Top Ad

middle ad
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
এই সময়: দাবানলের লেলিহান শিখায় জ্বলছে গ্রিস। একই ছবি তুরস্ক, ইতালি রাশিয়া, ক্যালিফোর্নিয়াতেও। সম্প্রতি 'হিট ডোম' (Hit Dome) বা উত্তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল আমেরিকা ও কানাডার একাংশ, যা প্রাণ কেড়েছে সাতশোরও বেশি মানুষের। প্রবল বৃষ্টি-বন্যায় ক'দিন আগেই ধুয়ে-মুছে গিয়েছে জাপানের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল। পৃথিবীর নানা প্রান্ত একই সঙ্গে বিবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি- এ সব কি নিছকই সমাপতন? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট কিন্তু বলছে, মোটেই না। মানুষের বিধ্বংসী কার্যকলাপে যে ভাবে () বাড়ছে, তাতে এটাই পৃথিবীর নিউ নর্মাল! অর্থাৎ, প্রবল তাপপ্রবাহ, বিধ্বংসী আগুন বা বিপর্যয়কারী বন্যা- যা এতকাল ১০ বা ৫০ বছরে একবার ঘটত, সেই ঘটনাগুলোই এখন ঘটবে বারবার, হয়তো বছরে একাধিকবার! মানুষ এখনই সংযত না-হলে ধ্বংসের আর বেশি বাকি নেই। বিশ্বের প্রতিটি এলাকার জলবায়ু () নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সোমবার ১৯৫টি সদস্য দেশকে নিয়ে বৈঠকে ষষ্ঠ রিপোর্টটি পেশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সংক্রান্ত আন্তঃরাষ্ট্র প্যানেল (আইপিসিসি)। আর সেই রিপোর্টের প্রতি পদে পদে বিপদবার্তা! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ইতিমধ্যেই উষ্ণায়নের প্রভাব বোঝাতে শুরু করে দিয়েছে। অবিলম্বে সব ক'টি দেশ যদি কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিন গ্যাস নির্গমনে রাশ টানে, তা হলেও পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে প্রায় ২০-৩০ বছর! আর সমুদ্রের যে জলস্তর ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে, তা কমানোর উপায় নেই, তবে নতুন করে জলস্তর বৃদ্ধি রোখা সম্ভব। কিন্তু সেটাও এখনই সব দেশ একসঙ্গে সচেতন হলে। না-হলে অবিলম্বেই নেমে আসবে বিপর্যয়, যা থেকে কোনও দেশই রক্ষা পাবে না। যা দেখে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেসের উক্তি, 'সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য এটা লাল সতর্কবার্তা'! কিন্তু এতেও কি সতর্ক হবে মানুষ? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এত বৈঠক, সম্মেলনের পরও দেশগুলি নিজেদের কার্বন নির্গমনে তেমন রাশ টানতে পারেনি বলেই পৃথিবীর তাপমাত্রা হু হু করে চড়ছে। ২০১৮-এর ক্লাইমেট সামিটে বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমনে রাশ না-টানতে পারলে ২০৪০-এর মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ২০৩০-এর মধ্যেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলা যাবে! সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির পরিসংখ্যানও ততধিক চিন্তার। ১৯০১-১৯৭১ সাল অবধি প্রতি বছর সমুদ্রের জলতল বাড়ত গড়ে ১.৩ মিলিমিটার, আর ২০০৬ থেকে ২০১৮-এর মধ্যে সেটা বেড়ে হয়েছে বছরে ৩.৭ মিলিমিটার! রাষ্ট্রপুঞ্জের এই রিপোর্টে সতর্কবার্তা রয়েছে ভারতের জন্যও। রিপোর্ট বলছে, উষ্ণায়নের জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন বৃষ্টি বাড়বে। সবচেয়ে বড় কথা, সেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ঠিক ভাবে দেওয়া সব সময় সম্ভব হবে না। বদলে যেতে পারে বর্ষার চরিত্রও। সেই সঙ্গে হিমালয়ে বরফের গলন বাড়বে, যার প্রভাবে হতে পারে বন্যা। এমনিতে সামগ্রিক ভাবেই ১৯৫০-এর পর থেকে তাপপ্রবাহের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েছে, সেই তুলনায় কমেছে শৈত্যপ্রবাহ। শহরাঞ্চলে জলাশয় আর সবুজের আচ্ছাদন কমছে, বদলে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। আর সেই কংক্রিটের জঙ্গলে উত্তাপ আটকা পড়ে এক একটি শহর হয়ে উঠছে উষ্ণায়নের এক একটি হটস্পট! রিপোর্ট বলছে, এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ই সংখ্যায় ও প্রাবল্যে আরও বাড়বে। আর তা একটি অঞ্চলে আটকে না-থেকে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের নানা প্রান্তে! বাঁচার কি তা হলে কোনও উপায় নেই? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এই শতক শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতিকে বেঁধে ফেলা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য প্রতিটি দেশকে বিপুল ভাবে কার্বন ও গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে গ্লাসগোয় রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠক। সেখানে ১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে ভারতও। প্রতিটি দেশ ব্যাপকহারে নির্গমন কমাতে রাজি হলে খুব দ্রুত এয়ার কোয়ালিটি উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু সব ক'টি দেশকে একমত করার কাজ কি এতটা সহজ হবে? রিপোর্টে লাল সতর্কবার্তা কার্বন নির্গমনে নাশ না-টানায় ব্যাপক হারে বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে ২০৩০-এর মধ্যেই শৈত্যপ্রবাহ কমে বাড়ছে তাপপ্রবাহ বেড়েই চলেছে সমুদ্রের জলস্তর সবুজ এবং জলাশয় কমায় শহরগুলি পরিণত হয়েছে উষ্ণায়নের হটস্পটে এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সংখ্যা ও ধ্বংসলীলা বাড়বে একই সঙ্গে এক দেশে বন্যা, অন্য দেশে খরা অস্বাভাবিক নয়


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AqmTCo
https://ift.tt/3iz111t
শিয়রে বিপদ! তাপপ্রবাহ-বন্যা-দাবানলই নিউ নর্মাল

শিয়রে বিপদ! তাপপ্রবাহ-বন্যা-দাবানলই নিউ নর্মাল

এই সময়: দাবানলের লেলিহান শিখায় জ্বলছে গ্রিস। একই ছবি তুরস্ক, ইতালি রাশিয়া, ক্যালিফোর্নিয়াতেও। সম্প্রতি 'হিট ডোম' (Hit Dome) বা উত্তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল আমেরিকা ও কানাডার একাংশ, যা প্রাণ কেড়েছে সাতশোরও বেশি মানুষের। প্রবল বৃষ্টি-বন্যায় ক'দিন আগেই ধুয়ে-মুছে গিয়েছে জাপানের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল। পৃথিবীর নানা প্রান্ত একই সঙ্গে বিবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি- এ সব কি নিছকই সমাপতন? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট কিন্তু বলছে, মোটেই না। মানুষের বিধ্বংসী কার্যকলাপে যে ভাবে () বাড়ছে, তাতে এটাই পৃথিবীর নিউ নর্মাল! অর্থাৎ, প্রবল তাপপ্রবাহ, বিধ্বংসী আগুন বা বিপর্যয়কারী বন্যা- যা এতকাল ১০ বা ৫০ বছরে একবার ঘটত, সেই ঘটনাগুলোই এখন ঘটবে বারবার, হয়তো বছরে একাধিকবার! মানুষ এখনই সংযত না-হলে ধ্বংসের আর বেশি বাকি নেই। বিশ্বের প্রতিটি এলাকার জলবায়ু () নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সোমবার ১৯৫টি সদস্য দেশকে নিয়ে বৈঠকে ষষ্ঠ রিপোর্টটি পেশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সংক্রান্ত আন্তঃরাষ্ট্র প্যানেল (আইপিসিসি)। আর সেই রিপোর্টের প্রতি পদে পদে বিপদবার্তা! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ইতিমধ্যেই উষ্ণায়নের প্রভাব বোঝাতে শুরু করে দিয়েছে। অবিলম্বে সব ক'টি দেশ যদি কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিন গ্যাস নির্গমনে রাশ টানে, তা হলেও পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে প্রায় ২০-৩০ বছর! আর সমুদ্রের যে জলস্তর ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে, তা কমানোর উপায় নেই, তবে নতুন করে জলস্তর বৃদ্ধি রোখা সম্ভব। কিন্তু সেটাও এখনই সব দেশ একসঙ্গে সচেতন হলে। না-হলে অবিলম্বেই নেমে আসবে বিপর্যয়, যা থেকে কোনও দেশই রক্ষা পাবে না। যা দেখে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেসের উক্তি, 'সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য এটা লাল সতর্কবার্তা'! কিন্তু এতেও কি সতর্ক হবে মানুষ? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এত বৈঠক, সম্মেলনের পরও দেশগুলি নিজেদের কার্বন নির্গমনে তেমন রাশ টানতে পারেনি বলেই পৃথিবীর তাপমাত্রা হু হু করে চড়ছে। ২০১৮-এর ক্লাইমেট সামিটে বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমনে রাশ না-টানতে পারলে ২০৪০-এর মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ২০৩০-এর মধ্যেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলা যাবে! সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির পরিসংখ্যানও ততধিক চিন্তার। ১৯০১-১৯৭১ সাল অবধি প্রতি বছর সমুদ্রের জলতল বাড়ত গড়ে ১.৩ মিলিমিটার, আর ২০০৬ থেকে ২০১৮-এর মধ্যে সেটা বেড়ে হয়েছে বছরে ৩.৭ মিলিমিটার! রাষ্ট্রপুঞ্জের এই রিপোর্টে সতর্কবার্তা রয়েছে ভারতের জন্যও। রিপোর্ট বলছে, উষ্ণায়নের জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন বৃষ্টি বাড়বে। সবচেয়ে বড় কথা, সেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ঠিক ভাবে দেওয়া সব সময় সম্ভব হবে না। বদলে যেতে পারে বর্ষার চরিত্রও। সেই সঙ্গে হিমালয়ে বরফের গলন বাড়বে, যার প্রভাবে হতে পারে বন্যা। এমনিতে সামগ্রিক ভাবেই ১৯৫০-এর পর থেকে তাপপ্রবাহের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েছে, সেই তুলনায় কমেছে শৈত্যপ্রবাহ। শহরাঞ্চলে জলাশয় আর সবুজের আচ্ছাদন কমছে, বদলে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। আর সেই কংক্রিটের জঙ্গলে উত্তাপ আটকা পড়ে এক একটি শহর হয়ে উঠছে উষ্ণায়নের এক একটি হটস্পট! রিপোর্ট বলছে, এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ই সংখ্যায় ও প্রাবল্যে আরও বাড়বে। আর তা একটি অঞ্চলে আটকে না-থেকে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের নানা প্রান্তে! বাঁচার কি তা হলে কোনও উপায় নেই? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এই শতক শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতিকে বেঁধে ফেলা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য প্রতিটি দেশকে বিপুল ভাবে কার্বন ও গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে গ্লাসগোয় রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠক। সেখানে ১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে ভারতও। প্রতিটি দেশ ব্যাপকহারে নির্গমন কমাতে রাজি হলে খুব দ্রুত এয়ার কোয়ালিটি উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু সব ক'টি দেশকে একমত করার কাজ কি এতটা সহজ হবে? রিপোর্টে লাল সতর্কবার্তা কার্বন নির্গমনে নাশ না-টানায় ব্যাপক হারে বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে ২০৩০-এর মধ্যেই শৈত্যপ্রবাহ কমে বাড়ছে তাপপ্রবাহ বেড়েই চলেছে সমুদ্রের জলস্তর সবুজ এবং জলাশয় কমায় শহরগুলি পরিণত হয়েছে উষ্ণায়নের হটস্পটে এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সংখ্যা ও ধ্বংসলীলা বাড়বে একই সঙ্গে এক দেশে বন্যা, অন্য দেশে খরা অস্বাভাবিক নয়


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AqmTCo
https://ift.tt/3iz111t
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবানরা (Taliban) দখল করছে একের পর এক শহর। এরমধ্যেই ছ'টি প্রদেশিক রাজধানী তাঁরা দখল করে নিয়েছে। সোমবারও একটি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করেছে তাঁরা। তালিবানদের থেকে বাঁচতে হাজার হাজার আফগান পরিবার রাজধানী কাবুলে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই রাস্তায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এর আগে তালিবানরা কুন্দুজ, তাখার, জোজান, সার-ই-পোল এবং নিমরুজ দখল করে। এছাড়াও, হেরাত, কান্দাহার এবং হেলমান্দ প্রদেশে সেনা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে এই তালিবানরা। এই শহরগুলিকেও দখল করতে চাইছে সশস্ত্র সংগঠনটি। বিভিন্ন স্থানীয় আফগান সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, প্রচণ্ড লড়াইয়ের জেরে হাজার হাজার পরিবার কুন্দুজ, কান্দাহার, নিমরোজ, তখর এবং বাগলান প্রদেশ থেকে কাবুলে পালিয়ে এসেছে। কাবুলের সর-এ-শামালি এবং খাইরখানা এলাকায় ক্যাম্প করে থাকতে শুরু করেছে এই পালিয়ে আসা আশ্রয়হীন মানুষেরা। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কুন্দুজ প্রদেশের কয়েকশ ঘরছাড়া মানুষ কাবুলের পুলিশ জেলা ১৫-এর একটি পার্কে থাকতে শুরু করেছে। শিশু, বয়স্ক এবং আহত লোকজনও সেই পার্কে রয়েছে। আফগান সরকার এখনও তাঁদেরকে খাবার বা আশ্রয় দেয়নি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষেরা তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার কাজ করছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। যুদ্ধের কারণে এদের মৌলিক সুযোগ -সুবিধা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। জানানো হয়েছে, গত পাঁচ মাসে প্রায় ৭৫,০০০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। প্রসঙ্গত, থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3iz9dPt
https://ift.tt/3jH2lyB
আফগানিস্তানে তালিবানি তাণ্ডব! কাবুলে আশ্রয় নিচ্ছে হাজার হাজার পরিবার

