Top Ad

middle ad
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
এই সময়: দাবানলের লেলিহান শিখায় জ্বলছে গ্রিস। একই ছবি তুরস্ক, ইতালি রাশিয়া, ক্যালিফোর্নিয়াতেও। সম্প্রতি 'হিট ডোম' (Hit Dome) বা উত্তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল আমেরিকা ও কানাডার একাংশ, যা প্রাণ কেড়েছে সাতশোরও বেশি মানুষের। প্রবল বৃষ্টি-বন্যায় ক'দিন আগেই ধুয়ে-মুছে গিয়েছে জাপানের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল। পৃথিবীর নানা প্রান্ত একই সঙ্গে বিবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি- এ সব কি নিছকই সমাপতন? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট কিন্তু বলছে, মোটেই না। মানুষের বিধ্বংসী কার্যকলাপে যে ভাবে () বাড়ছে, তাতে এটাই পৃথিবীর নিউ নর্মাল! অর্থাৎ, প্রবল তাপপ্রবাহ, বিধ্বংসী আগুন বা বিপর্যয়কারী বন্যা- যা এতকাল ১০ বা ৫০ বছরে একবার ঘটত, সেই ঘটনাগুলোই এখন ঘটবে বারবার, হয়তো বছরে একাধিকবার! মানুষ এখনই সংযত না-হলে ধ্বংসের আর বেশি বাকি নেই। বিশ্বের প্রতিটি এলাকার জলবায়ু () নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সোমবার ১৯৫টি সদস্য দেশকে নিয়ে বৈঠকে ষষ্ঠ রিপোর্টটি পেশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সংক্রান্ত আন্তঃরাষ্ট্র প্যানেল (আইপিসিসি)। আর সেই রিপোর্টের প্রতি পদে পদে বিপদবার্তা! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ইতিমধ্যেই উষ্ণায়নের প্রভাব বোঝাতে শুরু করে দিয়েছে। অবিলম্বে সব ক'টি দেশ যদি কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিন গ্যাস নির্গমনে রাশ টানে, তা হলেও পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে প্রায় ২০-৩০ বছর! আর সমুদ্রের যে জলস্তর ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে, তা কমানোর উপায় নেই, তবে নতুন করে জলস্তর বৃদ্ধি রোখা সম্ভব। কিন্তু সেটাও এখনই সব দেশ একসঙ্গে সচেতন হলে। না-হলে অবিলম্বেই নেমে আসবে বিপর্যয়, যা থেকে কোনও দেশই রক্ষা পাবে না। যা দেখে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেসের উক্তি, 'সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য এটা লাল সতর্কবার্তা'! কিন্তু এতেও কি সতর্ক হবে মানুষ? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এত বৈঠক, সম্মেলনের পরও দেশগুলি নিজেদের কার্বন নির্গমনে তেমন রাশ টানতে পারেনি বলেই পৃথিবীর তাপমাত্রা হু হু করে চড়ছে। ২০১৮-এর ক্লাইমেট সামিটে বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমনে রাশ না-টানতে পারলে ২০৪০-এর মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ২০৩০-এর মধ্যেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলা যাবে! সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির পরিসংখ্যানও ততধিক চিন্তার। ১৯০১-১৯৭১ সাল অবধি প্রতি বছর সমুদ্রের জলতল বাড়ত গড়ে ১.৩ মিলিমিটার, আর ২০০৬ থেকে ২০১৮-এর মধ্যে সেটা বেড়ে হয়েছে বছরে ৩.৭ মিলিমিটার! রাষ্ট্রপুঞ্জের এই রিপোর্টে সতর্কবার্তা রয়েছে ভারতের জন্যও। রিপোর্ট বলছে, উষ্ণায়নের জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন বৃষ্টি বাড়বে। সবচেয়ে বড় কথা, সেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ঠিক ভাবে দেওয়া সব সময় সম্ভব হবে না। বদলে যেতে পারে বর্ষার চরিত্রও। সেই সঙ্গে হিমালয়ে বরফের গলন বাড়বে, যার প্রভাবে হতে পারে বন্যা। এমনিতে সামগ্রিক ভাবেই ১৯৫০-এর পর থেকে তাপপ্রবাহের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েছে, সেই তুলনায় কমেছে শৈত্যপ্রবাহ। শহরাঞ্চলে জলাশয় আর সবুজের আচ্ছাদন কমছে, বদলে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। আর সেই কংক্রিটের জঙ্গলে উত্তাপ আটকা পড়ে এক একটি শহর হয়ে উঠছে উষ্ণায়নের এক একটি হটস্পট! রিপোর্ট বলছে, এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ই সংখ্যায় ও প্রাবল্যে আরও বাড়বে। আর তা একটি অঞ্চলে আটকে না-থেকে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের নানা প্রান্তে! বাঁচার কি তা হলে কোনও উপায় নেই? