Top Ad

middle ad
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: স্বস্তি দিয়ে দেশে ফের কমল সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৯৯ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ১৮৮। দেশে সুস্থতার হার ৯৭.৪০ শতাংশ। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে দুটি ডোজে দুটি পৃথক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে কার্যকারিতা বেশি বলে জানিয়েছে ICMR। জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণে কার্যকারিতা অনেকটাই বেশি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে ভুলবশত ভাবে কয়েকজনের শরীরে দু'টি ডোজে দু'টি পৃথক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণের ফলে তাঁদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যায় । ICMR-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভারতের হাতে আসছে আরও এক টিকা। দেশে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র পেল জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ১৯ ভ্যাকসিন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী টুইট করে এ খবর জানান। তিনি জানিয়েছেন, নতুন ভ্যাকসিন পাওয়ায় ভারতের হাতে এখন পাঁচটি EUA ভ্য়াকসিন রয়েছে। নতুন ভ্যাকসিন আসায় দেশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হবে। পশ্চিমবঙ্গেও কমছে করোনার প্রকোপ। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনে বাংলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫ জন। করোনায় রবিবার মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ২২৯। একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬৩ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৮.১৩ শতাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3izjnQ9
https://ift.tt/3jyUrrf
স্বস্তি! দেশে কমল করোনা সংক্রমণ

স্বস্তি! দেশে কমল করোনা সংক্রমণ

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: স্বস্তি দিয়ে দেশে ফের কমল সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৯৯ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ১৮৮। দেশে সুস্থতার হার ৯৭.৪০ শতাংশ। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে দুটি ডোজে দুটি পৃথক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে কার্যকারিতা বেশি বলে জানিয়েছে ICMR। জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণে কার্যকারিতা অনেকটাই বেশি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে ভুলবশত ভাবে কয়েকজনের শরীরে দু'টি ডোজে দু'টি পৃথক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের মিশ্রণের ফলে তাঁদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যায় । ICMR-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের দেহে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভারতের হাতে আসছে আরও এক টিকা। দেশে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র পেল জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ১৯ ভ্যাকসিন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী টুইট করে এ খবর জানান। তিনি জানিয়েছেন, নতুন ভ্যাকসিন পাওয়ায় ভারতের হাতে এখন পাঁচটি EUA ভ্য়াকসিন রয়েছে। নতুন ভ্যাকসিন আসায় দেশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হবে। পশ্চিমবঙ্গেও কমছে করোনার প্রকোপ। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনে বাংলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫ জন। করোনায় রবিবার মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ২২৯। একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬৩ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৮.১৩ শতাংশ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3izjnQ9
https://ift.tt/3jyUrrf
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাস রচনা করেছেন তিনি। অলিম্পিকে (Tokyo Olympic) দেশের সোনার খরা কাটিয়েছেন। গর্বিত করেছেন দেশের প্রতিটা মানুষকে। ২৩ বছরের () যেন এখনও ছেলেমানুষ। নিজের এই কৃতিত্বে শিশুদের মতোই উচ্ছ্বসিত তিনি। আর তাইতো নিজের সোনার মেডেলটা বালিশের পাশে রেখে ঘুমিয়েছেন বর্শাবিদ। জয়ের পর টোকিয়োতে কেমনভাবে কাটল নীরজের প্রথম দিনটা? পিচ রঙের টি-শার্ট আর নীল ট্রাক প্যান্ট পরে অলিম্পিক ভিলেজে হাসি মুখে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় নীরজকে। ভারতের বাকি মেডেল প্রাপকদের সঙ্গে দিনটা কেক কেটে পালন করলেন নীরজ। ছিলেন সকলের কোচেরাও। কিন্তু, জীবনের এতবড় দিনের আগের রাতে কি ঘুম এসেছিল নীরজের? তাঁর কথায়, 'অল্প ঘুমিয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম একটু বেশি ঘুমোতে। যাতে ভালোভাবে খেলতে পারি। কিন্তু, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ ঘুম ভেঙে যায়। হালকা ব্রেকফাস্ট খেয়েছিলাম।' তিনি আরও বলেন, 'এখনও আমি পুরো বিষয়টা থেকে বেরতে পারিনি। বিশ্বাসই হচ্ছে না। এখনও হয়ত বেশ কিছুটা সময় লাগবে। দেশে পৌঁছলে হয়ত পুরোপুরি বুঝতে পারব।' মেডেল হাতে পেয়ে কী অনুভূতি হয়েছিল নীরজের? বর্শাবিদের কথায়, 'মেডেলটা নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলাম। মেডেলটি রাখার জন্য একটি বাক্স দেওয়া হয়। যদিও আমি সেটা এখনও হাতে পাইনি। আমার বালিশের পাশে রেখেই ঘুমিয়েছি।' কী ভাবে নিজের খারাপ সময় কাটিয়ে উঠেছিলেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী ? ২০১৯ সালের ২ মে মুম্বইতে কনুইয়ের অপারেশন হয় নীরজের। তার পাঁচমাস পর অ্যাথলিট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া ঘোষণা করে, ৫৯ তম ন্যাশনাল ওপেন অ্যাথলিট চ্যাম্পিয়নশিপে নামবে নীরজ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন তিনি। এরপর নিজেকে ফিট করে তুলতে কোচ ক্লস বার্তোনেইৎকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দেন। অপারেশনের পর ১৬ মাস রিহ্যাবে ছিলেন নীরজ। সেই সময়টা সবথেকে কঠিন ছিল তাঁর জীবনে। তিনি জানিয়েছেন, এই সময়টা সবথেকে কঠিন। নিজেকে অনুপ্রাণিত করতে না পারলে ফেরা মুশকিল। এই সময় তাঁকে সাহায্য করেছে শিব খেরার বই। তাঁর লেখা ‘জিত আপকী’ বই পড়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি। টোকিয়ো অলিম্পিক্সটা যেন ভারতের জন্য ইতিহাস লেখার মঞ্চ। ভারতীয় পুরুষ হকি দলের ৪১ বছর পর অলিম্পিক্স পদক জয়, মহিলা হকি দলের প্রথমবার সেমিফাইনালে প্রবেশ, গলফে তাক লাগানো ফল অদিতি অশোকের, প্রথমবারেই পদক রবি দাহিয়া ও লভলিনার। একের পর এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এইবারের অলিম্পিকে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি পদক পেল ভারত। সাতটা। যা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা। আগামীতে আরও নীরজের আশায় এখন থেকেই বুক বাঁধছে দেশ।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lOXw9d
https://ift.tt/3jE9lfI
মেডেলটা বালিশের পাশে রেখে ঘুমিয়েছি: নীরজ

