Top Ad

middle ad
Showing posts with label আমাদের দেশ. Show all posts
Showing posts with label আমাদের দেশ. Show all posts
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে মুষলধারে বৃষ্টিতে বহু জেলায় বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে অশোক নগরের পাঁচওয়ালি গ্রাম থেকে সামনে এল এক আশ্চর্য খবর। যা শুনে হতচকিত হয়ে পড়ছেন সকলেই। প্রবল বৃষ্টির কারণে মধ্যপ্রদেশে সিন্ধ নদীতেও জলের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার সকালে যখন নদীর জল কমে যায় ,তখন দেখা যায় নদীর মাটিতে পড়ে রয়েছে প্রচুর ! খবর গ্রামে চাউর হতে অবশ্য বেশি সময় লাগেনি। দাবানলের মতো খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী নদীর তীরে রুপোর মুদ্রা খুঁজতে শুরু করে। এই রুপোর মুদ্রাগুলি আবার দেখা যায় ব্রিটিশ সময়কালের। যার ফলে গুপ্তধনের ভাবনা জোরালো হয়েছে গ্রমবাসীর মনে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আগে কখনও কখনও এক বা দু'টি মুদ্রা পাওয়া যেত ঠিকই, কিন্তু প্রবল বৃষ্টির পরে দেখা যায় আট-ন'টি করে এমন মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে। যেন মনে হচ্ছিল কোথাও থেকে বন্যার জলে গুপ্তধন ভেসে এসেছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ নদীর তীরে পৌঁছে কয়েন খুঁজতে শুরু করেন। ওই এলাকার এসডিপিও এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার কথা শুনেছেন। এক অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে। কী ভাবে এই মুদ্রাগুলি নদীতে এল, তা এখনও জানা যায়নি। কয়েকজন স্থানীয়রা বলছেন, একটি বাড়িতে এই সম্পত্তি লুকানো ছিল। বন্যার জলে সেগুলিই ভেসে এসেছে, বলে দাবি তাঁদের। আবার অনেকে মনে করছেন ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই লোকেরা এই কয়েন নদীতে ফেলেছিল। এখন সেই কয়েনই আবার নদীর তীরে ভেসে আসছে। তবে কারণ যাই হোক, তা নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে রাজি না গ্রামবাসীরা, তাঁরা এখন ব্যস্ত রুপোর মুদ্রা কুড়োতে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37wHubO
https://ift.tt/3As6NYP
নদী থেকে উঠছে রাশিরাশি রৌপ্যমুদ্রা! অবাধে চলল লুঠপাট

নদী থেকে উঠছে রাশিরাশি রৌপ্যমুদ্রা! অবাধে চলল লুঠপাট

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে মুষলধারে বৃষ্টিতে বহু জেলায় বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে অশোক নগরের পাঁচওয়ালি গ্রাম থেকে সামনে এল এক আশ্চর্য খবর। যা শুনে হতচকিত হয়ে পড়ছেন সকলেই। প্রবল বৃষ্টির কারণে মধ্যপ্রদেশে সিন্ধ নদীতেও জলের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার সকালে যখন নদীর জল কমে যায় ,তখন দেখা যায় নদীর মাটিতে পড়ে রয়েছে প্রচুর ! খবর গ্রামে চাউর হতে অবশ্য বেশি সময় লাগেনি। দাবানলের মতো খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী নদীর তীরে রুপোর মুদ্রা খুঁজতে শুরু করে। এই রুপোর মুদ্রাগুলি আবার দেখা যায় ব্রিটিশ সময়কালের। যার ফলে গুপ্তধনের ভাবনা জোরালো হয়েছে গ্রমবাসীর মনে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আগে কখনও কখনও এক বা দু'টি মুদ্রা পাওয়া যেত ঠিকই, কিন্তু প্রবল বৃষ্টির পরে দেখা যায় আট-ন'টি করে এমন মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে। যেন মনে হচ্ছিল কোথাও থেকে বন্যার জলে গুপ্তধন ভেসে এসেছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ নদীর তীরে পৌঁছে কয়েন খুঁজতে শুরু করেন। ওই এলাকার এসডিপিও এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার কথা শুনেছেন। এক অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে। কী ভাবে এই মুদ্রাগুলি নদীতে এল, তা এখনও জানা যায়নি। কয়েকজন স্থানীয়রা বলছেন, একটি বাড়িতে এই সম্পত্তি লুকানো ছিল। বন্যার জলে সেগুলিই ভেসে এসেছে, বলে দাবি তাঁদের। আবার অনেকে মনে করছেন ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই লোকেরা এই কয়েন নদীতে ফেলেছিল। এখন সেই কয়েনই আবার নদীর তীরে ভেসে আসছে। তবে কারণ যাই হোক, তা নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে রাজি না গ্রামবাসীরা, তাঁরা এখন ব্যস্ত রুপোর মুদ্রা কুড়োতে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37wHubO
https://ift.tt/3As6NYP
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তামিলনাড়ুর ধর্মপুরীতে ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর জলে স্নান করলেন এক পুরোহিতকে। আদি আম্মাবাসাই উৎসবের রীতি অনুসারে নাদাপানহল্লির একটি মন্দিরের এক পুরোহিত ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর মেশানো জলে স্নান করলেন। তামিল মাস আদিতে যে অমাবস্যা পড়ে সেদিন গ্রামের দেবতা পেরিয়া কারুপাসামির পূজা করা হয়। প্রথমে দেবতাকে দুধ দিয়ে অভিষিক্ত করা হয়। এর পরে গুঁড়ো দিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মদ ও সিগারেটও দেওয়া হয়। পুরোহিতের লঙ্কার জল দিয়ে স্নান রীতি অনুসারে মন্দিরের পুরোহিতকেও এরপর অনেক রীতিনীতি পালন করতে হয়। যেমন ভক্তদের সমস্যা শুনতে হয়। এরপর ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়ো মেশানো জল দিয়ে ওই পুরোহিত স্নান করেন। তামিলনাড়ুর মানুষ মনে করেন, এই কাজ করলে ভক্তদের উপর থেকে অশুভ আত্মার প্রভাব দূর হয়। জলে এত পরিমাণ লঙ্কা মেশানোর ফলে এই জলের রং পুরোপুরি লাল হয়ে যায়। এত পরিমাণে লঙ্কার ঝাঁঝে পুরোহিতের স্নানের সময় আশেপাশের মানুষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত নিতে পারেন না। কিন্তু ওই পুরোহিত সেই লঙ্কা জলেই স্নান করেন। তবে এমন নিয়ম যে শুধু তামিলনাড়ুতে রয়েছে তা নয়। দেশের একাধিক রাজ্যে এমন বহু নিয়ম চালু রয়েছে। সবগুলি নিয়মই প্রাচীন এবং বহুদিন ধরে ধর্মবিশ্বাসীরা এই নিয়মগুলি মেনে আসছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jyDMUC
https://ift.tt/3ivajvA
১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর জলে স্নান পুরোহিতের!

১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর জলে স্নান পুরোহিতের!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তামিলনাড়ুর ধর্মপুরীতে ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর জলে স্নান করলেন এক পুরোহিতকে। আদি আম্মাবাসাই উৎসবের রীতি অনুসারে নাদাপানহল্লির একটি মন্দিরের এক পুরোহিত ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়োর মেশানো জলে স্নান করলেন। তামিল মাস আদিতে যে অমাবস্যা পড়ে সেদিন গ্রামের দেবতা পেরিয়া কারুপাসামির পূজা করা হয়। প্রথমে দেবতাকে দুধ দিয়ে অভিষিক্ত করা হয়। এর পরে গুঁড়ো দিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মদ ও সিগারেটও দেওয়া হয়। পুরোহিতের লঙ্কার জল দিয়ে স্নান রীতি অনুসারে মন্দিরের পুরোহিতকেও এরপর অনেক রীতিনীতি পালন করতে হয়। যেমন ভক্তদের সমস্যা শুনতে হয়। এরপর ১০৮ কেজি লঙ্কার গুঁড়ো মেশানো জল দিয়ে ওই পুরোহিত স্নান করেন। তামিলনাড়ুর মানুষ মনে করেন, এই কাজ করলে ভক্তদের উপর থেকে অশুভ আত্মার প্রভাব দূর হয়। জলে এত পরিমাণ লঙ্কা মেশানোর ফলে এই জলের রং পুরোপুরি লাল হয়ে যায়। এত পরিমাণে লঙ্কার ঝাঁঝে পুরোহিতের স্নানের সময় আশেপাশের মানুষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত নিতে পারেন না। কিন্তু ওই পুরোহিত সেই লঙ্কা জলেই স্নান করেন। তবে এমন নিয়ম যে শুধু তামিলনাড়ুতে রয়েছে তা নয়। দেশের একাধিক রাজ্যে এমন বহু নিয়ম চালু রয়েছে। সবগুলি নিয়মই প্রাচীন এবং বহুদিন ধরে ধর্মবিশ্বাসীরা এই নিয়মগুলি মেনে আসছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jyDMUC
https://ift.tt/3ivajvA
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পেগাসাস ইস্যুতে উত্তাল সংসদের বাদল অধিবেশন। বিরোধীদের লাগাতার চাপের মুখে Snooping Row-তে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ বয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। পেগাসাস সফটওয়্যার নির্মাতা NSO গ্রুপের সঙ্গে কোনও লেনদেনই হয়নি বলে সাফ জবাব কেন্দ্রের। রাজ্যসভায় সিপিআইএম সাংসদ ডঃ ভি সিভাদাসন-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিবৃতিতেই পেগাসাস ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র। আরও আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন...


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuzZAk
https://ift.tt/2X1awOE
'কারও সঙ্গে কোনও লেনদেন হয়নি', পেগাসাস ইস্যুতে দায় ঝেড়ে ফেলল কেন্দ্র

'কারও সঙ্গে কোনও লেনদেন হয়নি', পেগাসাস ইস্যুতে দায় ঝেড়ে ফেলল কেন্দ্র

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পেগাসাস ইস্যুতে উত্তাল সংসদের বাদল অধিবেশন। বিরোধীদের লাগাতার চাপের মুখে Snooping Row-তে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ বয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। পেগাসাস সফটওয়্যার নির্মাতা NSO গ্রুপের সঙ্গে কোনও লেনদেনই হয়নি বলে সাফ জবাব কেন্দ্রের। রাজ্যসভায় সিপিআইএম সাংসদ ডঃ ভি সিভাদাসন-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিবৃতিতেই পেগাসাস ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র। আরও আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন...