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এই শতক শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতিকে বেঁধে ফেলা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য প্রতিটি দেশকে বিপুল ভাবে কার্বন ও গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে গ্লাসগোয় রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠক। সেখানে ১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে ভারতও। প্রতিটি দেশ ব্যাপকহারে নির্গমন কমাতে রাজি হলে খুব দ্রুত এয়ার কোয়ালিটি উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু সব ক'টি দেশকে একমত করার কাজ কি এতটা সহজ হবে? রিপোর্টে লাল সতর্কবার্তা কার্বন নির্গমনে নাশ না-টানায় ব্যাপক হারে বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে ২০৩০-এর মধ্যেই শৈত্যপ্রবাহ কমে বাড়ছে তাপপ্রবাহ বেড়েই চলেছে সমুদ্রের জলস্তর সবুজ এবং জলাশয় কমায় শহরগুলি পরিণত হয়েছে উষ্ণায়নের হটস্পটে এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সংখ্যা ও ধ্বংসলীলা বাড়বে একই সঙ্গে এক দেশে বন্যা, অন্য দেশে খরা অস্বাভাবিক নয়


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AqmTCo
https://ift.tt/3iz111t
শিয়রে বিপদ! তাপপ্রবাহ-বন্যা-দাবানলই নিউ নর্মাল

শিয়রে বিপদ! তাপপ্রবাহ-বন্যা-দাবানলই নিউ নর্মাল

এই সময়: দাবানলের লেলিহান শিখায় জ্বলছে গ্রিস। একই ছবি তুরস্ক, ইতালি রাশিয়া, ক্যালিফোর্নিয়াতেও। সম্প্রতি 'হিট ডোম' (Hit Dome) বা উত্তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল আমেরিকা ও কানাডার একাংশ, যা প্রাণ কেড়েছে সাতশোরও বেশি মানুষের। প্রবল বৃষ্টি-বন্যায় ক'দিন আগেই ধুয়ে-মুছে গিয়েছে জাপানের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল। পৃথিবীর নানা প্রান্ত একই সঙ্গে বিবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি- এ সব কি নিছকই সমাপতন? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট কিন্তু বলছে, মোটেই না। মানুষের বিধ্বংসী কার্যকলাপে যে ভাবে () বাড়ছে, তাতে এটাই পৃথিবীর নিউ নর্মাল! অর্থাৎ, প্রবল তাপপ্রবাহ, বিধ্বংসী আগুন বা বিপর্যয়কারী বন্যা- যা এতকাল ১০ বা ৫০ বছরে একবার ঘটত, সেই ঘটনাগুলোই এখন ঘটবে বারবার, হয়তো বছরে একাধিকবার! মানুষ এখনই সংযত না-হলে ধ্বংসের আর বেশি বাকি নেই। বিশ্বের প্রতিটি এলাকার জলবায়ু () নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সোমবার ১৯৫টি সদস্য দেশকে নিয়ে বৈঠকে ষষ্ঠ রিপোর্টটি পেশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সংক্রান্ত আন্তঃরাষ্ট্র প্যানেল (আইপিসিসি)। আর সেই রিপোর্টের প্রতি পদে পদে বিপদবার্তা! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ইতিমধ্যেই উষ্ণায়নের প্রভাব বোঝাতে শুরু করে দিয়েছে। অবিলম্বে সব ক'টি দেশ যদি কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিন গ্যাস নির্গমনে রাশ টানে, তা হলেও পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে প্রায় ২০-৩০ বছর! আর সমুদ্রের যে জলস্তর ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে, তা কমানোর উপায় নেই, তবে নতুন করে জলস্তর বৃদ্ধি রোখা সম্ভব। কিন্তু সেটাও এখনই সব দেশ একসঙ্গে সচেতন হলে। না-হলে অবিলম্বেই নেমে আসবে বিপর্যয়, যা থেকে কোনও দেশই রক্ষা পাবে না। যা দেখে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেসের উক্তি, 'সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য এটা লাল সতর্কবার্তা'! কিন্তু এতেও কি সতর্ক হবে মানুষ? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এত বৈঠক, সম্মেলনের পরও দেশগুলি নিজেদের কার্বন নির্গমনে তেমন রাশ টানতে পারেনি বলেই পৃথিবীর তাপমাত্রা হু হু করে চড়ছে। ২০১৮-এর ক্লাইমেট সামিটে বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমনে রাশ না-টানতে পারলে ২০৪০-এর মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ২০৩০-এর মধ্যেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলা যাবে! সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির পরিসংখ্যানও ততধিক চিন্তার। ১৯০১-১৯৭১ সাল অবধি প্রতি বছর সমুদ্রের জলতল বাড়ত গড়ে ১.৩ মিলিমিটার, আর ২০০৬ থেকে ২০১৮-এর মধ্যে সেটা বেড়ে হয়েছে বছরে ৩.৭ মিলিমিটার! রাষ্ট্রপুঞ্জের এই রিপোর্টে সতর্কবার্তা রয়েছে ভারতের জন্যও। রিপোর্ট বলছে, উষ্ণায়নের জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন বৃষ্টি বাড়বে। সবচেয়ে বড় কথা, সেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ঠিক ভাবে দেওয়া সব সময় সম্ভব হবে না। বদলে যেতে পারে বর্ষার চরিত্রও। সেই সঙ্গে হিমালয়ে বরফের গলন বাড়বে, যার প্রভাবে হতে পারে বন্যা। এমনিতে সামগ্রিক ভাবেই ১৯৫০-এর পর থেকে তাপপ্রবাহের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েছে, সেই তুলনায় কমেছে শৈত্যপ্রবাহ। শহরাঞ্চলে জলাশয় আর সবুজের আচ্ছাদন কমছে, বদলে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। আর সেই কংক্রিটের জঙ্গলে উত্তাপ আটকা পড়ে এক একটি শহর হয়ে উঠছে উষ্ণায়নের এক একটি হটস্পট! রিপোর্ট বলছে, এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ই সংখ্যায় ও প্রাবল্যে আরও বাড়বে। আর তা একটি অঞ্চলে আটকে না-থেকে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের নানা প্রান্তে! বাঁচার কি তা হলে কোনও উপায় নেই? রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, এই শতক শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতিকে বেঁধে ফেলা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য প্রতিটি দেশকে বিপুল ভাবে কার্বন ও গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে গ্লাসগোয় রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠক। সেখানে ১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে ভারতও। প্রতিটি দেশ ব্যাপকহারে নির্গমন কমাতে রাজি হলে খুব দ্রুত এয়ার কোয়ালিটি উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু সব ক'টি দেশকে একমত করার কাজ কি এতটা সহজ হবে? রিপোর্টে লাল সতর্কবার্তা কার্বন নির্গমনে নাশ না-টানায় ব্যাপক হারে বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে ২০৩০-এর মধ্যেই শৈত্যপ্রবাহ কমে বাড়ছে তাপপ্রবাহ বেড়েই চলেছে সমুদ্রের জলস্তর সবুজ এবং জলাশয় কমায় শহরগুলি পরিণত হয়েছে উষ্ণায়নের হটস্পটে এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সংখ্যা ও ধ্বংসলীলা বাড়বে একই সঙ্গে এক দেশে বন্যা, অন্য দেশে খরা অস্বাভাবিক নয়


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3AqmTCo
https://ift.tt/3iz111t
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবানরা (Taliban) দখল করছে একের পর এক শহর। এরমধ্যেই ছ'টি প্রদেশিক রাজধানী তাঁরা দখল করে নিয়েছে। সোমবারও একটি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করেছে তাঁরা। তালিবানদের থেকে বাঁচতে হাজার হাজার আফগান পরিবার রাজধানী কাবুলে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই রাস্তায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এর আগে তালিবানরা কুন্দুজ, তাখার, জোজান, সার-ই-পোল এবং নিমরুজ দখল করে। এছাড়াও, হেরাত, কান্দাহার এবং হেলমান্দ প্রদেশে সেনা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে এই তালিবানরা। এই শহরগুলিকেও দখল করতে চাইছে সশস্ত্র সংগঠনটি। বিভিন্ন স্থানীয় আফগান সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, প্রচণ্ড লড়াইয়ের জেরে হাজার হাজার পরিবার কুন্দুজ, কান্দাহার, নিমরোজ, তখর এবং বাগলান প্রদেশ থেকে কাবুলে পালিয়ে এসেছে। কাবুলের সর-এ-শামালি এবং খাইরখানা এলাকায় ক্যাম্প করে থাকতে শুরু করেছে এই পালিয়ে আসা আশ্রয়হীন মানুষেরা। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কুন্দুজ প্রদেশের কয়েকশ ঘরছাড়া মানুষ কাবুলের পুলিশ জেলা ১৫-এর একটি পার্কে থাকতে শুরু করেছে। শিশু, বয়স্ক এবং আহত লোকজনও সেই পার্কে রয়েছে। আফগান সরকার এখনও তাঁদেরকে খাবার বা আশ্রয় দেয়নি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষেরা তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার কাজ করছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। যুদ্ধের কারণে এদের মৌলিক সুযোগ -সুবিধা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। জানানো হয়েছে, গত পাঁচ মাসে প্রায় ৭৫,০০০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। প্রসঙ্গত, থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3iz9dPt
https://ift.tt/3jH2lyB
আফগানিস্তানে তালিবানি তাণ্ডব! কাবুলে আশ্রয় নিচ্ছে হাজার হাজার পরিবার

আফগানিস্তানে তালিবানি তাণ্ডব! কাবুলে আশ্রয় নিচ্ছে হাজার হাজার পরিবার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবানরা (Taliban) দখল করছে একের পর এক শহর। এরমধ্যেই ছ'টি প্রদেশিক রাজধানী তাঁরা দখল করে নিয়েছে। সোমবারও একটি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করেছে তাঁরা। তালিবানদের থেকে বাঁচতে হাজার হাজার আফগান পরিবার রাজধানী কাবুলে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই রাস্তায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এর আগে তালিবানরা কুন্দুজ, তাখার, জোজান, সার-ই-পোল এবং নিমরুজ দখল করে। এছাড়াও, হেরাত, কান্দাহার এবং হেলমান্দ প্রদেশে সেনা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে এই তালিবানরা। এই শহরগুলিকেও দখল করতে চাইছে সশস্ত্র সংগঠনটি। বিভিন্ন স্থানীয় আফগান সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, প্রচণ্ড লড়াইয়ের জেরে হাজার হাজার পরিবার কুন্দুজ, কান্দাহার, নিমরোজ, তখর এবং বাগলান প্রদেশ থেকে কাবুলে পালিয়ে এসেছে। কাবুলের সর-এ-শামালি এবং খাইরখানা এলাকায় ক্যাম্প করে থাকতে শুরু করেছে এই পালিয়ে আসা আশ্রয়হীন মানুষেরা। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কুন্দুজ প্রদেশের কয়েকশ ঘরছাড়া মানুষ কাবুলের পুলিশ জেলা ১৫-এর একটি পার্কে থাকতে শুরু করেছে। শিশু, বয়স্ক এবং আহত লোকজনও সেই পার্কে রয়েছে। আফগান সরকার এখনও তাঁদেরকে খাবার বা আশ্রয় দেয়নি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষেরা তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার কাজ করছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। যুদ্ধের কারণে এদের মৌলিক সুযোগ -সুবিধা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। জানানো হয়েছে, গত পাঁচ মাসে প্রায় ৭৫,০০০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। প্রসঙ্গত, থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3iz9dPt
https://ift.tt/3jH2lyB
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হল না লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। যার জেরে সোমবার দুপুরে ব্যাপক যানজটের চিত্র দেখল ব্রিটেনের রাজধানী। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল গাড়ি। পথচারীরাও সঠিক সময়ে নদী পারাপার করতে না পেরে বিপাকে পড়েন এদিন। পুলিশের তরফ থেকে টুইট করে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ওই সেতু খোলার পর তা আটকে যায়। ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে ওই বাসকুল ব্রিজের একাধিক ভিডিয়ো এবং ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে এদিন কী ভাবে ওই ব্রিজটি আটকে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, একটি উঁচু জাহাজ পাস করার জন্য ব্রিজটি খোলা হয়েছিল। তারপর থেকেই আর বন্ধ লাগছিল না ওই সেতুটি। এই ধরনের সেতুকে সাধারণত সম পরিমাণ ভর ব্যবহার করে মাঝামাঝি ওঠানো কিংবা নামানো হয়ে থাকে। টাওয়ার ব্রিজ ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, লন্ডনের এই বাসকুল ব্রিজটি বছরে প্রায় ৮০০ বার খোলা হয়। তাহলে আচমকা কেন আটকে গেল ব্রিজ? প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। যদিও ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ। এদিন বারবার লন্ডন পুলিশের তরফ থেকে ঘোষণা করে বলা হয় ওই রাস্তা না ব্যবহার করার জন্য। উল্লেখ্য, ১৮৯৪ সালে থেমস নদীর উপর ওই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। প্রথমদিকে বাষ্প ব্যবহার করেই ওঠানো-নামানো হতো ব্রিজটি। পরে তেল এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ দ্বারা অপারেট করা হয় জনপ্রিয় সেতুটি। প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ অগাস্ট ওই ব্রিজটি একইভাবে আটকে গিয়েছিল এবং তা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। সেই বারেও এহেন সমস্যায় পড়তে হয়েছিল লন্ডনবাসীকে। লন্ডন পুলিশ একইভাবে যান্ত্রিক গোলযোগকেই টাওয়ার ব্রিজ আটকে যাওয়ার কারণ দর্শিয়েছিল।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VHRWus
https://ift.tt/3CvkSXt
যান্ত্রিক গোলযোগ, ঘণ্টাখানেক বন্ধই হল না লন্ডনের আইকনিক টাওয়ার ব্রিজ!

যান্ত্রিক গোলযোগ, ঘণ্টাখানেক বন্ধই হল না লন্ডনের আইকনিক টাওয়ার ব্রিজ!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হল না লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। যার জেরে সোমবার দুপুরে ব্যাপক যানজটের চিত্র দেখল ব্রিটেনের রাজধানী। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল গাড়ি। পথচারীরাও সঠিক সময়ে নদী পারাপার করতে না পেরে বিপাকে পড়েন এদিন। পুলিশের তরফ থেকে টুইট করে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ওই সেতু খোলার পর তা আটকে যায়। ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে ওই বাসকুল ব্রিজের একাধিক ভিডিয়ো এবং ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে এদিন কী ভাবে ওই ব্রিজটি আটকে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, একটি উঁচু জাহাজ পাস করার জন্য ব্রিজটি খোলা হয়েছিল। তারপর থেকেই আর বন্ধ লাগছিল না ওই সেতুটি। এই ধরনের সেতুকে সাধারণত সম পরিমাণ ভর ব্যবহার করে মাঝামাঝি ওঠানো কিংবা নামানো হয়ে থাকে। টাওয়ার ব্রিজ ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, লন্ডনের এই বাসকুল ব্রিজটি বছরে প্রায় ৮০০ বার খোলা হয়। তাহলে আচমকা কেন আটকে গেল ব্রিজ? প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। যদিও ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ। এদিন বারবার লন্ডন পুলিশের তরফ থেকে ঘোষণা করে বলা হয় ওই রাস্তা না ব্যবহার করার জন্য। উল্লেখ্য, ১৮৯৪ সালে থেমস নদীর উপর ওই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। প্রথমদিকে বাষ্প ব্যবহার করেই ওঠানো-নামানো হতো ব্রিজটি। পরে তেল এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ দ্বারা অপারেট করা হয় জনপ্রিয় সেতুটি। প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ অগাস্ট ওই ব্রিজটি একইভাবে আটকে গিয়েছিল এবং তা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। সেই বারেও এহেন সমস্যায় পড়তে হয়েছিল লন্ডনবাসীকে। লন্ডন পুলিশ একইভাবে যান্ত্রিক গোলযোগকেই টাওয়ার ব্রিজ আটকে যাওয়ার কারণ দর্শিয়েছিল।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/2VHRWus
https://ift.tt/3CvkSXt