মেডেলটা বালিশের পাশে রেখে ঘুমিয়েছি: নীরজ

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাস রচনা করেছেন তিনি। অলিম্পিকে (Tokyo Olympic) দেশের সোনার খরা কাটিয়েছেন। গর্বিত করেছেন দেশের প্রতিটা মানুষকে। ২৩ বছরের () যেন এখনও ছেলেমানুষ। নিজের এই কৃতিত্বে শিশুদের মতোই উচ্ছ্বসিত তিনি। আর তাইতো নিজের সোনার মেডেলটা বালিশের পাশে রেখে ঘুমিয়েছেন বর্শাবিদ। জয়ের পর টোকিয়োতে কেমনভাবে কাটল নীরজের প্রথম দিনটা? পিচ রঙের টি-শার্ট আর নীল ট্রাক প্যান্ট পরে অলিম্পিক ভিলেজে হাসি মুখে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় নীরজকে। ভারতের বাকি মেডেল প্রাপকদের সঙ্গে দিনটা কেক কেটে পালন করলেন নীরজ। ছিলেন সকলের কোচেরাও। কিন্তু, জীবনের এতবড় দিনের আগের রাতে কি ঘুম এসেছিল নীরজের? তাঁর কথায়, 'অল্প ঘুমিয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম একটু বেশি ঘুমোতে। যাতে ভালোভাবে খেলতে পারি। কিন্তু, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ ঘুম ভেঙে যায়। হালকা ব্রেকফাস্ট খেয়েছিলাম।' তিনি আরও বলেন, 'এখনও আমি পুরো বিষয়টা থেকে বেরতে পারিনি। বিশ্বাসই হচ্ছে না। এখনও হয়ত বেশ কিছুটা সময় লাগবে। দেশে পৌঁছলে হয়ত পুরোপুরি বুঝতে পারব।' মেডেল হাতে পেয়ে কী অনুভূতি হয়েছিল নীরজের? বর্শাবিদের কথায়, 'মেডেলটা নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলাম। মেডেলটি রাখার জন্য একটি বাক্স দেওয়া হয়। যদিও আমি সেটা এখনও হাতে পাইনি। আমার বালিশের পাশে রেখেই ঘুমিয়েছি।' কী ভাবে নিজের খারাপ সময় কাটিয়ে উঠেছিলেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী ? ২০১৯ সালের ২ মে মুম্বইতে কনুইয়ের অপারেশন হয় নীরজের। তার পাঁচমাস পর অ্যাথলিট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া ঘোষণা করে, ৫৯ তম ন্যাশনাল ওপেন অ্যাথলিট চ্যাম্পিয়নশিপে নামবে নীরজ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন তিনি। এরপর নিজেকে ফিট করে তুলতে কোচ ক্লস বার্তোনেইৎকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দেন। অপারেশনের পর ১৬ মাস রিহ্যাবে ছিলেন নীরজ। সেই সময়টা সবথেকে কঠিন ছিল তাঁর জীবনে। তিনি জানিয়েছেন, এই সময়টা সবথেকে কঠিন। নিজেকে অনুপ্রাণিত করতে না পারলে ফেরা মুশকিল। এই সময় তাঁকে সাহায্য করেছে শিব খেরার বই। তাঁর লেখা ‘জিত আপকী’ বই পড়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি। টোকিয়ো অলিম্পিক্সটা যেন ভারতের জন্য ইতিহাস লেখার মঞ্চ। ভারতীয় পুরুষ হকি দলের ৪১ বছর পর অলিম্পিক্স পদক জয়, মহিলা হকি দলের প্রথমবার সেমিফাইনালে প্রবেশ, গলফে তাক লাগানো ফল অদিতি অশোকের, প্রথমবারেই পদক রবি দাহিয়া ও লভলিনার। একের পর এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এইবারের অলিম্পিকে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি পদক পেল ভারত। সাতটা। যা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা। আগামীতে আরও নীরজের আশায় এখন থেকেই বুক বাঁধছে দেশ।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lOXw9d
https://ift.tt/3jE9lfI
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস গড়েছে ভারতীয় মহিলা হকি দল। এই প্রথম অলিম্পিকে মহিলা হকি দল সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। তবে এবার মহিলা হকি দলের খেলায় নজর কেড়েছে তাঁদের ফিটনেস। কারণ বেশিরভাগ ম্যাচ তাঁদের খেলতে হয়েছে গরমে। এইধরনের আবহাওয়ায় পুরো সময়টা একই ফর্মে খেলে যাওয়াটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ যেকোনও ক্রীড়াবিদের কাছে। অলিম্পিকে প্রথম তিনটে ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর তাঁদের কামব্যাক ফিটনেসের প্রমাণ দিয়েছে। এর রহস্য কী? দলের অধিনায়ক জানালেন, এর পিছনে আছে আচার। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। বেশিরভাগ মানুষের খাবার পর আচার খাওয়ার অভ্যাস। এই আচার যে ফিটনেস ধরে রাখতে বা চোট আঘাত না পেতে সাহায্য করে তা অনেকেরই জানা ছিল না। ভারতীয় মহিলা হকি দলের সাফল্যের পর যা সামনে এল। দলের কন্ডিশনিং কোচ ওয়েন লোমবার্ড দলকে এই পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, 'কোনও রিকভারি একটি বহুমুখী পদ্ধতি। যেখানে নজরে রাখতে হয় একাধিক বিষয়: প্রথমে তোমাকে ফিট থাকতে হবে খেলার জন্য। যদি তুমি যথেষ্ট ফিট থাকো তাহলে রিকভারি প্রক্রিয়াটা সোজা হবে'। তিনি বলেন, 'দলকে ফিট রাখতে আমরা বরফে স্নান ও কুল ডাউন করেছি। অন্য বিষয় হয় পর্যাপ্ত সাপ্লিমেন্টস খাওয়া। আমরা পেশিতে টান কাটানোর জন্য আচার খেতে বলেছিলাম। কারণ পেশি থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয়। কয়েকটা গবেষণায় বলেছে যে আচার মেমব্রেনকে (গলার পিছনে থাকে) ঠিকঠাক কাজ করতে সাহায্য করে যার ফলে পেশি থেকে নির্গত সিগন্যাল মস্তিস্কে যায়। আমরা আচার খেতাম যাতে পেশিতে টান না আসে। এবং এটা কাজ করেছে।' মহিলা হকি দলের সদস্যরা প্রাতরাশের পরে আচার খেত। পরপর ম্যাচ থাকায় তাঁদের কাছে রিকভারি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মোট দুভাবে এটা খাওয়া যায়, জলে গুলে গার্গল করে অথবা চিবিয়ে। তবে এই আচারে কোনও মশলা বা বাহারি কিছু থাকবে না। একদম সোজামাটা আচার হতে হবে। লোমবার্ড বলেন, 'আচারের ফলটা পেয়েছিলাম দলের মেয়েদের ইয়ো ইয়ো টেস্টের সময়। প্রথম টেস্টের ফল ছিল ১৬-১৭। এখন সেটা ১৯-২১। কিন্তু মেয়েরা এখন এতটাই ফিট যে ফল ২০-২১ হতে পারে। ছেলেদের ক্ষেত্রে যেটা ২৩।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lFX11j
https://ift.tt/2VA4cNP
আচারেই লুকিয়ে ভারতীয় মহিলা হকি দলের সাফল্য!

