গরম পোশাক রয়েছে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত গরম পোশাক রয়েছে। পোশাকের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কম্বল ও লেপ বিক্রিও।

শীত থেকে বাঁচার জন্য ফুটপাতের দোকানগুলোতেও গরম পোশাক কেনার ভিড় যথেষ্ট লক্ষনীয়, কান টুপি-হাত মোজা-সোয়েটার প্রায়ই সবকিছুর বিক্রি চলছে। শীত থেকে বাঁচার জন্য গ্যাটের খরচ করে হাসি মুখে বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন সকলে। অবশ্য এ বিক্রির জন্য যে খরিদ্দারদের ঢল নেমেছে তাতে যারপরনাই খুশি দোকান মালিক থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানদারেরাও।


শীতের আমেজকে আগলে নিয়ে পিকনিকে মজেছেন সকলেই। অনেকে বড়দিন শুরু হওয়ার আগেই গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকের জন্য বেরিয়ে পড়ছেন। স্বভাবতই দেশী থেকে বিদেশী মদের দোকান গুলোতে ভিড় জমে উঠেছে। শীতের গরম পোশাক বিক্রি করে অনেকটাই এবার লাভের মুখ দেখছেন বলে জানান গঙ্গারামপুরের বিভিন্ন কাপড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলি।

তবে শীতের আমেজকে যে আট থেকে আশি যথেষ্টভাবে স্বাগত জানিয়েছেন তা বলাই বাহুল্য। এদিকে রাস্তার ধারে ভাপা পিঠা বিক্রি থেকে শুরু করে ফাস্টফুডের দোকানগুলোতে গরম খাবার বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে সেসব দোকানগুলিতে। এক কথায় সব মিলিয়ে শীতকে সাদর স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

রেকর্ড শীত পড়ার আশঙ্কায় গরম পোশাক কেনার ভিড়


জয়দীপ মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুর: গত দু’দিন ধরে চলতে থাকা ঠান্ডা হিমেল হাওয়ার জন্য পারদ নামল শীতের। আর তাতেই কাপড়ের দোকানগুলিতে শীত থেকে বাঁচার জন্য গরম পোশাক কেনার ভিড় উপচে পড়ছে ক্রমাগত। 

গত শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া হিমেল হাওয়ার জেরে ঠান্ডার পারদ ক্রমে নামতে থাকে। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে দাঁড়ায় ১৮-২০ ডিগ্রিতে। হাওয়া অফিস জানায়, রবিবার ছিল শীতলতম দিন। সেই কারণে করোনা আবহে শীতের চরম দাপট থেকে বাঁচার জন্য জেলা জুড়ে ছোট-বড়ো বিভিন্ন কাপড়ের দোকানগুলিতে গরম পোশাক কেনার ভিড় জমাচ্ছেন আবালবৃদ্ধবনিতা।


এদিন আবালবৃদ্ধবনিতা যথাযথভাবে পাল্লা দিয়ে দামি থেকে শুরু করে কম দামি অবধি শীতের শাল, চাদর, পশমের জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্য মাঙ্কি টুপি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু কিনতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সবে শুরু হয়েছে শীত। আগামীতে আরও ঠান্ডা পড়ে এবারের শীত সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করতে পারে। আর সেই খবর জানতে পেরেই সবাই গতানুগতিকভাবে দোকানগুলিতে ভিড় করছেন।


এদিকে গরম পোশাক বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন দোকান মালিক থেকে শুরু করে কর্মচারীরা। কেউ বলছেন দু’দিন ধরে হিমেল হাওয়াতে যে ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে তাতেই গরম পোশাকের বিক্রি বেশ জমে উঠেছে। আবার অনেকেই শুধু বসে বসে দোকানের মাছি তাড়াচ্ছেন দোকানের।


তবে যে যাই বলুক শীতের আমেজে বেশ চনমনে আবালবৃদ্ধবনিতা, তাদের গরম পোশাক কেনার উত্তেজনা দেখেই তা ঠাহর করা যাচ্ছে। পাশাপাশি যে দোকানগুলিতে পোশাক বিক্রি হচ্ছে সেগুলো সঠিক দাম থাকায় মানুষ যথাযথভাবে সঠিক দাম দিয়ে তা কিনতে পারছেন। অন্যদিকে, আরও কয়েকজন দোকানদার জানান, তাদের দোকানে ছোট থেকে বড়ো সবার জন্যই বিভিন্ন দামের গরম পোশাক রয়েছে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত গরম পোশাক রয়েছে। পোশাকের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কম্বল ও লেপ বিক্রিও।

শীত থেকে বাঁচার জন্য ফুটপাতের দোকানগুলোতেও গরম পোশাক কেনার ভিড় যথেষ্ট লক্ষনীয়, কান টুপি-হাত মোজা-সোয়েটার প্রায়ই সবকিছুর বিক্রি চলছে। শীত থেকে বাঁচার জন্য গ্যাটের খরচ করে হাসি মুখে বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন সকলে। অবশ্য এ বিক্রির জন্য যে খরিদ্দারদের ঢল নেমেছে তাতে যারপরনাই খুশি দোকান মালিক থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানদারেরাও।


শীতের আমেজকে আগলে নিয়ে পিকনিকে মজেছেন সকলেই। অনেকে বড়দিন শুরু হওয়ার আগেই গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকের জন্য বেরিয়ে পড়ছেন। স্বভাবতই দেশী থেকে বিদেশী মদের দোকান গুলোতে ভিড় জমে উঠেছে। শীতের গরম পোশাক বিক্রি করে অনেকটাই এবার লাভের মুখ দেখছেন বলে জানান গঙ্গারামপুরের বিভিন্ন কাপড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলি।

