Top Ad

middle ad
Showing posts with label খেলার খবর. Show all posts
Showing posts with label খেলার খবর. Show all posts
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিয়ো ()। ভারতের জন্য সবচেয়ে সফল বছর। সোনা, রূপো, ব্রোঞ্জ মেডেল প্রাপকদের পাশাপাশি অলিম্পিকের আসরে অংশ নিয়েছিলেন একাধিক বাঙালি খেলোয়াড়। তবে শুধু খেলোয়াড়রাই নয়, রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছেন বাঙালি বিচারকও। টোকিয়ো অলিম্পিকে প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল দত্ত। জাপান থেকে একগুচ্ছ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে ফিরেছেন তিনি। কেমন ছিল তাঁর এই অলিম্পিকের জার্নি? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) প্রাক্তনী ইন্দ্রনীল দত্ত (Indranil Datta) গত ১১ বছর ধরে তীরন্দাজির () সঙ্গে যুক্ত। নিজে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি গত ১০ বছর ধরে তিনি এই খেলার বিচারক হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন ওয়ার্ল্ড আর্চারির মঞ্চে। এই প্রথম সরাসরি অলিম্পিকের আসরে বিচারক হিসেবে অংশ নিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে ইন্দ্রনীল বলেন, 'টোকিয়ো অলিম্পিকের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গেলে হয়ত শব্দ কম পড়ে যাবে। ১০ বছর ধরে আমি তীরন্দাজি প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে একাধিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছি। কিন্তু, এই অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা। একটা আলাদাই অ্যাড্রিনালিন রাশ ছিল। ফিরে আসার পরও আমার এই জার্নিটা থেকে বেরতে অনেকটা সময় লেগে গিয়েছে।' কিন্তু, কেমনভাবে এল এই সুবর্ণ সুযোগ? ইন্দ্রনীল বলেন, '২০১৫ সাল থেকে আর্চারি ফেডারেশনের সঙ্গে আমি যুক্ত। প্রতিবছরই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক লেভেলে তীরন্দাজি প্রতিযোগীতায় বিচারক কিংবা রেফারি হিসেবে অংশ নিই। ওয়ার্ল্ড আর্চারির পাঁচজন বিচারকের মধ্যে আমিও একজন। সেখানে থেকেই ভারতের হয়ে অলিম্পিকে তীরন্দাজি প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে সুযোগ পাই। প্রতিবছরের কর্মপদ্ধতি এবং Ranking-এর উপর ভিত্তি করে অলিম্পিকের এই নির্বাচন হয়। জুরি মেম্বার হিসেবে অলিম্পিকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারলেও টোকিয়োতে যেতে পারব ভাবিনি। এরপর ২০১৯ সালে হঠাৎ করেই বিচারক হওয়ার এই সুযোগ এসে যায়।' অলিম্পিক ভিলেজে থাকার অভিজ্ঞতাও এই সময় ডিজিটালের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ইন্দ্রনীল দত্ত। তিনি বলেন, 'বাইরের দর্শক হয়ত ছিল না। কিন্তু, দাবি করে বলতে পারি অলিম্পিকের আসর আয়োজনে জাপান তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তীরন্দাজির জন্য সেরা আয়োজন ছিল টোকিয়োতে। সর্বোপরি, কোভিড ম্যানেজমেন্টে অলিম্পিক কর্তৃপক্ষ অনেক সুদক্ষ ভূমিকা নিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং সহ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয়েছে।' এবারের অলিম্পিকে তীরন্দাজির মহিলা বিভাগের গোল্ড মেডেল ম্যাচটিতে বিচারক হিসেবে ছিলেন ইন্দ্রনীল। তাঁর কথায়, 'বিচারকদের সকলেরই ইচ্ছা থাকে গোল্ড মেডেল ম্যাচ পরিচালনা করা। সেই সুযোগও এসে যায় টোকিয়োতে। সকলে হয়ত ভাবেন প্রতিযোগী এবং কোচেদেরই কেবল পরিশ্রম হয়। কিন্তু, এই লেভেলে একটা হাইভোল্টেজ ম্যাচে বিচারকদেরও নার্ভ ধরে রাখতে হয়।' ভারতীয় বিচারক হওয়ায় ভারতের প্রতিযোগীদের ম্যাচে বিচারক হিসেবে থাকতে পারেননি ইন্দ্রনীল। তবে দর্শকাসনে বসে উপভোগ করেছেন বাঙালি তীরন্দাজ অতনু দাস ও দীপিকা কুমারির ম্যাচ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রনীলের মাথায় তীরন্দাজির নেশা চাপল কী করে? তাঁর কথায়, '১৯৯৩ সালে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ খেলেছি। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র সাত বছর। আমার বাবা ছিলেন তীরন্দাজ কোচ। ২০০৬ সালে দোহা এশিয়ান গেমস এবং ২০১০ সালে দিল্লি কমনওয়েলথ গেমসে বাবা কমপিটিশন ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে রেফারি ছিলেন। মনের মধ্যে একটা জেদ ছিল। বাবা যখন অলিম্পিকে যেতে পেরেছে, তখন আমিও পারব। ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক স্তরে রেফারি হিসেবে আমি অংশ নিই। এরপর ২০০৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড আর্চারির অংশ হই।' ইন্দ্রনীলের কথায়, 'খেলাধুলো কেবল মেডেল পাওয়ার জন্য নয়। খেলাধুলো মানুষের চরিত্র তৈরিতেও বড় ভূমিকা পালন করে। টিম স্পিরিট তৈরি করে দেয়। ঐক্যবদ্ধভাবে একে অপরের পাশা থাকা শেখায়। পাশাপাশি, ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফের লড়াইয়ের ময়দানে বাউন্স ব্যাক করে ফিরে আসা শেখায়। তাই সরাসরি খেলার সঙ্গে জড়িত থাকতে না পারলেও নানাভাবে খেলাধুলোকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ এখন অফুরন্ত।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3s5V6V1
https://ift.tt/3CAu9xx
অলিম্পিকের আসরে যাদবপুরের প্রাক্তনীও, কেমন ছিল অভিজ্ঞতা?

অলিম্পিকের আসরে যাদবপুরের প্রাক্তনীও, কেমন ছিল অভিজ্ঞতা?

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিয়ো ()। ভারতের জন্য সবচেয়ে সফল বছর। সোনা, রূপো, ব্রোঞ্জ মেডেল প্রাপকদের পাশাপাশি অলিম্পিকের আসরে অংশ নিয়েছিলেন একাধিক বাঙালি খেলোয়াড়। তবে শুধু খেলোয়াড়রাই নয়, রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছেন বাঙালি বিচারকও। টোকিয়ো অলিম্পিকে প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল দত্ত। জাপান থেকে একগুচ্ছ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে ফিরেছেন তিনি। কেমন ছিল তাঁর এই অলিম্পিকের জার্নি? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) প্রাক্তনী ইন্দ্রনীল দত্ত (Indranil Datta) গত ১১ বছর ধরে তীরন্দাজির () সঙ্গে যুক্ত। নিজে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি গত ১০ বছর ধরে তিনি এই খেলার বিচারক হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন ওয়ার্ল্ড আর্চারির মঞ্চে। এই প্রথম সরাসরি অলিম্পিকের আসরে বিচারক হিসেবে অংশ নিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে ইন্দ্রনীল বলেন, 'টোকিয়ো অলিম্পিকের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গেলে হয়ত শব্দ কম পড়ে যাবে। ১০ বছর ধরে আমি তীরন্দাজি প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে একাধিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছি। কিন্তু, এই অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা। একটা আলাদাই অ্যাড্রিনালিন রাশ ছিল। ফিরে আসার পরও আমার এই জার্নিটা থেকে বেরতে অনেকটা সময় লেগে গিয়েছে।' কিন্তু, কেমনভাবে এল এই সুবর্ণ সুযোগ? ইন্দ্রনীল বলেন, '২০১৫ সাল থেকে আর্চারি ফেডারেশনের সঙ্গে আমি যুক্ত। প্রতিবছরই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক লেভেলে তীরন্দাজি প্রতিযোগীতায় বিচারক কিংবা রেফারি হিসেবে অংশ নিই। ওয়ার্ল্ড আর্চারির পাঁচজন বিচারকের মধ্যে আমিও একজন। সেখানে থেকেই ভারতের হয়ে অলিম্পিকে তীরন্দাজি প্রতিযোগীতার বিচারক হিসেবে সুযোগ পাই। প্রতিবছরের কর্মপদ্ধতি এবং Ranking-এর উপর ভিত্তি করে অলিম্পিকের এই নির্বাচন হয়। জুরি মেম্বার হিসেবে অলিম্পিকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারলেও টোকিয়োতে যেতে পারব ভাবিনি। এরপর ২০১৯ সালে হঠাৎ করেই বিচারক হওয়ার এই সুযোগ এসে যায়।' অলিম্পিক ভিলেজে থাকার অভিজ্ঞতাও এই সময় ডিজিটালের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ইন্দ্রনীল দত্ত। তিনি বলেন, 'বাইরের দর্শক হয়ত ছিল না। কিন্তু, দাবি করে বলতে পারি অলিম্পিকের আসর আয়োজনে জাপান তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তীরন্দাজির জন্য সেরা আয়োজন ছিল টোকিয়োতে। সর্বোপরি, কোভিড ম্যানেজমেন্টে অলিম্পিক কর্তৃপক্ষ অনেক সুদক্ষ ভূমিকা নিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং সহ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয়েছে।' এবারের অলিম্পিকে তীরন্দাজির মহিলা বিভাগের গোল্ড মেডেল ম্যাচটিতে বিচারক হিসেবে ছিলেন ইন্দ্রনীল। তাঁর কথায়, 'বিচারকদের সকলেরই ইচ্ছা থাকে গোল্ড মেডেল ম্যাচ পরিচালনা করা। সেই সুযোগও এসে যায় টোকিয়োতে। সকলে হয়ত ভাবেন প্রতিযোগী এবং কোচেদেরই কেবল পরিশ্রম হয়। কিন্তু, এই লেভেলে একটা হাইভোল্টেজ ম্যাচে বিচারকদেরও নার্ভ ধরে রাখতে হয়।' ভারতীয় বিচারক হওয়ায় ভারতের প্রতিযোগীদের ম্যাচে বিচারক হিসেবে থাকতে পারেননি ইন্দ্রনীল। তবে দর্শকাসনে বসে উপভোগ করেছেন বাঙালি তীরন্দাজ অতনু দাস ও দীপিকা কুমারির ম্যাচ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রনীলের মাথায় তীরন্দাজির নেশা চাপল কী করে? তাঁর কথায়, '১৯৯৩ সালে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ খেলেছি। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র সাত বছর। আমার বাবা ছিলেন তীরন্দাজ কোচ। ২০০৬ সালে দোহা এশিয়ান গেমস এবং ২০১০ সালে দিল্লি কমনওয়েলথ গেমসে বাবা কমপিটিশন ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে রেফারি ছিলেন। মনের মধ্যে একটা জেদ ছিল। বাবা যখন অলিম্পিকে যেতে পেরেছে, তখন আমিও পারব। ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক স্তরে রেফারি হিসেবে আমি অংশ নিই। এরপর ২০০৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড আর্চারির অংশ হই।' ইন্দ্রনীলের কথায়, 'খেলাধুলো কেবল মেডেল পাওয়ার জন্য নয়। খেলাধুলো মানুষের চরিত্র তৈরিতেও বড় ভূমিকা পালন করে। টিম স্পিরিট তৈরি করে দেয়। ঐক্যবদ্ধভাবে একে অপরের পাশা থাকা শেখায়। পাশাপাশি, ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফের লড়াইয়ের ময়দানে বাউন্স ব্যাক করে ফিরে আসা শেখায়। তাই সরাসরি খেলার সঙ্গে জড়িত থাকতে না পারলেও নানাভাবে খেলাধুলোকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ এখন অফুরন্ত।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3s5V6V1