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuzZAk
https://ift.tt/2X1awOE
মুসৌরি: 'হিস্ট্রি অফ '- ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনীর ইতিহাস নিয়ে এই প্রথম কোনও বই প্রকাশিত হল রবিবার। এ দিনই আবার অন্য রকম ইতিহাস গড়ে বাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট পদে যোগ দিলেন প্রকৃতি এবং দীক্ষা নামের দুই তরুণ মহিলা অফিসার। কমব্যাট রোলে মহিলা অফিসার- এমন নজির আইটিবিপি-তে আগেও ছিল। কিন্তু ইউপিএসসি আয়োজিত সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে বাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরে অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট পদে মহিলা অফিসার নিয়োগ এই প্রথম। ২০১৬ থেকে এই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মেয়েরাও। মুসৌরির আটিবিপি অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করার পরে রবিবার সেখানেই নিয়োগপত্র হাতে পান প্রকৃতি ও দীক্ষা। বাহিনীর কয়েক জন উচ্চপদস্থ কর্তার পাশাপাশি এ দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি-ও। প্রকৃতি আদতে ইলেট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। দীক্ষার তবু বাহিনীর সঙ্গে একটা যোগোযোগ ছিল প্রথম থেকেই। তিনি আইটিবিপি-রই ইনস্পেক্টর কমলেশ কুমারের মেয়ে। এ দিন নিয়োগপত্র হাতে নেওয়ার পরে টুইট করে তিনি বলেন, 'বাবাই আমার রোলমডেল। বাহিনীতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বরাবরই অনুপ্রেরণা পেয়েছি বাবার থেকে।' খুশি দীক্ষাও। তাঁদের দু'জনকে উদ্দেশ্য করে ধামি বলেন, 'আইটিবিপি-র মতো বাহিনীর অংশ হওয়াটা খুবই সম্মানজনক। আপনারা ভাগ্যবান, তাই তিব্বত ও চিনের সীমান্তে দাঁড়িয়ে দেশরক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।' ১৯৬২-তে ইন্দো-চিন যুদ্ধ শুরুর পরেই গঠিত হয় আইটিবিপি। তবে এই বাহিনীর ইতিহাস নিয়ে প্রথম বই প্রকাশিত হলো প্রায় ৬০ বছর পরে। বাহিনীর গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে নানা অধ্যায়ের কথা থাকছে এই বইয়ে। আগামী সংস্করণ থেকে এতে হয়তো প্রকৃতি-দীক্ষারও নাম থাকবে বলে মনে করছেন বাহিনীর একাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/2XchtN1
https://ift.tt/3CtFhMp
ITBP-র অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট দুই মহিলা

ITBP-র অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট দুই মহিলা

মুসৌরি: 'হিস্ট্রি অফ '- ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনীর ইতিহাস নিয়ে এই প্রথম কোনও বই প্রকাশিত হল রবিবার। এ দিনই আবার অন্য রকম ইতিহাস গড়ে বাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট পদে যোগ দিলেন প্রকৃতি এবং দীক্ষা নামের দুই তরুণ মহিলা অফিসার। কমব্যাট রোলে মহিলা অফিসার- এমন নজির আইটিবিপি-তে আগেও ছিল। কিন্তু ইউপিএসসি আয়োজিত সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে বাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরে অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট পদে মহিলা অফিসার নিয়োগ এই প্রথম। ২০১৬ থেকে এই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মেয়েরাও। মুসৌরির আটিবিপি অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করার পরে রবিবার সেখানেই নিয়োগপত্র হাতে পান প্রকৃতি ও দীক্ষা। বাহিনীর কয়েক জন উচ্চপদস্থ কর্তার পাশাপাশি এ দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি-ও। প্রকৃতি আদতে ইলেট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। দীক্ষার তবু বাহিনীর সঙ্গে একটা যোগোযোগ ছিল প্রথম থেকেই। তিনি আইটিবিপি-রই ইনস্পেক্টর কমলেশ কুমারের মেয়ে। এ দিন নিয়োগপত্র হাতে নেওয়ার পরে টুইট করে তিনি বলেন, 'বাবাই আমার রোলমডেল। বাহিনীতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বরাবরই অনুপ্রেরণা পেয়েছি বাবার থেকে।' খুশি দীক্ষাও। তাঁদের দু'জনকে উদ্দেশ্য করে ধামি বলেন, 'আইটিবিপি-র মতো বাহিনীর অংশ হওয়াটা খুবই সম্মানজনক। আপনারা ভাগ্যবান, তাই তিব্বত ও চিনের সীমান্তে দাঁড়িয়ে দেশরক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।' ১৯৬২-তে ইন্দো-চিন যুদ্ধ শুরুর পরেই গঠিত হয় আইটিবিপি। তবে এই বাহিনীর ইতিহাস নিয়ে প্রথম বই প্রকাশিত হলো প্রায় ৬০ বছর পরে। বাহিনীর গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে নানা অধ্যায়ের কথা থাকছে এই বইয়ে। আগামী সংস্করণ থেকে এতে হয়তো প্রকৃতি-দীক্ষারও নাম থাকবে বলে মনে করছেন বাহিনীর একাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/2XchtN1
https://ift.tt/3CtFhMp
নয়াদিল্লি: নিম্ন আদালতের বিচারকরা থ্রেট বা তাঁদের জীবনহানির আশঙ্কার কথা জানালেও সিবিআই, আইবি-র মতো সংস্থা সেগুলোকে পাত্তা দেয় না বলে দিন চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা। ঠিক দু'দিন পরই জানালো, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারপতি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার জন্য গত এক মাসে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। সিবিআইয়ের মুখপাত্র আর সি যোশী জানান, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতিদের দেওয়া কিছু রায়কে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকজন ব্যক্তি বিচারপতি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করেছিল। এফআইআরে অভিযুক্ত হিসেবে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তার মধ্যে ১৩ জনের সন্ধান পায় পুলিশ। অভিযুক্ত ২ জন বিদেশে থাকে। বাকি ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের সম্পর্কে তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিদেশে থাকা দু'জনের খোঁজও নেওয়া হচ্ছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সিবিআইয়ের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ এন সুরেশ এবং প্রাক্তন বিধায়ক আমানচি কৃষ্ণামোহনের যুক্ত থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারির পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সেই সব পোস্ট মোছার ব্যবস্থাও করেছে সিবিআই। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের দায়রা বিচার উত্তম আনন্দ মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে অটোর ধাক্কায় প্রাণ হারান। প্রথমে এটিকে নিছক দুর্ঘটনা বলে মনে হয়েছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায় অটোটি ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারককে ধাক্কা মারছে। ধানবাদের বেশ কিছু মাফিয়া খুনের মামলা ছিল এই বিচারকের হাতে। দুই গ্যাংস্টারের জামিনের আর্জিও খারিজ করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই প্রধান বিচারপতি ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এমনকী অভিযুক্ত প্রভাবশালী হলে সেই মামলায় বিচারককেই ইচ্ছাকৃত ভাবে খাটো করা হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lMJapU
https://ift.tt/3lQP6OR
জজদের অপমা! CBI-এর জালে ৫

জজদের অপমা! CBI-এর জালে ৫

নয়াদিল্লি: নিম্ন আদালতের বিচারকরা থ্রেট বা তাঁদের জীবনহানির আশঙ্কার কথা জানালেও সিবিআই, আইবি-র মতো সংস্থা সেগুলোকে পাত্তা দেয় না বলে দিন চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা। ঠিক দু'দিন পরই জানালো, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারপতি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার জন্য গত এক মাসে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। সিবিআইয়ের মুখপাত্র আর সি যোশী জানান, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতিদের দেওয়া কিছু রায়কে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকজন ব্যক্তি বিচারপতি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করেছিল। এফআইআরে অভিযুক্ত হিসেবে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তার মধ্যে ১৩ জনের সন্ধান পায় পুলিশ। অভিযুক্ত ২ জন বিদেশে থাকে। বাকি ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের সম্পর্কে তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিদেশে থাকা দু'জনের খোঁজও নেওয়া হচ্ছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সিবিআইয়ের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ এন সুরেশ এবং প্রাক্তন বিধায়ক আমানচি কৃষ্ণামোহনের যুক্ত থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারির পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সেই সব পোস্ট মোছার ব্যবস্থাও করেছে সিবিআই। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের দায়রা বিচার উত্তম আনন্দ মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে অটোর ধাক্কায় প্রাণ হারান। প্রথমে এটিকে নিছক দুর্ঘটনা বলে মনে হয়েছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায় অটোটি ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারককে ধাক্কা মারছে। ধানবাদের বেশ কিছু মাফিয়া খুনের মামলা ছিল এই বিচারকের হাতে। দুই গ্যাংস্টারের জামিনের আর্জিও খারিজ করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই প্রধান বিচারপতি ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এমনকী অভিযুক্ত প্রভাবশালী হলে সেই মামলায় বিচারককেই ইচ্ছাকৃত ভাবে খাটো করা হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lMJapU
https://ift.tt/3lQP6OR
নয়াদিল্লি: বিচারকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব না-দেওয়ার জন্য সিবিআই, আইবি-র মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ক'দিন আগে কড়া ভর্ৎসনা করেছিলেন তিনি। এ বার প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা কাঠগড়ায় তুললেন পুলিশকেও। তাঁর অভিযোগ, ভারতে এখনও পুলিশি হেফাজতে অত্যাচারের ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে, আর ভিআইপি-রাও তা থেকে ছাড় পান না! তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রধান বিচারপতি যখন এ কথা বলছেন, তার আগে রবিবার ভোররাতে ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত-সহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কোন অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতিক মহলের একাংশ ত্রিপুরার এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাইছেন। তবে, ভীমা কোরেগাঁও মামলায় গ্রেফতার হওয়া স্ট্যান স্বামীর হেফাজতে মৃত্যু, ভারভারা রাওদের মতো প্রবীণ সমাজকর্মীদের জেলবন্দি রাখা নিয়ে এখনও প্রতিবাদ চলছে। সেই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। রবিবার 'ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিস অথরিটি'র একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেখানে তিনি বলেন, 'মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং শারীরিক নির্যাতনের মতো ঘটনা থানাতেই সবচেয়ে বেশি হয়। হেফাজতে অত্যাচার, পুলিশি বর্বরতার মতো সমস্যা এখনও সমাজে রয়েছে। যতই সংবিধানে মৌলিক অধিকার রক্ষার আশ্বাস থাকুক, থানায় ঠিক সময়ে আইনি প্রতিনিধি না-থাকলে গ্রেফতার বা আটক হওয়া ব্যক্তিকে চূড়ান্ত সমস্যার মুখে পড়তে হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় যা সিদ্ধান্ত হয়, সেটাই স্থির করে দেয় পরবর্তীকালে অভিযুক্ত নিজের স্বপক্ষে যুক্তি খাড়া করতে পারবেন কি না। সাম্প্রতিক রিপোর্টে তো দেখছি, সমাজের নামজাদা মানুষেরাও পুলিশের থার্ড ডিগ্রি অত্যাচার থেকে বাঁচতে পারেন না!' প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসছে ভীমা কোরেগাঁওয়ের মতো মামলার কথা। উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগে স্ট্যান স্বামী, ভারভারা রাও, সুধা ভরদ্বাজের মতো প্রবীণ, নামজাদা একাধিক সমাজকর্মী, বুদ্ধিজীবীকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। অসুস্থতার জন্য বার বার তাঁদের জামিনের আবেদন করা হলেও তা নাকচ হয়েছে। পারকিন্সনের রোগী স্ট্যান স্বামী খাওয়ার জন্য একটি সিপার ও স্ট্র চেয়েও বারংবার প্রত্যাখ্যাত হন। জামিনের আবেদন নিয়ে ফয়সালা হওয়ার আগেই গত ৫ জুলাই মৃত্যু হয় তাঁর। স্ট্যান স্বামীর প্রতি পুলিশ-প্রশাসনের এই আচরণ নিয়ে সোচ্চার হন দেশ-বিদেশের মানবাধিকার কর্মীরা। তাঁর মৃত্যুকে 'হেফাজতে খুন' বলে সরব হন বিরোধী নেতারা। সেই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণ পুলিশের উদ্দেশে সতর্কবার্তা বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে, প্রধান বিচারপতি বার বারই ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী এবং প্রান্তিক মানুষের মধ্যে ফারাক ঘোচানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, 'বিচারব্যবস্থা যদি নাগরিকদের আস্থা অর্জন করতে চায়, তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীকে বোঝাতে হবে, ন্যায়বিচার সকলের জন্য। দীর্ঘদিন দেশের প্রান্তিক মানুষ বিচারব্যবস্থার বাইরে থেকেছেন। দেশে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য থাকলেও তার জন্য কোনও মানুষকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আমাদের অতীত যেন ভবিষ্যতের নির্ধারক না হয়। আসুন সকলে জন্য ন্যায়বিচার, সমানাধিকারের স্বপ্ন দেখি।' 'ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিস অথারিটি' তৈরি হয়েছিল ১৯৮৭ সালের 'লিগাল সার্ভিস অথরিটিজ অ্যাক্ট'-এর আওতায়। তাদের লক্ষ্য, সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে বিনামূল্যে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ পাইয়ে দেওয়া, লোক-আদালতে ছোটখাটো বিবাদের মীমাংসা করা। তাদের তৈরি একটি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানেই এসেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গরিব মানুষ আইনি সহায়তা, ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তবে, গ্রামাঞ্চলে এখনও ইন্টারনেট সংযোগ ভালোভাবে পৌঁছয়নি। এই ডিজিটাল-বিভেদ দূর করার ডাকও দিয়েছেন বিচারপতি রামানা।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Csg05k
https://ift.tt/3jEV3vk
'মানবাধিকার লঙ্ঘন থানাতেই সব চেয়ে বেশি'