তবে শীতের আমেজকে যে আট থেকে আশি যথেষ্টভাবে স্বাগত জানিয়েছেন তা বলাই বাহুল্য। এদিকে রাস্তার ধারে ভাপা পিঠা বিক্রি থেকে শুরু করে ফাস্টফুডের দোকানগুলোতে গরম খাবার বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে সেসব দোকানগুলিতে। এক কথায় সব মিলিয়ে শীতকে সাদর স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থানের ওপর মৌলবাদীদের হামলার ঘটনা অব্যাহত। এবার বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার একটি মন্দিরের কালী মূর্তি ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৬ই নভেম্বর, সোমবার রাতে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ঘরবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে ওই মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁরা মন্দিরের ভিতরে থাকা মা কালীর মূর্তির মাথা কেটে বাইরে ফেলে দেয়। আজ সকালে গ্রামের হিন্দুরা দেখতে পান যে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামের সূত্রধর পাড়ার হিন্দুরা। তবে খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। স্থানীয়দের অনেকেই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আর কতদিন সেদেশে থাকতে পারবেন, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।

বাংলাদেশ: নরসিংদীতে মা কালীর মূর্তি ভাঙচুর করলো মৌলবাদীরা

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থানের ওপর মৌলবাদীদের হামলার ঘটনা অব্যাহত। এবার বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার একটি মন্দিরের কালী মূর্তি ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৬ই নভেম্বর, সোমবার রাতে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ঘরবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে ওই মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁরা মন্দিরের ভিতরে থাকা মা কালীর মূর্তির মাথা কেটে বাইরে ফেলে দেয়। আজ সকালে গ্রামের হিন্দুরা দেখতে পান যে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামের সূত্রধর পাড়ার হিন্দুরা। তবে খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। স্থানীয়দের অনেকেই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আর কতদিন সেদেশে থাকতে পারবেন, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।


এও সম্ভব ? আর সম্ভব হলে মনে হয়; বাংলাতেই সম্ভব! বাংলায় থেকে খেয়ে; ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দিল শেহজাদা শোয়েব। ফেসবুকে পোস্ট করে; ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিল; ‘ইসলাম ভক্ত’ শেহজাদা শোয়েব। তার ফেসবুকে পরিষ্কার লেখা; “আল্লাহর নামে জিকির আমার কাজ। আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক”। কি করে ভারতে থেকে একজন; ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দেবার সাহস পায়? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। কেন পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় না? এই প্রশ্নও উঠে এসেছে। এই ধরণের পোস্ট দেওয়া কি দেশদ্রোহীতা নয়?


ফেসবুক পরিচয় থেকে দেখা যাচ্ছে; শেহজাদা শোয়েব হুগলীর ধনেখালির বাসিন্দা। পড়াশোনা করেছে, হুগলীর ধনেখালির শরৎ শতবর্ষ কলেজ থেকে। বরাবর ভারতের বিরুদ্ধে লেখাই; তার কাজ। এবার ফ্রান্সের ঘটনায়; সে সবাইকে অবাক করে; ভারতের পণ্য বয়কট করার ডাক দিল। নিজের দেশের বিরুদ্ধেই; এতটা বিদ্বেষ কেন? যেখানে থাকি খাই; তারই ক্ষতি করার চেষ্টা কেন? বিশ্বের কোন ধর্মই তো; এটা শেখায় না!


অনেকেই তার পোস্টে গিয়ে; প্রতিবাদ করেছেন। এদের মধ্যে যেমন হিন্দুরা আছেন; তেমনই আছেন মুসলিমরাও। “ইসলামের কাজ নিজের দেশ বিরোধী প্রচার নয়”; অনেক মুসলিম মনে করিয়ে দিয়েছেন শেহজাদা শোয়েবকে। অনেকেই রাজ্য পুলিশকে; ট্যাগ করেছেন এই পোস্টে। ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে ভাইরাল হয়েছে; শেহজাদা শোয়েব এর এই পোস্ট ও তার ফেসবুক প্রফাইল। পুলিশ কি কোন ব্যবস্থা নেবে? এটাই এখন মানুষের কাছে বড় প্রশ্ন। দেশবিরোধী লেখা লিখেও; কোন শাস্তি হবে না? পুলিশ এই ব্যাপারে কেন এত উদাসীন? জানতে চায় বাংলার মানুষ।

 #IndiaStandsWithFrance
#IndiaWithFrance
#WeStandWithFrance


পশ্চিমবঙ্গে থেকে ভারতকে বয়কটের ডাক দিলো দেশদ্রোহী মুসলমান শোয়েব !


এও সম্ভব ? আর সম্ভব হলে মনে হয়; বাংলাতেই সম্ভব! বাংলায় থেকে খেয়ে; ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দিল শেহজাদা শোয়েব। ফেসবুকে পোস্ট করে; ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিল; ‘ইসলাম ভক্ত’ শেহজাদা শোয়েব। তার ফেসবুকে পরিষ্কার লেখা; “আল্লাহর নামে জিকির আমার কাজ। আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক”। কি করে ভারতে থেকে একজন; ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দেবার সাহস পায়? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। কেন পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় না? এই প্রশ্নও উঠে এসেছে। এই ধরণের পোস্ট দেওয়া কি দেশদ্রোহীতা নয়?


ফেসবুক পরিচয় থেকে দেখা যাচ্ছে; শেহজাদা শোয়েব হুগলীর ধনেখালির বাসিন্দা। পড়াশোনা করেছে, হুগলীর ধনেখালির শরৎ শতবর্ষ কলেজ থেকে। বরাবর ভারতের বিরুদ্ধে লেখাই; তার কাজ। এবার ফ্রান্সের ঘটনায়; সে সবাইকে অবাক করে; ভারতের পণ্য বয়কট করার ডাক দিল। নিজের দেশের বিরুদ্ধেই; এতটা বিদ্বেষ কেন? যেখানে থাকি খাই; তারই ক্ষতি করার চেষ্টা কেন? বিশ্বের কোন ধর্মই তো; এটা শেখায় না!