https://ift.tt/3CAu9xx
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সমস্ত রেকর্ড ভেঙে টোকিও অলিম্পিকে সেরা পারফর্মমেন্স ভারতের। অলিম্পিকে প্রথম সোনা সহ সাত পদক। নীরজ চোপড়া, পুনিয়া সহ বাকি অলিম্পিক টিম রাজধানীতে ফিরতেই মহা সংবর্ধনা। নিজের সেরা টুকু দিয়ে টোকিও অলিম্পিকে ভারতের তেরঙ্গার সম্মান রাখার যে কাজ রানী, সিন্ধু, মীরাবাঈরা করেছেন,তাদের বরণ করতে সেজে উঠেছিল দিল্লি সহ গোটা দেশ। জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতের গর্ব এই অলিম্পিক টিমকে সম্মান জানায় কেন্দ্র। তাতে হাজির ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু, নিশীথ প্রামাণিক সহ সাইয়ের সিনিয়র আধিকারিকরা। এদিন বিমান থেকে নামতেই আবেগের বন্যায় ভেসে যান সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া। তার সঙ্গে একই বিমানে দেশে ফেরেন ব্রোঞ্জজয়ী কুস্তিগীর বজরং পুনিয়া, বিনেশ ফোগট, অদিতি সহ একাধিক অলিম্পিয়ান। মঞ্চ ছিল প্রস্তুত। পদকজয়ী ও প্রতিযোগীদের একবার চোখের দেখা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। সন্ধেয় দিল্লির অশোকা হোটেলে রাজকীয়ভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয় অলিম্পিয়ানদের। নীরজ চোপড়, লভলিনা, রবি দাহিয়া, বজরম পুনিয়াদের সংবর্ধনা দেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর অনুরাগ ঠাকুর, প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। সংবর্ধনার সঙ্গেই অলিম্পিয়ানদের জন্য ছিল এলাহি খাবারের আয়োজন। পাত সাজানো স্ন্যাকসের সঙ্গে নৈশভোজ। সন্ধ্যে ছ'টা থেকে শুরু হয়ে যায় স্ন্যাকসের আসর। স্ন্যাকসের মধ্যে ছিল মুর্গ মালাই টিক্কা, মাটন শিক কাবাব এবং আচারি পনীর টিক্কা। সন্ধ্যে সাতটা থেকে শুরু হয় নৈশভোজ। শুরু মানচাও স্যুপ এবং ধনেপাতার স্যুর দিয়ে। তারপর একে একে বিভিন্ন ধরনের স্যালাড। মেনুতে ছিল ইরানি রায়তা এবং দই ভাল্লাও। এরপর শুরু মূলপর্বের খাওয়াদাওয়া। মোট ১৫টি পদ ছিল মূল পর্বের জন্য। ভারতীয় থেকে চাইনিজ কিংবা ইটালিয়ান যার যেমন খুশি খাওয়ার বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। ভারতীয় মেন কোর্সের মধ্যে ছিল মুর্গ মাখানি, হায়দরাবাদি গোস্ত বিরিয়ানি এবং পনীর পেশাওয়ারি। চাইনিজ খাবারের মধ্যে ছিল ব্ল্যাক বিন সসের সঙ্গে বিভিন্ন সবজি এবং হাক্কা নুডলস। আবার ইটালিয়ান মেনুর মধ্যে ছিল পাস্তা এবং বিভিন্ন ধরনের সস। এছাড়া ভারতের মহিলা ভারোত্তলক মীরাবাঈয়ের জন্য ছিল বিশেষ পিৎজা । কারণ তিনি পিৎজা খেতে খুব ভালোবাসেন। সবশেষে মিষ্টিমুখের পালা। ডেজার্ট সেকশন আলো করে ছিল জিলিপি সঙ্গে রাবড়ি, মুগ ডালের হালুয়া, কুলফি এবং ফালুদা।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3jDIbpt
https://ift.tt/3jIOc4b
টোকিও অলিম্পিক ফেরত প্রতিযোগী ও পদকজয়ীদের সম্মানে রাজকীয় সংবর্ধনা