আফগানিস্তানে তালিবানি তাণ্ডব! কাবুলে আশ্রয় নিচ্ছে হাজার হাজার পরিবার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবানরা (Taliban) দখল করছে একের পর এক শহর। এরমধ্যেই ছ'টি প্রদেশিক রাজধানী তাঁরা দখল করে নিয়েছে। সোমবারও একটি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করেছে তাঁরা। তালিবানদের থেকে বাঁচতে হাজার হাজার আফগান পরিবার রাজধানী কাবুলে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই রাস্তায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এর আগে তালিবানরা কুন্দুজ, তাখার, জোজান, সার-ই-পোল এবং নিমরুজ দখল করে। এছাড়াও, হেরাত, কান্দাহার এবং হেলমান্দ প্রদেশে সেনা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে এই তালিবানরা। এই শহরগুলিকেও দখল করতে চাইছে সশস্ত্র সংগঠনটি। বিভিন্ন স্থানীয় আফগান সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, প্রচণ্ড লড়াইয়ের জেরে হাজার হাজার পরিবার কুন্দুজ, কান্দাহার, নিমরোজ, তখর এবং বাগলান প্রদেশ থেকে কাবুলে পালিয়ে এসেছে। কাবুলের সর-এ-শামালি এবং খাইরখানা এলাকায় ক্যাম্প করে থাকতে শুরু করেছে এই পালিয়ে আসা আশ্রয়হীন মানুষেরা। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কুন্দুজ প্রদেশের কয়েকশ ঘরছাড়া মানুষ কাবুলের পুলিশ জেলা ১৫-এর একটি পার্কে থাকতে শুরু করেছে। শিশু, বয়স্ক এবং আহত লোকজনও সেই পার্কে রয়েছে। আফগান সরকার এখনও তাঁদেরকে খাবার বা আশ্রয় দেয়নি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষেরা তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার কাজ করছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। যুদ্ধের কারণে এদের মৌলিক সুযোগ -সুবিধা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। জানানো হয়েছে, গত পাঁচ মাসে প্রায় ৭৫,০০০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। প্রসঙ্গত, থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3iz9dPt
https://ift.tt/3jH2lyB
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হল না লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। যার জেরে সোমবার দুপুরে ব্যাপক যানজটের চিত্র দেখল ব্রিটেনের রাজধানী। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল গাড়ি। পথচারীরাও সঠিক সময়ে নদী পারাপার করতে না পেরে বিপাকে পড়েন এদিন। পুলিশের তরফ থেকে টুইট করে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ওই সেতু খোলার পর তা আটকে যায়। ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে ওই বাসকুল ব্রিজের একাধিক ভিডিয়ো এবং ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে এদিন কী ভাবে ওই ব্রিজটি আটকে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, একটি উঁচু জাহাজ পাস করার জন্য ব্রিজটি খোলা হয়েছিল। তারপর থেকেই আর বন্ধ লাগছিল না ওই সেতুটি। এই ধরনের সেতুকে সাধারণত সম পরিমাণ ভর ব্যবহার করে মাঝামাঝি ওঠানো কিংবা নামানো হয়ে থাকে। টাওয়ার ব্রিজ ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, লন্ডনের এই বাসকুল ব্রিজটি বছরে প্রায় ৮০০ বার খোলা হয়। তাহলে আচমকা কেন আটকে গেল ব্রিজ? প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। যদিও ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ। এদিন বারবার লন্ডন পুলিশের তরফ থেকে ঘোষণা করে বলা হয় ওই রাস্তা না ব্যবহার করার জন্য। উল্লেখ্য, ১৮৯৪ সালে থেমস নদীর উপর ওই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। প্রথমদিকে বাষ্প ব্যবহার করেই ওঠানো-নামানো হতো ব্রিজটি। পরে তেল এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ দ্বারা অপারেট করা হয় জনপ্রিয় সেতুটি। প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ অগাস্ট ওই ব্রিজটি একইভাবে আটকে গিয়েছিল এবং তা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। সেই বারেও এহেন সমস্যায় পড়তে হয়েছিল লন্ডনবাসীকে। লন্ডন পুলিশ একইভাবে যান্ত্রিক গোলযোগকেই টাওয়ার ব্রিজ আটকে যাওয়ার কারণ দর্শিয়েছিল।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VHRWus
https://ift.tt/3CvkSXt
যান্ত্রিক গোলযোগ, ঘণ্টাখানেক বন্ধই হল না লন্ডনের আইকনিক টাওয়ার ব্রিজ!

যান্ত্রিক গোলযোগ, ঘণ্টাখানেক বন্ধই হল না লন্ডনের আইকনিক টাওয়ার ব্রিজ!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হল না লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। যার জেরে সোমবার দুপুরে ব্যাপক যানজটের চিত্র দেখল ব্রিটেনের রাজধানী। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল গাড়ি। পথচারীরাও সঠিক সময়ে নদী পারাপার করতে না পেরে বিপাকে পড়েন এদিন। পুলিশের তরফ থেকে টুইট করে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ওই সেতু খোলার পর তা আটকে যায়। ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে ওই বাসকুল ব্রিজের একাধিক ভিডিয়ো এবং ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে এদিন কী ভাবে ওই ব্রিজটি আটকে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, একটি উঁচু জাহাজ পাস করার জন্য ব্রিজটি খোলা হয়েছিল। তারপর থেকেই আর বন্ধ লাগছিল না ওই সেতুটি। এই ধরনের সেতুকে সাধারণত সম পরিমাণ ভর ব্যবহার করে মাঝামাঝি ওঠানো কিংবা নামানো হয়ে থাকে। টাওয়ার ব্রিজ ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, লন্ডনের এই বাসকুল ব্রিজটি বছরে প্রায় ৮০০ বার খোলা হয়। তাহলে আচমকা কেন আটকে গেল ব্রিজ? প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। যদিও ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ। এদিন বারবার লন্ডন পুলিশের তরফ থেকে ঘোষণা করে বলা হয় ওই রাস্তা না ব্যবহার করার জন্য। উল্লেখ্য, ১৮৯৪ সালে থেমস নদীর উপর ওই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। প্রথমদিকে বাষ্প ব্যবহার করেই ওঠানো-নামানো হতো ব্রিজটি। পরে তেল এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ দ্বারা অপারেট করা হয় জনপ্রিয় সেতুটি। প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ অগাস্ট ওই ব্রিজটি একইভাবে আটকে গিয়েছিল এবং তা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। সেই বারেও এহেন সমস্যায় পড়তে হয়েছিল লন্ডনবাসীকে। লন্ডন পুলিশ একইভাবে যান্ত্রিক গোলযোগকেই টাওয়ার ব্রিজ আটকে যাওয়ার কারণ দর্শিয়েছিল।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VHRWus
https://ift.tt/3CvkSXt
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নৃশংস বললেও হয়ত কম বলা হবে। টাইট পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তরুণী। এই অভিযোগে তাঁকে গুলি করে হত্যা করল তালিবানরা ()। আফগানিস্তানের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা দেশে। জানা গিয়েছে, বলক এলাকায় ২১ বছর বয়সী এক তরুণী আঁটোসাঁটো পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কোনও পুরুষ ছিল না। আর কেবলমাত্র এই অপরাধের জন্য প্রাণ গেল তরুণীর। প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে গুলি করে খুন করা হল। ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে মুখপাত্র। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলার পরনে বোরখা ছিল। পুলিশ অফিসার আদিল শাহ জানান, ওই তরুণীর নাম নাজনিন। নিজের বাড়ি সমরকন্দিয়া থেকে বেরিয়ে বলকের মাজার শরিফে যাচ্ছিলেন তিনি। গাড়িতে ছিলেন তিনি। বোরখা থাকলেও তাঁর পোশাক ছিল আঁটোসাঁটো। আর সঙ্গে ছিল না কোনও পুরুষ সঙ্গী। সেই সময়ই তাঁকে গুলি করে তালিবানরা। থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার পর থেকেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। তরুণী ও যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে। সম্প্রতি, দ্য মেইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের দুর্দশার কথা। তালিবানদের বেড়ে চলা অত্যাচারে আতঙ্কিত গোটা আফগানিস্তান। অধিকাংশ গ্রাম্য এলাকার পরিবারের মহিলাদের কাবুলের সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানে অব্যাহত। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xv07Hz
https://ift.tt/3CFAXdg
পরনে টাইট পোশাক, যুবতীকে গুলি করল তালিবানরা

পরনে টাইট পোশাক, যুবতীকে গুলি করল তালিবানরা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নৃশংস বললেও হয়ত কম বলা হবে। টাইট পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তরুণী। এই অভিযোগে তাঁকে গুলি করে হত্যা করল তালিবানরা ()। আফগানিস্তানের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা দেশে। জানা গিয়েছে, বলক এলাকায় ২১ বছর বয়সী এক তরুণী আঁটোসাঁটো পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কোনও পুরুষ ছিল না। আর কেবলমাত্র এই অপরাধের জন্য প্রাণ গেল তরুণীর। প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে গুলি করে খুন করা হল। ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে মুখপাত্র। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলার পরনে বোরখা ছিল। পুলিশ অফিসার আদিল শাহ জানান, ওই তরুণীর নাম নাজনিন। নিজের বাড়ি সমরকন্দিয়া থেকে বেরিয়ে বলকের মাজার শরিফে যাচ্ছিলেন তিনি। গাড়িতে ছিলেন তিনি। বোরখা থাকলেও তাঁর পোশাক ছিল আঁটোসাঁটো। আর সঙ্গে ছিল না কোনও পুরুষ সঙ্গী। সেই সময়ই তাঁকে গুলি করে তালিবানরা। থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার পর থেকেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। তরুণী ও যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে। সম্প্রতি, দ্য মেইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের দুর্দশার কথা। তালিবানদের বেড়ে চলা অত্যাচারে আতঙ্কিত গোটা আফগানিস্তান। অধিকাংশ গ্রাম্য এলাকার পরিবারের মহিলাদের কাবুলের সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানে অব্যাহত। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xv07Hz
https://ift.tt/3CFAXdg
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবীতে থাকতে থাকতে একঘেঁয়ে হয়ে গিয়েছে? আর মন টিকছে না? মঙ্গলে থাকতে চান? সেই সুযোগ এবার এনে দিচ্ছে নাসা ()। মঙ্গলে থাকতে গেলে কীভাবে দরখাস্ত করবেন? লকডাউনের পৃথিবীতে হতাশ হয়ে পড়েছেন সকলেই। ফলে এবার পৃথিবী ছেড়ে পালানোর ঠিকানা খুঁজে দিচ্ছে NASA। তাও এবার পুরো এক বছরের জন্য। আপনার কাছেপিঠেই রয়েছে সেই বিকল্প ঠিকানা। যার আবহাওয়া ঠিক মঙ্গলের মতো। হিউস্টনে জনসন স্পেস সেন্টারে (Johnson Space Center in Houston) ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে লালগ্রহের মতো (Martian habitat) আস্তানা বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাম দেওয়া হয়েছে 'মার্স ডিউন আলফা' ()। সেখানেই বছরখানেকের জন্য ঘুরে আসার সুযোগ মিলছে। তবে তার জন্য দরখাস্ত জানাতে হবে। গত শুক্রবার থেকে অনলাইনে সেই আবেদনপত্র দিতে শুরু করেছে নাসা। তবে সেই আস্তানায় চারজনের বেশি থাকা যাবে না। কিন্তু, হঠাত্‍ এই আশ্চর্য আয়োজন কেন? বহুদিন ধরেই মঙ্গলগ্রহে প্রাণের অস্বিত্বের সন্ধান করছে গবেষণা সংস্থা। লালগ্রহে মানুষ বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাসা জানিয়েছে, আর কয়েক বছর পরে হয়ত মঙ্গলে মানবসভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ গড়ে তোলার জন্য পরিবেশ তৈরি হয়ে যাবে। আর তারই যেন ট্রায়াল রান হচ্ছে হিউস্টনে। মঙ্গলে গিয়ে অনেক দিন কাটানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এই মার্স ডিউন আলফাতে। মঙ্গলে কী ভাবে চাষবাস করা হবে তার পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হবে এখানে। দেখা হবে মঙ্গলের পরিবেশে থাকতে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে। নাসার তরফে আরও জানানো হয়েছে, আপাতত শুধু আমেরিকার নাগরিকদেরই থাকার অধিকার থাকবে এই মার্স ডিউন আলফায়। আবাসিকদের বয়স হতে হবে ৩০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তাঁদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। হতে হবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আর তাঁদের কোনও নেশায় আসক্তি থাকা চলবে না।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AsjVx1
https://ift.tt/37uKdTa
পৃথিবীতে থাকতে একঘেঁয়ে লাগছে? এবার মঙ্গলে থাকার সুযোগ দিচ্ছে নাসা