অনেকেই তার পোস্টে গিয়ে; প্রতিবাদ করেছেন। এদের মধ্যে যেমন হিন্দুরা আছেন; তেমনই আছেন মুসলিমরাও। “ইসলামের কাজ নিজের দেশ বিরোধী প্রচার নয়”; অনেক মুসলিম মনে করিয়ে দিয়েছেন শেহজাদা শোয়েবকে। অনেকেই রাজ্য পুলিশকে; ট্যাগ করেছেন এই পোস্টে। ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে ভাইরাল হয়েছে; শেহজাদা শোয়েব এর এই পোস্ট ও তার ফেসবুক প্রফাইল। পুলিশ কি কোন ব্যবস্থা নেবে? এটাই এখন মানুষের কাছে বড় প্রশ্ন। দেশবিরোধী লেখা লিখেও; কোন শাস্তি হবে না? পুলিশ এই ব্যাপারে কেন এত উদাসীন? জানতে চায় বাংলার মানুষ।

 #IndiaStandsWithFrance
#IndiaWithFrance
#WeStandWithFrance



ধৰ্মনিরপেক্ষতার প্রমান দেখাতে গিয়ে প্রকাশ্যে গোমাংস ভক্ষণ করা বামপন্থী নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আরো একবার চর্চায় এসেছেন। হিন্দু ধর্ম অনুভূতিতে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের প্রতিবাদী মহা সেকুলার প্রমান করতে কলকাতার রাস্তায় গিলেছিলেন গো-মাংস। সেই সময় বিকাশ বাবু বলেছিলেন, গরিবদের জন্য সহজলভ্য প্রোটিন হলো গো-মাংস। এই ধরনের মন্তব্য ও জঘন্য কাজ হিন্দুদের কতটা আঘাত করে তা অগ্রাহ্য করেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য নিজের প্রোপাগান্ডায় মেতেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উনাকে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়েছিলেন।


এখন আরো একবার বাম নেতাকে নিয়ে একই ধরনের অভিযোগ উঠতে শুরু হয়েছে। আসলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য হিন্দুদের দূর্গাপূজা প্রসঙ্গে অদ্ভুত মন্তব্য করেছেন। ফেসবুকে পোস্ট করে বাম নেতা লিখেছেন, মহিষাসুর কোনো অশুভ শক্তির প্রতীক নন বরং তিনি শহীদ। বাম নেতা তার পোস্টে দাবি করেছেন যে, আর্য সভ্যতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে অনার্য মহিষাসুর খুন হয়েছিলেন। মহিষাসুরকে অন্যায়ভাবে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এর ফেসবুক পোস্টে।



এর ভিত্তিতে একটা বড়ো গল্পও লিখেছেন বিকাশ বাবু। আর এই পোস্ট নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ পূজা দুর্গাপূজাকে নিয়ে নোংরা মিথ্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে এই বামপন্থী নেতার বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজনরা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, কমিউনিস্ট মানেই বাঙালি বিরোধী, কেউ আবার লিখেছেন, দুর্গাপূজার উৎসবকে অর্ধেক বন্ধ করেও শান্তি হয়নি চীনের দালালের।




প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভারতীয়দের একতাকে ভাঙতে ইংরেজরা আর্য অনার্য নামের একটা কনসেপ্ট তৈরি করেছিল। যার মাধ্যমে উত্তর ভারত বনাম দক্ষিণ ভারতে, উচ্চ বর্ন বনাম দক্ষিণ বর্ন ইত্যাদি নানা তথাকথিত ধারণা ভারতীয়দের মনে ঢুকিয়ে একতা বিনষ্ট করা হতো। হিন্দুদের মধ্যে একতা ভাঙার এই নীতিকে বর্তমানেও কিছু রাজনৈতিক দল ব্যাবহার করে। যদিও ইংরেজদের তৈরি আর্য অনার্য কনসেপ্ট যে ভুয়ো তা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে রাখিগাড়ি DNA স্টাডি স্পষ্ট প্রমান করেছে যে আর্য অনার্য ধারণা সম্পূর্ণ মনগড়া একটা গল্প ছাড়া কিছুই নয়।

মহিষাসুর অশুভ শক্তির প্রতীক নন, তাকে অন্যায়ভাবে খুন করা হয়েছিল: বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, বামপন্থী নেতা


ধৰ্মনিরপেক্ষতার প্রমান দেখাতে গিয়ে প্রকাশ্যে গোমাংস ভক্ষণ করা বামপন্থী নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আরো একবার চর্চায় এসেছেন। হিন্দু ধর্ম অনুভূতিতে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের প্রতিবাদী মহা সেকুলার প্রমান করতে কলকাতার রাস্তায় গিলেছিলেন গো-মাংস। সেই সময় বিকাশ বাবু বলেছিলেন, গরিবদের জন্য সহজলভ্য প্রোটিন হলো গো-মাংস। এই ধরনের মন্তব্য ও জঘন্য কাজ হিন্দুদের কতটা আঘাত করে তা অগ্রাহ্য করেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য নিজের প্রোপাগান্ডায় মেতেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উনাকে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়েছিলেন।


এখন আরো একবার বাম নেতাকে নিয়ে একই ধরনের অভিযোগ উঠতে শুরু হয়েছে। আসলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য হিন্দুদের দূর্গাপূজা প্রসঙ্গে অদ্ভুত মন্তব্য করেছেন। ফেসবুকে পোস্ট করে বাম নেতা লিখেছেন, মহিষাসুর কোনো অশুভ শক্তির প্রতীক নন বরং তিনি শহীদ। বাম নেতা তার পোস্টে দাবি করেছেন যে, আর্য সভ্যতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে অনার্য মহিষাসুর খুন হয়েছিলেন। মহিষাসুরকে অন্যায়ভাবে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এর ফেসবুক পোস্টে।