টোকিও অলিম্পিক ফেরত প্রতিযোগী ও পদকজয়ীদের সম্মানে রাজকীয় সংবর্ধনা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সমস্ত রেকর্ড ভেঙে টোকিও অলিম্পিকে সেরা পারফর্মমেন্স ভারতের। অলিম্পিকে প্রথম সোনা সহ সাত পদক। নীরজ চোপড়া, পুনিয়া সহ বাকি অলিম্পিক টিম রাজধানীতে ফিরতেই মহা সংবর্ধনা। নিজের সেরা টুকু দিয়ে টোকিও অলিম্পিকে ভারতের তেরঙ্গার সম্মান রাখার যে কাজ রানী, সিন্ধু, মীরাবাঈরা করেছেন,তাদের বরণ করতে সেজে উঠেছিল দিল্লি সহ গোটা দেশ। জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতের গর্ব এই অলিম্পিক টিমকে সম্মান জানায় কেন্দ্র। তাতে হাজির ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু, নিশীথ প্রামাণিক সহ সাইয়ের সিনিয়র আধিকারিকরা। এদিন বিমান থেকে নামতেই আবেগের বন্যায় ভেসে যান সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া। তার সঙ্গে একই বিমানে দেশে ফেরেন ব্রোঞ্জজয়ী কুস্তিগীর বজরং পুনিয়া, বিনেশ ফোগট, অদিতি সহ একাধিক অলিম্পিয়ান। মঞ্চ ছিল প্রস্তুত। পদকজয়ী ও প্রতিযোগীদের একবার চোখের দেখা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। সন্ধেয় দিল্লির অশোকা হোটেলে রাজকীয়ভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয় অলিম্পিয়ানদের। নীরজ চোপড়, লভলিনা, রবি দাহিয়া, বজরম পুনিয়াদের সংবর্ধনা দেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর অনুরাগ ঠাকুর, প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। সংবর্ধনার সঙ্গেই অলিম্পিয়ানদের জন্য ছিল এলাহি খাবারের আয়োজন। পাত সাজানো স্ন্যাকসের সঙ্গে নৈশভোজ। সন্ধ্যে ছ'টা থেকে শুরু হয়ে যায় স্ন্যাকসের আসর। স্ন্যাকসের মধ্যে ছিল মুর্গ মালাই টিক্কা, মাটন শিক কাবাব এবং আচারি পনীর টিক্কা। সন্ধ্যে সাতটা থেকে শুরু হয় নৈশভোজ। শুরু মানচাও স্যুপ এবং ধনেপাতার স্যুর দিয়ে। তারপর একে একে বিভিন্ন ধরনের স্যালাড। মেনুতে ছিল ইরানি রায়তা এবং দই ভাল্লাও। এরপর শুরু মূলপর্বের খাওয়াদাওয়া। মোট ১৫টি পদ ছিল মূল পর্বের জন্য। ভারতীয় থেকে চাইনিজ কিংবা ইটালিয়ান যার যেমন খুশি খাওয়ার বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। ভারতীয় মেন কোর্সের মধ্যে ছিল মুর্গ মাখানি, হায়দরাবাদি গোস্ত বিরিয়ানি এবং পনীর পেশাওয়ারি। চাইনিজ খাবারের মধ্যে ছিল ব্ল্যাক বিন সসের সঙ্গে বিভিন্ন সবজি এবং হাক্কা নুডলস। আবার ইটালিয়ান মেনুর মধ্যে ছিল পাস্তা এবং বিভিন্ন ধরনের সস। এছাড়া ভারতের মহিলা ভারোত্তলক মীরাবাঈয়ের জন্য ছিল বিশেষ পিৎজা । কারণ তিনি পিৎজা খেতে খুব ভালোবাসেন। সবশেষে মিষ্টিমুখের পালা। ডেজার্ট সেকশন আলো করে ছিল জিলিপি সঙ্গে রাবড়ি, মুগ ডালের হালুয়া, কুলফি এবং ফালুদা।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3jDIbpt
https://ift.tt/3jIOc4b
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অজি বিক্রম চূর্ণ ব্র্যাঘ্র দাপটে। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। ৪-১ ব্যবধানে অজিদের হারিয়ে সিরিজ ঘরে আনল শাকিবের বাংলাদেশ। অবিস্মরণীয় জয়। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা পারফর্মমেন্সের দেখা মিলল এদিন। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে হারিয়ে দুর্ধর্ষ জয় টাইগার্সদের। মাত্র ৯ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম ওভার খেলে, সবচেয়ে কম রানে ও অলআউট হওয়ার নজির ঘটল এদিনই। ম্যাচের শুরু থেকে চমক মাহমুদুল্লা রিয়াদের বাহিনীর । টানা তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে এদিনও ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পঞ্চম ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১২২ রান করে বাংলাদেশ। সেই রান তাড়া করতে গিয়ে ৬২-তেই শেষ অজি ইনিংস। একইসঙ্গে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে রেকর্ড বাংলাদেশের।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3Cw0m92