আচারেই লুকিয়ে ভারতীয় মহিলা হকি দলের সাফল্য!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস গড়েছে ভারতীয় মহিলা হকি দল। এই প্রথম অলিম্পিকে মহিলা হকি দল সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। তবে এবার মহিলা হকি দলের খেলায় নজর কেড়েছে তাঁদের ফিটনেস। কারণ বেশিরভাগ ম্যাচ তাঁদের খেলতে হয়েছে গরমে। এইধরনের আবহাওয়ায় পুরো সময়টা একই ফর্মে খেলে যাওয়াটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ যেকোনও ক্রীড়াবিদের কাছে। অলিম্পিকে প্রথম তিনটে ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর তাঁদের কামব্যাক ফিটনেসের প্রমাণ দিয়েছে। এর রহস্য কী? দলের অধিনায়ক জানালেন, এর পিছনে আছে আচার। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। বেশিরভাগ মানুষের খাবার পর আচার খাওয়ার অভ্যাস। এই আচার যে ফিটনেস ধরে রাখতে বা চোট আঘাত না পেতে সাহায্য করে তা অনেকেরই জানা ছিল না। ভারতীয় মহিলা হকি দলের সাফল্যের পর যা সামনে এল। দলের কন্ডিশনিং কোচ ওয়েন লোমবার্ড দলকে এই পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, 'কোনও রিকভারি একটি বহুমুখী পদ্ধতি। যেখানে নজরে রাখতে হয় একাধিক বিষয়: প্রথমে তোমাকে ফিট থাকতে হবে খেলার জন্য। যদি তুমি যথেষ্ট ফিট থাকো তাহলে রিকভারি প্রক্রিয়াটা সোজা হবে'। তিনি বলেন, 'দলকে ফিট রাখতে আমরা বরফে স্নান ও কুল ডাউন করেছি। অন্য বিষয় হয় পর্যাপ্ত সাপ্লিমেন্টস খাওয়া। আমরা পেশিতে টান কাটানোর জন্য আচার খেতে বলেছিলাম। কারণ পেশি থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয়। কয়েকটা গবেষণায় বলেছে যে আচার মেমব্রেনকে (গলার পিছনে থাকে) ঠিকঠাক কাজ করতে সাহায্য করে যার ফলে পেশি থেকে নির্গত সিগন্যাল মস্তিস্কে যায়। আমরা আচার খেতাম যাতে পেশিতে টান না আসে। এবং এটা কাজ করেছে।' মহিলা হকি দলের সদস্যরা প্রাতরাশের পরে আচার খেত। পরপর ম্যাচ থাকায় তাঁদের কাছে রিকভারি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মোট দুভাবে এটা খাওয়া যায়, জলে গুলে গার্গল করে অথবা চিবিয়ে। তবে এই আচারে কোনও মশলা বা বাহারি কিছু থাকবে না। একদম সোজামাটা আচার হতে হবে। লোমবার্ড বলেন, 'আচারের ফলটা পেয়েছিলাম দলের মেয়েদের ইয়ো ইয়ো টেস্টের সময়। প্রথম টেস্টের ফল ছিল ১৬-১৭। এখন সেটা ১৯-২১। কিন্তু মেয়েরা এখন এতটাই ফিট যে ফল ২০-২১ হতে পারে। ছেলেদের ক্ষেত্রে যেটা ২৩।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lFX11j
https://ift.tt/2VA4cNP
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ড ব্যাটিং লাইন আপকে ধরাশায়ী করে দিয়েছে ভারতীয় বোলাররা। ইংরেজ অধিনায়ক জো রুটকে ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি ভারতের পেস ব্যাটারির সামনে। তাঁর ১০৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৩০৩ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচ জিততে ভারতের সামনে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয় ২০৯ রানের। ইংল্যান্ডকে ধরাশায়ী করার পিছনে ভারতের বোলিং লাইন আপের প্রশংসা করলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ইনজামাম উল হক। মাঠে ভারত-পাকিস্তান শত্রু হলেও জসপ্রীত বুমরাহ ও বাকি ফাস্ট বোলারদের খেলার প্রশংসা করলেন তিনি। একটি ইউটিউবে চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে ইনজামাম বলেন, 'প্রথম দিনে ওরা ওদের ফাস্ট বোলিংয়ের মাধ্যমে ভারতীয় দল সিরিজের সুর বেঁধে দেয়। ওরা প্রথমেই ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। উপমহাদেশীয় বোলারদের কাছে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্টে এই বল করাটা সবসময় কঠিন। ভারতের বোলাররা ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের মনোবল ভেঙে দেয়।' তিনি আরও বলেন, 'বুমরাহ প্রথম ইনিংসে চারটে উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। জো রুট হাফ সেঞ্চুরি করলেও বুমরাহ ওকে কখনও স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি। মহম্মদ শামি ও সিরাজও দুর্দান্ত। আমি ভারতের এরকম বোলিং লাইনআপ আগে দেখিনি।' আগে বলা হত পাকিস্তান ফাস্ট বোলারদের আতুঁড় ঘর। কিন্তু এখন সেই ধারণা পাল্টেছে। ভারতের স্পিনিং ট্র্যাকেও যে ফাস্ট বোলাররা সোনা ফলাতে পারে তার প্রমাণ দিয়েছে বুমরাহ, শামিরা। সেই দাবিকেই মান্যতা দিলেন পাকিস্তানের এই কিংবদন্তী। বললেন, 'ভারতীয় দল খুব ভালো ফাস্ট বোলার তৈরি করেছে অতীতে। কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় পেসারদের মধ্যে সেই জেদটা আছে।' এই টেস্টে যে ভারতের দিকে পাল্লা ভারী তা বুঝিয়ে দিলেন ইনজি। যদিও টেস্ট শুরু আগে ভারতেই ফেভারিট বলেছিলেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিনি বলেছিলেন ভারত ৩-১ এ সিরিজ জিতবে। প্রথম ইনিংসে চারটে উইকেট পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচটি উইকেট তুলে নেন বুমরাহ। যেখানে মহম্মদ সিরাজ ও শার্দুল ঠাকুর দুটো করে উইকেট নেন।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3jyXcc6
https://ift.tt/3jAGSaD
'ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে', ভারতীয় বোলারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক

'ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে', ভারতীয় বোলারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ড ব্যাটিং লাইন আপকে ধরাশায়ী করে দিয়েছে ভারতীয় বোলাররা। ইংরেজ অধিনায়ক জো রুটকে ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি ভারতের পেস ব্যাটারির সামনে। তাঁর ১০৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৩০৩ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচ জিততে ভারতের সামনে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয় ২০৯ রানের। ইংল্যান্ডকে ধরাশায়ী করার পিছনে ভারতের বোলিং লাইন আপের প্রশংসা করলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ইনজামাম উল হক। মাঠে ভারত-পাকিস্তান শত্রু হলেও জসপ্রীত বুমরাহ ও বাকি ফাস্ট বোলারদের খেলার প্রশংসা করলেন তিনি। একটি ইউটিউবে চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে ইনজামাম বলেন, 'প্রথম দিনে ওরা ওদের ফাস্ট বোলিংয়ের মাধ্যমে ভারতীয় দল সিরিজের সুর বেঁধে দেয়। ওরা প্রথমেই ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। উপমহাদেশীয় বোলারদের কাছে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্টে এই বল করাটা সবসময় কঠিন। ভারতের বোলাররা ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের মনোবল ভেঙে দেয়।' তিনি আরও বলেন, 'বুমরাহ প্রথম ইনিংসে চারটে উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। জো রুট হাফ সেঞ্চুরি করলেও বুমরাহ ওকে কখনও স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি। মহম্মদ শামি ও সিরাজও দুর্দান্ত। আমি ভারতের এরকম বোলিং লাইনআপ আগে দেখিনি।' আগে বলা হত পাকিস্তান ফাস্ট বোলারদের আতুঁড় ঘর। কিন্তু এখন সেই ধারণা পাল্টেছে। ভারতের স্পিনিং ট্র্যাকেও যে ফাস্ট বোলাররা সোনা ফলাতে পারে তার প্রমাণ দিয়েছে বুমরাহ, শামিরা। সেই দাবিকেই মান্যতা দিলেন পাকিস্তানের এই কিংবদন্তী। বললেন, 'ভারতীয় দল খুব ভালো ফাস্ট বোলার তৈরি করেছে অতীতে। কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় পেসারদের মধ্যে সেই জেদটা আছে।' এই টেস্টে যে ভারতের দিকে পাল্লা ভারী তা বুঝিয়ে দিলেন ইনজি। যদিও টেস্ট শুরু আগে ভারতেই ফেভারিট বলেছিলেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিনি বলেছিলেন ভারত ৩-১ এ সিরিজ জিতবে। প্রথম ইনিংসে চারটে উইকেট পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচটি উইকেট তুলে নেন বুমরাহ। যেখানে মহম্মদ সিরাজ ও শার্দুল ঠাকুর দুটো করে উইকেট নেন।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3jyXcc6
https://ift.tt/3jAGSaD
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হল বেনেট ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুরো অনুষ্ঠানটিই আয়োজিত হল ভার্চুয়াল মোডে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ()। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দ্যেশ্যে আচার্য বিনীত জৈন বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম করো। বড় স্বপ্ন দেখো। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না। ব্যর্থতায় ভেঙে পড়ো না। বরং আত্ম সমালোচনা করো। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাও।’ পাশাপাশি নতুন গ্র্যাজুয়েট হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দনও জানান তিনি। এটাই যে পেশাদারিত্বের শুরু তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সকল পড়ুয়ার সাফল্য কামনা করেছেন বিনীত জৈন। উপাচার্য ড. প্রভু আগরওয়াল এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানুয়াল রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং নিজের চিন্তা ও কাজ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। প্রায় ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানোর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শিক্ষার আঙিনায় বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। এদিন 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lK0j3q
https://ift.tt/3Atw8lr
'বড় স্বপ্ন দেখ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না', সমাবর্তনে পড়ুয়াদের পরামর্শ বিনীত জৈনের