এর ভিত্তিতে একটা বড়ো গল্পও লিখেছেন বিকাশ বাবু। আর এই পোস্ট নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ পূজা দুর্গাপূজাকে নিয়ে নোংরা মিথ্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে এই বামপন্থী নেতার বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজনরা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, কমিউনিস্ট মানেই বাঙালি বিরোধী, কেউ আবার লিখেছেন, দুর্গাপূজার উৎসবকে অর্ধেক বন্ধ করেও শান্তি হয়নি চীনের দালালের।




প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভারতীয়দের একতাকে ভাঙতে ইংরেজরা আর্য অনার্য নামের একটা কনসেপ্ট তৈরি করেছিল। যার মাধ্যমে উত্তর ভারত বনাম দক্ষিণ ভারতে, উচ্চ বর্ন বনাম দক্ষিণ বর্ন ইত্যাদি নানা তথাকথিত ধারণা ভারতীয়দের মনে ঢুকিয়ে একতা বিনষ্ট করা হতো। হিন্দুদের মধ্যে একতা ভাঙার এই নীতিকে বর্তমানেও কিছু রাজনৈতিক দল ব্যাবহার করে। যদিও ইংরেজদের তৈরি আর্য অনার্য কনসেপ্ট যে ভুয়ো তা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে রাখিগাড়ি DNA স্টাডি স্পষ্ট প্রমান করেছে যে আর্য অনার্য ধারণা সম্পূর্ণ মনগড়া একটা গল্প ছাড়া কিছুই নয়।

চীন (China) থেকে করোনা ছড়িয়েছে এই অভিযোগ বিশ্বের অনেক দেশই করেছে। আমেরিকার (United States) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) প্রথম থেকেই করোনা ভাইরাসকে চীনা ভাইরাস বলে এসে জিনপিংয়ের (Xi Jinping) বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন। শুধু আমেরিকাই না, বিশ্বের আরও তাবড় তাবড় দেশ গুলো করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে চীনের বিরুদ্ধে মোর্চা খুলেছে। আর এরমধ্যে বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসবে চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জাহির করতে এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করা হল।




মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে স্বর্গধাম ক্লাবের সার্বজনীন দুর্গাপুজোয় অসুরের যায়গায় জিনপিংয়ের মুণ্ডু লাগানো হয়েছে। মৃৎ শিল্পী অসীম পালের তৈরি এই প্রতিমা এখন সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছে। চারিদিকে হুহু করে ছড়িয়ে পড়ছে স্বর্গধাম ক্লাবের অসুরের ছবি। সবাই এই ছবি দেখে মৃৎ শিল্পীকে ধন্যবাদও জানাচ্ছেন। বাঙালীর দুর্গাপুজোয় থিম পুজো অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। তবে এবার সব থিম পুজোকে ছাপিয়ে বহরমপুর ক্লাবের এই পুজো বেশ নাম কামিয়ে নিয়েছে।




ছবিতে দেখানো হয়েছে যে, মা দুর্গার বাহন সিংহ অসুরের মুণ্ডু ছিঁড়ে খাচ্ছে। অসুরের মুণ্ডু মাটিতে পড়ে রয়েছে। আর সেই মুণ্ডু অবিকল চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মতো। জানিয়ে দিই, শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার কারণেই ভারতীয়রা চীনের উপর ক্ষেপে নেই। চীন তথা জিনপিংয়ের উপর ভারতীয়দের চটে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হল, লাদাখে দুই দেশের মধ্যে কয়েকমাস ধরে সীমান্ত নিয়ে চলা বিবাদ। আর তাঁর জেরেই শিল্পীর শিল্পে এবার জিনপিংয় এবং চীনের বিরুদ্ধে এভাবে ক্ষোভ উগড়ে দেওয়া হয়েছে।



জিনপিংকে অসুর বানিয়ে রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বহরমপুরের দুর্গাপুজো, দেখুন ছবি …


চীন (China) থেকে করোনা ছড়িয়েছে এই অভিযোগ বিশ্বের অনেক দেশই করেছে। আমেরিকার (United States) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) প্রথম থেকেই করোনা ভাইরাসকে চীনা ভাইরাস বলে এসে জিনপিংয়ের (Xi Jinping) বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন। শুধু আমেরিকাই না, বিশ্বের আরও তাবড় তাবড় দেশ গুলো করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে চীনের বিরুদ্ধে মোর্চা খুলেছে। আর এরমধ্যে বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসবে চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জাহির করতে এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করা হল।




মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে স্বর্গধাম ক্লাবের সার্বজনীন দুর্গাপুজোয় অসুরের যায়গায় জিনপিংয়ের মুণ্ডু লাগানো হয়েছে। মৃৎ শিল্পী অসীম পালের তৈরি এই প্রতিমা এখন সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছে। চারিদিকে হুহু করে ছড়িয়ে পড়ছে স্বর্গধাম ক্লাবের অসুরের ছবি। সবাই এই ছবি দেখে মৃৎ শিল্পীকে ধন্যবাদও জানাচ্ছেন। বাঙালীর দুর্গাপুজোয় থিম পুজো অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। তবে এবার সব থিম পুজোকে ছাপিয়ে বহরমপুর ক্লাবের এই পুজো বেশ নাম কামিয়ে নিয়েছে।




ছবিতে দেখানো হয়েছে যে, মা দুর্গার বাহন সিংহ অসুরের মুণ্ডু ছিঁড়ে খাচ্ছে। অসুরের মুণ্ডু মাটিতে পড়ে রয়েছে। আর সেই মুণ্ডু অবিকল চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মতো। জানিয়ে দিই, শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার কারণেই ভারতীয়রা চীনের উপর ক্ষেপে নেই। চীন তথা জিনপিংয়ের উপর ভারতীয়দের চটে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হল, লাদাখে দুই দেশের মধ্যে কয়েকমাস ধরে সীমান্ত নিয়ে চলা বিবাদ। আর তাঁর জেরেই শিল্পীর শিল্পে এবার জিনপিংয় এবং চীনের বিরুদ্ধে এভাবে ক্ষোভ উগড়ে দেওয়া হয়েছে।