পৃথিবীতে থাকতে একঘেঁয়ে লাগছে? এবার মঙ্গলে থাকার সুযোগ দিচ্ছে নাসা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবীতে থাকতে থাকতে একঘেঁয়ে হয়ে গিয়েছে? আর মন টিকছে না? মঙ্গলে থাকতে চান? সেই সুযোগ এবার এনে দিচ্ছে নাসা ()। মঙ্গলে থাকতে গেলে কীভাবে দরখাস্ত করবেন? লকডাউনের পৃথিবীতে হতাশ হয়ে পড়েছেন সকলেই। ফলে এবার পৃথিবী ছেড়ে পালানোর ঠিকানা খুঁজে দিচ্ছে NASA। তাও এবার পুরো এক বছরের জন্য। আপনার কাছেপিঠেই রয়েছে সেই বিকল্প ঠিকানা। যার আবহাওয়া ঠিক মঙ্গলের মতো। হিউস্টনে জনসন স্পেস সেন্টারে (Johnson Space Center in Houston) ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে লালগ্রহের মতো (Martian habitat) আস্তানা বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাম দেওয়া হয়েছে 'মার্স ডিউন আলফা' ()। সেখানেই বছরখানেকের জন্য ঘুরে আসার সুযোগ মিলছে। তবে তার জন্য দরখাস্ত জানাতে হবে। গত শুক্রবার থেকে অনলাইনে সেই আবেদনপত্র দিতে শুরু করেছে নাসা। তবে সেই আস্তানায় চারজনের বেশি থাকা যাবে না। কিন্তু, হঠাত্‍ এই আশ্চর্য আয়োজন কেন? বহুদিন ধরেই মঙ্গলগ্রহে প্রাণের অস্বিত্বের সন্ধান করছে গবেষণা সংস্থা। লালগ্রহে মানুষ বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাসা জানিয়েছে, আর কয়েক বছর পরে হয়ত মঙ্গলে মানবসভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ গড়ে তোলার জন্য পরিবেশ তৈরি হয়ে যাবে। আর তারই যেন ট্রায়াল রান হচ্ছে হিউস্টনে। মঙ্গলে গিয়ে অনেক দিন কাটানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এই মার্স ডিউন আলফাতে। মঙ্গলে কী ভাবে চাষবাস করা হবে তার পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হবে এখানে। দেখা হবে মঙ্গলের পরিবেশে থাকতে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে। নাসার তরফে আরও জানানো হয়েছে, আপাতত শুধু আমেরিকার নাগরিকদেরই থাকার অধিকার থাকবে এই মার্স ডিউন আলফায়। আবাসিকদের বয়স হতে হবে ৩০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তাঁদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। হতে হবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আর তাঁদের কোনও নেশায় আসক্তি থাকা চলবে না।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AsjVx1
https://ift.tt/37uKdTa
নভোসিব্রিস্ক: দেখলে মনে হবে যেন চুপটি করে ঘুমিয়ে আছে সে। ছুঁলেই জেগে উঠবে! গায়ের সোনালি লোম কাদায় মাখামাখি, কিন্তু কোথাও পচন বা ক্ষয়ের চিহ্নটুকুও নেই। কে বলবে, ওর বয়স ২৮,০০০ বছর! নখ এখনও এতটাই তীক্ষ্ণ যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে তা বিঁধে গেল গবেষকের আঙুলে। কিন্তু তাতে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? ২০১৮ সালে সাইবেরিয়ার এক গুহায় যখন সিংহশিশুটির সন্ধান মিলেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা অভিভূত! তুষারযুগের এমন অক্ষত মমি আর একটিও পাননি তাঁরা। তুষারযুগের সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত, গুহা সিংহের মমি। সম্প্রতি যার বয়স নির্ধারণ করা গিয়েছে- ২৮,০০০ বছর! বিজ্ঞানীরা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছেন স্পার্টা। ২০১৭ সালে এই গুহাতেই মিলেছিল আর একটি সিংহশাবকের সন্ধান। রাশিয়ার সেমুলেখ নদীর ধারে ওই গুহায় মাত্র ৪৯ ফুটের ব্যবধানে দু'টি গুহা সিংহের মমি পেয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, এরা বোধহয় একই মায়ের সন্তান। কিন্তু রেডিয়ো কার্বন ডেটিং বুঝিয়ে দিল, এদের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার বছর! ২০১৭ সালে পাওয়া বরিসের বয়স প্রায় ৪৩,৪৪৮ বছর! তবে, বরিসের চেয়ে স্পার্টার মমির অবস্থা অনেক ভালো। স্পার্টার দাঁত, নখ, চামড়া অক্ষত। সফট টিস্যু আর অঙ্গগুলো মমি হয়ে গেলেও এতটুকু পচন ধরেনি। এমনকি কাদায় মাখা লোমও এক্কেবারে অক্ষত! স্টকহোমের প্যালিওজেনেটিক্স সেন্টারের অধ্যাপক লাভ ডালেনের কথায়, 'স্পার্টাই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত তুষারযুগের প্রাণী। ওর দেহাংশ তো বটেই, গোঁফও এক্কেবারে অটুট। বরিসের জীবাশ্মে কিছুটা পচন ধরেছিল, তবে সেটার অবস্থাও খুব খারাপ ছিল না।' বিজ্ঞানীদের মতে, দু'টি সিংহশাবকেরই বয়স ১-২ মাসের আশেপাশে। তবে, কী ভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শরীরে কোথাও কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই, তাই কোনও শিকারী প্রাণীর হাতে তাদের নিহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ডালেনের মতে, 'এদের দেহ যে ভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে এরা বরফের স্তূপে চাপা পড়েছে। সেক্ষেত্রে কাদাধসে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। হয়তো কাদাধসে ভেসে হিমবাহের ক্রিভাসে বা খাঁজে আটকে গিয়েছিল, আর তাই দেহ একেবারেই অক্ষত!' বস্তুত, তুষারযুগে সাইবেরিয়ার এই অংশে ঘুরে বেড়াতো ম্যামথ, তুন্দ্রা নেকড়ে, ভালুক, লোমশ গন্ডার, বাইসনরা। সেই সঙ্গে ছিল কেভ লায়ন বা গুহা সিংহরা, এখনকার আফ্রিকান সিংহদের থেকে আকারে সামান্য বড়। কিন্তু সাইবেরিয়ার প্রবল ঠান্ডায় তারা কী ভাবে থাকতো, সেটা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও একটা ধাঁধাঁ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গুহা-সিংহের লোম আফ্রিকার সিংহদের মতো হলেও তুষারযুগের এই সিংহদের লোমের নীচে আরও একটা লোমের আস্তরণ বা আন্ডারকোট থাকতো, আর সেটাই সম্ভবত তাদের ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখতো। রাশিয়ার এই অঞ্চলে বরফ গলার মরসুম শুরু হলেই দলে দলে বেরিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। না, ছুটি কাটাতে নয়। হিমবাহের খাঁজে বা বরফের মাঝে এমন জীবাশ্মের খোঁজে! বিশেষ করে ম্যামথের দাঁত পেলে তো কথাই নেই! হাতির দাঁতের থেকেও বেশি দামে বিকোয় সেটি। এমনই একটি টাস্ক-হান্টারের দলে যোগ দিয়েছিলেন রুশ বিজ্ঞানী ভ্যালেরি প্লটনিকোভ। ভ্যালেরির কথায়, 'ওদের সঙ্গে ছোট্ট ছোট্ট গুহায় ঘুরেছি। প্রবল ঠান্ডা, তার উপর যে কোনও সময় ধস নামার বিপদ! কিন্তু তার মধ্যেও কাজ করে দু'টি সিংহ-শাবক, একটি নেকড়ের মাথা আর ম্যামথের একটি গোটা পরিবারের মমি পাওয়া কি কম প্রাপ্তি?' আপাতত চলছে স্পার্টা আর বরিসের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, তার পর হবে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং। গুহা সিংহের বিবর্তনের ইতিহাসে বরিস আর স্পার্টা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3Ak9Xhm
https://ift.tt/3xvwTbM
সাইবেরিয়ার গুহায় 'ঘুমিয়ে' তুষার যুগের সিংহছানা

সাইবেরিয়ার গুহায় 'ঘুমিয়ে' তুষার যুগের সিংহছানা

নভোসিব্রিস্ক: দেখলে মনে হবে যেন চুপটি করে ঘুমিয়ে আছে সে। ছুঁলেই জেগে উঠবে! গায়ের সোনালি লোম কাদায় মাখামাখি, কিন্তু কোথাও পচন বা ক্ষয়ের চিহ্নটুকুও নেই। কে বলবে, ওর বয়স ২৮,০০০ বছর! নখ এখনও এতটাই তীক্ষ্ণ যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে তা বিঁধে গেল গবেষকের আঙুলে। কিন্তু তাতে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? ২০১৮ সালে সাইবেরিয়ার এক গুহায় যখন সিংহশিশুটির সন্ধান মিলেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা অভিভূত! তুষারযুগের এমন অক্ষত মমি আর একটিও পাননি তাঁরা। তুষারযুগের সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত, গুহা সিংহের মমি। সম্প্রতি যার বয়স নির্ধারণ করা গিয়েছে- ২৮,০০০ বছর! বিজ্ঞানীরা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছেন স্পার্টা। ২০১৭ সালে এই গুহাতেই মিলেছিল আর একটি সিংহশাবকের সন্ধান। রাশিয়ার সেমুলেখ নদীর ধারে ওই গুহায় মাত্র ৪৯ ফুটের ব্যবধানে দু'টি গুহা সিংহের মমি পেয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, এরা বোধহয় একই মায়ের সন্তান। কিন্তু রেডিয়ো কার্বন ডেটিং বুঝিয়ে দিল, এদের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার বছর! ২০১৭ সালে পাওয়া বরিসের বয়স প্রায় ৪৩,৪৪৮ বছর! তবে, বরিসের চেয়ে স্পার্টার মমির অবস্থা অনেক ভালো। স্পার্টার দাঁত, নখ, চামড়া অক্ষত। সফট টিস্যু আর অঙ্গগুলো মমি হয়ে গেলেও এতটুকু পচন ধরেনি। এমনকি কাদায় মাখা লোমও এক্কেবারে অক্ষত! স্টকহোমের প্যালিওজেনেটিক্স সেন্টারের অধ্যাপক লাভ ডালেনের কথায়, 'স্পার্টাই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত তুষারযুগের প্রাণী। ওর দেহাংশ তো বটেই, গোঁফও এক্কেবারে অটুট। বরিসের জীবাশ্মে কিছুটা পচন ধরেছিল, তবে সেটার অবস্থাও খুব খারাপ ছিল না।' বিজ্ঞানীদের মতে, দু'টি সিংহশাবকেরই বয়স ১-২ মাসের আশেপাশে। তবে, কী ভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শরীরে কোথাও কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই, তাই কোনও শিকারী প্রাণীর হাতে তাদের নিহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ডালেনের মতে, 'এদের দেহ যে ভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে এরা বরফের স্তূপে চাপা পড়েছে। সেক্ষেত্রে কাদাধসে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। হয়তো কাদাধসে ভেসে হিমবাহের ক্রিভাসে বা খাঁজে আটকে গিয়েছিল, আর তাই দেহ একেবারেই অক্ষত!' বস্তুত, তুষারযুগে সাইবেরিয়ার এই অংশে ঘুরে বেড়াতো ম্যামথ, তুন্দ্রা নেকড়ে, ভালুক, লোমশ গন্ডার, বাইসনরা। সেই সঙ্গে ছিল কেভ লায়ন বা গুহা সিংহরা, এখনকার আফ্রিকান সিংহদের থেকে আকারে সামান্য বড়। কিন্তু সাইবেরিয়ার প্রবল ঠান্ডায় তারা কী ভাবে থাকতো, সেটা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও একটা ধাঁধাঁ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গুহা-সিংহের লোম আফ্রিকার সিংহদের মতো হলেও তুষারযুগের এই সিংহদের লোমের নীচে আরও একটা লোমের আস্তরণ বা আন্ডারকোট থাকতো, আর সেটাই সম্ভবত তাদের ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখতো। রাশিয়ার এই অঞ্চলে বরফ গলার মরসুম শুরু হলেই দলে দলে বেরিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। না, ছুটি কাটাতে নয়। হিমবাহের খাঁজে বা বরফের মাঝে এমন জীবাশ্মের খোঁজে! বিশেষ করে ম্যামথের দাঁত পেলে তো কথাই নেই! হাতির দাঁতের থেকেও বেশি দামে বিকোয় সেটি। এমনই একটি টাস্ক-হান্টারের দলে যোগ দিয়েছিলেন রুশ বিজ্ঞানী ভ্যালেরি প্লটনিকোভ। ভ্যালেরির কথায়, 'ওদের সঙ্গে ছোট্ট ছোট্ট গুহায় ঘুরেছি। প্রবল ঠান্ডা, তার উপর যে কোনও সময় ধস নামার বিপদ! কিন্তু তার মধ্যেও কাজ করে দু'টি সিংহ-শাবক, একটি নেকড়ের মাথা আর ম্যামথের একটি গোটা পরিবারের মমি পাওয়া কি কম প্রাপ্তি?' আপাতত চলছে স্পার্টা আর বরিসের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, তার পর হবে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং। গুহা সিংহের বিবর্তনের ইতিহাসে বরিস আর স্পার্টা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3Ak9Xhm
https://ift.tt/3xvwTbM
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালিবানি সন্ত্রাস অব্যাহত। শুক্রবার তালিবানিদের হাতে নিহত হলেন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। কার্যক্ষেত্রেও তেমনই করল তালিবানেরা।জানা গিয়েছে, দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ । শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের নিমরোজ প্রদেশের রাজধানী জারাঞ্জ শহর দখল করে নিয়েছে তালিবানরা। মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণার পর থেকে এই প্রথম কোনও প্রাদেশিক রাজধানী দখল করে নিল তালিবানিরা। জানা গিয়েছে, তালিবানিরা প্রায় ৩০ জন সেনাকে খুন করে বলে অভিযোগ। এছাড়া একাধিক সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। আফগানিস্তানে তালিবানিদের দাপট ক্রমেই বাড়ছে। তালিবানিরা প্রতিদিন সরকার, সরকারি আধিকারিক ও সরকারকে সমর্থন করে এমন ব্যক্তিদের টার্গেট করছে। আমেরিকা থেকে পুরোপুরি চলে এলে ফের একবার আফগানিস্তান তালিবানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে আমেরিকার সেনা মোতায়েন ছিল। এবার বাইডেন সেই সেনা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে আফগানিস্তান সরকারের কাছে বড়সড় বিপদ হয়ে উঠেছে তালিবান। আফগানিস্তানের একাধিক শহর এখন তালিবানদের দখলে। রাষ্ট্রপুঞ্জের আবার দাবি, তালিবানকে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বেশি ক্ষতি করছে আফগান বাহিনীই! আফগান মুলুক ছাড়ার আগে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকাও। সব মিলিয়ে আফগানিস্তান সেই আফগানিস্তানেই। অভিযোগ, ২০ বছর সেনা রেখেও তালিবান-দমনে কার্যত ব্যর্থ আমেরিকা। ভারত চাইছে আফগানিস্তানে শান্তি ফিরে আসুক। আফগান বিদেশমন্ত্রী হানিফ ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে সহায়তাও চেয়েছেন। ভারত আফগানিস্তানের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3jzQvX2
https://ift.tt/2VwHJAS
কাবুলে তালিবানি দাপট, খুন আফগান সরকারের মিডিয়া প্রধান