'মানবাধিকার লঙ্ঘন থানাতেই সব চেয়ে বেশি'

নয়াদিল্লি: বিচারকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব না-দেওয়ার জন্য সিবিআই, আইবি-র মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ক'দিন আগে কড়া ভর্ৎসনা করেছিলেন তিনি। এ বার প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা কাঠগড়ায় তুললেন পুলিশকেও। তাঁর অভিযোগ, ভারতে এখনও পুলিশি হেফাজতে অত্যাচারের ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে, আর ভিআইপি-রাও তা থেকে ছাড় পান না! তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রধান বিচারপতি যখন এ কথা বলছেন, তার আগে রবিবার ভোররাতে ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত-সহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কোন অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতিক মহলের একাংশ ত্রিপুরার এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাইছেন। তবে, ভীমা কোরেগাঁও মামলায় গ্রেফতার হওয়া স্ট্যান স্বামীর হেফাজতে মৃত্যু, ভারভারা রাওদের মতো প্রবীণ সমাজকর্মীদের জেলবন্দি রাখা নিয়ে এখনও প্রতিবাদ চলছে। সেই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। রবিবার 'ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিস অথরিটি'র একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেখানে তিনি বলেন, 'মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং শারীরিক নির্যাতনের মতো ঘটনা থানাতেই সবচেয়ে বেশি হয়। হেফাজতে অত্যাচার, পুলিশি বর্বরতার মতো সমস্যা এখনও সমাজে রয়েছে। যতই সংবিধানে মৌলিক অধিকার রক্ষার আশ্বাস থাকুক, থানায় ঠিক সময়ে আইনি প্রতিনিধি না-থাকলে গ্রেফতার বা আটক হওয়া ব্যক্তিকে চূড়ান্ত সমস্যার মুখে পড়তে হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় যা সিদ্ধান্ত হয়, সেটাই স্থির করে দেয় পরবর্তীকালে অভিযুক্ত নিজের স্বপক্ষে যুক্তি খাড়া করতে পারবেন কি না। সাম্প্রতিক রিপোর্টে তো দেখছি, সমাজের নামজাদা মানুষেরাও পুলিশের থার্ড ডিগ্রি অত্যাচার থেকে বাঁচতে পারেন না!' প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসছে ভীমা কোরেগাঁওয়ের মতো মামলার কথা। উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগে স্ট্যান স্বামী, ভারভারা রাও, সুধা ভরদ্বাজের মতো প্রবীণ, নামজাদা একাধিক সমাজকর্মী, বুদ্ধিজীবীকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। অসুস্থতার জন্য বার বার তাঁদের জামিনের আবেদন করা হলেও তা নাকচ হয়েছে। পারকিন্সনের রোগী স্ট্যান স্বামী খাওয়ার জন্য একটি সিপার ও স্ট্র চেয়েও বারংবার প্রত্যাখ্যাত হন। জামিনের আবেদন নিয়ে ফয়সালা হওয়ার আগেই গত ৫ জুলাই মৃত্যু হয় তাঁর। স্ট্যান স্বামীর প্রতি পুলিশ-প্রশাসনের এই আচরণ নিয়ে সোচ্চার হন দেশ-বিদেশের মানবাধিকার কর্মীরা। তাঁর মৃত্যুকে 'হেফাজতে খুন' বলে সরব হন বিরোধী নেতারা। সেই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণ পুলিশের উদ্দেশে সতর্কবার্তা বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে, প্রধান বিচারপতি বার বারই ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী এবং প্রান্তিক মানুষের মধ্যে ফারাক ঘোচানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, 'বিচারব্যবস্থা যদি নাগরিকদের আস্থা অর্জন করতে চায়, তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীকে বোঝাতে হবে, ন্যায়বিচার সকলের জন্য। দীর্ঘদিন দেশের প্রান্তিক মানুষ বিচারব্যবস্থার বাইরে থেকেছেন। দেশে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য থাকলেও তার জন্য কোনও মানুষকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আমাদের অতীত যেন ভবিষ্যতের নির্ধারক না হয়। আসুন সকলে জন্য ন্যায়বিচার, সমানাধিকারের স্বপ্ন দেখি।' 'ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিস অথারিটি' তৈরি হয়েছিল ১৯৮৭ সালের 'লিগাল সার্ভিস অথরিটিজ অ্যাক্ট'-এর আওতায়। তাদের লক্ষ্য, সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে বিনামূল্যে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ পাইয়ে দেওয়া, লোক-আদালতে ছোটখাটো বিবাদের মীমাংসা করা। তাদের তৈরি একটি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানেই এসেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গরিব মানুষ আইনি সহায়তা, ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তবে, গ্রামাঞ্চলে এখনও ইন্টারনেট সংযোগ ভালোভাবে পৌঁছয়নি। এই ডিজিটাল-বিভেদ দূর করার ডাকও দিয়েছেন বিচারপতি রামানা।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Csg05k
https://ift.tt/3jEV3vk
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরার উত্তাপ এবার রাজধানীতে। আগরতলায় তৃণমূলের যুব নেতাদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সংসদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধরনা তৃণমূল সাংসদদের। গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে চলে বিক্ষোভ। সোমবার সংসদ ভবনের পাদদেশে এ দিন বিক্ষোভ কর্মসূচি চালান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষ, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার সহ তৃণমূলের সাংসদরা। মোদী-শাহকে কটাক্ষ করে দীর্ঘক্ষণ চলে স্লোগানিং। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে চলে বিক্ষোভ। উল্লেখ্য, শনিবার আগরতলায় আক্রান্ত হয়েছিলেন যুব নেতা , জয়া দত্ত, সুদীপ রাহা সহ ১১ জন। যা নিয়ে রবিবার সারাদিনই তপ্ত ছিল ত্রিপুরা। সোমবার ঘটনার আঁচ পৌঁছেছে দিল্লিতেও। এদিকে কলকাতাতেও জোর চর্চা চলছে এ নিয়ে। এ দিনই SSKM হাসপাতালে জয়া ও সুদীপকে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মমতা বলেন, 'অমিত শাহের নির্দেশে ত্রিপুরায় ওই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। বিপ্লব দেবের এত সাহস হত না। ত্রিপুরায় দানবীয় শাসন চলছে। আগেও অসমে আমাদের প্রতিনিধি দলকে আটকে দেওয়া হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের হাথরসে আটকে দেওয়া হয়েছিল। থানায় জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি যুব নেতাদের'। যুব নেতাদের উদ্ধার করতে রবিবার ত্রিপুরায় পৌঁছেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। সেই প্রসঙ্গ টেনে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'অভিষেক যে বিমানে যাবে, সেই বিমানের পাশের চার-পাঁচটি সিট বুক করে গুন্ডা বসিয়ে রাখা হয়েছিল! তাঁর জীবন বিপন্ন হয়েছে'। অভিষেকের বিগত সপ্তাহের সফরের বিষয়টি টেনে তৃণমূল সুপ্রিমোর সংযোজন, 'আগের দিন বুলেট প্রুফ গাড়ি না হলে মাথা চুরমার হয়ে যেত। সুদীপ-জয়াদের উপর এই আক্রমণে যুব সম্প্রদায় গর্জে উঠবে। ত্রিপুরা জয় করব আমরা'। অর্থাৎ ত্রিপুরাকাণ্ড নিয়ে TMC বনাম BJP দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে। ঠিক কী হয়েছিল? Tripura Police এর দাবি ছিল, মহামারী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা আইন সহ একাধিক আইনভঙ্গের কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছিল দেবাংশুদের। যদিও তৃণমূল আঙুল তুলেছে পুলিশের দিকেই। এ দিন সংবাদ মাধ্যমের সামনেই জানান, রবিবার রাতে পুলিশ সুপার ফোন করে জানিয়েছিলেন আইনভঙ্গ হয়নি। সেই ফোনের রেকর্ড দেখিয়ে এ দিন সওয়াল তোলেন তিনি। বেশ কয়েকঘণ্টা পুলিশের সঙ্গে TMC শীর্ষ নেতৃত্বের বচসার পর আদালতে পেশ করা হয় দেবাংশু, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের। আইনি প্রক্রিয়া শুরুর সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ব্রাত্য বসু, দোলা সেন, কুণাল ঘোষরা। এ দিকে থানায় ধরনায় বসেছিলেন অভিষেক। পরে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর করে আদালত। অভিষেকের কথায়, ‘এর শেষ থেকে ছাড়ব। BJP-কে এক ছটাক জমি ছাড়ব না'।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/2VBBfB6
https://ift.tt/3lGCUA1
ত্রিপুরাকাণ্ডের প্রতিবাদে সংসদে ধরনা তৃণমূলের

ত্রিপুরাকাণ্ডের প্রতিবাদে সংসদে ধরনা তৃণমূলের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরার উত্তাপ এবার রাজধানীতে। আগরতলায় তৃণমূলের যুব নেতাদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সংসদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধরনা তৃণমূল সাংসদদের। গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে চলে বিক্ষোভ। সোমবার সংসদ ভবনের পাদদেশে এ দিন বিক্ষোভ কর্মসূচি চালান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষ, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার সহ তৃণমূলের সাংসদরা। মোদী-শাহকে কটাক্ষ করে দীর্ঘক্ষণ চলে স্লোগানিং। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে চলে বিক্ষোভ। উল্লেখ্য, শনিবার আগরতলায় আক্রান্ত হয়েছিলেন যুব নেতা , জয়া দত্ত, সুদীপ রাহা সহ ১১ জন। যা নিয়ে রবিবার সারাদিনই তপ্ত ছিল ত্রিপুরা। সোমবার ঘটনার আঁচ পৌঁছেছে দিল্লিতেও। এদিকে কলকাতাতেও জোর চর্চা চলছে এ নিয়ে। এ দিনই SSKM হাসপাতালে জয়া ও সুদীপকে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মমতা বলেন, 'অমিত শাহের নির্দেশে ত্রিপুরায় ওই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। বিপ্লব দেবের এত সাহস হত না। ত্রিপুরায় দানবীয় শাসন চলছে। আগেও অসমে আমাদের প্রতিনিধি দলকে আটকে দেওয়া হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের হাথরসে আটকে দেওয়া হয়েছিল। থানায় জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি যুব নেতাদের'। যুব নেতাদের উদ্ধার করতে রবিবার ত্রিপুরায় পৌঁছেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। সেই প্রসঙ্গ টেনে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'অভিষেক যে বিমানে যাবে, সেই বিমানের পাশের চার-পাঁচটি সিট বুক করে গুন্ডা বসিয়ে রাখা হয়েছিল! তাঁর জীবন বিপন্ন হয়েছে'। অভিষেকের বিগত সপ্তাহের সফরের বিষয়টি টেনে তৃণমূল সুপ্রিমোর সংযোজন, 'আগের দিন বুলেট প্রুফ গাড়ি না হলে মাথা চুরমার হয়ে যেত। সুদীপ-জয়াদের উপর এই আক্রমণে যুব সম্প্রদায় গর্জে উঠবে। ত্রিপুরা জয় করব আমরা'। অর্থাৎ ত্রিপুরাকাণ্ড নিয়ে TMC বনাম BJP দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে। ঠিক কী হয়েছিল? Tripura Police এর দাবি ছিল, মহামারী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা আইন সহ একাধিক আইনভঙ্গের কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছিল দেবাংশুদের। যদিও তৃণমূল আঙুল তুলেছে পুলিশের দিকেই। এ দিন সংবাদ মাধ্যমের সামনেই জানান, রবিবার রাতে পুলিশ সুপার ফোন করে জানিয়েছিলেন আইনভঙ্গ হয়নি। সেই ফোনের রেকর্ড দেখিয়ে এ দিন সওয়াল তোলেন তিনি। বেশ কয়েকঘণ্টা পুলিশের সঙ্গে TMC শীর্ষ নেতৃত্বের বচসার পর আদালতে পেশ করা হয় দেবাংশু, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের। আইনি প্রক্রিয়া শুরুর সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ব্রাত্য বসু, দোলা সেন, কুণাল ঘোষরা। এ দিকে থানায় ধরনায় বসেছিলেন অভিষেক। পরে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর করে আদালত। অভিষেকের কথায়, ‘এর শেষ থেকে ছাড়ব। BJP-কে এক ছটাক জমি ছাড়ব না'।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/2VBBfB6
https://ift.tt/3lGCUA1
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: স্বস্তি দিয়ে দেশে ফের কমল সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৯৯ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ১৮৮। দেশে সুস্থতার হার ৯৭.৪০ শতাংশ। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে দুটি ডোজে দুটি পৃথক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে কার্যকারিতা বেশি বলে জানিয়েছে ICMR। জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণে কার্যকারিতা অনেকটাই বেশি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে ভুলবশত ভাবে কয়েকজনের শরীরে দু'টি ডোজে দু'টি পৃথক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণের ফলে তাঁদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যায় । ICMR-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভারতের হাতে আসছে আরও এক টিকা। দেশে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র পেল জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ১৯ ভ্যাকসিন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী টুইট করে এ খবর জানান। তিনি জানিয়েছেন, নতুন ভ্যাকসিন পাওয়ায় ভারতের হাতে এখন পাঁচটি EUA ভ্য়াকসিন রয়েছে। নতুন ভ্যাকসিন আসায় দেশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হবে। পশ্চিমবঙ্গেও কমছে করোনার প্রকোপ। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনে বাংলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫ জন। করোনায় রবিবার মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ২২৯। একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬৩ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৮.১৩ শতাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3izjnQ9
https://ift.tt/3jyUrrf
স্বস্তি! দেশে কমল করোনা সংক্রমণ