বিজেপির রাষ্ট্রীয় মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya) মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) সরকারের উপর বড়সড় আক্রমণ করে বসলেন। উনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর সরকার বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে শুটার ভাড়া করে এনে আমাদের নেতা, কর্মীদের মারছে। উনি বলেন, এটা শুধু অভিযোগই না আমার কাছে প্রমাণও আছে। বিজেপি নেতা বলেন, এই মামলার সিবিআই তদন্ত হলে সমস্ত প্রমাণ পেয়ে যাবেন।


 সরকার বাংলাদেশ থেকে শুটার ভাড়া করে এনে আমাদের নেতা, কর্মীদের মারছে। মমতার সরকার শুটার ডেকে আরও বড় হামলা করতে পারে। মমতা ব্যানার্জী কোভিড ১৯ এর সময় প্রধানমন্ত্রী দ্বারা পাঠানো রেশন খেয়ে নিয়েছেন। তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল পাকায়, বোমা ছোড়ে। মমতার সরকার অন্দর থেকে দুই গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে গিয়েছে।


বিজয়বর্গীয় মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিরোধী বিশেষ করে বিজেপির নেতা, কর্মীদের মারার জন্য বাংলাদেশ থেকে শুটার আনার অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও গত ৮ই অক্টোবর বিজেপি নবান্ন অভিযানে প্রদর্শনকারীদের উপর রাজ্য সরকার দ্বারা রাসায়নিক জলকামান ছোড়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বিজয়বর্গীয় জানান, এই রাসায়নিক যুক্ত জলের কারণে আমাদের অনেক কর্মী অচৈতন্য হয়ে যান।


জানিয়ে দিই, গত বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। এখন অভিযোগ উঠেছে, মিছিল আটকাতে ব্যবহৃত জল কামানের রাসায়নিকে মেশানো হয়েছিল করোনা ভাইরাশের জীবাণু (COVID-19)। যার জন্য বর্তমানে বহু বিজেপি কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।


বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেদিনের নবান্ন অভিযানে পুলিশ বর্বরোচিত নির্যাতন করেছে বিজেপি কর্মীদের উপর। মিছিল আটকাতে জায়গায় জায়গায় কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ এমনকি জল কামানও ব্যবহার করা হয়। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ এসেছে, এই জলকামানে রাসায়নিক কেমিকেল ব্যবহার করাও হয়েছিল। কিন্তু তাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে নবান্ন।

Big Breaking: বিজেপি কর্মীদের মার্ডার করতে বাংলাদেশ থেকে ভাড়া করে শুটার আনছে মমতা সরকার !


বিজেপির রাষ্ট্রীয় মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya) মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) সরকারের উপর বড়সড় আক্রমণ করে বসলেন। উনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর সরকার বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে শুটার ভাড়া করে এনে আমাদের নেতা, কর্মীদের মারছে। উনি বলেন, এটা শুধু অভিযোগই না আমার কাছে প্রমাণও আছে। বিজেপি নেতা বলেন, এই মামলার সিবিআই তদন্ত হলে সমস্ত প্রমাণ পেয়ে যাবেন।


 সরকার বাংলাদেশ থেকে শুটার ভাড়া করে এনে আমাদের নেতা, কর্মীদের মারছে। মমতার সরকার শুটার ডেকে আরও বড় হামলা করতে পারে। মমতা ব্যানার্জী কোভিড ১৯ এর সময় প্রধানমন্ত্রী দ্বারা পাঠানো রেশন খেয়ে নিয়েছেন। তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল পাকায়, বোমা ছোড়ে। মমতার সরকার অন্দর থেকে দুই গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে গিয়েছে।


বিজয়বর্গীয় মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিরোধী বিশেষ করে বিজেপির নেতা, কর্মীদের মারার জন্য বাংলাদেশ থেকে শুটার আনার অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও গত ৮ই অক্টোবর বিজেপি নবান্ন অভিযানে প্রদর্শনকারীদের উপর রাজ্য সরকার দ্বারা রাসায়নিক জলকামান ছোড়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বিজয়বর্গীয় জানান, এই রাসায়নিক যুক্ত জলের কারণে আমাদের অনেক কর্মী অচৈতন্য হয়ে যান।


জানিয়ে দিই, গত বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। এখন অভিযোগ উঠেছে, মিছিল আটকাতে ব্যবহৃত জল কামানের রাসায়নিকে মেশানো হয়েছিল করোনা ভাইরাশের জীবাণু (COVID-19)। যার জন্য বর্তমানে বহু বিজেপি কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।


বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেদিনের নবান্ন অভিযানে পুলিশ বর্বরোচিত নির্যাতন করেছে বিজেপি কর্মীদের উপর। মিছিল আটকাতে জায়গায় জায়গায় কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ এমনকি জল কামানও ব্যবহার করা হয়। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ এসেছে, এই জলকামানে রাসায়নিক কেমিকেল ব্যবহার করাও হয়েছিল। কিন্তু তাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে নবান্ন।


বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য খবরের শিরোনামে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য আরো একবার অদ্ভুত মন্তব্য করে বসেছেন। আসলে বিজেপি নবান্ন চলো অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যে থেকে শুরু করে পুরো দেশে রাজনীতি তুঙ্গে। পুলিশ দ্বারা যেভাবে বিরোধী দলকে দমন করা হয়েছে তার সমালোচনা জোরদার হচ্ছে।


বিজেপি অভিযোগ তুলেছে যে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলন দমন করেছে। পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যাবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য এমন মন্তব্য করেছেন যা রাজনৈতিক বিদ্বেষকে উস্কানি দিয়েছে।