কাবুলে তালিবানি দাপট, খুন আফগান সরকারের মিডিয়া প্রধান

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালিবানি সন্ত্রাস অব্যাহত। শুক্রবার তালিবানিদের হাতে নিহত হলেন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। কার্যক্ষেত্রেও তেমনই করল তালিবানেরা।জানা গিয়েছে, দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ । শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের নিমরোজ প্রদেশের রাজধানী জারাঞ্জ শহর দখল করে নিয়েছে তালিবানরা। মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণার পর থেকে এই প্রথম কোনও প্রাদেশিক রাজধানী দখল করে নিল তালিবানিরা। জানা গিয়েছে, তালিবানিরা প্রায় ৩০ জন সেনাকে খুন করে বলে অভিযোগ। এছাড়া একাধিক সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। আফগানিস্তানে তালিবানিদের দাপট ক্রমেই বাড়ছে। তালিবানিরা প্রতিদিন সরকার, সরকারি আধিকারিক ও সরকারকে সমর্থন করে এমন ব্যক্তিদের টার্গেট করছে। আমেরিকা থেকে পুরোপুরি চলে এলে ফের একবার আফগানিস্তান তালিবানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে আমেরিকার সেনা মোতায়েন ছিল। এবার বাইডেন সেই সেনা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে আফগানিস্তান সরকারের কাছে বড়সড় বিপদ হয়ে উঠেছে তালিবান। আফগানিস্তানের একাধিক শহর এখন তালিবানদের দখলে। রাষ্ট্রপুঞ্জের আবার দাবি, তালিবানকে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বেশি ক্ষতি করছে আফগান বাহিনীই! আফগান মুলুক ছাড়ার আগে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকাও। সব মিলিয়ে আফগানিস্তান সেই আফগানিস্তানেই। অভিযোগ, ২০ বছর সেনা রেখেও তালিবান-দমনে কার্যত ব্যর্থ আমেরিকা। ভারত চাইছে আফগানিস্তানে শান্তি ফিরে আসুক। আফগান বিদেশমন্ত্রী হানিফ ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে সহায়তাও চেয়েছেন। ভারত আফগানিস্তানের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3jzQvX2
https://ift.tt/2VwHJAS
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগ উঠেছিল শিশুটির বিরুদ্ধে। আর তাই তাকে তপ্ত কুঠার চাটতে বাধ্য করা হল! এমনই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পাকিস্তানের পুলিশ। আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে, তার বিচারের ক্ষেত্রে জল কিংবা আগুনের ব্যবহার করে থাকেন পাকিস্তানের উপজাতির মানুষেরা। জানা গিয়েছে, চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল ওই শিশুকে। এরপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ওই শিশুটির মুখে গরম কুঠার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর জেরে বাচ্চাটির জিভ পুড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা। তিনি অভিযোগ জানান প্রশাসনের কাছে। এরপরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মধ্যযুগীয় ওই প্রথা অনুযায়ী, দোষী না হলে ওই কুঠার চাটলেও জিভ পুড়বে না। আর যদি তা না হয়, তাহলে দোষী সাব্যস্ত করা হয় অপরাধীকে। বিষয়টি অনেকটা অগ্নিপরীক্ষার মতোই। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় আইনব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আর সেই কারণেই ২০২১ সালে দাঁড়িয়েও জল কিংবা আগুনের সাহায্য নিয়েই অপরাধীকে শনাক্ত করা হয়ে থাকে। ২০২০ সালের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানে আচমকাই শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। সাহিল নামের এক সংগঠনের সমীক্ষা অনুযায়ী, পাকিস্তানে প্রতিদিন ১০টির মধ্যে আটটি শিশু কোনও না কোনও অপরাধের শিকার হয়ে থাকে। জানা গিয়েছে, ওই সংগঠন শিশু সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3ipA00u
https://ift.tt/2VuczKE
চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগ, জ্বলন্ত কুঠার চেটে নিজেকে 'নির্দোষ' প্রমাণ করল শিশু!

চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগ, জ্বলন্ত কুঠার চেটে নিজেকে 'নির্দোষ' প্রমাণ করল শিশু!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগ উঠেছিল শিশুটির বিরুদ্ধে। আর তাই তাকে তপ্ত কুঠার চাটতে বাধ্য করা হল! এমনই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পাকিস্তানের পুলিশ। আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে, তার বিচারের ক্ষেত্রে জল কিংবা আগুনের ব্যবহার করে থাকেন পাকিস্তানের উপজাতির মানুষেরা। জানা গিয়েছে, চায়ের পাত্র চুরির অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল ওই শিশুকে। এরপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ওই শিশুটির মুখে গরম কুঠার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর জেরে বাচ্চাটির জিভ পুড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা। তিনি অভিযোগ জানান প্রশাসনের কাছে। এরপরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মধ্যযুগীয় ওই প্রথা অনুযায়ী, দোষী না হলে ওই কুঠার চাটলেও জিভ পুড়বে না। আর যদি তা না হয়, তাহলে দোষী সাব্যস্ত করা হয় অপরাধীকে। বিষয়টি অনেকটা অগ্নিপরীক্ষার মতোই। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় আইনব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আর সেই কারণেই ২০২১ সালে দাঁড়িয়েও জল কিংবা আগুনের সাহায্য নিয়েই অপরাধীকে শনাক্ত করা হয়ে থাকে। ২০২০ সালের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানে আচমকাই শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। সাহিল নামের এক সংগঠনের সমীক্ষা অনুযায়ী, পাকিস্তানে প্রতিদিন ১০টির মধ্যে আটটি শিশু কোনও না কোনও অপরাধের শিকার হয়ে থাকে। জানা গিয়েছে, ওই সংগঠন শিশু সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3ipA00u
https://ift.tt/2VuczKE
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নয়া আবিষ্কার! বাজারে এবার আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল। স্কটল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, গবেষণা পুরোপুরি সফল হলে আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল। যা একাধারে সুরক্ষিত এবং কার্যকরী বলেই জানাচ্ছেন গবেষণকরা। ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ক্রিস ব্যারেট সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে একটি গবেষণাপত্র শেয়ার করেন। তিনি বলেন, 'কন্ডোম আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে পুরুষদের নিয়ে কোনও নয়া আবিষ্কার হয়নি। মূলত অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের দায়িত্ব বর্তায় মহিলাদের উপরই। এই নিয়মটিকে বদলাতেই আমাদের বর্তমান গবেষণা।' এ প্রসঙ্গে গবেষণায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অধ্যাপক ধন্যবাদ জানান বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে। তিনি আরও বলেন, 'দু'বছর ধরে গবেষণার ফল হিসেবে আমরা একটি ড্রাগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। এই গবেষণা সফল হলে, তা আগামীদিনে পুরুষ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হতে চলেছে।' জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে গবেষণাটির জন্য ১.৭ মিলিয়ন অর্থ খরচ হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার পুরুষ গর্ভনিরোধক পিল তৈরির চেষ্টা হয়েছে। যদিও নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। কখনও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পার্ম বায়োলজি সংক্রান্ত গবেষণা। এ ক্ষেত্রে পুরুষ স্পার্মে থাকা প্রোটিনের পরিমাণেই কি ফ্যাক্টর হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যদিও কখনও গর্ভনিরোধক পিল আবিষ্কারে তা সাফল্য আনেনি। তবে স্কটল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা বায়োলজিতে নতুন দিক খুলে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3lFslxc
https://ift.tt/3lIw8cX
এবার বাজারে আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল!

এবার বাজারে আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নয়া আবিষ্কার! বাজারে এবার আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল। স্কটল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, গবেষণা পুরোপুরি সফল হলে আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে আসছে পুরুষদের গর্ভনিরোধক পিল। যা একাধারে সুরক্ষিত এবং কার্যকরী বলেই জানাচ্ছেন গবেষণকরা। ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ক্রিস ব্যারেট সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে একটি গবেষণাপত্র শেয়ার করেন। তিনি বলেন, 'কন্ডোম আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে পুরুষদের নিয়ে কোনও নয়া আবিষ্কার হয়নি। মূলত অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের দায়িত্ব বর্তায় মহিলাদের উপরই। এই নিয়মটিকে বদলাতেই আমাদের বর্তমান গবেষণা।' এ প্রসঙ্গে গবেষণায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অধ্যাপক ধন্যবাদ জানান বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে। তিনি আরও বলেন, 'দু'বছর ধরে গবেষণার ফল হিসেবে আমরা একটি ড্রাগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। এই গবেষণা সফল হলে, তা আগামীদিনে পুরুষ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হতে চলেছে।' জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে গবেষণাটির জন্য ১.৭ মিলিয়ন অর্থ খরচ হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার পুরুষ গর্ভনিরোধক পিল তৈরির চেষ্টা হয়েছে। যদিও নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। কখনও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পার্ম বায়োলজি সংক্রান্ত গবেষণা। এ ক্ষেত্রে পুরুষ স্পার্মে থাকা প্রোটিনের পরিমাণেই কি ফ্যাক্টর হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যদিও কখনও গর্ভনিরোধক পিল আবিষ্কারে তা সাফল্য আনেনি। তবে স্কটল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা বায়োলজিতে নতুন দিক খুলে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3lFslxc
https://ift.tt/3lIw8cX
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যেন অবশেষে ঘুম থেকে জাগলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে একটি মন্দিরে হামলার ঘটনায় ভারত তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে পাকিস্তানকে বিঁধতেই অবশেষে মুখ খুললেন (Imran Khan)। প্রায় ২৪ ঘন্টা পর মুখ খোলেন তিনি। ভারতের তরফে কার্যত স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। প্রায় ২৪ ঘন্টা পর পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করা হবে। এরপরেই ১০০-১৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছে পাক পুলিশ। ৪ অগাস্ট বিকেল ৫টায় পাক পুলিশের তরফে এই FIR দায়ের করা হয়। অন্যদিকে পাকিস্তানে হিন্দু পরিষদের সদস্য ও ন্যাশনাল অ্য়াসেম্বলির সদস্য ড. রমেশ কুমার ভানকোওয়ানি (Dr Ramesh Kumar Vankwani|) টুইট করে জানিয়েছেন, মন্দিরে হামলার পর সংশোধনের কাজও শুরু করা হয়েছে। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে এফআইআর দায়ের করা হয়। দাবি করা হচ্ছে, সমস্ত এফআইআরই দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। ফলে শেষে যে কতজন গ্রেফতার হয় তা দেখার বিষয়। বিদেশ মন্ত্রকের কড়া প্রতিক্রিয়া মন্দিরে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর বিষয়টি সামনে আসতেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত। কেন্দ্র স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পাকিস্তান সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও নিপীড়নের ঘটনা অব্যাহত। তিনি দাবি করেছেন, মন্দিরে হামলার পাশাপাশি আশেপাশের কয়েকটি হিন্দু বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানে সংখ্য়ালঘুদের উপাসনাস্থলে হামলা ও তাঁদের প্রতি বৈষম্য নিয়ে সরব হয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি। প্রসঙ্গত, গত বুধবার পাকিস্তানের লাহোর থেকে ৫৯০ কিমি দূরে একটি মন্দিরে হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতি। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে ভারত। এলাকার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় কড়া সুরক্ষা রয়েছে। পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VBdI2F
https://ift.tt/3ioUg2k
পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার ঘটনায় পদক্ষেপ ইমরান সরকারের, ১৫০ জনের বিরুদ্ধে FIR

পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার ঘটনায় পদক্ষেপ ইমরান সরকারের, ১৫০ জনের বিরুদ্ধে FIR

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যেন অবশেষে ঘুম থেকে জাগলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে একটি মন্দিরে হামলার ঘটনায় ভারত তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে পাকিস্তানকে বিঁধতেই অবশেষে মুখ খুললেন (Imran Khan)। প্রায় ২৪ ঘন্টা পর মুখ খোলেন তিনি। ভারতের তরফে কার্যত স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। প্রায় ২৪ ঘন্টা পর পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করা হবে। এরপরেই ১০০-১৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছে পাক পুলিশ। ৪ অগাস্ট বিকেল ৫টায় পাক পুলিশের তরফে এই FIR দায়ের করা হয়। অন্যদিকে পাকিস্তানে হিন্দু পরিষদের সদস্য ও ন্যাশনাল অ্য়াসেম্বলির সদস্য ড. রমেশ কুমার ভানকোওয়ানি (Dr Ramesh Kumar Vankwani|) টুইট করে জানিয়েছেন, মন্দিরে হামলার পর সংশোধনের কাজও শুরু করা হয়েছে। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে এফআইআর দায়ের করা হয়। দাবি করা হচ্ছে, সমস্ত এফআইআরই দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। ফলে শেষে যে কতজন গ্রেফতার হয় তা দেখার বিষয়। বিদেশ মন্ত্রকের কড়া প্রতিক্রিয়া মন্দিরে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর বিষয়টি সামনে আসতেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত। কেন্দ্র স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পাকিস্তান সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও নিপীড়নের ঘটনা অব্যাহত। তিনি দাবি করেছেন, মন্দিরে হামলার পাশাপাশি আশেপাশের কয়েকটি হিন্দু বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানে সংখ্য়ালঘুদের উপাসনাস্থলে হামলা ও তাঁদের প্রতি বৈষম্য নিয়ে সরব হয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি। প্রসঙ্গত, গত বুধবার পাকিস্তানের লাহোর থেকে ৫৯০ কিমি দূরে একটি মন্দিরে হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতি। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে ভারত। এলাকার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় কড়া সুরক্ষা রয়েছে। পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VBdI2F
https://ift.tt/3ioUg2k
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে উদ্বেগ কাটছেই না। তার উপর বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট। এই পরিস্থিতিতে কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য বিশেষ জোর দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু করোনা টিকা আদপে কতটা কাজ করছে? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। এবার সম্প্রতি একটি গবেষণায় পাওয়া গেল এই প্রশ্নের উত্তর। ব্রিটেনের একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, করোনা টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা টিকা না নেওয়াদের থেকে তিন গুণ বেশি সুরক্ষিত। সম্প্রতি কোভিড টিকার কার্যকরিতা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষা চালায় ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডন। বুধবার এই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এই গবেষণার জন্য চলতি বছরের ২৪ জুন থেকে ১২ জুলাই এর মধ্যে ৯৮,২৩৩ জন স্বেচ্ছাসেবকের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তির সম্ভাবনা কম। পাশাপাশি তাঁদের মৃত্যুর আশঙ্কাও কমিয়ে দেয় টিকার দুটি ডোজ। UK-র স্বাস্থ্য় সচিব সাজিদ জাভিদ বলেন, ' আমি মানুষের কাছে অনুরোধ করব কোভিড টিকার দু'টি ডোজই নিতে। কারণ টিকা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত এবং তা কাজ করছে। গবেষণা তা প্রমাণিত হয়েছে।' এদিকে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমণ রুখতে টিকা অত্যন্ত কার্যকরী। ফাইজার টিকা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ৯৬ শতাংশ কাজ করে এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা কাজ করে ৯২ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট রুখতে টিকার বুস্টার শটের প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছিল। কিন্তু WHO প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা টিকার বুস্টার শট দেওয়ার উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, 'বিশ্বে যে টিকা উৎপন্ন হয় তার সিংহভাগ যে দেশগুলি পায় তারাই আরও টিকা ব্যবহার করুক এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ বহু দেশ এখনও টিকা পায়নি এবং সেখানকার বহু মানুষ অসুরক্ষিত রয়েছে। ' এদিকে, কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে শুক্রবার ১০২টি কোভিশিল্ড ক্যাম্প এবং ৫০টি কোভিশিল্ড মেগা সেন্টারে পাওয়া যাবে না টিকা। কারণ কোভিশিল্ড টিকা নেই রাজ্যের হাতে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rYHxGw
https://ift.tt/2VsTU1z
টিকার 'ডবল ডোজে' ৩ গুণ সুরক্ষা! গবেষণায় আশার আলো