'বড় স্বপ্ন দেখ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না', সমাবর্তনে পড়ুয়াদের পরামর্শ বিনীত জৈনের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হল বেনেট ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুরো অনুষ্ঠানটিই আয়োজিত হল ভার্চুয়াল মোডে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ()। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দ্যেশ্যে আচার্য বিনীত জৈন বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম করো। বড় স্বপ্ন দেখো। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পেও না। ব্যর্থতায় ভেঙে পড়ো না। বরং আত্ম সমালোচনা করো। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাও।’ পাশাপাশি নতুন গ্র্যাজুয়েট হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দনও জানান তিনি। এটাই যে পেশাদারিত্বের শুরু তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সকল পড়ুয়ার সাফল্য কামনা করেছেন বিনীত জৈন। উপাচার্য ড. প্রভু আগরওয়াল এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানুয়াল রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং নিজের চিন্তা ও কাজ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। প্রায় ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানোর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শিক্ষার আঙিনায় বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। এদিন 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lK0j3q
https://ift.tt/3Atw8lr
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খুব কম সময়ের মধ্যেই নিজেকে একটি বিশেষ স্থানে নিয়ে গিয়েছে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে দেশের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় তিনি যে খুশি, তাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ৯৮ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৫৫ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান দেখেও আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে ১৮টি পেটেন্ট দায়ের করেছে, এই নিয়েও প্রশংসা করেছেন তিনি। সমাবর্তন অনুষ্ঠান রাখেন বক্তব্য রাখেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ। এদিন তিনি 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চমানের শিক্ষা প্রদানে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণনও 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, নিজের ক্যারিয়ারে তিনি 4C-এর গুরুত্ব সম্পর্কে শিখেছেন। এটির প্রথমটি হল Character। অন্যতম কঠিন পরিস্থিতিতে এই চরিত্রই শক্তি হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়টি হল Competence বা কর্মদক্ষতা। তৃতীয়টি হল Credibility অর্থাৎ বিশ্বাসযোগ্যতা ও চতুর্থটি হল Compassion বা সহানুভূতি। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ এবং নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন, NASSCOM-এর প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষও।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lJXShi
https://ift.tt/3fJchqk
BU Convocation 2021: বেনেট ইউনিভার্সিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ধর্মেন্দ্র প্রধান, কিরণ মজুমদার, দেবযানী ঘোষরা