দেবাংশু ভট্টাচার্য এক সভায় উস্কানি মূলক মন্তব্য করেছেন। পার্টির মুখপাত্র হয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেছেন, নবান্ন অভিযানের সময় কলকাতা পুলিশ কেমন ৪, ৬ মেরেছেন দেখেছেন তো? মজা পেয়েছেন তো? নবান্ন দখল করতে গেছিল, ভোটে জিতে নবান্ন দখল করবে না, ব্যারিকেট ভেঙে নবান্ন দখল করবে।




দেবাংশু ভট্টাচার্য ৪,৬ মারার অর্থে পুলিশের লাঠিচার্জকে বলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র এর এমন মন্তব্য যে রাজনৈতিক হিংসাকে আরো উস্কানি দেবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুনো খুনি চরম পর্যায়ে রয়েছে। তার উপর নেতাদের এহেন মন্তব্য রাজ্যের রাজনীতিকে আরো বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিজেপির নবান্ন অভিযানে মার খেতে দেখে খুব মজা পেয়েছি। বললেন দেবাংশু ভট্টাচার্য


বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য খবরের শিরোনামে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য আরো একবার অদ্ভুত মন্তব্য করে বসেছেন। আসলে বিজেপি নবান্ন চলো অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যে থেকে শুরু করে পুরো দেশে রাজনীতি তুঙ্গে। পুলিশ দ্বারা যেভাবে বিরোধী দলকে দমন করা হয়েছে তার সমালোচনা জোরদার হচ্ছে।


বিজেপি অভিযোগ তুলেছে যে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলন দমন করেছে। পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যাবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য এমন মন্তব্য করেছেন যা রাজনৈতিক বিদ্বেষকে উস্কানি দিয়েছে।


দেবাংশু ভট্টাচার্য এক সভায় উস্কানি মূলক মন্তব্য করেছেন। পার্টির মুখপাত্র হয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেছেন, নবান্ন অভিযানের সময় কলকাতা পুলিশ কেমন ৪, ৬ মেরেছেন দেখেছেন তো? মজা পেয়েছেন তো? নবান্ন দখল করতে গেছিল, ভোটে জিতে নবান্ন দখল করবে না, ব্যারিকেট ভেঙে নবান্ন দখল করবে।




দেবাংশু ভট্টাচার্য ৪,৬ মারার অর্থে পুলিশের লাঠিচার্জকে বলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র এর এমন মন্তব্য যে রাজনৈতিক হিংসাকে আরো উস্কানি দেবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুনো খুনি চরম পর্যায়ে রয়েছে। তার উপর নেতাদের এহেন মন্তব্য রাজ্যের রাজনীতিকে আরো বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তৃণমূল (All India Trinamool Congress) বিধায়কের প্রতিবাদী মিছিলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত গতিতে ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে। ওই মিছিলে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান দিতে দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তৃণমূল বিধায়কের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। উল্লেখ্য, বিজেপির এক কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেছেন যে, পূর্ব বর্ধমানের কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু নিজে এই দেশ বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।


উল্লেখ্য, তৃণমূলের তরফ থেকে এই মিছিলে বিজেপির বিরুদ্ধে করা হয়েছিল। সেই মিছিলে বিজেপির সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়ার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই মিছিল থেকে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিজেপির বিরোধিতা করতে হলে যে দেশ বিরোধী স্লোগান দিতে হবে সেটা তো হতে পারেনা।




তৃণমূলের শুধু এই মিছিলের ভিডিও দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। এর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় হাথরসের ধর্ষণ কাণ্ডের বিরোধিতায় বের করা তৃণমূলের মিছিলে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে বিতর্ক ছড়ায়। ওই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সোমেন মহাপাত্র। যদিও তিনি বাজনার আওয়াজ কানে পেতেই সেটিকে বন্ধ করিয়ে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই মিছিলটি হাথরসের কাণ্ডের প্রতিবাদ সহ কেন্দ্রের কৃষি বিলের প্রতিবাদেও ডাকা হয়েছিল।

এছাড়াও এর আগে কেন্দ্রের নতুন কৃষি বিলের প্রতিবাদে রমণী নিয়ে ডিজেতে চটুল গান বাজিয়ে নাচ করা তৃণমূল কর্মীদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। জানা গিয়েছিল যে, ওই ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘটেছিল। যদিও পড়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ওই ঘটনা নিয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।


বিজেপি বিরোধী মিছিলে তৃণমূল বিধায়কের গলায় ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান! ভাইরাল সেই ভিডিও


তৃণমূল (All India Trinamool Congress) বিধায়কের প্রতিবাদী মিছিলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত গতিতে ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে। ওই মিছিলে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান দিতে দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তৃণমূল বিধায়কের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। উল্লেখ্য, বিজেপির এক কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেছেন যে, পূর্ব বর্ধমানের কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু নিজে এই দেশ বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।


উল্লেখ্য, তৃণমূলের তরফ থেকে এই মিছিলে বিজেপির বিরুদ্ধে করা হয়েছিল। সেই মিছিলে বিজেপির সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়ার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই মিছিল থেকে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিজেপির বিরোধিতা করতে হলে যে দেশ বিরোধী স্লোগান দিতে হবে সেটা তো হতে পারেনা।




তৃণমূলের শুধু এই মিছিলের ভিডিও দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। এর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় হাথরসের ধর্ষণ কাণ্ডের বিরোধিতায় বের করা তৃণমূলের মিছিলে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে বিতর্ক ছড়ায়। ওই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সোমেন মহাপাত্র। যদিও তিনি বাজনার আওয়াজ কানে পেতেই সেটিকে বন্ধ করিয়ে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই মিছিলটি হাথরসের কাণ্ডের প্রতিবাদ সহ কেন্দ্রের কৃষি বিলের প্রতিবাদেও ডাকা হয়েছিল।