টিকার 'ডবল ডোজে' ৩ গুণ সুরক্ষা! গবেষণায় আশার আলো

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে উদ্বেগ কাটছেই না। তার উপর বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট। এই পরিস্থিতিতে কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য বিশেষ জোর দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু করোনা টিকা আদপে কতটা কাজ করছে? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। এবার সম্প্রতি একটি গবেষণায় পাওয়া গেল এই প্রশ্নের উত্তর। ব্রিটেনের একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, করোনা টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা টিকা না নেওয়াদের থেকে তিন গুণ বেশি সুরক্ষিত। সম্প্রতি কোভিড টিকার কার্যকরিতা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষা চালায় ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডন। বুধবার এই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এই গবেষণার জন্য চলতি বছরের ২৪ জুন থেকে ১২ জুলাই এর মধ্যে ৯৮,২৩৩ জন স্বেচ্ছাসেবকের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তির সম্ভাবনা কম। পাশাপাশি তাঁদের মৃত্যুর আশঙ্কাও কমিয়ে দেয় টিকার দুটি ডোজ। UK-র স্বাস্থ্য় সচিব সাজিদ জাভিদ বলেন, ' আমি মানুষের কাছে অনুরোধ করব কোভিড টিকার দু'টি ডোজই নিতে। কারণ টিকা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত এবং তা কাজ করছে। গবেষণা তা প্রমাণিত হয়েছে।' এদিকে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমণ রুখতে টিকা অত্যন্ত কার্যকরী। ফাইজার টিকা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ৯৬ শতাংশ কাজ করে এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা কাজ করে ৯২ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট রুখতে টিকার বুস্টার শটের প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছিল। কিন্তু WHO প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা টিকার বুস্টার শট দেওয়ার উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, 'বিশ্বে যে টিকা উৎপন্ন হয় তার সিংহভাগ যে দেশগুলি পায় তারাই আরও টিকা ব্যবহার করুক এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ বহু দেশ এখনও টিকা পায়নি এবং সেখানকার বহু মানুষ অসুরক্ষিত রয়েছে। ' এদিকে, কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে শুক্রবার ১০২টি কোভিশিল্ড ক্যাম্প এবং ৫০টি কোভিশিল্ড মেগা সেন্টারে পাওয়া যাবে না টিকা। কারণ কোভিশিল্ড টিকা নেই রাজ্যের হাতে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rYHxGw
https://ift.tt/2VsTU1z
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন নাগরিক। শুক্রবার হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে এই খবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক রাশেদ হুসেইনকে ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (আইআরএফ) এর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম কোনও মুসলিম ধর্মালম্বীকে এই পদে মনোনীত করা হল। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি এমন একটি প্রশাসন গড়ে উঠবে যেটি সব ধর্মের মানুষের প্রতিফলন ঘটাবে। এর আগে United States Department of Justice National Security Division-এ সিনিয়র কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। এছাড়া বারাক ওবামার সময়ে তিনি ওআইসিতে আমেরিকার বিশেষ দূত, স্ট্র্যাটেজিক কাউন্টার টেরোরিজম কমিউনিকেশনে আমেরিকার বিশেষ দূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তারও আগে তিনি হাউজ জুডিশিয়ারি কমিটিতে কাজ করতেন। তিনি ইয়েল ল স্কুল থেকে জুরিস ডক্টর ডিগ্রি পান। সেখানেই ইয়েল ল জার্নালের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে পড়াশুনা করেছেন তিনি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছাড়াও Commissioner of the United States Commission on International Religious Freedom (USCIRF) হিসেবে এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক খিজর খানকে মনোনীত করেছেন বাইডেন প্রশাসন। তাঁর বাবা আমেরিকান সেনা বাহিনীর ক্যাপ্টেন ছিলেন।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3CtO3KD
https://ift.tt/3Ck01Gt
বাইডেন প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত

বাইডেন প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন নাগরিক। শুক্রবার হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে এই খবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক রাশেদ হুসেইনকে ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (আইআরএফ) এর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম কোনও মুসলিম ধর্মালম্বীকে এই পদে মনোনীত করা হল। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি এমন একটি প্রশাসন গড়ে উঠবে যেটি সব ধর্মের মানুষের প্রতিফলন ঘটাবে। এর আগে United States Department of Justice National Security Division-এ সিনিয়র কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। এছাড়া বারাক ওবামার সময়ে তিনি ওআইসিতে আমেরিকার বিশেষ দূত, স্ট্র্যাটেজিক কাউন্টার টেরোরিজম কমিউনিকেশনে আমেরিকার বিশেষ দূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তারও আগে তিনি হাউজ জুডিশিয়ারি কমিটিতে কাজ করতেন। তিনি ইয়েল ল স্কুল থেকে জুরিস ডক্টর ডিগ্রি পান। সেখানেই ইয়েল ল জার্নালের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে পড়াশুনা করেছেন তিনি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছাড়াও Commissioner of the United States Commission on International Religious Freedom (USCIRF) হিসেবে এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক খিজর খানকে মনোনীত করেছেন বাইডেন প্রশাসন। তাঁর বাবা আমেরিকান সেনা বাহিনীর ক্যাপ্টেন ছিলেন।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3CtO3KD
https://ift.tt/3Ck01Gt
কাবুল: শুধু ঘাঁটির পুনর্দখল নয়, আফগানিস্তানে প্রশাসনিক ক্ষমতারও সিংহভাগ চাইছে জঙ্গিরা। মঙ্গলবার অ্যাসপেন নিরাপত্তা ফোরামের ভার্চুয়াল মঞ্চে এমনটাই মন্তব্য করলেন সে দেশে নিযুক্ত বিশেষ মার্কিন দূত জালমে খলিলজাদ। এই আশঙ্কা যে অমূলক নয়, সাংবাদিক অপহরণ থেকে শুরু করে কাবুল-সহ একাধিক শহরের দেদার হামলায় যেন তারই প্রমাণ রাখছে জঙ্গিরা। আফগান প্রশাসন সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে হেরাট প্রদেশে ভারতের তৈরি সালমা বাঁধেও হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। দিল্লি-কাবুলের বন্ধুত্বের নিশান এই বাঁধ লক্ষ্য করে গত মাসে রকেট হামলা চালিয়েছিল তালিবান। সেগুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মঙ্গলবার ফের তেমনই টার্গেট ছিল। কিন্তু আফগান বাহিনী রুখে দাঁড়াতেই জঙ্গিরা রাতের অন্ধকারে পালায় বলে খবর। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জঙ্গি মারাও গিয়েছে বলে দাবি কাবুলের। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ কাবুলে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লা খান মোহাম্মদির বাড়িতে গাড়ি-বোমা ফাটায় জঙ্গিরা। ঘটনার সময় মন্ত্রী অন্যত্র ছিলেন। তাঁর পরিবারকেও যথাসময়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ওই হামলায় অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। আহত অন্তত ২০ জন। সংঘর্ষে চার জঙ্গিও নিহত বলে জানিয়েছে কাবুল। মন্ত্রী নিজে আরও রাতে টুইট করে বলেন, 'চিন্তার কিছু নেই। সব ঠিক আছে।' কিন্তু হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গিরা যেভাবে আরও কয়েকজন সরকারি নেতা-মন্ত্রী-আমলাকে টার্গেট করার হুমকি দিয়েছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকেই। প্রশাসন ও তালিবান- দু'পক্ষকেই অবিলম্বে হিংসা বন্ধের আর্জি জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ। মাসখানেক আগে দোহায় আফগান-তালিবান শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। এ দিকে চলতি মাসের মধ্যেই থেকে সেনা সরানোর কাজ গোটতে চাইছে আমেরিকা। এতেই যেন দ্বিগুণ উৎসাহে ফুটছে জঙ্গিরা। রোজই প্রায় নিয়ম করে বড় বড় শহরে হামলা চালাচ্ছে তারা। মৃত্যুমিছিল শুরু হয়ে দিয়েছে। জঙ্গি-সেনা সংঘর্ষের মাঝে পড়ে হাজার হাজার মানুষ উদ্বাস্তু। রাষ্ট্রপুঞ্জের আবার দাবি, তালিবানকে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বেশি ক্ষতি করছে আফগান বাহিনীই! আফগান মুলুক ছাড়ার আগে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকও। সব মিলিয়ে আফগানিস্তান সেই আফগানিস্তানেই। অভিযোগ, ২০ বছর সেনা রেখেও তালিবান-দমনে কার্যত ব্যর্থ আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা তো বটেই ভারতের কাছেও মধ্যস্থতা দাবি করছে কাবুল। আফগান বিদেশমন্ত্রী চাইছেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যেন আফগান-পরিস্থিতি তুলে ধরে ভারত। মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গেও এক প্রস্ত কথা বলেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি। ঘটনাচক্রে এর পর-পরই আফগান বংশোদ্ভূত মার্কিন দূত খলিলজাদ বলেন, 'এই মুহূর্তে আফগানিস্তানে সামরিক পরিস্থিতি, তাতে স্পষ্ট যে সে দেশে নতুন সরকার গঠিত হলে সেখানে ক্ষমতার সিংহভাগ চাইছে জঙ্গিরা।' গত বছর ফেব্রুয়ারিতে দোহায় তালিবানের সঙ্গে আমেরিকার যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, তাতে ব়ড ভূমিকা ছিল এই মার্কিন দূতের। সেই চুক্তি মোতাবেক এ মাসেই ৯৮ শতাংশ সেনা সরিয়ে নিতে চলেছে আমেরিকা। শুধু দূতাবাস আর বিমানবন্দরে কিছু থাকবে। তারপর পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লিও। সূত্রের খবর, ক্ষমতা দখলে মরিয়া জঙ্গিরা দেশের সাধারণ নাগরিকদের রেয়াত করছে না। এমনকী সাংবাদিকদেরও। একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকিকে জঙ্গিরাই নির্মম ভাবে গুলিতে ঝাঁঝরা করে গাড়িতে পিষে মেরেছিল। জঙ্গিরা যদিও বরাবর তা অস্বীকার করে এসেছে। এ দিন আবার এক স্থানীয় সাংবাদিকের অপহরণের খবর মিলেছে। মনে করা হচ্ছে, মায়ওয়ান্দ মিলানি নামে হেলমন্দের ওই সাংবাদিককে জঙ্গিরাই কোনও গোপন স্থানে পণবন্দি করে রেখেছে। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ যদিও তা অস্বীকার করে বলেন, 'ওই সাংবাদিককে আমরাও খুঁজে বার করার চেষ্টা করছি। তবে একটা কথা ফের বলছি- সাংবাদিকরা আমাদের আগাম জানিয়ে কাজ করলে, আমরাই তাঁদের নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে পারি।' অপপ্রচারের দায়ে কান্দাহার-ফেরত চার স্থানীয় সাংবাদিকতে গত ২৬ জুলাই গ্রেপ্তার করেছে আফগান প্রশাসনও। দেশ জুড়ে বাড়তে থাকা হিংসার জেরে আফগানিস্তানে গত তিন মাসে অন্তত ৫০টি মিডিয়া আউটলেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে শুধু হেলমন্দেই ১৬টি!


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rYzauW
https://ift.tt/3yrd5rf
প্রশাসনিক ক্ষমতার বেশিটাই চাইছে তালিবান: মার্কিন দূত