স্বস্তি! দেশে কমল করোনা সংক্রমণ

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: স্বস্তি দিয়ে দেশে ফের কমল সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৯৯ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ১৮৮। দেশে সুস্থতার হার ৯৭.৪০ শতাংশ। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে দুটি ডোজে দুটি পৃথক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে কার্যকারিতা বেশি বলে জানিয়েছে ICMR। জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণে কার্যকারিতা অনেকটাই বেশি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে ভুলবশত ভাবে কয়েকজনের শরীরে দু'টি ডোজে দু'টি পৃথক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণের ফলে তাঁদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যায় । ICMR-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভারতের হাতে আসছে আরও এক টিকা। দেশে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র পেল জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ১৯ ভ্যাকসিন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী টুইট করে এ খবর জানান। তিনি জানিয়েছেন, নতুন ভ্যাকসিন পাওয়ায় ভারতের হাতে এখন পাঁচটি EUA ভ্য়াকসিন রয়েছে। নতুন ভ্যাকসিন আসায় দেশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হবে। পশ্চিমবঙ্গেও কমছে করোনার প্রকোপ। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনে বাংলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫ জন। করোনায় রবিবার মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ২২৯। একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬৩ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৮.১৩ শতাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3izjnQ9
https://ift.tt/3jyUrrf
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হল বেনেট ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুরো অনুষ্ঠানটিই আয়োজিত হল ভার্চুয়াল মোডে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ()। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দ্যেশ্যে আচার্য বিনীত জৈন বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম করো। বড় স্বপ্ন দেখো। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না। ব্যর্থতায় ভেঙে পড়ো না। বরং আত্ম সমালোচনা করো। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাও।’ পাশাপাশি নতুন গ্র্যাজুয়েট হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দনও জানান তিনি। এটাই যে পেশাদারিত্বের শুরু তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সকল পড়ুয়ার সাফল্য কামনা করেছেন বিনীত জৈন। উপাচার্য ড. প্রভু আগরওয়াল এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানুয়াল রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং নিজের চিন্তা ও কাজ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। প্রায় ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানোর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শিক্ষার আঙিনায় বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। এদিন 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lK0j3q
https://ift.tt/3Atw8lr
'বড় স্বপ্ন দেখ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না', সমাবর্তনে পড়ুয়াদের পরামর্শ বিনীত জৈনের

'বড় স্বপ্ন দেখ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না', সমাবর্তনে পড়ুয়াদের পরামর্শ বিনীত জৈনের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হল বেনেট ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুরো অনুষ্ঠানটিই আয়োজিত হল ভার্চুয়াল মোডে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ()। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দ্যেশ্যে আচার্য বিনীত জৈন বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম করো। বড় স্বপ্ন দেখো। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না। ব্যর্থতায় ভেঙে পড়ো না। বরং আত্ম সমালোচনা করো। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাও।’ পাশাপাশি নতুন গ্র্যাজুয়েট হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দনও জানান তিনি। এটাই যে পেশাদারিত্বের শুরু তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সকল পড়ুয়ার সাফল্য কামনা করেছেন বিনীত জৈন। উপাচার্য ড. প্রভু আগরওয়াল এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানুয়াল রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং নিজের চিন্তা ও কাজ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। প্রায় ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানোর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শিক্ষার আঙিনায় বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। এদিন 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lK0j3q
https://ift.tt/3Atw8lr
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খুব কম সময়ের মধ্যেই নিজেকে একটি বিশেষ স্থানে নিয়ে গিয়েছে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে দেশের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় তিনি যে খুশি, তাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ৯৮ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৫৫ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান দেখেও আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে ১৮টি পেটেন্ট দায়ের করেছে, এই নিয়েও প্রশংসা করেছেন তিনি। সমাবর্তন অনুষ্ঠান রাখেন বক্তব্য রাখেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ। এদিন তিনি 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চমানের শিক্ষা প্রদানে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণনও 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, নিজের ক্যারিয়ারে তিনি 4C-এর গুরুত্ব সম্পর্কে শিখেছেন। এটির প্রথমটি হল Character। অন্যতম কঠিন পরিস্থিতিতে এই চরিত্রই শক্তি হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়টি হল Competence বা কর্মদক্ষতা। তৃতীয়টি হল Credibility অর্থাৎ বিশ্বাসযোগ্যতা ও চতুর্থটি হল Compassion বা সহানুভূতি। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ এবং নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন, NASSCOM-এর প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষও।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lJXShi
https://ift.tt/3fJchqk
BU Convocation 2021: বেনেট ইউনিভার্সিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ধর্মেন্দ্র প্রধান, কিরণ মজুমদার, দেবযানী ঘোষরা

BU Convocation 2021: বেনেট ইউনিভার্সিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ধর্মেন্দ্র প্রধান, কিরণ মজুমদার, দেবযানী ঘোষরা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খুব কম সময়ের মধ্যেই নিজেকে একটি বিশেষ স্থানে নিয়ে গিয়েছে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে দেশের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় তিনি যে খুশি, তাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ৯৮ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৫৫ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান দেখেও আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে ১৮টি পেটেন্ট দায়ের করেছে, এই নিয়েও প্রশংসা করেছেন তিনি। সমাবর্তন অনুষ্ঠান রাখেন বক্তব্য রাখেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ। এদিন তিনি 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চমানের শিক্ষা প্রদানে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণনও 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, নিজের ক্যারিয়ারে তিনি 4C-এর গুরুত্ব সম্পর্কে শিখেছেন। এটির প্রথমটি হল Character। অন্যতম কঠিন পরিস্থিতিতে এই চরিত্রই শক্তি হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়টি হল Competence বা কর্মদক্ষতা। তৃতীয়টি হল Credibility অর্থাৎ বিশ্বাসযোগ্যতা ও চতুর্থটি হল Compassion বা সহানুভূতি। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ এবং নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন, NASSCOM-এর প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষও।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lJXShi
https://ift.tt/3fJchqk
এই সময়: পাঁচ বছরের যাত্রাপথ। ২০০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ২০১৬ থেকে পথচলা শুরু টাইমস গ্রুপের বেনেট ইউনিভার্সিটির। এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠান। রবিবার সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই হয়ে গেল মহা সমারোহে। তবে করোনা কালের কথা মাথায় রেখে সমাবর্তনের পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ভার্চুয়াল মোডে। কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। অতিমারীর সময়ে পড়াশোনা ও কেরিয়ার নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দিল তৃতীয় সমাবর্তনের নানা ভাষণ। রবিবার এই সমাবর্তনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা, স্কিল ডেভলপমেন্ট ও এন্টারপ্রিনিয়রশিপ মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের বক্তব্যে বারবারই এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি অতিথিরা প্রত্যেকেই আগামীদিনে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে এগিয়ে যাবে তার দিক নির্দেশও করে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একেবারেই শুরুতেই আচার্য শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অভিভাবক, গবেষক, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের। ৪০০-র বেশি পড়ুয়া এ দিন ডিগ্রি পেয়েছেন। পড়ুয়াদের মঙ্গলকামনা করে তাঁদের উদ্দেশে বিনীত জৈনের পরামর্শ , ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম কর। বড় স্বপ্ন দেখ।’ প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মুখেও এগিয়ে চলার বার্তা। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় জাতীয় শিক্ষা নীতি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পড়ুয়ামুখী করে তুলেছে। গত এক বছরে এই শিক্ষানীতি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেনেট ইউনিভার্সিটির তরফে একাধিক ওয়েবিনার ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রভু কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস, আইন, টাইমস স্কুল অফ মিডিয়া ও ম্যানেজমেন্ট এবং লিবারাল আর্টস। ২০টির বেশি ডিগ্রি প্রোগ্রাম রয়েছে। ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে শিক্ষাদানে ব্রতী। ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন করনেল ইউনিভার্সিটি, জর্জিয়া টেক, ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়, এগজেটার ইউনিভার্সিটির মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান গাঁটছড়া বেধেছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকরা গত পাঁচ বছরে ৫০০-র বেশি প্রকাশনা করেছেন। কাজ করেছেন প্রায় আট কোটি টাকার উপরে প্রজেক্টে। চলতি শিক্ষাবর্ষেই শুধু ১৪৫টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে নানা জার্নালে। এখনও পর্যন্ত ১৮টি পেটেন্ট রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে। ৩০টির বেশি আউটরিচ প্রজেক্ট যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা, পরিচালিত হচ্ছে বেনেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের নেতৃত্বে। এছাড়া ১৯ হাজারের বেশি বই, ১.৯৭ লক্ষ ই-বুক, ২৭০০-র বেশি জার্নাল-সহ অন্যান্য পরিষেবা তো আছেই। উপাচার্যের সংযোজন, ‘এই অতিমারীর মধ্যেও ৯০ শতাংশের বেশি পড়ুয়ার হাতে চাকরি তুলে দেওয়া গিয়েছে। যাঁদের গড় আয় আট লক্ষ বা তার বেশি।’ পাশাপাশি ইনোভেশন, এন্টারপ্রিনিয়র সেলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের নিজস্ব কেরিয়ারের বিকাশ তো আছেই। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। ম্যানেজমেন্টের জগতে কৃতিত্বের জন্য সাম্মানিক এই ডিগ্রি দেওয়া হয় নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুরেশ নারায়ণনকে। পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে কিরণ বলেন, ‘তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’ সুরেশের কথায়, ‘মাথায় রাখবে শিক্ষকদের জন্যই তোমাদের আইডিয়া আজকে ইন্টেলিজেন্সে পরিণত হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভাষণ রাখেন ন্যাসকমের বর্তমান ও প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষ। পড়ুয়াদের জন্য তাঁর টিপস, ‘এই অতিমারী সমস্ত শিল্প ক্ষেত্রকে বদলে দিয়েছে। ভেঙে দিয়েছে যাবতীয় স্টিরিওটাইপ। তাই তোমাদেরও কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে নতুনকে আপন করে নিতে হবে।’ সেরা পড়ুয়াদের ডিগ্রি প্রদান ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CqISuJ
https://ift.tt/3fJaJMO
মহা সমারোহে পালিত 'বেনেট ইউনিভার্সিটি'-র তৃতীয় সমাবর্তন