BU Convocation 2021: বেনেট ইউনিভার্সিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ধর্মেন্দ্র প্রধান, কিরণ মজুমদার, দেবযানী ঘোষরা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খুব কম সময়ের মধ্যেই নিজেকে একটি বিশেষ স্থানে নিয়ে গিয়েছে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে দেশের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় তিনি যে খুশি, তাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ৯৮ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৫৫ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান দেখেও আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে ১৮টি পেটেন্ট দায়ের করেছে, এই নিয়েও প্রশংসা করেছেন তিনি। সমাবর্তন অনুষ্ঠান রাখেন বক্তব্য রাখেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ। এদিন তিনি 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চমানের শিক্ষা প্রদানে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণনও 'গেস্ট অফ অনার' হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, নিজের ক্যারিয়ারে তিনি 4C-এর গুরুত্ব সম্পর্কে শিখেছেন। এটির প্রথমটি হল Character। অন্যতম কঠিন পরিস্থিতিতে এই চরিত্রই শক্তি হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়টি হল Competence বা কর্মদক্ষতা। তৃতীয়টি হল Credibility অর্থাৎ বিশ্বাসযোগ্যতা ও চতুর্থটি হল Compassion বা সহানুভূতি। রবিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন ড. কিরণ মজুমদার শ এবং নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও এমডি সুরেশ নারায়ণন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন, NASSCOM-এর প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষও।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lJXShi
https://ift.tt/3fJchqk
এই সময়: পাঁচ বছরের যাত্রাপথ। ২০০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ২০১৬ থেকে পথচলা শুরু টাইমস গ্রুপের বেনেট ইউনিভার্সিটির। এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠান। রবিবার সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই হয়ে গেল মহা সমারোহে। তবে করোনা কালের কথা মাথায় রেখে সমাবর্তনের পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ভার্চুয়াল মোডে। কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। অতিমারীর সময়ে পড়াশোনা ও কেরিয়ার নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দিল তৃতীয় সমাবর্তনের নানা ভাষণ। রবিবার এই সমাবর্তনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা, স্কিল ডেভলপমেন্ট ও এন্টারপ্রিনিয়রশিপ মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের বক্তব্যে বারবারই এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি অতিথিরা প্রত্যেকেই আগামীদিনে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে এগিয়ে যাবে তার দিক নির্দেশও করে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একেবারেই শুরুতেই আচার্য শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অভিভাবক, গবেষক, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের। ৪০০-র বেশি পড়ুয়া এ দিন ডিগ্রি পেয়েছেন। পড়ুয়াদের মঙ্গলকামনা করে তাঁদের উদ্দেশে বিনীত জৈনের পরামর্শ , ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম কর। বড় স্বপ্ন দেখ।’ প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মুখেও এগিয়ে চলার বার্তা। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় জাতীয় শিক্ষা নীতি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পড়ুয়ামুখী করে তুলেছে। গত এক বছরে এই শিক্ষানীতি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেনেট ইউনিভার্সিটির তরফে একাধিক ওয়েবিনার ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রভু কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস, আইন, টাইমস স্কুল অফ মিডিয়া ও ম্যানেজমেন্ট এবং লিবারাল আর্টস। ২০টির বেশি ডিগ্রি প্রোগ্রাম রয়েছে। ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে শিক্ষাদানে ব্রতী। ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন করনেল ইউনিভার্সিটি, জর্জিয়া টেক, ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়, এগজেটার ইউনিভার্সিটির মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান গাঁটছড়া বেধেছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকরা গত পাঁচ বছরে ৫০০-র বেশি প্রকাশনা করেছেন। কাজ করেছেন প্রায় আট কোটি টাকার উপরে প্রজেক্টে। চলতি শিক্ষাবর্ষেই শুধু ১৪৫টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে নানা জার্নালে। এখনও পর্যন্ত ১৮টি পেটেন্ট রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে। ৩০টির বেশি আউটরিচ প্রজেক্ট যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা, পরিচালিত হচ্ছে বেনেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের নেতৃত্বে। এছাড়া ১৯ হাজারের বেশি বই, ১.৯৭ লক্ষ ই-বুক, ২৭০০-র বেশি জার্নাল-সহ অন্যান্য পরিষেবা তো আছেই। উপাচার্যের সংযোজন, ‘এই অতিমারীর মধ্যেও ৯০ শতাংশের বেশি পড়ুয়ার হাতে চাকরি তুলে দেওয়া গিয়েছে। যাঁদের গড় আয় আট লক্ষ বা তার বেশি।’ পাশাপাশি ইনোভেশন, এন্টারপ্রিনিয়র সেলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের নিজস্ব কেরিয়ারের বিকাশ তো আছেই। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। ম্যানেজমেন্টের জগতে কৃতিত্বের জন্য সাম্মানিক এই ডিগ্রি দেওয়া হয় নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুরেশ নারায়ণনকে। পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে কিরণ বলেন, ‘তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’ সুরেশের কথায়, ‘মাথায় রাখবে শিক্ষকদের জন্যই তোমাদের আইডিয়া আজকে ইন্টেলিজেন্সে পরিণত হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভাষণ রাখেন ন্যাসকমের বর্তমান ও প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষ। পড়ুয়াদের জন্য তাঁর টিপস, ‘এই অতিমারী সমস্ত শিল্প ক্ষেত্রকে বদলে দিয়েছে। ভেঙে দিয়েছে যাবতীয় স্টিরিওটাইপ। তাই তোমাদেরও কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে নতুনকে আপন করে নিতে হবে।’ সেরা পড়ুয়াদের ডিগ্রি প্রদান ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CqISuJ
https://ift.tt/3fJaJMO
মহা সমারোহে পালিত 'বেনেট ইউনিভার্সিটি'-র তৃতীয় সমাবর্তন