প্রশাসনিক ক্ষমতার বেশিটাই চাইছে তালিবান: মার্কিন দূত

কাবুল: শুধু ঘাঁটির পুনর্দখল নয়, আফগানিস্তানে প্রশাসনিক ক্ষমতারও সিংহভাগ চাইছে জঙ্গিরা। মঙ্গলবার অ্যাসপেন নিরাপত্তা ফোরামের ভার্চুয়াল মঞ্চে এমনটাই মন্তব্য করলেন সে দেশে নিযুক্ত বিশেষ মার্কিন দূত জালমে খলিলজাদ। এই আশঙ্কা যে অমূলক নয়, সাংবাদিক অপহরণ থেকে শুরু করে কাবুল-সহ একাধিক শহরের দেদার হামলায় যেন তারই প্রমাণ রাখছে জঙ্গিরা। আফগান প্রশাসন সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে হেরাট প্রদেশে ভারতের তৈরি সালমা বাঁধেও হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। দিল্লি-কাবুলের বন্ধুত্বের নিশান এই বাঁধ লক্ষ্য করে গত মাসে রকেট হামলা চালিয়েছিল তালিবান। সেগুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মঙ্গলবার ফের তেমনই টার্গেট ছিল। কিন্তু আফগান বাহিনী রুখে দাঁড়াতেই জঙ্গিরা রাতের অন্ধকারে পালায় বলে খবর। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জঙ্গি মারাও গিয়েছে বলে দাবি কাবুলের। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ কাবুলে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লা খান মোহাম্মদির বাড়িতে গাড়ি-বোমা ফাটায় জঙ্গিরা। ঘটনার সময় মন্ত্রী অন্যত্র ছিলেন। তাঁর পরিবারকেও যথাসময়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ওই হামলায় অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। আহত অন্তত ২০ জন। সংঘর্ষে চার জঙ্গিও নিহত বলে জানিয়েছে কাবুল। মন্ত্রী নিজে আরও রাতে টুইট করে বলেন, 'চিন্তার কিছু নেই। সব ঠিক আছে।' কিন্তু হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গিরা যেভাবে আরও কয়েকজন সরকারি নেতা-মন্ত্রী-আমলাকে টার্গেট করার হুমকি দিয়েছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকেই। প্রশাসন ও তালিবান- দু'পক্ষকেই অবিলম্বে হিংসা বন্ধের আর্জি জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ। মাসখানেক আগে দোহায় আফগান-তালিবান শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। এ দিকে চলতি মাসের মধ্যেই থেকে সেনা সরানোর কাজ গোটতে চাইছে আমেরিকা। এতেই যেন দ্বিগুণ উৎসাহে ফুটছে জঙ্গিরা। রোজই প্রায় নিয়ম করে বড় বড় শহরে হামলা চালাচ্ছে তারা। মৃত্যুমিছিল শুরু হয়ে দিয়েছে। জঙ্গি-সেনা সংঘর্ষের মাঝে পড়ে হাজার হাজার মানুষ উদ্বাস্তু। রাষ্ট্রপুঞ্জের আবার দাবি, তালিবানকে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বেশি ক্ষতি করছে আফগান বাহিনীই! আফগান মুলুক ছাড়ার আগে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকও। সব মিলিয়ে আফগানিস্তান সেই আফগানিস্তানেই। অভিযোগ, ২০ বছর সেনা রেখেও তালিবান-দমনে কার্যত ব্যর্থ আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা তো বটেই ভারতের কাছেও মধ্যস্থতা দাবি করছে কাবুল। আফগান বিদেশমন্ত্রী চাইছেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যেন আফগান-পরিস্থিতি তুলে ধরে ভারত। মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গেও এক প্রস্ত কথা বলেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি। ঘটনাচক্রে এর পর-পরই আফগান বংশোদ্ভূত মার্কিন দূত খলিলজাদ বলেন, 'এই মুহূর্তে আফগানিস্তানে সামরিক পরিস্থিতি, তাতে স্পষ্ট যে সে দেশে নতুন সরকার গঠিত হলে সেখানে ক্ষমতার সিংহভাগ চাইছে জঙ্গিরা।' গত বছর ফেব্রুয়ারিতে দোহায় তালিবানের সঙ্গে আমেরিকার যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, তাতে ব়ড ভূমিকা ছিল এই মার্কিন দূতের। সেই চুক্তি মোতাবেক এ মাসেই ৯৮ শতাংশ সেনা সরিয়ে নিতে চলেছে আমেরিকা। শুধু দূতাবাস আর বিমানবন্দরে কিছু থাকবে। তারপর পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লিও। সূত্রের খবর, ক্ষমতা দখলে মরিয়া জঙ্গিরা দেশের সাধারণ নাগরিকদের রেয়াত করছে না। এমনকী সাংবাদিকদেরও। একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকিকে জঙ্গিরাই নির্মম ভাবে গুলিতে ঝাঁঝরা করে গাড়িতে পিষে মেরেছিল। জঙ্গিরা যদিও বরাবর তা অস্বীকার করে এসেছে। এ দিন আবার এক স্থানীয় সাংবাদিকের অপহরণের খবর মিলেছে। মনে করা হচ্ছে, মায়ওয়ান্দ মিলানি নামে হেলমন্দের ওই সাংবাদিককে জঙ্গিরাই কোনও গোপন স্থানে পণবন্দি করে রেখেছে। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ যদিও তা অস্বীকার করে বলেন, 'ওই সাংবাদিককে আমরাও খুঁজে বার করার চেষ্টা করছি। তবে একটা কথা ফের বলছি- সাংবাদিকরা আমাদের আগাম জানিয়ে কাজ করলে, আমরাই তাঁদের নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে পারি।' অপপ্রচারের দায়ে কান্দাহার-ফেরত চার স্থানীয় সাংবাদিকতে গত ২৬ জুলাই গ্রেপ্তার করেছে আফগান প্রশাসনও। দেশ জুড়ে বাড়তে থাকা হিংসার জেরে আফগানিস্তানে গত তিন মাসে অন্তত ৫০টি মিডিয়া আউটলেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে শুধু হেলমন্দেই ১৬টি!


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rYzauW
https://ift.tt/3yrd5rf
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার অতি সংক্রামক Delta প্রজাতি রুখতে Vaccine-এর তৃতীয় ডোজ অর্থাৎ বুস্টার শটের প্রয়োজন রয়েছে, দাবি করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এবার এই প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করলেন WHO প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস। বুধবার তিনি জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা টিকার বুস্টার শট দেওয়া বন্ধ রাখা উচিত। অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলিতে টিকা সাপ্লাই করার জন্য ভ্যাকসিন নির্মাতা কোম্পানীগুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। টেড্রস সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, 'প্রতিটি দেশের সরকার নিজেদের রাষ্ট্রের মানুষজনকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের ডেলটা ভ্যারিয়্যান্টের হাত থেকে রক্ষা করতে চায়ছে। কিন্তু বিশ্বে উৎপাদিত টিকার সিংহভাগ যে দেশগুলি পায় তারাই আরও টিকা ব্যবহার করুক এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ বহু দেশ এখনও টিকা পায়নি এবং সেখানকার বহু মানুষ অসুরক্ষিত রয়েছে। ' যাতে বিশ্বের প্রতিটি দেশ এই কঠিন পরিস্থিতিতে টিকা পায় সেই লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বুস্টার শট ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞার কথা বলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত ,কিছুদিন আগেই AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছিলেন, করোনার সুপার স্প্রেডার ডেল্টা প্রজাতিকে রুখতে তৃতীয় বুস্টার ডোজের প্রয়োজন পড়বে। ইতিমধ্যেই বুস্টার ডোজের ট্রায়াল শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, 'অতিমারি শেষ কবে'? কিছুদিন আগে এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রেড্রস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসাস বলেন, 'বিশ্ব চাইলেই অতিমারি শেষ হবে। এই বিষয়টি আমাদের হাতেই রয়েছে। আমরা যদি চাই তবে পরীক্ষা করাতে পারি। সেরে উঠতেই পারি'। Delta Variant-কে আটকানোর জন্য মানুষকে সচেতন হতে হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিগত চার সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছ'টি রিজিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে প্রায় ৮০ শতাংশ হারে বেড়েছে সংক্রমণ। অর্থাৎ আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। আফ্রিকাতে ৮০ শতাংশ বেড়েছে সংক্রমণ। ভারতেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের দরুন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। তবে বর্তমানে ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের ঘন ঘন রূপ পরিবর্তন WHO-কে ভাবাচ্ছে। এর সংক্রমণ কেন দ্রুতগতিতে বাড়ছে, সেটা নিয়েই পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে WHO। টেড্রস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসাস আগেই জানিয়েছিলেন, বর্তমানে বিশ্বের একাধিক দেশ 'কোভিড থার্ড ওয়েভ'-এর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তিনি এও জানিয়েছিলেন যে বিশ্বজুড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট ছড়ানোর ফলে বাড়ছে কোভিড মৃত্যুও।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rSOWXY
https://ift.tt/37mkHPK
কেন এখনই Vaccine-এর দুটি ডোজের পরে 'বুস্টার শট' শট নয়? জবাব দিলেন WHO প্রধান

কেন এখনই Vaccine-এর দুটি ডোজের পরে 'বুস্টার শট' শট নয়? জবাব দিলেন WHO প্রধান

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার অতি সংক্রামক Delta প্রজাতি রুখতে Vaccine-এর তৃতীয় ডোজ অর্থাৎ বুস্টার শটের প্রয়োজন রয়েছে, দাবি করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এবার এই প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করলেন WHO প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস। বুধবার তিনি জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা টিকার বুস্টার শট দেওয়া বন্ধ রাখা উচিত। অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলিতে টিকা সাপ্লাই করার জন্য ভ্যাকসিন নির্মাতা কোম্পানীগুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। টেড্রস সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, 'প্রতিটি দেশের সরকার নিজেদের রাষ্ট্রের মানুষজনকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের ডেলটা ভ্যারিয়্যান্টের হাত থেকে রক্ষা করতে চায়ছে। কিন্তু বিশ্বে উৎপাদিত টিকার সিংহভাগ যে দেশগুলি পায় তারাই আরও টিকা ব্যবহার করুক এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ বহু দেশ এখনও টিকা পায়নি এবং সেখানকার বহু মানুষ অসুরক্ষিত রয়েছে। ' যাতে বিশ্বের প্রতিটি দেশ এই কঠিন পরিস্থিতিতে টিকা পায় সেই লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বুস্টার শট ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞার কথা বলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত ,কিছুদিন আগেই AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছিলেন, করোনার সুপার স্প্রেডার ডেল্টা প্রজাতিকে রুখতে তৃতীয় বুস্টার ডোজের প্রয়োজন পড়বে। ইতিমধ্যেই বুস্টার ডোজের ট্রায়াল শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, 'অতিমারি শেষ কবে'? কিছুদিন আগে এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রেড্রস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসাস বলেন, 'বিশ্ব চাইলেই অতিমারি শেষ হবে। এই বিষয়টি আমাদের হাতেই রয়েছে। আমরা যদি চাই তবে পরীক্ষা করাতে পারি। সেরে উঠতেই পারি'। Delta Variant-কে আটকানোর জন্য মানুষকে সচেতন হতে হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিগত চার সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছ'টি রিজিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে প্রায় ৮০ শতাংশ হারে বেড়েছে সংক্রমণ। অর্থাৎ আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। আফ্রিকাতে ৮০ শতাংশ বেড়েছে সংক্রমণ। ভারতেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের দরুন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। তবে বর্তমানে ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের ঘন ঘন রূপ পরিবর্তন WHO-কে ভাবাচ্ছে। এর সংক্রমণ কেন দ্রুতগতিতে বাড়ছে, সেটা নিয়েই পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে WHO। টেড্রস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসাস আগেই জানিয়েছিলেন, বর্তমানে বিশ্বের একাধিক দেশ 'কোভিড থার্ড ওয়েভ'-এর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তিনি এও জানিয়েছিলেন যে বিশ্বজুড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট ছড়ানোর ফলে বাড়ছে কোভিড মৃত্যুও।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3rSOWXY
https://ift.tt/37mkHPK
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আর্থিক সংকট মেটাতে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান সরকার। ভাড়া দেওয়া হচ্ছে খোদ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) বাড়ি। ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি আবাসনে রীতিমতো বাজার দরে ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত (Pakistan PM House Rent) নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবশ্য পাকিস্তান প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর আবাসনটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব এনেছিল। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারপরই তাঁর সরকারি বাসভবন ছেড়ে দেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য। কিন্তু, সেই প্রস্তাব এখন অতীত। আপাতত বর্তমান আর্থিক সংকট মেটাতে সেই আবাসন ভাড়া দেওয়ার পথেই হাঁটছে প্রশাসন। পাকিস্তানের স্তানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামাবাদের রেড জোনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর আবাসনটি এবার থেকে সাংস্কৃতিক, ফ্যাশন, শিক্ষা সংক্রান্ত এবং অন্য অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হবে। পাক সংবাদমাধ্যম সামা টিভির খবর অনুযায়ী, এই বিষয়ে দু'টি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। যারা ভাড়া সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে এবং নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখবে। কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর আবাসনের ভাড়া থেকে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব, তা নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে আলোচনা হবে বলেও খবর। জানা গিয়েছে, আবাসনের অডিটোরিয়াম, দু'টি অতিথিশালা, বাগানের অংশটি ভাড়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের সেমিনারের জন্যও সাজানো হয়েছে আবাসন। এর আগেও একাধিকবার পাক প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অর্থ সরকারের নেই। সরকারি কোষাগারে অর্থাভাব মেটাতেই প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ব্যবহার করেন না। তিনি বানী গালা বাসভবনে থাকেন। উল্লেখ্য, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী পদে আসার পর থেকেই পাকিস্তানের আর্থিক অবস্থা চরমে পৌঁছেছে। গত তিন বছর ধরেই সরকারি কোষাগারে চাপ কমাতে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রীকে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3fvgfCJ
https://ift.tt/3frGY34
চরম আর্থিক সংকট! ভাড়া দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি

চরম আর্থিক সংকট! ভাড়া দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আর্থিক সংকট মেটাতে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান সরকার। ভাড়া দেওয়া হচ্ছে খোদ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) বাড়ি। ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি আবাসনে রীতিমতো বাজার দরে ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত (Pakistan PM House Rent) নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবশ্য পাকিস্তান প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর আবাসনটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব এনেছিল। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারপরই তাঁর সরকারি বাসভবন ছেড়ে দেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য। কিন্তু, সেই প্রস্তাব এখন অতীত। আপাতত বর্তমান আর্থিক সংকট মেটাতে সেই আবাসন ভাড়া দেওয়ার পথেই হাঁটছে প্রশাসন। পাকিস্তানের স্তানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামাবাদের রেড জোনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর আবাসনটি এবার থেকে সাংস্কৃতিক, ফ্যাশন, শিক্ষা সংক্রান্ত এবং অন্য অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হবে। পাক সংবাদমাধ্যম সামা টিভির খবর অনুযায়ী, এই বিষয়ে দু'টি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। যারা ভাড়া সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে এবং নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখবে। কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর আবাসনের ভাড়া থেকে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব, তা নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে আলোচনা হবে বলেও খবর। জানা গিয়েছে, আবাসনের অডিটোরিয়াম, দু'টি অতিথিশালা, বাগানের অংশটি ভাড়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের সেমিনারের জন্যও সাজানো হয়েছে আবাসন। এর আগেও একাধিকবার পাক প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অর্থ সরকারের নেই। সরকারি কোষাগারে অর্থাভাব মেটাতেই প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ব্যবহার করেন না। তিনি বানী গালা বাসভবনে থাকেন। উল্লেখ্য, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী পদে আসার পর থেকেই পাকিস্তানের আর্থিক অবস্থা চরমে পৌঁছেছে। গত তিন বছর ধরেই সরকারি কোষাগারে চাপ কমাতে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রীকে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3fvgfCJ
https://ift.tt/3frGY34
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তৃতীয় ঢেউয়ের () দোরগোরায় দাঁড়িয়ে দেশ! করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মারণ ভাইরাসের হাত থেকে শিশুদের কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে নিয়ে চিন্তায় সব মহল। এদিকে, আসার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিশুদের করোনায় (Covid 19) আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এই আবহে The Lancet Child and Adolescent Health journal -এর এক গবেষণায় খানিকটা স্বস্তির খবর মিলল। ওই গবেষণায় জানানো হয়েছে, শিশুদের দেহে কোভিডের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী নয়। যেসব শিশু করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই ৬ দিন পর অনেকটাই 'বেটার ফিল' করছে। ওই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, চার সপ্তাহের পরও শরীরে কোভিডের উপসর্গ রয়েছে, এমন শিশুর সংখ্যা কম। এই গবেষণার সিনিয়র অথার লন্ডন কিংস কলেজের অধ্যাপক Emma Duncan এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সকলকে আশ্বস্ত করে বলছি, শরীরে কোভিডির দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ রয়েছে এমন শিশুর সংখ্যা কম। খুব কম সংখ্যক শিশুই কোভিডে দীর্ঘদিন ভোগে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই শিশুরা ৬ দিন অসুস্থ ছিল। প্রথম সপ্তাহে গড়ে তিনটি উপসর্গ ছিল তাদের। কোভিডে শিশুরা সামান্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাই দ্রুত তারা সেরে উঠতে পেরেছে। অধিকাংশ শিশুই চার সপ্তাহের মধ্যেই সেরে উঠেছে। খুব কম সংখ্যক শিশুই এক মাসের পরও অসুস্থ ছিল। অসুস্থতার চার সপ্তাহ পর তাদের শরীরে দুটি উপসর্গ ছিল। লন্ডনে পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি শিশুদের নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। ZOE COVID Study smartphone app-এর সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত বছরের পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xrIaJY
https://ift.tt/3lrfLl1
করোনাকে হারিয়ে শিশুরা ৪ সপ্তাহের মধ্যেই ফিট! গবেষণায় মিলল নয়া তথ্য

