উল্লেখ্য, দুদিন আগে ডায়মন্ড হারবারে নিজেদের কার্যক্রমে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ওনার সাথে ওনার কনভয়ে ছিলেন বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয় আর বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সমেত অনেক নেতা কর্মীরা। সেই সময় নাড্ডার কনভয়ে হা’ম’লা হয়। আর এই ঘটনার জন্য বিজেপি তৃণমূলকে দায়ি করে। এই ঘটনায় কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছাড়াও বিজেপির অনেক নেতা কর্মী আ’হ’ত হন।
ইন্দোরে আন্দোলনরত বিজয়বর্গীয়র সমর্থকরা বলেন, বিজেপি এখন বাংলায় ভালো শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আর সেটাতেই ভয় পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ভয়ে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করছে। তাঁরা জানায়, সেই কারণেই তাঁরা এহেন প্রতিবাদ করছে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাস্তার মধ্যে লাগিয়ে ওনাকে অপমান করা হচ্ছে।
বিজেপির এক নেতা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিংসাত্মক মনোভাবের বিরোধিতা করার জন্যই এরকম প্রতিবাদ করছি আমরা। আমাদের তরফ থেকে কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি হল, মমতা সরকারকে বরখাস্ত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক আর মহাসচিব বিজয়বর্গীয়কে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া হোক।