মহা সমারোহে পালিত 'বেনেট ইউনিভার্সিটি'-র তৃতীয় সমাবর্তন

এই সময়: পাঁচ বছরের যাত্রাপথ। ২০০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ২০১৬ থেকে পথচলা শুরু টাইমস গ্রুপের বেনেট ইউনিভার্সিটির। এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠান। রবিবার সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই হয়ে গেল মহা সমারোহে। তবে করোনা কালের কথা মাথায় রেখে সমাবর্তনের পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ভার্চুয়াল মোডে। কয়েক হাজার দর্শক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। অতিমারীর সময়ে পড়াশোনা ও কেরিয়ার নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দিল তৃতীয় সমাবর্তনের নানা ভাষণ। রবিবার এই সমাবর্তনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বিনীত জৈন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা, স্কিল ডেভলপমেন্ট ও এন্টারপ্রিনিয়রশিপ মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের বক্তব্যে বারবারই এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি অতিথিরা প্রত্যেকেই আগামীদিনে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে এগিয়ে যাবে তার দিক নির্দেশও করে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একেবারেই শুরুতেই আচার্য শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অভিভাবক, গবেষক, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের। ৪০০-র বেশি পড়ুয়া এ দিন ডিগ্রি পেয়েছেন। পড়ুয়াদের মঙ্গলকামনা করে তাঁদের উদ্দেশে বিনীত জৈনের পরামর্শ , ‘ছাত্রছাত্রীরা মাথায় রেখো পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না। তাই পরিশ্রম কর। বড় স্বপ্ন দেখ।’ প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মুখেও এগিয়ে চলার বার্তা। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় জাতীয় শিক্ষা নীতি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পড়ুয়ামুখী করে তুলেছে। গত এক বছরে এই শিক্ষানীতি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেনেট ইউনিভার্সিটির তরফে একাধিক ওয়েবিনার ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রভু কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চারটি ভিন্ন ধারার স্কুল রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস, আইন, টাইমস স্কুল অফ মিডিয়া ও ম্যানেজমেন্ট এবং লিবারাল আর্টস। ২০টির বেশি ডিগ্রি প্রোগ্রাম রয়েছে। ১৫০-র বেশি অধ্যাপক তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে শিক্ষাদানে ব্রতী। ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন করনেল ইউনিভার্সিটি, জর্জিয়া টেক, ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়, এগজেটার ইউনিভার্সিটির মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান গাঁটছড়া বেধেছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকরা গত পাঁচ বছরে ৫০০-র বেশি প্রকাশনা করেছেন। কাজ করেছেন প্রায় আট কোটি টাকার উপরে প্রজেক্টে। চলতি শিক্ষাবর্ষেই শুধু ১৪৫টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে নানা জার্নালে। এখনও পর্যন্ত ১৮টি পেটেন্ট রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে। ৩০টির বেশি আউটরিচ প্রজেক্ট যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা, পরিচালিত হচ্ছে বেনেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের নেতৃত্বে। এছাড়া ১৯ হাজারের বেশি বই, ১.৯৭ লক্ষ ই-বুক, ২৭০০-র বেশি জার্নাল-সহ অন্যান্য পরিষেবা তো আছেই। উপাচার্যের সংযোজন, ‘এই অতিমারীর মধ্যেও ৯০ শতাংশের বেশি পড়ুয়ার হাতে চাকরি তুলে দেওয়া গিয়েছে। যাঁদের গড় আয় আট লক্ষ বা তার বেশি।’ পাশাপাশি ইনোভেশন, এন্টারপ্রিনিয়র সেলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের নিজস্ব কেরিয়ারের বিকাশ তো আছেই। এ দিনের অনুষ্ঠানে বায়ো টেকনজিতে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাম্মানিক ডক্টর অফ ফিলোজফি ডিগ্রি দেওয়া হয় বায়ো-কনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার শ-কে। ম্যানেজমেন্টের জগতে কৃতিত্বের জন্য সাম্মানিক এই ডিগ্রি দেওয়া হয় নেসলে ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুরেশ নারায়ণনকে। পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে কিরণ বলেন, ‘তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’ সুরেশের কথায়, ‘মাথায় রাখবে শিক্ষকদের জন্যই তোমাদের আইডিয়া আজকে ইন্টেলিজেন্সে পরিণত হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভাষণ রাখেন ন্যাসকমের বর্তমান ও প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষ। পড়ুয়াদের জন্য তাঁর টিপস, ‘এই অতিমারী সমস্ত শিল্প ক্ষেত্রকে বদলে দিয়েছে। ভেঙে দিয়েছে যাবতীয় স্টিরিওটাইপ। তাই তোমাদেরও কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে নতুনকে আপন করে নিতে হবে।’ সেরা পড়ুয়াদের ডিগ্রি প্রদান ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CqISuJ
https://ift.tt/3fJaJMO
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : একটুর জন্য অ্যাথলিটে পদক হাতছাড়া হয়েছিল মিলখা সিংয়ের। তারপর পিটি ঊষা, অঞ্জু ববি জর্জ। পদকের দোরগোড়ায় গিয়ে পদক হারানোর তালিকাটা দীর্ঘ। গতকাল সেই তালিকায় ইতি টানেন নীরজ চোপড়া। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে দেশের হয়ে অ্যাথলিটে প্রথম সোনা জিতেছেন। তা উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত কিংবদন্তী মিলখা সিংকে। ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিক্সে ৪০০ মিটার ফাইনালে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিলেন মিলখা সিং। তার ৬১ বছর পর অ্যাথলিটে পদক জিতল ভারত। জীবিত থাকাকালীন পদক দেখে যেতে পারেননি তিনি। স্বর্গ থেকে দেখলেন নীরজের পদক জয়। যা দেখার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিলখা সিংয়ের পুত্র জিব মিলখা সিং। তিনি টুইটে বলেন, 'কী দারুণ শো ছিল। বাবা এটা দেখার জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছিলেন। ওঁনার স্বপ্ন সত্যি হল ভারতের প্রথম অ্যাথলিটে সোনার মাধ্যমে। আমি টুইট করার সময় কাঁদছি। আমি নিশ্চিত বাবাও স্বর্গ থেকে কাঁদছেন। ধন্যবাদ এটার জন্য।' চলতি বছর জুন মানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন উড়ন্ত শিখ মিলখা সিং। তাঁর মৃত্যুর বছরেই তাঁর স্বপ্নপূরণ করলেন নীরজ। মিলখা সিংকে পদক উৎসর্গ করার সময় নীরজ বলেন, 'মিলখা সিং স্টেডিয়ামে জাতীয় সঙ্গীত শুনতে চাইতেন। উনি আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু ওঁনার স্বপ্ন পূরণ হল।' পদক উৎসর্গ করায় নীরজকে ধন্যবাদ জানান জিব। তিনি বলেন, 'তুমি প্রথমবার অ্যাথলিটে সোনার জেতার পর আমার বাবাকে তা উৎসর্গ করলে। মিলখা পরিবার তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।' গতকাল জ্যাভলিন থ্রোতে ৮৭.৫৮ মিটার দূরে ছোঁড়েন তিনি। তারপর দেশের পতাকা কাঁধে নিয়ে দৌঁড়ন স্টেডিয়ামের এমাথা থেকে ওমাথা। বোঝাতে চাইলেন আমরা পারি। কিংবদন্তীদের অধরা স্বপ্ন পূরণ করে তৃপ্তির হাসি হেসেছেন নীরজ চোপড়া। নীরজ ফাইনালে নামার আগে বলেছিলেন, 'বাবা ওকে স্বর্গ থেকে আশীর্বাদ করছেন। ও সাফল্য পাবে।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3CqbzrH
https://ift.tt/3ivRfNR
'বাবা স্বর্গ থেকে কাঁদছেন', নীরজের জয়ে আবেগপ্রবণ মিলখা পুত্র