করোনাকে হারিয়ে শিশুরা ৪ সপ্তাহের মধ্যেই ফিট! গবেষণায় মিলল নয়া তথ্য

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তৃতীয় ঢেউয়ের () দোরগোরায় দাঁড়িয়ে দেশ! করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মারণ ভাইরাসের হাত থেকে শিশুদের কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে নিয়ে চিন্তায় সব মহল। এদিকে, আসার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিশুদের করোনায় (Covid 19) আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এই আবহে The Lancet Child and Adolescent Health journal -এর এক গবেষণায় খানিকটা স্বস্তির খবর মিলল। ওই গবেষণায় জানানো হয়েছে, শিশুদের দেহে কোভিডের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী নয়। যেসব শিশু করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই ৬ দিন পর অনেকটাই 'বেটার ফিল' করছে। ওই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, চার সপ্তাহের পরও শরীরে কোভিডের উপসর্গ রয়েছে, এমন শিশুর সংখ্যা কম। এই গবেষণার সিনিয়র অথার লন্ডন কিংস কলেজের অধ্যাপক Emma Duncan এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সকলকে আশ্বস্ত করে বলছি, শরীরে কোভিডির দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ রয়েছে এমন শিশুর সংখ্যা কম। খুব কম সংখ্যক শিশুই কোভিডে দীর্ঘদিন ভোগে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই শিশুরা ৬ দিন অসুস্থ ছিল। প্রথম সপ্তাহে গড়ে তিনটি উপসর্গ ছিল তাদের। কোভিডে শিশুরা সামান্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাই দ্রুত তারা সেরে উঠতে পেরেছে। অধিকাংশ শিশুই চার সপ্তাহের মধ্যেই সেরে উঠেছে। খুব কম সংখ্যক শিশুই এক মাসের পরও অসুস্থ ছিল। অসুস্থতার চার সপ্তাহ পর তাদের শরীরে দুটি উপসর্গ ছিল। লন্ডনে পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি শিশুদের নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। ZOE COVID Study smartphone app-এর সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত বছরের পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xrIaJY
https://ift.tt/3lrfLl1
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান ()। অলিম্পিকের আসরেই () অনুভূত হল কম্পন। জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ আচমকাই কম্পন অনুভূত হয় জাপানে। কম্পনের উৎস্থল ছিল ইবারাকি এলাকা। জাপানের মেটেরোলজিক্যাল এজেন্সি জানাচ্ছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। জানা গিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূমি থেকে ৪০ কিলোমিটার গভীরে। ২০ সেকেন্ড ধরে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর। আফটার শকও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যার স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত। প্রায়ই ঘটে থাকে। ভূপৃষ্ঠের তিনটি প্লেটের উপর অবস্থান করছে জাপান। ফলে প্লেটগুলি সামান্য সরে গেলেও কেঁপে ওঠে এই দেশ। তবে এই মুহূর্তে টোকিয়োতে চলছে অলিম্পিক ২০২০। সেই আসরেই কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকলেই কম্পন টের পান। মুহূর্তের জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আয়োজক ও স্টাফেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। যদিও সেই মুহূর্তে কোনও খেলা শুরু হয়নি বলেই খবর। তবে অলিম্পিক ভিলেজে সমস্ত দেশেরই প্রতিযোগীরা রয়েছেন। ভূমিকম্পের ঘটনায় সকলেই সাময়িকভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। যদিও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। জারি হয়নি সুনামির সতর্কতাও। এদিকে, ফের তেরঙা ওড়ানোর জন্য আজ অলিম্পিকে দেশ তাকিয়ে নারীশক্তির দিকে। তবে রং যাই হোক, জীবনের লড়াইয়ে পদক জেতা হয়ে গিয়েছে লভলিনা, রানিদের। আজ ফাইনালে উঠতে হলে লভলিনাকে পেরোতে হবে তুরস্কের প্রতিদ্বন্দ্বী সুরমেনেলিকে। যিনি এ বছর আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দু'টি সোনা পেয়েছেন। ছ'বছর আগে তিনি দেশের প্রেসিডেন্টকে অলিম্পিক্স পদক এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এ সবে অবশ্য অবিচলিত লভলিনা। তাঁর কোচ বঙ্গসন্তান আলি কামার টোকিও থেকে বলছেন, 'লভলিনা এখন খুবই আত্মবিশ্বাসী।' রানিদের কাজটাও সহজ নয়। তাঁদের প্রতিপক্ষ বিশ্বের দু'নম্বর আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3jnaZ5g
https://ift.tt/3CfJ14f
অলিম্পিকের আসরে ভূমিকম্প! আতঙ্ক ছড়াল জাপানে

অলিম্পিকের আসরে ভূমিকম্প! আতঙ্ক ছড়াল জাপানে

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান ()। অলিম্পিকের আসরেই () অনুভূত হল কম্পন। জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ আচমকাই কম্পন অনুভূত হয় জাপানে। কম্পনের উৎস্থল ছিল ইবারাকি এলাকা। জাপানের মেটেরোলজিক্যাল এজেন্সি জানাচ্ছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। জানা গিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূমি থেকে ৪০ কিলোমিটার গভীরে। ২০ সেকেন্ড ধরে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর। আফটার শকও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যার স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত। প্রায়ই ঘটে থাকে। ভূপৃষ্ঠের তিনটি প্লেটের উপর অবস্থান করছে জাপান। ফলে প্লেটগুলি সামান্য সরে গেলেও কেঁপে ওঠে এই দেশ। তবে এই মুহূর্তে টোকিয়োতে চলছে অলিম্পিক ২০২০। সেই আসরেই কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকলেই কম্পন টের পান। মুহূর্তের জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আয়োজক ও স্টাফেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। যদিও সেই মুহূর্তে কোনও খেলা শুরু হয়নি বলেই খবর। তবে অলিম্পিক ভিলেজে সমস্ত দেশেরই প্রতিযোগীরা রয়েছেন। ভূমিকম্পের ঘটনায় সকলেই সাময়িকভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। যদিও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। জারি হয়নি সুনামির সতর্কতাও। এদিকে, ফের তেরঙা ওড়ানোর জন্য আজ অলিম্পিকে দেশ তাকিয়ে নারীশক্তির দিকে। তবে রং যাই হোক, জীবনের লড়াইয়ে পদক জেতা হয়ে গিয়েছে লভলিনা, রানিদের। আজ ফাইনালে উঠতে হলে লভলিনাকে পেরোতে হবে তুরস্কের প্রতিদ্বন্দ্বী সুরমেনেলিকে। যিনি এ বছর আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দু'টি সোনা পেয়েছেন। ছ'বছর আগে তিনি দেশের প্রেসিডেন্টকে অলিম্পিক্স পদক এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এ সবে অবশ্য অবিচলিত লভলিনা। তাঁর কোচ বঙ্গসন্তান আলি কামার টোকিও থেকে বলছেন, 'লভলিনা এখন খুবই আত্মবিশ্বাসী।' রানিদের কাজটাও সহজ নয়। তাঁদের প্রতিপক্ষ বিশ্বের দু'নম্বর আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3jnaZ5g
https://ift.tt/3CfJ14f
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার একের পর এক মিউট্যান্ট ও ঢেউয়ের ছোবল সামলাতে দিশেহারা মানুষ। বিশ্ব জুড়ে ত্রাস সংক্রমণ। প্রতিষেধক আবিষ্কারের পরও নেই সমাধান। উলটে প্রতিদিনই আশঙ্কা বাড়িয়ে সামনে আসছে কোনও না কোনও নতুন তথ্য। নয়া গবেষণা রিপোর্টে প্রকাশ, মার্কিন প্রদেশের বিখ্যাত white-tailed deer-এর শরীরেও থাবা বসিয়েছে সংক্রমণ! এক তৃতীয়াংশ white-tailed deer-এর নমুনা পরীক্ষায় মিলল অ্যান্টিবডি। যার থেকে অনুমান এই সাদা লেজের হরিণ প্রজাতি কখনও না কখন, কোনওভাবে SARS-CoV-2 অর্থাৎ করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছিলেন। মানুষের সঙ্গে সঙ্গে পশুদের শরীরে করোনা সংক্রমণের উদাহরণ এর আগেও দেখা গিয়েছে। ভারতের হায়দরাবাদ, জয়পুর, চেন্নাইয়ের চিড়িয়াখানায় সিংহের শরীরে মিলেছিল SARS-CoV-2 সংক্রমণ। সেক্ষেত্রে তাঁদের মানুষের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল হয়ত মানুষের থেকেই সংক্রমিত হয়েছে পশুগুলি। কিন্তু white-tailed deer-এর মতো বন্য প্রাণীর শরীরে করোনা সংক্রমণ সত্যিই আশঙ্কার। reservoirs হিসেবে ছড়িয়ে পড়া SARS CoV-2 virus এইভাবে পশু থেকে ফের ছড়িয়ে পড়তে পারে মানুষের মধ্যেও। এছাড়া পশুর শরীরে এই ভাইরাস নিজের প্রকৃতি বদলে প্রতিষেধক নেওয়ার পরও মানুষের জন্য হয়ে উঠতে পারে মারণ। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে গবেষকরা মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, নিয় ইয়র্কের মতো জায়গা থেকে ৩৮৫ বন্য প্রাণীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে। তার মধ্যে ১৫২ নমুনাতেই সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পরে শরীরে যে অ্যান্টি বডি তৈরী হয় তার উপস্থিতি মিলেছে। প্রসঙ্গত,চলতি মাসেই ধেয়ে আসছে করোনার Third wave! এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগাস্ট মাসে ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী হবে করোনার গ্রাফ। এক থেকে দেড় লাখ মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, হায়দরাবাদ IIT-র গবেষক মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর এবং IIT কানপুরের মনীন্দ্র আগরওয়াল জানাচ্ছেন, তৃতীয় ঢেউয় শিখর ছোঁবে আগামী অক্টোবরে। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগরের মতে কেরালা এবং মহারাষ্ট্রে ফের নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রথম লক্ষণ বলে মনে করছেন তিনি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো ভয়ংকর হবে এবারের পরিস্থিতিও। এবারেও চার লাখের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। গাণিতিক মডেলের উপর ভর করেই এই হিসেব দিচ্ছেন গবেষকরা। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর আরও বলেন, 'আর কয়েকদিনের মধ্যেই তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যাবে দেশে। এক সপ্তাহ আগেও এই অনুমান করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু, মহামারী দ্রুত তার গতিবিধি বদলাচ্ছে।'করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন সম্পর্কিত বিধিনিষেধে শিথিলতা এবং করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট, এই দুই কারণের জন্য তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। টিকা নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ জোর দিয়েছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর। প্রসঙ্গত,চলতি মাসেই ধেয়ে আসছে করোনার তৃতীয় ঢেউ (Third wave)! এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগাস্ট মাসে ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী হবে করোনার গ্রাফ। এক থেকে দেড় লাখ মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, হায়দরাবাদ IIT-র গবেষক মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর এবং IIT কানপুরের মনীন্দ্র আগরওয়াল জানাচ্ছেন, তৃতীয় ঢেউয়ের শিখর ছোঁবে আগামী অক্টোবরে। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগরের মতে কেরালা এবং মহারাষ্ট্রে ফের নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রথম লক্ষণ বলে মনে করছেন তিনি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো ভয়ংকর হবে এবারের পরিস্থিতিও। এবারেও চার লাখের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। গাণিতিক মডেলের উপর ভর করেই এই হিসেব দিচ্ছেন গবেষকরা। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর আরও বলেন, 'আর কয়েকদিনের মধ্যেই তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যাবে দেশে। এক সপ্তাহ আগেও এই অনুমান করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু, মহামারী দ্রুত তার গতিবিধি বদলাচ্ছে।'করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন সম্পর্কিত বিধিনিষেধে শিথিলতা এবং করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট, এই দুই কারণের জন্য তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। টিকা নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ জোর দিয়েছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2TRlhls
https://ift.tt/3yivg2d
আরও ভয়ঙ্কর সংক্রমণ! শুধু মানুষই না, করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে বন্য প্রাণীরাও

আরও ভয়ঙ্কর সংক্রমণ! শুধু মানুষই না, করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে বন্য প্রাণীরাও