এছাড়াও এর আগে কেন্দ্রের নতুন কৃষি বিলের প্রতিবাদে রমণী নিয়ে ডিজেতে চটুল গান বাজিয়ে নাচ করা তৃণমূল কর্মীদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। জানা গিয়েছিল যে, ওই ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘটেছিল। যদিও পড়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ওই ঘটনা নিয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।



আজকে বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রর চেহারা নিয়েছে হাওড়া ময়দান। বিজেপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে পুলিশ তাঁদের উপর বর্বরের মতো হামলা করেছে। আরেকদিকে পুলিশ জানিয়েছে যে, বিজেপির মিছিল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বিজেপির দাবি অনুযায়ী, মিছিল শান্তিপূর্ণই চলছিল কিন্তু পুলিশ আর গুন্ডারা বিজেপির মিছিলে বোমাবাজি করে। যদিও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে পুলিশ।



আরেকদিকে, রঙ ভরে জলকামান চালানয় বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে সাঁতরাগাছিতে র‍্যাফ বিজেপির মিছিল দমন করার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁদের উদ্দেশ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়ছে বিজেপির কর্মীরা।






ছাদ থেকে বিজেপির মিছিলে বোমা ছুঁড়ছে পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে দাবি কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র


আজকে বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রর চেহারা নিয়েছে হাওড়া ময়দান। বিজেপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে পুলিশ তাঁদের উপর বর্বরের মতো হামলা করেছে। আরেকদিকে পুলিশ জানিয়েছে যে, বিজেপির মিছিল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বিজেপির দাবি অনুযায়ী, মিছিল শান্তিপূর্ণই চলছিল কিন্তু পুলিশ আর গুন্ডারা বিজেপির মিছিলে বোমাবাজি করে। যদিও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে পুলিশ।



আরেকদিকে, রঙ ভরে জলকামান চালানয় বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে সাঁতরাগাছিতে র‍্যাফ বিজেপির মিছিল দমন করার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁদের উদ্দেশ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়ছে বিজেপির কর্মীরা।







পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অত্যাচার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। একটি ট্যুইট করে রাজ্যে বেড়ে চলা মহিলাদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান জারি করেন তিনি। এরপরেই চিরাচরিত ভাবে আবারও রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত চোখে পড়ে। রাজ্যপালের ধর্ষণের তথ্যের খণ্ডন করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর জানায়, ওনার পরিসংখ্যানে রয়েছে অসংগতি। আরেকদিকে, রাজ্যপাল পাল্টা দিয়ে বলেন, রাজ্যে ধর্ষণ ও অপহরণের পরিসংখ্যান রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকেই ওনাকে পাঠানো হয়েছিল।



মঙ্গলবার রাজ্যপাল একটি ট্যুইট করে ২০২০ এর আগস্ট মাসে রাজ্যে ধর্ষণ আর অপহরণের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, উনি জানান, আগস্ট মাসে রাজ্যে মোট ২২৩ টি ধর্ষণ আর ৬৩৯ টি অপহরণের মামলা ঘটেছে। তিনি রাজ্যে মহিলাদের উপর বেড়ে চলা অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।



রাজ্যপালের পরিসংখ্যান পেশ করার পর রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় যে, রাজ্যপাল যেই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন, সেটি বিভ্রান্তিকর। এটি কোনও অফিসিয়াল পরিসংখ্যান অথবা রিপোর্টের ভিত্তিতে দেওয়া হয়নি। এখানে অনেক ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে।



রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের পাল্টা জবাব দেন রাজ্যপাল ধনখড়। উনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যে অবাক হচ্ছি। ওনার উচিৎ ক্ষমা চেয়ে এই তথ্য সংশোধন করে নেওয়া। আমি নিজে থেকে কোনও রিপোর্ট বানাই নি। আমাকে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে আগস্ট মাসে ২২৩ টি ধর্ষণ আর ৬৩৯ টি অপহরণের রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল।



উনি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া বার্তা দিয়ে তথ্য প্রত্যাহার করার দাবি জানান। উনি বলেন, রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর এরকম অসত্য তথ্য প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ডিজিপি।

শুধুমাত্র আগস্টেই রাজ্যে ২২৩ টি ধর্ষণ! রাজ্যপালের ট্যুইটের পর রাজ্য বলল এসব ভুয়ো তথ্য


পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অত্যাচার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। একটি ট্যুইট করে রাজ্যে বেড়ে চলা মহিলাদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান জারি করেন তিনি। এরপরেই চিরাচরিত ভাবে আবারও রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত চোখে পড়ে। রাজ্যপালের ধর্ষণের তথ্যের খণ্ডন করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর জানায়, ওনার পরিসংখ্যানে রয়েছে অসংগতি। আরেকদিকে, রাজ্যপাল পাল্টা দিয়ে বলেন, রাজ্যে ধর্ষণ ও অপহরণের পরিসংখ্যান রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকেই ওনাকে পাঠানো হয়েছিল।



মঙ্গলবার রাজ্যপাল একটি ট্যুইট করে ২০২০ এর আগস্ট মাসে রাজ্যে ধর্ষণ আর অপহরণের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, উনি জানান, আগস্ট মাসে রাজ্যে মোট ২২৩ টি ধর্ষণ আর ৬৩৯ টি অপহরণের মামলা ঘটেছে। তিনি রাজ্যে মহিলাদের উপর বেড়ে চলা অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।



রাজ্যপালের পরিসংখ্যান পেশ করার পর রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় যে, রাজ্যপাল যেই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন, সেটি বিভ্রান্তিকর। এটি কোনও অফিসিয়াল পরিসংখ্যান অথবা রিপোর্টের ভিত্তিতে দেওয়া হয়নি। এখানে অনেক ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে।



রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের পাল্টা জবাব দেন রাজ্যপাল ধনখড়। উনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যে অবাক হচ্ছি। ওনার উচিৎ ক্ষমা চেয়ে এই তথ্য সংশোধন করে নেওয়া। আমি নিজে থেকে কোনও রিপোর্ট বানাই নি। আমাকে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে আগস্ট মাসে ২২৩ টি ধর্ষণ আর ৬৩৯ টি অপহরণের রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল।



উনি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া বার্তা দিয়ে তথ্য প্রত্যাহার করার দাবি জানান। উনি বলেন, রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর এরকম অসত্য তথ্য প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ডিজিপি।

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিবিলের সমর্থনে গত দুদিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দাপিয়ে বেড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। শনিবারের পর রবিবার সকালেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নাতে মিছিল ও সভা করেন দিলীপ ঘোষ।


এদিন সংবাদিকরা প্রশ্ন করেন রাজ্য সরকারের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখন কেন সেইভাবে দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন না? তাহলে কি বিজেপিতে যোগদান করছেন?