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নৃশংস বললেও হয়ত কম বলা হবে। টাইট পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তরুণী। এই অভিযোগে তাঁকে গুলি করে হত্যা করল তালিবানরা ()। আফগানিস্তানের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা দেশে। জানা গিয়েছে, বলক এলাকায় ২১ বছর বয়সী এক তরুণী আঁটোসাঁটো পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কোনও পুরুষ ছিল না। আর কেবলমাত্র এই অপরাধের জন্য প্রাণ গেল তরুণীর। প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে গুলি করে খুন করা হল। ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে মুখপাত্র। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলার পরনে বোরখা ছিল। পুলিশ অফিসার আদিল শাহ জানান, ওই তরুণীর নাম নাজনিন। নিজের বাড়ি সমরকন্দিয়া থেকে বেরিয়ে বলকের মাজার শরিফে যাচ্ছিলেন তিনি। গাড়িতে ছিলেন তিনি। বোরখা থাকলেও তাঁর পোশাক ছিল আঁটোসাঁটো। আর সঙ্গে ছিল না কোনও পুরুষ সঙ্গী। সেই সময়ই তাঁকে গুলি করে তালিবানরা। থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার পর থেকেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। তরুণী ও যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে। সম্প্রতি, দ্য মেইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের দুর্দশার কথা। তালিবানদের বেড়ে চলা অত্যাচারে আতঙ্কিত গোটা আফগানিস্তান। অধিকাংশ গ্রাম্য এলাকার পরিবারের মহিলাদের কাবুলের সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানে অব্যাহত। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xv07Hz
https://ift.tt/3CFAXdg
পরনে টাইট পোশাক, যুবতীকে গুলি করল তালিবানরা

পরনে টাইট পোশাক, যুবতীকে গুলি করল তালিবানরা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নৃশংস বললেও হয়ত কম বলা হবে। টাইট পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তরুণী। এই অভিযোগে তাঁকে গুলি করে হত্যা করল তালিবানরা ()। আফগানিস্তানের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা দেশে। জানা গিয়েছে, বলক এলাকায় ২১ বছর বয়সী এক তরুণী আঁটোসাঁটো পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কোনও পুরুষ ছিল না। আর কেবলমাত্র এই অপরাধের জন্য প্রাণ গেল তরুণীর। প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে গুলি করে খুন করা হল। ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে মুখপাত্র। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলার পরনে বোরখা ছিল। পুলিশ অফিসার আদিল শাহ জানান, ওই তরুণীর নাম নাজনিন। নিজের বাড়ি সমরকন্দিয়া থেকে বেরিয়ে বলকের মাজার শরিফে যাচ্ছিলেন তিনি। গাড়িতে ছিলেন তিনি। বোরখা থাকলেও তাঁর পোশাক ছিল আঁটোসাঁটো। আর সঙ্গে ছিল না কোনও পুরুষ সঙ্গী। সেই সময়ই তাঁকে গুলি করে তালিবানরা। থেকে আমেরিকা সেনা ফেরত নেওয়ার পর থেকেই পুনরায় তালিবানি দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। তরুণী ও যুবতীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে চলেছে আফগানিস্তানে। মেয়েদের অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের ঘটনা আখছাড় ঘটছে। সম্প্রতি, দ্য মেইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের দুর্দশার কথা। তালিবানদের বেড়ে চলা অত্যাচারে আতঙ্কিত গোটা আফগানিস্তান। অধিকাংশ গ্রাম্য এলাকার পরিবারের মহিলাদের কাবুলের সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানে অব্যাহত। গত শুক্রবারই তালিবানিদের হাতে নিহত হন আফগান সরকারের মিডিয়া বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাওয়া খান মিনাপাল। আগেই তালিবানিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাঁদের উপর হওয়া বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিকদের উপরেই হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। দাওয়া খান মিনাপাল ছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে খুন করা হয় বলে জানানো হয়েছে।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3xv07Hz
https://ift.tt/3CFAXdg