মহা সমারোহে পালিত 'বেনেট ইউনিভার্সিটি'-র তৃতীয় সমাবর্তন

এই সময়: পাঁচ বছরের যাত্রাপথ। ২০০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ২০১৬ থেকে পথচলা শুরু টাইমস গ্রুপের বেনেট ইউনিভার্সিটির। এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠান। রবিবার সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই হয়ে গেল মহা সমারোহে। তবে করোনা কালের কথা মাথায় রেখে সমাবর্তনের পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ভার্চুয়াল মোডে। কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। অতিমারীর সময়ে পড়াশোনা ও কেরিয়ার নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দিল তৃতীয় সমাবর্তনের নানা ভাষণ। রবিবার এই সমাবর্তনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা, স্কিল ডেভলপমেন্ট ও এন্টারপ্রিনিয়রশিপ মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের বক্তব্যে বারবারই এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি অতিথিরা প্রত্যেকেই আগামীদিনে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে এগিয়ে যাবে তার দিক নির্দেশও করে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একেবারেই শুরুতেই আচার্য শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অভিভাবক, গবেষক, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের। ৪০০-র বেশি পড়ুয়া এ দিন ডিগ্রি পেয়েছেন। পড়ুয়াদের মঙ্গলকামনা করে তাঁদের উদ্দেশে বিনীত জৈনের পরামর্শ , ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম কর। বড় স্বপ্ন দেখ।’ প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মুখেও এগিয়ে চলার বার্তা। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় জাতীয় শিক্ষা নীতি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পড়ুয়ামুখী করে তুলেছে। গত এক বছরে এই শিক্ষানীতি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেনেট ইউনিভার্সিটির তরফে একাধিক ওয়েবিনার ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রভু কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস, আইন, টাইমস স্কুল অফ মিডিয়া ও ম্যানেজমেন্ট এবং লিবারাল আর্টস। ২০টির বেশি ডিগ্রি প্রোগ্রাম রয়েছে। ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে শিক্ষাদানে ব্রতী। ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন করনেল ইউনিভার্সিটি, জর্জিয়া টেক, ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়, এগজেটার ইউনিভার্সিটির মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান গাঁটছড়া বেধেছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকরা গত পাঁচ বছরে ৫০০-র বেশি প্রকাশনা করেছেন। কাজ করেছেন প্রায় আট কোটি টাকার উপরে প্রজেক্টে। চলতি শিক্ষাবর্ষেই শুধু ১৪৫টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে নানা জার্নালে। এখনও পর্যন্ত ১৮টি পেটেন্ট রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে। ৩০টির বেশি আউটরিচ প্রজেক্ট যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা, পরিচালিত হচ্ছে বেনেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের নেতৃত্বে। এছাড়া ১৯ হাজারের বেশি বই, ১.৯৭ লক্ষ ই-বুক, ২৭০০-র বেশি জার্নাল-সহ অন্যান্য পরিষেবা তো আছেই। উপাচার্যের সংযোজন, ‘এই অতিমারীর মধ্যেও ৯০ শতাংশের বেশি পড়ুয়ার হাতে চাকরি তুলে দেওয়া গিয়েছে। যাঁদের গড় আয় আট লক্ষ বা তার বেশি।’ পাশাপাশি ইনোভেশন, এন্টারপ্রিনিয়র সেলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের নিজস্ব কেরিয়ারের বিকাশ তো আছেই। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। ম্যানেজমেন্টের জগতে কৃতিত্বের জন্য সাম্মানিক এই ডিগ্রি দেওয়া হয় নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুরেশ নারায়ণনকে। পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে কিরণ বলেন, ‘তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’ সুরেশের কথায়, ‘মাথায় রাখবে শিক্ষকদের জন্যই তোমাদের আইডিয়া আজকে ইন্টেলিজেন্সে পরিণত হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভাষণ রাখেন ন্যাসকমের বর্তমান ও প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষ। পড়ুয়াদের জন্য তাঁর টিপস, ‘এই অতিমারী সমস্ত শিল্প ক্ষেত্রকে বদলে দিয়েছে। ভেঙে দিয়েছে যাবতীয় স্টিরিওটাইপ। তাই তোমাদেরও কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে নতুনকে আপন করে নিতে হবে।’ সেরা পড়ুয়াদের ডিগ্রি প্রদান ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CqISuJ
https://ift.tt/3fJaJMO
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের তাঁদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করতে চাইছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ নিনং এরিং। লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ () দাবি করেছেন, তাঁর কাছে নিশ্চিত খবর রয়েছে যে চিন তাঁদের People’s Liberation Army ()-তে অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের নিয়োগ করতে চাইছে। তিব্বতের যুবকদেরও PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই চিন্তার এবং উদ্বেগের। আমি চাইব কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবুক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক’। কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদের দাবি, চিন সীমান্তে অরুণাচল প্রদেশের নিশি, আদি, মিশমি, ইদু জাতির লোকেরা বসবাস করেন। তাদের সঙ্গে চিনের লোহবা জাতির মানুষদের মধ্যে অনেক মিল এবং সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, ‘এই সীমান্তে যারা বাস করেন তাঁদের সঙ্গে চিনের লোহবা সম্প্রদায়ের মানুষের ভাষার মিল আছে। কিন্ত তার মানে এই নয়, যে এই এলাকার মানুষেরা চিনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।’ অরুণাচল প্রদেশের এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘চিন এই সীমান্ত এলাকার বিসাতে বাড়ি এবং গেহলিং ও আনিন-তে রাস্তা নির্মাণ করছে। এতে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে বসবাসকারী মানুষেরা প্রভাবিত হবে। এটা অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ‘আমাদের দেশের সীমান্তকে রক্ষা করতে এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। একই সঙ্গে এই এলাকার যুবকরা যাতে কোনওভাবেই অন্য দেশের বাহিনীতে যোগ না দেয় সেটাও তাদের দেখা উচিত’।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3s1o0oW
https://ift.tt/3CtO7JZ
অরুণাচলের যুবকদের PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে চিন!

অরুণাচলের যুবকদের PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে চিন!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের তাঁদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করতে চাইছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ নিনং এরিং। লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ () দাবি করেছেন, তাঁর কাছে নিশ্চিত খবর রয়েছে যে চিন তাঁদের People’s Liberation Army ()-তে অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের নিয়োগ করতে চাইছে। তিব্বতের যুবকদেরও PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই চিন্তার এবং উদ্বেগের। আমি চাইব কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবুক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক’। কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদের দাবি, চিন সীমান্তে অরুণাচল প্রদেশের নিশি, আদি, মিশমি, ইদু জাতির লোকেরা বসবাস করেন। তাদের সঙ্গে চিনের লোহবা জাতির মানুষদের মধ্যে অনেক মিল এবং সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, ‘এই সীমান্তে যারা বাস করেন তাঁদের সঙ্গে চিনের লোহবা সম্প্রদায়ের মানুষের ভাষার মিল আছে। কিন্ত তার মানে এই নয়, যে এই এলাকার মানুষেরা চিনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।’ অরুণাচল প্রদেশের এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘চিন এই সীমান্ত এলাকার বিসাতে বাড়ি এবং গেহলিং ও আনিন-তে রাস্তা নির্মাণ করছে। এতে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে বসবাসকারী মানুষেরা প্রভাবিত হবে। এটা অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ‘আমাদের দেশের সীমান্তকে রক্ষা করতে এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। একই সঙ্গে এই এলাকার যুবকরা যাতে কোনওভাবেই অন্য দেশের বাহিনীতে যোগ না দেয় সেটাও তাদের দেখা উচিত’।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3s1o0oW
https://ift.tt/3CtO7JZ
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনার Delta ভ্যারিয়্যান্ট। অন্যদিকে ডেল্টা প্লাসও চিন্তা বাড়াচ্ছে। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতি দুটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন গবেষকরা। করোনা টিকা না , ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের বিষয়ে অধিক কার্যকরী কোন টিকা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি গবেষণা চালিয়েছিল ICMR। এবার সামনে এল এই গবেষণার ফলাফল। ICMR-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন দু'টি টিকাই কাজ করে। কিন্তু ডেল্টার বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড টিকা। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পর যদি কোভিশিল্ড টিকার দু'টি ডোজ গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তা ডেল্টার বিরুদ্ধে অনেক বেশি কাজ করে বলে জানা গিয়েছে গবেষণায়। এদিকে, ডেল্টা প্লাসের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতিকে রুখতে অনেকই সক্রিয়ভাবে কাজ করে এই দেশীয় টিকা, সামনে এসেছে এমনটাই। উল্লেখ্য, বিশ্বের অধিকাংশ টিকা নির্মাতা সংস্থারই দাবি, তাদের টিকাগুলি ডেল্টা এবং ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। একই মধ্যে ভারতের দুই টিকা নিয়ে চালানো এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3AlkQiN
https://ift.tt/3fKhrm1
কোভিশিল্ড না কোভ্যাক্সিন, Delta -র বিরুদ্ধে কোন টিকা বেশি কার্যকরী? জানাল ICMR

কোভিশিল্ড না কোভ্যাক্সিন, Delta -র বিরুদ্ধে কোন টিকা বেশি কার্যকরী? জানাল ICMR

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনার Delta ভ্যারিয়্যান্ট। অন্যদিকে ডেল্টা প্লাসও চিন্তা বাড়াচ্ছে। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতি দুটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন গবেষকরা। করোনা টিকা না , ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের বিষয়ে অধিক কার্যকরী কোন টিকা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি গবেষণা চালিয়েছিল ICMR। এবার সামনে এল এই গবেষণার ফলাফল। ICMR-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন দু'টি টিকাই কাজ করে। কিন্তু ডেল্টার বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড টিকা। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পর যদি কোভিশিল্ড টিকার দু'টি ডোজ গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তা ডেল্টার বিরুদ্ধে অনেক বেশি কাজ করে বলে জানা গিয়েছে গবেষণায়। এদিকে, ডেল্টা প্লাসের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতিকে রুখতে অনেকই সক্রিয়ভাবে কাজ করে এই দেশীয় টিকা, সামনে এসেছে এমনটাই। উল্লেখ্য, বিশ্বের অধিকাংশ টিকা নির্মাতা সংস্থারই দাবি, তাদের টিকাগুলি ডেল্টা এবং ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। একই মধ্যে ভারতের দুই টিকা নিয়ে চালানো এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3AlkQiN
https://ift.tt/3fKhrm1
এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে কেন দেশের আমজনতার ব্যক্তিগত পরিসরে অবৈধ নজরদারি চালানো হল, এই বিতর্কের আবহে সরকার বনাম বিরোধীদের তীব্র বাদানুবাদেই কার্যত শেষের মুখে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হাতে আর মাত্র দিনপাঁচেক। তার পরেই ১৩ অগাস্ট, শুক্রবার অধিবেশন 'সিনে ডাই' করে দেওয়া হবে।পেগাসাস প্রশ্নের মীমাংসা তো দূরের কথা। এই ইস্যু এখন 'বিচারাধীন'- এই যুক্তিতে আলোচনাতেও নারাজ কেন্দ্র। এই মনোভাব আঁচ করেই সরকারকে চেপে ধরতে তাই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে বিরোধী শিবির৷ সূত্রের খবর, কৃষি আইন প্রত্যাহার, নারী নির্যাতন, পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মারাত্মক মূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার বিলগ্নীকরণ, বিমা ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, কেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো লঙ্ঘনের মত বিষয়গুলিকে হাতিয়ার করেই বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সুর চড়াতে বদ্ধপরিকর বিরোধী শিবির৷ কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, শিবসেনা, আরজেডি, সপা-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা মনে করছেন,পেগাসাস নিয়ে কিছু বলতে গেলেই যখন বিরোধী সাংসদদের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারকে চাপে ফেলতে অন্য ইস্যু হাতিয়ার করলেই ভালো ফল মিলবে। এ দিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী মাসে সম্ভবত আবার দিল্লি সফর করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে এবং কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের নাম 'কিষাণ কনভেনশন' দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি সেই সূত্রের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদের ভিতরে ফ্লোর কোঅর্ডিনেশন কেমন হবে,তা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসই মূল রণণীতি তৈরি করছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদে প্রতিদিন সকালে বিরোধী দলনেতার ঘরে রুটিন বৈঠক, তারপরে অধিবেশনের বিরতিতেও লাগাতার আলোচনা, গোটা বিরোধী শিবিরকে জোটবদ্ধ রাখছে দুই কংগ্রেসই৷ সংসদের বাইরে দলের নিজস্ব ইস্যু ও এজেন্ডা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সামান্য দূরত্ব দেখা গেলেও সংসদের ভিতরে কিন্তু দুটি দলেরই ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন দুরন্ত৷পেগাসাস ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে সাত জনের সাসপেনশন ইস্যুতে সংসদের উভয় কক্ষেই তৃণমূলের পাশে থেকেছে কংগ্রেস৷ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূল সাংসদদের সাসপেনশনকে অবৈধ ও অনৈতিক পদক্ষেপ বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে৷ সরকার পক্ষ যদিও তার পরেও অনড়ই থেকেছে। এ বার চাই কৌশল বদলের পথে বিরোধী শিবির। উল্লেখ্য,পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধী সাংসদদের মুখ খোলা নিষিদ্ধ।পেগাসাসব্যবহার করে নজরদারি সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নও গৃহীত হচ্ছে না সংসদে। অধিবেশন চলাকালীন এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাংসদদের সামনে রাখা মাইক৷ সংসদ কক্ষে অধিবেশন চলাকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় ওয়েলে নেমে কোনও পোস্টার বা প্ল্যাকার্ড দেখানো হলে, তা যাতে টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত না হয়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে তৎক্ষণাৎ- এমন অভিযোগও করছে বিরোধী শিবির৷ এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই সরকার বিরোধিতায় অন্যান্য ইস্যুগুলিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে কংগ্রেস ও তৃণমূল শিবির৷ সূত্রের দাবি, কোন কোন ইস্যুকে হাতে নিয়ে কী ভাবে সরকারকে চেপে ধরা হবে, এই মর্মে বিরোধী শিবিরের চূড়ান্ত রণকৌশল তৈরি হবে সোমবার সকালে, সংসদে বিরোধী দলের নেতাদের বৈঠকেই৷