সাংবাদিকদের সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের দরজা বড় করে রেখেছি সবার জন্য৷ যে আসতে চাইবে তাঁকে স্যানিটাইজ করে নেবো।”

সম্প্রতি রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ফলে তিনি দলে থাকবেন না, বিজেপি বা অন্যকোনও দলে যোগদান করবে তা নিয়ে রাজ্যের মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে।


রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিক পথ কোন দিকে গোড়ায় তা দেখার অপেক্ষায় রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি এদিন তিনি আরও বলেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনে প্রচার করেছিল ২০১৯ বিজেপি ফিনিশ। আমি দিদিকে বলেছিলাম ২০১৯ বিজেপি কি জিনিস তা ২১ শে আবার জানতে পারবেন।


অন্যদিকে রবিবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর সঙ্গে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দেওয়া হয়েছে। এদিন ময়না যাওয়ার আগে তমলুকে প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়েছিলেন তিনি।

তারপর রূপনারায়ণ নদীর কাছে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিতে গেলে কালো পতাকার সম্মুখীন হন। তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগানও তোলেন তৃণমূল কর্মীরা। পালটা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। কিছুক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।


এরপর চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যকে আক্রমণ করেন তিনি। তমলুকের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলাম। সেখানে যদি কেউ কালো পতাকা দেখায় তাহলে ভাবতে হবে তাঁর মাথার ঠিক নেই। সরকার নেই, দল নেই তাই মুখ্যমন্ত্রীর মাথার ঠিক নেই, তাঁর ভাইদের কী হবে? যাদের দোকান উঠে যাচ্ছে তারা চেঁচামেচি করছে। যাদের মুখ কালো হয়ে যায় তাঁরা কালো পতাকাই দেখায়।”

কৃষি বিলের সমর্থনে শনিবার খড়গপুরে একটি সভা করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।সেখানে পুলিশকে কদর্য আক্রমণ করেছিলেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে কর্মীদের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। দলের চুনোপুঁটিদের ভয় দেখিয়ে ভাঙিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।


ওই ভাড়াটে সেনা দিয়ে হবে না। কার্যকর্তাদের বুকে আগুন জ্বলছে। ওই পুলিশ, ওই গুন্ডার মুখে প্রস্রাব করে দিই আমরা।” এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।


‘দরজা বড় করে রেখেছি’, শুভেন্দুকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য দিলীপের


কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিবিলের সমর্থনে গত দুদিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দাপিয়ে বেড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। শনিবারের পর রবিবার সকালেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নাতে মিছিল ও সভা করেন দিলীপ ঘোষ।


এদিন সংবাদিকরা প্রশ্ন করেন রাজ্য সরকারের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখন কেন সেইভাবে দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন না? তাহলে কি বিজেপিতে যোগদান করছেন?

সাংবাদিকদের সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের দরজা বড় করে রেখেছি সবার জন্য৷ যে আসতে চাইবে তাঁকে স্যানিটাইজ করে নেবো।”

সম্প্রতি রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ফলে তিনি দলে থাকবেন না, বিজেপি বা অন্যকোনও দলে যোগদান করবে তা নিয়ে রাজ্যের মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে।


রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিক পথ কোন দিকে গোড়ায় তা দেখার অপেক্ষায় রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি এদিন তিনি আরও বলেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনে প্রচার করেছিল ২০১৯ বিজেপি ফিনিশ। আমি দিদিকে বলেছিলাম ২০১৯ বিজেপি কি জিনিস তা ২১ শে আবার জানতে পারবেন।


অন্যদিকে রবিবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর সঙ্গে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দেওয়া হয়েছে। এদিন ময়না যাওয়ার আগে তমলুকে প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়েছিলেন তিনি।

তারপর রূপনারায়ণ নদীর কাছে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিতে গেলে কালো পতাকার সম্মুখীন হন। তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগানও তোলেন তৃণমূল কর্মীরা। পালটা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। কিছুক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।


এরপর চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যকে আক্রমণ করেন তিনি। তমলুকের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলাম। সেখানে যদি কেউ কালো পতাকা দেখায় তাহলে ভাবতে হবে তাঁর মাথার ঠিক নেই। সরকার নেই, দল নেই তাই মুখ্যমন্ত্রীর মাথার ঠিক নেই, তাঁর ভাইদের কী হবে? যাদের দোকান উঠে যাচ্ছে তারা চেঁচামেচি করছে। যাদের মুখ কালো হয়ে যায় তাঁরা কালো পতাকাই দেখায়।”

কৃষি বিলের সমর্থনে শনিবার খড়গপুরে একটি সভা করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।সেখানে পুলিশকে কদর্য আক্রমণ করেছিলেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে কর্মীদের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। দলের চুনোপুঁটিদের ভয় দেখিয়ে ভাঙিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।


ওই ভাড়াটে সেনা দিয়ে হবে না। কার্যকর্তাদের বুকে আগুন জ্বলছে। ওই পুলিশ, ওই গুন্ডার মুখে প্রস্রাব করে দিই আমরা।” এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।