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার একের পর এক মিউট্যান্ট ও ঢেউয়ের ছোবল সামলাতে দিশেহারা মানুষ। বিশ্ব জুড়ে ত্রাস সংক্রমণ। প্রতিষেধক আবিষ্কারের পরও নেই সমাধান। উলটে প্রতিদিনই আশঙ্কা বাড়িয়ে সামনে আসছে কোনও না কোনও নতুন তথ্য। নয়া গবেষণা রিপোর্টে প্রকাশ, মার্কিন প্রদেশের বিখ্যাত white-tailed deer-এর শরীরেও থাবা বসিয়েছে সংক্রমণ! এক তৃতীয়াংশ white-tailed deer-এর নমুনা পরীক্ষায় মিলল অ্যান্টিবডি। যার থেকে অনুমান এই সাদা লেজের হরিণ প্রজাতি কখনও না কখন, কোনওভাবে SARS-CoV-2 অর্থাৎ করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছিলেন। মানুষের সঙ্গে সঙ্গে পশুদের শরীরে করোনা সংক্রমণের উদাহরণ এর আগেও দেখা গিয়েছে। ভারতের হায়দরাবাদ, জয়পুর, চেন্নাইয়ের চিড়িয়াখানায় সিংহের শরীরে মিলেছিল SARS-CoV-2 সংক্রমণ। সেক্ষেত্রে তাঁদের মানুষের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল হয়ত মানুষের থেকেই সংক্রমিত হয়েছে পশুগুলি। কিন্তু white-tailed deer-এর মতো বন্য প্রাণীর শরীরে করোনা সংক্রমণ সত্যিই আশঙ্কার। reservoirs হিসেবে ছড়িয়ে পড়া SARS CoV-2 virus এইভাবে পশু থেকে ফের ছড়িয়ে পড়তে পারে মানুষের মধ্যেও। এছাড়া পশুর শরীরে এই ভাইরাস নিজের প্রকৃতি বদলে প্রতিষেধক নেওয়ার পরও মানুষের জন্য হয়ে উঠতে পারে মারণ। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে গবেষকরা মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, নিয় ইয়র্কের মতো জায়গা থেকে ৩৮৫ বন্য প্রাণীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে। তার মধ্যে ১৫২ নমুনাতেই সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পরে শরীরে যে অ্যান্টি বডি তৈরী হয় তার উপস্থিতি মিলেছে। প্রসঙ্গত,চলতি মাসেই ধেয়ে আসছে করোনার Third wave! এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগাস্ট মাসে ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী হবে করোনার গ্রাফ। এক থেকে দেড় লাখ মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, হায়দরাবাদ IIT-র গবেষক মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর এবং IIT কানপুরের মনীন্দ্র আগরওয়াল জানাচ্ছেন, তৃতীয় ঢেউয় শিখর ছোঁবে আগামী অক্টোবরে। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগরের মতে কেরালা এবং মহারাষ্ট্রে ফের নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রথম লক্ষণ বলে মনে করছেন তিনি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো ভয়ংকর হবে এবারের পরিস্থিতিও। এবারেও চার লাখের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। গাণিতিক মডেলের উপর ভর করেই এই হিসেব দিচ্ছেন গবেষকরা। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর আরও বলেন, 'আর কয়েকদিনের মধ্যেই তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যাবে দেশে। এক সপ্তাহ আগেও এই অনুমান করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু, মহামারী দ্রুত তার গতিবিধি বদলাচ্ছে।'করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন সম্পর্কিত বিধিনিষেধে শিথিলতা এবং করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট, এই দুই কারণের জন্য তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। টিকা নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ জোর দিয়েছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর। প্রসঙ্গত,চলতি মাসেই ধেয়ে আসছে করোনার তৃতীয় ঢেউ (Third wave)! এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগাস্ট মাসে ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী হবে করোনার গ্রাফ। এক থেকে দেড় লাখ মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, হায়দরাবাদ IIT-র গবেষক মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর এবং IIT কানপুরের মনীন্দ্র আগরওয়াল জানাচ্ছেন, তৃতীয় ঢেউয়ের শিখর ছোঁবে আগামী অক্টোবরে। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগরের মতে কেরালা এবং মহারাষ্ট্রে ফের নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রথম লক্ষণ বলে মনে করছেন তিনি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো ভয়ংকর হবে এবারের পরিস্থিতিও। এবারেও চার লাখের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। গাণিতিক মডেলের উপর ভর করেই এই হিসেব দিচ্ছেন গবেষকরা। মাথুকুমাল্লি বিদ্যাসাগর আরও বলেন, 'আর কয়েকদিনের মধ্যেই তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যাবে দেশে। এক সপ্তাহ আগেও এই অনুমান করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু, মহামারী দ্রুত তার গতিবিধি বদলাচ্ছে।'করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন সম্পর্কিত বিধিনিষেধে শিথিলতা এবং করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট, এই দুই কারণের জন্য তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। টিকা নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ জোর দিয়েছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2TRlhls
https://ift.tt/3yivg2d
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অভিনব কায়দায় কোভিড নিয়মভঙ্গকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করল (Japan )। করোনা বিধি না মানলেই এবার জনসমক্ষে নাম ধরে ধরে অপমান করা হচ্ছে জাপানে। ইতিমধ্যেই তিনজন নাগরিক এইভাবে সাজা পেয়েছেন। এমনকী চাকরি ও পেশাগত ক্ষেত্রেও নাম ধরে অপমান করা হচ্ছে নিয়মভঙ্গকারীদের। বিধি ভাঙলেই জুটবে এই শাস্তি। জাপান সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে কঠোরভাবে জানানো হয়েছে, () ভাঙলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। বিদেশ থেকে এসে কোয়ারেন্টাইন বিধি ভাঙায় তিনজন নাগরিককে জনসমক্ষে অপমানিত হতে হয়েছে। পেশাগত ক্ষেত্রেও হেনস্থা হতে হচ্ছে তাঁদের। সরাসরি ওই তিন নাগরিকের সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করেছেন সহকর্মীরা। এমন অভিনব কায়দায় কোভিড বিধি জারি হওয়ায় তাজ্জব নাগরিকরা। টুইটারে ইতিমধ্যেই এই নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে জাপানী নাগরিকদের মধ্যে। কর্মক্ষেত্রে কিংবা সামাজিকভাবে এভাবে অপমানিত হতে হওয়ার ভয়ে অবশ্য অনেকেই মানে মানে সরকারি নিয়ম মেনে চলছেন মুখ বুঁজে। জাপান সরকারের তরফে বিদেশ থেকে আগতদের জন্য বিশেষ নিয়ম জারি করা হয়েছে। বাইরে থেকে এলেই দু'সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে সকল নাগরিককে। শুধু তাই নয়, এই দরুণ তাঁদের ব্যবহার করতে হবে স্মার্ট ফোন। যেখানে সবসময় তাঁদের লোকেশন ট্র্যাক করা হবে। বিশেষ লোকেশন ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহারের নির্দেশিকাও জারি করেছে প্রশাসন। হেলথ রিপোর্ট নিয়েও সময়মতো সংশ্লিষ্ট অ্যাপে আপডেট দিতে হবে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VxZWy8
https://ift.tt/3lrve4s
কোভিড বিধি না মানলেই জনসমক্ষে অপমান! জাপান সরকারের কঠোর নিয়মে শোরগোল

কোভিড বিধি না মানলেই জনসমক্ষে অপমান! জাপান সরকারের কঠোর নিয়মে শোরগোল

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অভিনব কায়দায় কোভিড নিয়মভঙ্গকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করল (Japan )। করোনা বিধি না মানলেই এবার জনসমক্ষে নাম ধরে ধরে অপমান করা হচ্ছে জাপানে। ইতিমধ্যেই তিনজন নাগরিক এইভাবে সাজা পেয়েছেন। এমনকী চাকরি ও পেশাগত ক্ষেত্রেও নাম ধরে অপমান করা হচ্ছে নিয়মভঙ্গকারীদের। বিধি ভাঙলেই জুটবে এই শাস্তি। জাপান সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে কঠোরভাবে জানানো হয়েছে, () ভাঙলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। বিদেশ থেকে এসে কোয়ারেন্টাইন বিধি ভাঙায় তিনজন নাগরিককে জনসমক্ষে অপমানিত হতে হয়েছে। পেশাগত ক্ষেত্রেও হেনস্থা হতে হচ্ছে তাঁদের। সরাসরি ওই তিন নাগরিকের সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করেছেন সহকর্মীরা। এমন অভিনব কায়দায় কোভিড বিধি জারি হওয়ায় তাজ্জব নাগরিকরা। টুইটারে ইতিমধ্যেই এই নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে জাপানী নাগরিকদের মধ্যে। কর্মক্ষেত্রে কিংবা সামাজিকভাবে এভাবে অপমানিত হতে হওয়ার ভয়ে অবশ্য অনেকেই মানে মানে সরকারি নিয়ম মেনে চলছেন মুখ বুঁজে। জাপান সরকারের তরফে বিদেশ থেকে আগতদের জন্য বিশেষ নিয়ম জারি করা হয়েছে। বাইরে থেকে এলেই দু'সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে সকল নাগরিককে। শুধু তাই নয়, এই দরুণ তাঁদের ব্যবহার করতে হবে স্মার্ট ফোন। যেখানে সবসময় তাঁদের লোকেশন ট্র্যাক করা হবে। বিশেষ লোকেশন ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহারের নির্দেশিকাও জারি করেছে প্রশাসন। হেলথ রিপোর্ট নিয়েও সময়মতো সংশ্লিষ্ট অ্যাপে আপডেট দিতে হবে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VxZWy8
https://ift.tt/3lrve4s
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সেই ভয়াবহ অতীত ফিরছে চিনে! অর্থাৎ করোনাভাইরাসের ‘আঁতুড়ঘর’ থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছিল এই ভাইরাস। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় এই শহরে করোনা সংক্রমণের কোনও খবর সামনে আসেনি। কিন্তু ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন উহানের বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এরপর আরও কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি প্রশাসন। জানা গিয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বিশিষ্ট এই শহরের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করা হবে। ২০১৯ সালে শেষ দিকে উহানের একটি মাছের বাজার থেকে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে করোনা। এরপর অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে এই করোনা, যা আজ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ত্রাসের কারণ। কিন্তু উহানে নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন প্রশাসনের কপালে। এমনকী, ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের প্রভাবে চিনে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলেও খবর। শুধু উহানে নয়, চিনের বেশ কয়েকটি শহরে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ।সংক্রমণ মোকাবিলায়, বেশ কয়েকটি শহরে লাখ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, ভ্রমণের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রবিবারও চিনে ৭৫টি নতুন কেস সামনে এসেছে, এর মধ্যে আরও ৫৩টি লোকাল সংক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে চিনে। শুরুর দিকে চিনে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের একবার চিনে চোখ রাঙাচ্ছে করোনাভাইরাস।জিয়াংসু, সিচুয়ান, বেজিং, উজিয়ান প্রদেশ ইত্যাদি এলাকায় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে নতুন করে। প্রসঙ্গত, এর আগে জিয়াংসুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১০ জন সাফাইকর্মী ২০ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেখান থেকেই সংক্রমণ আবার ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। চিনা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডেল্টা ভেরিয়েন্টের জেরেই নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের আনাগোনার জন্যেই বেড়েছে সংক্রমণের মাত্রা। এই ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এখন চিনের সবচেয়ে বড় মাথা ব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিনের হুনান প্রদেশের নানজিং বা ঝাংজিয়াজি একটি পর্যটন শহর। সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে লকডাউন রয়েছে এই এলাকা। করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার ওই পর্যটন এলাকায় ভ্রমণকারী, সমস্ত পর্যটকদের খোঁজ করতে শুরু করেছে চিনা আধিকারিকরা। পাশাপাশি বিপদ বাড়িয়ে রবিবার হাইনান আইসল্যান্ড থেকেও করোনা সংক্রমণের এই ঘটনা সামনে এসেছে। এই হাইনান আইসল্যান্ডও চিনের একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। করোনা রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি টিকা দেওয়ার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে চিনে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2Vck8Wu
https://ift.tt/3yymltq
করোনার 'আঁতুড়ঘর' উহানে বাড়ছে সংক্রমণ, ১ কোটি ১০ লাখ বাসিন্দার কোভিড টেস্ট করবে চিন

করোনার 'আঁতুড়ঘর' উহানে বাড়ছে সংক্রমণ, ১ কোটি ১০ লাখ বাসিন্দার কোভিড টেস্ট করবে চিন

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সেই ভয়াবহ অতীত ফিরছে চিনে! অর্থাৎ করোনাভাইরাসের ‘আঁতুড়ঘর’ থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছিল এই ভাইরাস। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় এই শহরে করোনা সংক্রমণের কোনও খবর সামনে আসেনি। কিন্তু ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন উহানের বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এরপর আরও কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি প্রশাসন। জানা গিয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বিশিষ্ট এই শহরের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করা হবে। ২০১৯ সালে শেষ দিকে উহানের একটি মাছের বাজার থেকে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে করোনা। এরপর অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে এই করোনা, যা আজ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ত্রাসের কারণ। কিন্তু উহানে নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন প্রশাসনের কপালে। এমনকী, ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের প্রভাবে চিনে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলেও খবর। শুধু উহানে নয়, চিনের বেশ কয়েকটি শহরে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ।সংক্রমণ মোকাবিলায়, বেশ কয়েকটি শহরে লাখ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, ভ্রমণের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রবিবারও চিনে ৭৫টি নতুন কেস সামনে এসেছে, এর মধ্যে আরও ৫৩টি লোকাল সংক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে চিনে। শুরুর দিকে চিনে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের একবার চিনে চোখ রাঙাচ্ছে করোনাভাইরাস।জিয়াংসু, সিচুয়ান, বেজিং, উজিয়ান প্রদেশ ইত্যাদি এলাকায় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে নতুন করে। প্রসঙ্গত, এর আগে জিয়াংসুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১০ জন সাফাইকর্মী ২০ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেখান থেকেই সংক্রমণ আবার ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। চিনা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডেল্টা ভেরিয়েন্টের জেরেই নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের আনাগোনার জন্যেই বেড়েছে সংক্রমণের মাত্রা। এই ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এখন চিনের সবচেয়ে বড় মাথা ব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিনের হুনান প্রদেশের নানজিং বা ঝাংজিয়াজি একটি পর্যটন শহর। সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে লকডাউন রয়েছে এই এলাকা। করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার ওই পর্যটন এলাকায় ভ্রমণকারী, সমস্ত পর্যটকদের খোঁজ করতে শুরু করেছে চিনা আধিকারিকরা। পাশাপাশি বিপদ বাড়িয়ে রবিবার হাইনান আইসল্যান্ড থেকেও করোনা সংক্রমণের এই ঘটনা সামনে এসেছে। এই হাইনান আইসল্যান্ডও চিনের একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। করোনা রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি টিকা দেওয়ার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে চিনে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2Vck8Wu
https://ift.tt/3yymltq