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lFBKVh
https://ift.tt/3fI4mcQ
পেগাসাসে 'মুখই বন্ধ' ইস্যুপাল্টেই নয়া চাল?

পেগাসাসে 'মুখই বন্ধ' ইস্যুপাল্টেই নয়া চাল?

এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে কেন দেশের আমজনতার ব্যক্তিগত পরিসরে অবৈধ নজরদারি চালানো হল, এই বিতর্কের আবহে সরকার বনাম বিরোধীদের তীব্র বাদানুবাদেই কার্যত শেষের মুখে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হাতে আর মাত্র দিনপাঁচেক। তার পরেই ১৩ অগাস্ট, শুক্রবার অধিবেশন 'সিনে ডাই' করে দেওয়া হবে।পেগাসাস প্রশ্নের মীমাংসা তো দূরের কথা। এই ইস্যু এখন 'বিচারাধীন'- এই যুক্তিতে আলোচনাতেও নারাজ কেন্দ্র। এই মনোভাব আঁচ করেই সরকারকে চেপে ধরতে তাই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে বিরোধী শিবির৷ সূত্রের খবর, কৃষি আইন প্রত্যাহার, নারী নির্যাতন, পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মারাত্মক মূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার বিলগ্নীকরণ, বিমা ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, কেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো লঙ্ঘনের মত বিষয়গুলিকে হাতিয়ার করেই বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সুর চড়াতে বদ্ধপরিকর বিরোধী শিবির৷ কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, শিবসেনা, আরজেডি, সপা-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা মনে করছেন,পেগাসাস নিয়ে কিছু বলতে গেলেই যখন বিরোধী সাংসদদের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারকে চাপে ফেলতে অন্য ইস্যু হাতিয়ার করলেই ভালো ফল মিলবে। এ দিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী মাসে সম্ভবত আবার দিল্লি সফর করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে এবং কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের নাম 'কিষাণ কনভেনশন' দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি সেই সূত্রের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদের ভিতরে ফ্লোর কোঅর্ডিনেশন কেমন হবে,তা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসই মূল রণণীতি তৈরি করছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদে প্রতিদিন সকালে বিরোধী দলনেতার ঘরে রুটিন বৈঠক, তারপরে অধিবেশনের বিরতিতেও লাগাতার আলোচনা, গোটা বিরোধী শিবিরকে জোটবদ্ধ রাখছে দুই কংগ্রেসই৷ সংসদের বাইরে দলের নিজস্ব ইস্যু ও এজেন্ডা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সামান্য দূরত্ব দেখা গেলেও সংসদের ভিতরে কিন্তু দুটি দলেরই ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন দুরন্ত৷পেগাসাস ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে সাত জনের সাসপেনশন ইস্যুতে সংসদের উভয় কক্ষেই তৃণমূলের পাশে থেকেছে কংগ্রেস৷ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূল সাংসদদের সাসপেনশনকে অবৈধ ও অনৈতিক পদক্ষেপ বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে৷ সরকার পক্ষ যদিও তার পরেও অনড়ই থেকেছে। এ বার চাই কৌশল বদলের পথে বিরোধী শিবির। উল্লেখ্য,পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধী সাংসদদের মুখ খোলা নিষিদ্ধ।পেগাসাসব্যবহার করে নজরদারি সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নও গৃহীত হচ্ছে না সংসদে। অধিবেশন চলাকালীন এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাংসদদের সামনে রাখা মাইক৷ সংসদ কক্ষে অধিবেশন চলাকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় ওয়েলে নেমে কোনও পোস্টার বা প্ল্যাকার্ড দেখানো হলে, তা যাতে টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত না হয়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে তৎক্ষণাৎ- এমন অভিযোগও করছে বিরোধী শিবির৷ এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই সরকার বিরোধিতায় অন্যান্য ইস্যুগুলিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে কংগ্রেস ও তৃণমূল শিবির৷ সূত্রের দাবি, কোন কোন ইস্যুকে হাতে নিয়ে কী ভাবে সরকারকে চেপে ধরা হবে, এই মর্মে বিরোধী শিবিরের চূড়ান্ত রণকৌশল তৈরি হবে সোমবার সকালে, সংসদে বিরোধী দলের নেতাদের বৈঠকেই৷


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lFBKVh
https://ift.tt/3fI4mcQ
জয়পুর: করোনা কালে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাসের দৌলতে ব্লু-টুথ হেডফোনের ব্যবহার বেড়েছে কয়েক গুণ। ফোনের ব্লু-টুথ কানেকশন অন করে হেডফোনের সঙ্গে পেয়ার করে নিলেই কেল্লা ফতে! কোনও তার ছাড়াই দিব্যি কানের মধ্যে বাজতে থাকবে ক্লাসের পড়া বা অফিসের দরকারি মিটিংয়ের আলোচনা। কিন্তু সেই ব্লু-টুথ স্পিকারই যদি মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে? বিষয়টা চমকে ওঠার মতো হলেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানে কানে লাগানো অবস্থায় ব্ল-টুথ হেডফোন ফেটে মৃত্যু হয়েছে একজনের! বছর আঠাশের যুবক রাকেশ কুমার নাগার জয়পুরের উদয়পুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার নিজের বাড়িতে বসেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছিলেন তিনি। তাঁর ব্লু-টুথ হেডফোনটি একটি ইলেকট্রিকাল আউটলেটের সঙ্গে সংযুক্ত করা ছিল। আচমকাই তাঁর ব্লু-টুথ স্পিকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং রাকেশ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান রাকেশ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর দুই কানেই গুরুতর আঘাত লেগেছিল। সম্ভবত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের বড় ছেলের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না রাকেশের পরিবার। গত ফেব্রুয়ারিতেই সদ্য বিয়ে করেছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37qNId0
https://ift.tt/2Vz8LIc
হেডফোন ফেটে মৃত্যু

হেডফোন ফেটে মৃত্যু

জয়পুর: করোনা কালে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাসের দৌলতে ব্লু-টুথ হেডফোনের ব্যবহার বেড়েছে কয়েক গুণ। ফোনের ব্লু-টুথ কানেকশন অন করে হেডফোনের সঙ্গে পেয়ার করে নিলেই কেল্লা ফতে! কোনও তার ছাড়াই দিব্যি কানের মধ্যে বাজতে থাকবে ক্লাসের পড়া বা অফিসের দরকারি মিটিংয়ের আলোচনা। কিন্তু সেই ব্লু-টুথ স্পিকারই যদি মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে? বিষয়টা চমকে ওঠার মতো হলেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানে কানে লাগানো অবস্থায় ব্ল-টুথ হেডফোন ফেটে মৃত্যু হয়েছে একজনের! বছর আঠাশের যুবক রাকেশ কুমার নাগার জয়পুরের উদয়পুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার নিজের বাড়িতে বসেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছিলেন তিনি। তাঁর ব্লু-টুথ হেডফোনটি একটি ইলেকট্রিকাল আউটলেটের সঙ্গে সংযুক্ত করা ছিল। আচমকাই তাঁর ব্লু-টুথ স্পিকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং রাকেশ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান রাকেশ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর দুই কানেই গুরুতর আঘাত লেগেছিল। সম্ভবত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের বড় ছেলের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না রাকেশের পরিবার। গত ফেব্রুয়ারিতেই সদ্য বিয়ে করেছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37qNId0
https://ift.tt/2Vz8LIc
এই সময়, নয়াদিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি৷ তিন সপ্তাহের অধিবেশনে পেগাসাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই সরব ছিল বিরোধী শিবির৷ ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার কিনে দেশবাসীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল কি না, সংসদেই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তদন্ত দূরে থাক, এ নিয়ে আলোচনাই করতে দেয়নি কেন্দ্র। বিরোধীদের হট্টগোলে গোটা একটা দিনও চলেনি অধিবেশন। অথচ, এ সবের ফাঁকে-ফাঁকেই বেশ কিছু জরুরি বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ করিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধীদের সম্মিলিত প্রতিবাদেও যা আটকানো যায়নি৷ সূত্রের দাবি, বিগত তিন সপ্তাহে এমন একটিও বিল সংসদে পাশ হয়নি, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে মুখর হয়নি বিরোধী শিবির৷ এমনটাই কি চলবে? হয়তো না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এর ঠিক বিপরীত ছবি দেখা যেতে পারে সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে৷ সরকারি সূত্রের খবর, এই সপ্তাহেই সংসদে পেশ করা হতে পারে ''। যেখানে শীর্ষ আদালতের রায়কে কার্যত খারিজ করে অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে দেশের ক'টি রাজ্যের হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ তাই আর উপায় নেই। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই বিলের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে বিরোধী শিবিরকে- এমনটাই দাবি করছে সরকার পক্ষ৷ যদি তাই হয়, তাহলে সংসদের বাদল অধিবেশনে এই প্রথমবার সংসদের উভয় কক্ষে কোনও একটি বিলকে নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটি দেখা যেতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের বিশ্বাস৷ উল্লেখ্য, গত ৫ মে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে দেওয়া রায়ে জানানো হয়েছিল, এ বার থেকে কোনও রাজ্যই সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা তৈরি করতে পারবে না৷ এই অধিকার ন্যস্ত থাকবে শুধুই কেন্দ্রের হাতে৷ শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পরেই ব্যাকফুটে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলি তো বটেই, বিজেপির সরকার আছে, এমন রাজ্যের তরফেও প্রবল আপত্তি তোলা হয়৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে কেন একটি রাজ্য তার ভৌগোলিক এলাকায় বসবাসকারী অনগ্রসর শ্রেণীর অধিবাসীদের আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারবে না এবং সেই তালিকা অনুযায়ী পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে না-প্রশ্ন ওঠে। এখনও যার সদুত্তর দিতে পারেনি মোদী সরকার৷ পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী শিবিরও৷ তাদের দাবি ছিল, শীর্ষ আদালতের রায়ের পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৬৭১টি পিছিয়ে পড়া শ্রেণী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের সুযোগ হারাবে৷ একই ভাবে চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণে বঞ্চিত হবে দেশের মোট ওবিসিদের এক-পঞ্চমাংশ৷ সূত্রের খবর, এর পরেই সরকারের শীর্ষ স্তরে শুরু হয় আলোচনা৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর তালিকা তৈরির বিষয়টিতে রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরাতে গেলে কীভাবে সুপ্রিম-রায়কে সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারের মধ্যে আটকে রাখা যাবে, তা স্থির করার জন্য আলোচনা করা হয় বিশিষ্ট আইনজ্ঞদের সঙ্গেও৷ এর পরেই 'ওবিসি বিল' তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মোদী সরকার৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করা হয় ওবিসি বিল, যা অনুমোদন পেয়েছে গত বুধবার৷ সরকারি সূত্রের দাবি, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদে এই বিল পেশ করতে চায় মোদী সরকার। দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থানে একবার এই বিল অনুমোদন পেয়ে গেলে শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে সরকারের আর চিন্তার কোনও জায়গাই থাকবে না৷ সরকারের পক্ষেও 'ফিল গুড' আবহ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে ওবিসি বিল পেশ হলে বিরোধীরা আপাতত পেগ্যাসাস-বিদ্রোহ বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কারণেই অবস্থান বদলাবেন, এমনকী ওবিসি বিলকে সমর্থন করবেন বলেও দাবি করা হচ্ছে সরকারি সূত্রেই৷ এমন ইঙ্গিত অবশ্য ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পরে উত্তরপ্রদেশের বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও জানিয়ে দিয়েছেন,ওবিসি-দের জন্য আলাদা জনগণনার ক্ষেত্রে কেন্দ্র ইতিবাচক পদক্ষেপ করসলে সংসদের ভিতরে-বাইরে অবশ্যই মোদী সরকারকে সমর্থন করবে তাঁর দল। ওবিসি বিল কী সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা আগে রাজ্যও করত। কেন্দ্রের পাশাপাশি আলাদা ক্ষমতা ছিল রাজ্যের। কিন্তু গত ৫ মে মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে রায় দিতে গিয়ে শীর্ষ আদালত রাজ্যগুলির সেই অধিকার খর্ব করে। যা নিয়ে বিরোধিতায় সরব হয় বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও। সূত্রের দাবি, শীর্ষ আদালতের সেই রায় কার্যত খণ্ডন করতেই তৈরি ওবিসি বিল। উদ্দেশ্য, রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরত দেওয়া বিরোধীরা মানবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানতে বাধ্য। অন্তত রাজনৈতিক কারণেই। চলতি অধিবেশনে হয়তো এই প্রথম কোনও বিল নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটিতেও অংশ নেবেন বিরোধীরা