https://ift.tt/3fOJCQB
টাইগারদের দাপটে কুপোকাত ক্যাঙারু! অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪-১ সিরিজ জয় বাংলাদেশের

টাইগারদের দাপটে কুপোকাত ক্যাঙারু! অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪-১ সিরিজ জয় বাংলাদেশের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অজি বিক্রম চূর্ণ ব্র্যাঘ্র দাপটে। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। ৪-১ ব্যবধানে অজিদের হারিয়ে সিরিজ ঘরে আনল শাকিবের বাংলাদেশ। অবিস্মরণীয় জয়। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা পারফর্মমেন্সের দেখা মিলল এদিন। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে হারিয়ে দুর্ধর্ষ জয় টাইগার্সদের। মাত্র ৯ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম ওভার খেলে, সবচেয়ে কম রানে ও অলআউট হওয়ার নজির ঘটল এদিনই। ম্যাচের শুরু থেকে চমক মাহমুদুল্লা রিয়াদের বাহিনীর । টানা তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে এদিনও ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পঞ্চম ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১২২ রান করে বাংলাদেশ। সেই রান তাড়া করতে গিয়ে ৬২-তেই শেষ অজি ইনিংস। একইসঙ্গে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে রেকর্ড বাংলাদেশের।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3Cw0m92
https://ift.tt/3fOJCQB
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পাড়ার ক্রিকেট মাঠে কান পাতলে এমন শোনা যায় বটে। তাই বলে একেবারে আন্তর্জাতিক ম্যাচে! খোদ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!! যেন বিশ্বাসই করা যায় না। সিরিজের শেষ ম্যাচে স্ট্যাম্প মাইক্রোফোনে ধরা পড়ল বাংলাদেশের উইকেটকিপার নুরুল হাসানের গলা, 'সাকিব ভাই তাড়াতাড়ি আউট করেন, অনেক দিন পর বাসায় যাব'। এবারে সফরে এসে যারপরনাই বিপাকের মুখে পড়তে হয় অস্ট্রেলীয় বাহিনীকে। অতিবড় বাংলাদেশী ফ্যানও অস্ট্রেলিয়ার এমন করুণ বিপর্যয়ের কথা ভাবতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়াকে এদিন টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটের সবচেয়ে লজ্জাজনক স্কোর উপহার দিল টাইগারেরা। এদিন রান করে মাত্র ৬২। যা টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম রান। অস্ট্রেলিয়ার আগে জিম্বাবোয়ের সঙ্গে খেলেছেন বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা। এরপর খেলা হল অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এর মাঝে ঈদ চলে গেলেও ক্রিকেটাররা বাড়ি যেতে পারেননি। তাই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ খেলেই সকলের রয়েছে বাড়ি যাওয়ার তাঁরা। নুরুল হাসানের আকুতিতে যেন সেই কথাই ফুটে উঠল। ম্যাচ শেষ করেই তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে চাইছেন তিনি। তবে, নুরুল হাসানকে নিরাশ করেননি সাকিব আল হাসান। এ ম্যাচে ৯ রান খরচ করে তিনি তুলে নিলেন চারটি উইকেট। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হলেন সাকিব। ম্যান অফ দ্য সিরিজও হলেন সাকিব অল হাসান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই জয় অবিস্মরণীয়। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা পারফর্মমেন্সের দেখা মিলল এদিন। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে হারিয়ে দুর্ধর্ষ জয় টাইগার্সদের। মাত্র ৯ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম ওভার খেলে, সবচেয়ে কম রানে ও অলআউট হওয়ার নজির ঘটল এদিনই।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3AuHrcL
https://ift.tt/37s99dS
'সাকিব ভাই তাড়াতাড়ি আউট করেন', অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যেন পাড়া ক্রিকেট বাংলাদেশের!

'সাকিব ভাই তাড়াতাড়ি আউট করেন', অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যেন পাড়া ক্রিকেট বাংলাদেশের!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পাড়ার ক্রিকেট মাঠে কান পাতলে এমন শোনা যায় বটে। তাই বলে একেবারে আন্তর্জাতিক ম্যাচে! খোদ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!! যেন বিশ্বাসই করা যায় না। সিরিজের শেষ ম্যাচে স্ট্যাম্প মাইক্রোফোনে ধরা পড়ল বাংলাদেশের উইকেটকিপার নুরুল হাসানের গলা, 'সাকিব ভাই তাড়াতাড়ি আউট করেন, অনেক দিন পর বাসায় যাব'। এবারে সফরে এসে যারপরনাই বিপাকের মুখে পড়তে হয় অস্ট্রেলীয় বাহিনীকে। অতিবড় বাংলাদেশী ফ্যানও অস্ট্রেলিয়ার এমন করুণ বিপর্যয়ের কথা ভাবতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়াকে এদিন টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটের সবচেয়ে লজ্জাজনক স্কোর উপহার দিল টাইগারেরা। এদিন রান করে মাত্র ৬২। যা টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম রান। অস্ট্রেলিয়ার আগে জিম্বাবোয়ের সঙ্গে খেলেছেন বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা। এরপর খেলা হল অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এর মাঝে ঈদ চলে গেলেও ক্রিকেটাররা বাড়ি যেতে পারেননি। তাই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ খেলেই সকলের রয়েছে বাড়ি যাওয়ার তাঁরা। নুরুল হাসানের আকুতিতে যেন সেই কথাই ফুটে উঠল। ম্যাচ শেষ করেই তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে চাইছেন তিনি। তবে, নুরুল হাসানকে নিরাশ করেননি সাকিব আল হাসান। এ ম্যাচে ৯ রান খরচ করে তিনি তুলে নিলেন চারটি উইকেট। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হলেন সাকিব। ম্যান অফ দ্য সিরিজও হলেন সাকিব অল হাসান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই জয় অবিস্মরণীয়। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা পারফর্মমেন্সের দেখা মিলল এদিন। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে হারিয়ে দুর্ধর্ষ জয় টাইগার্সদের। মাত্র ৯ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কম ওভার খেলে, সবচেয়ে কম রানে ও অলআউট হওয়ার নজির ঘটল এদিনই।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3AuHrcL
https://ift.tt/37s99dS