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Ahe8ue
https://ift.tt/2VAaGMg
শেষ সপ্তাহে ওবিসি-বিল হাতিয়ার মোদী সরকারের

শেষ সপ্তাহে ওবিসি-বিল হাতিয়ার মোদী সরকারের

এই সময়, নয়াদিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি৷ তিন সপ্তাহের অধিবেশনে পেগাসাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই সরব ছিল বিরোধী শিবির৷ ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার কিনে দেশবাসীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল কি না, সংসদেই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তদন্ত দূরে থাক, এ নিয়ে আলোচনাই করতে দেয়নি কেন্দ্র। বিরোধীদের হট্টগোলে গোটা একটা দিনও চলেনি অধিবেশন। অথচ, এ সবের ফাঁকে-ফাঁকেই বেশ কিছু জরুরি বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ করিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধীদের সম্মিলিত প্রতিবাদেও যা আটকানো যায়নি৷ সূত্রের দাবি, বিগত তিন সপ্তাহে এমন একটিও বিল সংসদে পাশ হয়নি, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে মুখর হয়নি বিরোধী শিবির৷ এমনটাই কি চলবে? হয়তো না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এর ঠিক বিপরীত ছবি দেখা যেতে পারে সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে৷ সরকারি সূত্রের খবর, এই সপ্তাহেই সংসদে পেশ করা হতে পারে ''। যেখানে শীর্ষ আদালতের রায়কে কার্যত খারিজ করে অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে দেশের ক'টি রাজ্যের হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ তাই আর উপায় নেই। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই বিলের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে বিরোধী শিবিরকে- এমনটাই দাবি করছে সরকার পক্ষ৷ যদি তাই হয়, তাহলে সংসদের বাদল অধিবেশনে এই প্রথমবার সংসদের উভয় কক্ষে কোনও একটি বিলকে নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটি দেখা যেতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের বিশ্বাস৷ উল্লেখ্য, গত ৫ মে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে দেওয়া রায়ে জানানো হয়েছিল, এ বার থেকে কোনও রাজ্যই সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা তৈরি করতে পারবে না৷ এই অধিকার ন্যস্ত থাকবে শুধুই কেন্দ্রের হাতে৷ শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পরেই ব্যাকফুটে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলি তো বটেই, বিজেপির সরকার আছে, এমন রাজ্যের তরফেও প্রবল আপত্তি তোলা হয়৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে কেন একটি রাজ্য তার ভৌগোলিক এলাকায় বসবাসকারী অনগ্রসর শ্রেণীর অধিবাসীদের আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারবে না এবং সেই তালিকা অনুযায়ী পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে না-প্রশ্ন ওঠে। এখনও যার সদুত্তর দিতে পারেনি মোদী সরকার৷ পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী শিবিরও৷ তাদের দাবি ছিল, শীর্ষ আদালতের রায়ের পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৬৭১টি পিছিয়ে পড়া শ্রেণী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের সুযোগ হারাবে৷ একই ভাবে চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণে বঞ্চিত হবে দেশের মোট ওবিসিদের এক-পঞ্চমাংশ৷ সূত্রের খবর, এর পরেই সরকারের শীর্ষ স্তরে শুরু হয় আলোচনা৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর তালিকা তৈরির বিষয়টিতে রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরাতে গেলে কীভাবে সুপ্রিম-রায়কে সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারের মধ্যে আটকে রাখা যাবে, তা স্থির করার জন্য আলোচনা করা হয় বিশিষ্ট আইনজ্ঞদের সঙ্গেও৷ এর পরেই 'ওবিসি বিল' তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মোদী সরকার৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করা হয় ওবিসি বিল, যা অনুমোদন পেয়েছে গত বুধবার৷ সরকারি সূত্রের দাবি, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদে এই বিল পেশ করতে চায় মোদী সরকার। দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থানে একবার এই বিল অনুমোদন পেয়ে গেলে শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে সরকারের আর চিন্তার কোনও জায়গাই থাকবে না৷ সরকারের পক্ষেও 'ফিল গুড' আবহ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে ওবিসি বিল পেশ হলে বিরোধীরা আপাতত পেগ্যাসাস-বিদ্রোহ বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কারণেই অবস্থান বদলাবেন, এমনকী ওবিসি বিলকে সমর্থন করবেন বলেও দাবি করা হচ্ছে সরকারি সূত্রেই৷ এমন ইঙ্গিত অবশ্য ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পরে উত্তরপ্রদেশের বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও জানিয়ে দিয়েছেন,ওবিসি-দের জন্য আলাদা জনগণনার ক্ষেত্রে কেন্দ্র ইতিবাচক পদক্ষেপ করসলে সংসদের ভিতরে-বাইরে অবশ্যই মোদী সরকারকে সমর্থন করবে তাঁর দল। ওবিসি বিল কী সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা আগে রাজ্যও করত। কেন্দ্রের পাশাপাশি আলাদা ক্ষমতা ছিল রাজ্যের। কিন্তু গত ৫ মে মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে রায় দিতে গিয়ে শীর্ষ আদালত রাজ্যগুলির সেই অধিকার খর্ব করে। যা নিয়ে বিরোধিতায় সরব হয় বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও। সূত্রের দাবি, শীর্ষ আদালতের সেই রায় কার্যত খণ্ডন করতেই তৈরি ওবিসি বিল। উদ্দেশ্য, রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরত দেওয়া বিরোধীরা মানবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানতে বাধ্য। অন্তত রাজনৈতিক কারণেই। চলতি অধিবেশনে হয়তো এই প্রথম কোনও বিল নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটিতেও অংশ নেবেন বিরোধীরা


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Ahe8ue
https://ift.tt/2VAaGMg
নয়াদিল্লি: কৃষক ও পড়ুয়া-সহ নানা গোষ্ঠীর সঙ্গে আগেই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার সরকারি প্রকল্পের সাহায্যপাপ্ত গোষ্ঠীর সঙ্গেও ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে মোলাকাত সেরে নিলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে তুলে ধরলেন তাঁদের দেওয়া সাহায্যের খতিয়ানও। শনিবার মধ্যপ্রদেশে 'প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা'র উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোদী বললেন, 'কোভিড-মোকাবিলার প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গরিব-কল্যাণের উপরে। এই অতিমারি আবহে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস পেয়েছেন ৮ কোটি মানুষ।' এই সময়ের মধ্যে ২০ কোটি মহিলার জনধন অ্যাকাউন্টে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন মোদী। বিরোধীদের একাংশ অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ আর চব্বিশে লোকসভা ভোটের আগে জমি পোক্ত করতেই নিজেদের ভাবমূর্তি ফেরাতে গরিব-কল্যাণের ঢাক পেটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড-মোকাবিলায় ব্যর্থতা নিয়ে আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অক্সিডেন-বেড থেকে শুরু করে সম্প্রতি টিকার আকালও ভোগাচ্ছে দেশবাসীকে। ঘুরেফিরে আঙুল উঠছে সেই সরকারের দিকেই। হালে আবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু ঠিক মুখে পেগ্যাসাস অস্ত্র হাতে পেয়েছে বিরোধী শিবির। সংসদে এ নিয়ে একটা দিনও আলোচনা করতে দেয়নি কেন্দ্র। উল্টে অভিযোগ, বিরোধী সাংসদরা কিছু বলতে গেলেই মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তবু উঠছেই। সূত্রের খবর, অধিবেশেনর শেষ সপ্তাহে কৃষি আইন থেকে শুরু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে বিরোধী শিবির। কেন্দ্রের ডিফেন্স মজবুত করতে তাই মাঠে এ বার খোদ প্রধানমন্ত্রী। অস্ত্র সেই জনসংযোগ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jCDGLC
https://ift.tt/2VAM32f
ইমেজ রক্ষায় গরিব-কল্যাণ প্রচারে মোদী!

ইমেজ রক্ষায় গরিব-কল্যাণ প্রচারে মোদী!

নয়াদিল্লি: কৃষক ও পড়ুয়া-সহ নানা গোষ্ঠীর সঙ্গে আগেই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার সরকারি প্রকল্পের সাহায্যপাপ্ত গোষ্ঠীর সঙ্গেও ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে মোলাকাত সেরে নিলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে তুলে ধরলেন তাঁদের দেওয়া সাহায্যের খতিয়ানও। শনিবার মধ্যপ্রদেশে 'প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা'র উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোদী বললেন, 'কোভিড-মোকাবিলার প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গরিব-কল্যাণের উপরে। এই অতিমারি আবহে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস পেয়েছেন ৮ কোটি মানুষ।' এই সময়ের মধ্যে ২০ কোটি মহিলার জনধন অ্যাকাউন্টে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন মোদী। বিরোধীদের একাংশ অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ আর চব্বিশে লোকসভা ভোটের আগে জমি পোক্ত করতেই নিজেদের ভাবমূর্তি ফেরাতে গরিব-কল্যাণের ঢাক পেটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড-মোকাবিলায় ব্যর্থতা নিয়ে আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অক্সিডেন-বেড থেকে শুরু করে সম্প্রতি টিকার আকালও ভোগাচ্ছে দেশবাসীকে। ঘুরেফিরে আঙুল উঠছে সেই সরকারের দিকেই। হালে আবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু ঠিক মুখে পেগ্যাসাস অস্ত্র হাতে পেয়েছে বিরোধী শিবির। সংসদে এ নিয়ে একটা দিনও আলোচনা করতে দেয়নি কেন্দ্র। উল্টে অভিযোগ, বিরোধী সাংসদরা কিছু বলতে গেলেই মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তবু উঠছেই। সূত্রের খবর, অধিবেশেনর শেষ সপ্তাহে কৃষি আইন থেকে শুরু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে বিরোধী শিবির। কেন্দ্রের ডিফেন্স মজবুত করতে তাই মাঠে এ বার খোদ প্রধানমন্ত্রী। অস্ত্র সেই জনসংযোগ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jCDGLC
https://ift.tt/2VAM32f
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কে প্রহর গুনছে দেশ। আরেকদিকে চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্রাফ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার ফের খানিকটা বাড়ল সংক্রমণ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, টিকা কোভিড রোখার পাশাপাশি, অন্য রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। গবেষকদের দাবি, টিকা গ্রহীতাদের ইমিউনিটি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। এ দিকে, কোভিড রুখতে সাধারণের সচেতন হওয়াও জরুরি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রাজ্যেও গতদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বেড়েছে কোভিড সংক্রমণ। শনিবার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৯ জন। যা নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ চার হাজার ৩২৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jx0yw1
https://ift.tt/2VAzLGT
ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণ-সচেতনতায় ফিরবে সুদিন?

ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণ-সচেতনতায় ফিরবে সুদিন?

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কে প্রহর গুনছে দেশ। আরেকদিকে চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্রাফ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার ফের খানিকটা বাড়ল সংক্রমণ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, টিকা কোভিড রোখার পাশাপাশি, অন্য রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। গবেষকদের দাবি, টিকা গ্রহীতাদের ইমিউনিটি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। এ দিকে, কোভিড রুখতে সাধারণের সচেতন হওয়াও জরুরি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রাজ্যেও গতদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বেড়েছে কোভিড সংক্রমণ। শনিবার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৯ জন। যা নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ চার হাজার ৩২৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jx0yw1
https://ift.tt/2VAzLGT
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পরনে নদিয়ার শান্তিপুরের হ্যান্ডলুম শাড়ি। হাতে ধরা বোর্ডে লেখা 'প্রটেকশন, প্রমোশন, প্রগ্রেশন অফ দ্য হ্যান্ডলুম অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস'। জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে অভিনব উপায়ে নেটিজেনদের স্বদেশী শাড়ি পরার আবেদন জানালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শনিবার ওই অভিনব চিত্র দেখা গেল নেটপাড়ায়। পার্লামেন্টের আইকনিক গান্ধী মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে মহুয়া মৈত্র, জয়া বচ্চনরা। প্রত্যেকের পরনে হ্যান্ডলুম শাড়ি। মুখে মাস্ক। করোনা বিধি মেনেই দেশীয় শাড়ি পরে তাঁত শিল্পীদের সাহায্য করার ওই আর্জি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এ দিন রাজনীতিকদের কারও হাতে 'গো স্বদেশ' লেখা বোর্ড ছিল, কারও হাতে আবার 'সেভ আওয়ার লেগাসি' লেখা। মহুয়া নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ওই ছবি আপলোড করে লেখেন, 'বিশ্ব হ্যান্ডলুম দিবসের শুভেচ্ছা। হ্যান্ডলুম পরুন, হ্যান্ডলুম শিল্প বাঁচান'। দেশের শিল্পীদের হয়ে অসাধারণ ওই প্রমোশন নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে তা বলাবাহুল্য। অনেকেই প্রশংসা করেছেন সাংসদদের ওই উদ্যোগকে। এক ফেসবুক ইউজার লেখেন, 'শান্তিপুরের তাঁত শিল্পকে তুলে ধরার জন্য আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই শিল্পকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য কুর্ণিশ'। অপর এক ইউজার লেখেন, 'হ্যান্ডলুম শিল্প বাংলার গর্ব। তা অবশ্যই বাঁচানো দরকার'। উল্লেখযোগ্যভাবে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু শিল্পীও এ দিন মহুয়ার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেছিলেন। -তে এহেন উদ্যোগ নেওয়ায় কেউ রাজনীতিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কেউ এ দিন মনে করিয়ে দিয়েছেন, 'তাঁত শিল্পীদের অবস্থা খুবই শোচনীয়'। সুরাহার জন্য তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন রাজনীতিকের কাছে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuGCT6
https://ift.tt/3rYtPDP
গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁত বাঁচানোর আর্জি মহুয়ার

গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁত বাঁচানোর আর্জি মহুয়ার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পরনে নদিয়ার শান্তিপুরের হ্যান্ডলুম শাড়ি। হাতে ধরা বোর্ডে লেখা 'প্রটেকশন, প্রমোশন, প্রগ্রেশন অফ দ্য হ্যান্ডলুম অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস'। জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে অভিনব উপায়ে নেটিজেনদের স্বদেশী শাড়ি পরার আবেদন জানালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শনিবার ওই অভিনব চিত্র দেখা গেল নেটপাড়ায়। পার্লামেন্টের আইকনিক গান্ধী মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে মহুয়া মৈত্র, জয়া বচ্চনরা। প্রত্যেকের পরনে হ্যান্ডলুম শাড়ি। মুখে মাস্ক। করোনা বিধি মেনেই দেশীয় শাড়ি পরে তাঁত শিল্পীদের সাহায্য করার ওই আর্জি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এ দিন রাজনীতিকদের কারও হাতে 'গো স্বদেশ' লেখা বোর্ড ছিল, কারও হাতে আবার 'সেভ আওয়ার লেগাসি' লেখা। মহুয়া নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ওই ছবি আপলোড করে লেখেন, 'বিশ্ব হ্যান্ডলুম দিবসের শুভেচ্ছা। হ্যান্ডলুম পরুন, হ্যান্ডলুম শিল্প বাঁচান'। দেশের শিল্পীদের হয়ে অসাধারণ ওই প্রমোশন নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে তা বলাবাহুল্য। অনেকেই প্রশংসা করেছেন সাংসদদের ওই উদ্যোগকে। এক ফেসবুক ইউজার লেখেন, 'শান্তিপুরের তাঁত শিল্পকে তুলে ধরার জন্য আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই শিল্পকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য কুর্ণিশ'। অপর এক ইউজার লেখেন, 'হ্যান্ডলুম শিল্প বাংলার গর্ব। তা অবশ্যই বাঁচানো দরকার'। উল্লেখযোগ্যভাবে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু শিল্পীও এ দিন মহুয়ার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেছিলেন। -তে এহেন উদ্যোগ নেওয়ায় কেউ রাজনীতিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কেউ এ দিন মনে করিয়ে দিয়েছেন, 'তাঁত শিল্পীদের অবস্থা খুবই শোচনীয়'। সুরাহার জন্য তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন রাজনীতিকের কাছে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuGCT6
https://ift.tt/3rYtPDP
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ছ' টাকা খরচ করে তাজ হোটেলে একরাত! শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রার পোস্ট দেখে চমকে উঠেছিলেন অনেকেই। বিষয়টি কী? আসলে মুম্বইয়ের আইকনিক লোকেশন হওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রথম সারির বিলাসবহুল পাঁচতারার তালিকার শীর্ষে রয়েছে তাজ হোটেল। সেখানে একদিন কাটানোর স্বপ্ন কমবেশি সকলের মধ্যেই রয়েছে। ওই সুপ্ত বাসনা আরকি! লাখ লাখ টাকা খরচ করে ওই হোটেলে অনেকেই থাকেন। কিন্তু একটা সময়ে সত্যিই মাত্র ছ’ টাকা খরচ করে তাজ হোটেলে থাকা যেত। জনপ্রিয় ব্যবহার করে অনেকেই বলতে পারেন, 'প্রমাণ দাও'! তাই আগেভাগেই প্রমাণ দিয়ে রেখেছিলেন আনন্দ মাহিন্দ্রা। আসলে শনিবার ১৯০৩ সালের তাজের একটি বিজ্ঞাপন ব্যাপকভাবে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা শেয়ার করেছেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এ দিন তিনি লেখেন, ‘মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রেহাই পাওয়ার একটি উপায় রয়েছে তাহলে! টাইম মেশিনে চেপে ফিরে যেতে হবে অতীতে... সুদূর অতীতে...। মাত্র ছ টাকার বিনিময়ে মুম্বইয়ের তাজে একরাত কাটানোর সুযোগ। ওই দিনগুলোই তো দুর্দান্ত ছিল, তাই না'? তাজ মহল প্যালেস হোটেলের ওই পুরনো বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল মাত্র ছ' টাকায় সমস্ত বিলাসের দ্রব্য মিলবে। 'অল দ্য লেটেস্ট কমফোর্টস'। সত্যিই অভাবনীয়, তাই না? এ দিন এমনই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ব্যবসায়ী। উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারতীয় শিল্পপতিকে ফলো করেন ৮.৪ মিলিয়ন নেটিজেন। তিনি মাঝেমধ্যেই নানা ভাইরাল কনটেন্ট শেয়ার করেন নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে। তবে সবকটি পোস্টই দুর্দান্ত রসবোধে পরিপূর্ণ। যা দেখে হেসে লুটোপুটি খেতে বাধ্য আপনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lIuw2W
https://ift.tt/3xytCIB
মাত্র ৬ টাকায় তাজ হোটেলে রাত্রিযাপন!

মাত্র ৬ টাকায় তাজ হোটেলে রাত্রিযাপন!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ছ' টাকা খরচ করে তাজ হোটেলে একরাত! শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রার পোস্ট দেখে চমকে উঠেছিলেন অনেকেই। বিষয়টি কী? আসলে মুম্বইয়ের আইকনিক লোকেশন হওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রথম সারির বিলাসবহুল পাঁচতারার তালিকার শীর্ষে রয়েছে তাজ হোটেল। সেখানে একদিন কাটানোর স্বপ্ন কমবেশি সকলের মধ্যেই রয়েছে। ওই সুপ্ত বাসনা আরকি! লাখ লাখ টাকা খরচ করে ওই হোটেলে অনেকেই থাকেন। কিন্তু একটা সময়ে সত্যিই মাত্র ছ’ টাকা খরচ করে তাজ হোটেলে থাকা যেত। জনপ্রিয় ব্যবহার করে অনেকেই বলতে পারেন, 'প্রমাণ দাও'! তাই আগেভাগেই প্রমাণ দিয়ে রেখেছিলেন আনন্দ মাহিন্দ্রা। আসলে শনিবার ১৯০৩ সালের তাজের একটি বিজ্ঞাপন ব্যাপকভাবে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা শেয়ার করেছেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এ দিন তিনি লেখেন, ‘মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রেহাই পাওয়ার একটি উপায় রয়েছে তাহলে! টাইম মেশিনে চেপে ফিরে যেতে হবে অতীতে... সুদূর অতীতে...। মাত্র ছ টাকার বিনিময়ে মুম্বইয়ের তাজে একরাত কাটানোর সুযোগ। ওই দিনগুলোই তো দুর্দান্ত ছিল, তাই না'? তাজ মহল প্যালেস হোটেলের ওই পুরনো বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল মাত্র ছ' টাকায় সমস্ত বিলাসের দ্রব্য মিলবে। 'অল দ্য লেটেস্ট কমফোর্টস'। সত্যিই অভাবনীয়, তাই না? এ দিন এমনই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ব্যবসায়ী। উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারতীয় শিল্পপতিকে ফলো করেন ৮.৪ মিলিয়ন নেটিজেন। তিনি মাঝেমধ্যেই নানা ভাইরাল কনটেন্ট শেয়ার করেন নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে। তবে সবকটি পোস্টই দুর্দান্ত রসবোধে পরিপূর্ণ। যা দেখে হেসে লুটোপুটি খেতে বাধ্য আপনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lIuw2W
https://ift.tt/3xytCIB