'বাবা স্বর্গ থেকে কাঁদছেন', নীরজের জয়ে আবেগপ্রবণ মিলখা পুত্র

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : একটুর জন্য অ্যাথলিটে পদক হাতছাড়া হয়েছিল মিলখা সিংয়ের। তারপর পিটি ঊষা, অঞ্জু ববি জর্জ। পদকের দোরগোড়ায় গিয়ে পদক হারানোর তালিকাটা দীর্ঘ। গতকাল সেই তালিকায় ইতি টানেন নীরজ চোপড়া। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে দেশের হয়ে অ্যাথলিটে প্রথম সোনা জিতেছেন। তা উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত কিংবদন্তী মিলখা সিংকে। ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিক্সে ৪০০ মিটার ফাইনালে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিলেন মিলখা সিং। তার ৬১ বছর পর অ্যাথলিটে পদক জিতল ভারত। জীবিত থাকাকালীন পদক দেখে যেতে পারেননি তিনি। স্বর্গ থেকে দেখলেন নীরজের পদক জয়। যা দেখার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিলখা সিংয়ের পুত্র জিব মিলখা সিং। তিনি টুইটে বলেন, 'কী দারুণ শো ছিল। বাবা এটা দেখার জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছিলেন। ওঁনার স্বপ্ন সত্যি হল ভারতের প্রথম অ্যাথলিটে সোনার মাধ্যমে। আমি টুইট করার সময় কাঁদছি। আমি নিশ্চিত বাবাও স্বর্গ থেকে কাঁদছেন। ধন্যবাদ এটার জন্য।' চলতি বছর জুন মানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন উড়ন্ত শিখ মিলখা সিং। তাঁর মৃত্যুর বছরেই তাঁর স্বপ্নপূরণ করলেন নীরজ। মিলখা সিংকে পদক উৎসর্গ করার সময় নীরজ বলেন, 'মিলখা সিং স্টেডিয়ামে জাতীয় সঙ্গীত শুনতে চাইতেন। উনি আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু ওঁনার স্বপ্ন পূরণ হল।' পদক উৎসর্গ করায় নীরজকে ধন্যবাদ জানান জিব। তিনি বলেন, 'তুমি প্রথমবার অ্যাথলিটে সোনার জেতার পর আমার বাবাকে তা উৎসর্গ করলে। মিলখা পরিবার তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।' গতকাল জ্যাভলিন থ্রোতে ৮৭.৫৮ মিটার দূরে ছোঁড়েন তিনি। তারপর দেশের পতাকা কাঁধে নিয়ে দৌঁড়ন স্টেডিয়ামের এমাথা থেকে ওমাথা। বোঝাতে চাইলেন আমরা পারি। কিংবদন্তীদের অধরা স্বপ্ন পূরণ করে তৃপ্তির হাসি হেসেছেন নীরজ চোপড়া। নীরজ ফাইনালে নামার আগে বলেছিলেন, 'বাবা ওকে স্বর্গ থেকে আশীর্বাদ করছেন। ও সাফল্য পাবে।'


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3CqbzrH
https://ift.tt/3ivRfNR
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের তাঁদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করতে চাইছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ নিনং এরিং। লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ () দাবি করেছেন, তাঁর কাছে নিশ্চিত খবর রয়েছে যে চিন তাঁদের People’s Liberation Army ()-তে অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের নিয়োগ করতে চাইছে। তিব্বতের যুবকদেরও PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই চিন্তার এবং উদ্বেগের। আমি চাইব কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবুক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক’। কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদের দাবি, চিন সীমান্তে অরুণাচল প্রদেশের নিশি, আদি, মিশমি, ইদু জাতির লোকেরা বসবাস করেন। তাদের সঙ্গে চিনের লোহবা জাতির মানুষদের মধ্যে অনেক মিল এবং সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, ‘এই সীমান্তে যারা বাস করেন তাঁদের সঙ্গে চিনের লোহবা সম্প্রদায়ের মানুষের ভাষার মিল আছে। কিন্ত তার মানে এই নয়, যে এই এলাকার মানুষেরা চিনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।’ অরুণাচল প্রদেশের এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘চিন এই সীমান্ত এলাকার বিসাতে বাড়ি এবং গেহলিং ও আনিন-তে রাস্তা নির্মাণ করছে। এতে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে বসবাসকারী মানুষেরা প্রভাবিত হবে। এটা অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ‘আমাদের দেশের সীমান্তকে রক্ষা করতে এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। একই সঙ্গে এই এলাকার যুবকরা যাতে কোনওভাবেই অন্য দেশের বাহিনীতে যোগ না দেয় সেটাও তাদের দেখা উচিত’।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3s1o0oW
https://ift.tt/3CtO7JZ
অরুণাচলের যুবকদের PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে চিন!

অরুণাচলের যুবকদের PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে চিন!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের তাঁদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করতে চাইছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ নিনং এরিং। লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ () দাবি করেছেন, তাঁর কাছে নিশ্চিত খবর রয়েছে যে চিন তাঁদের People’s Liberation Army ()-তে অরুণাচল প্রদেশের যুবকদের নিয়োগ করতে চাইছে। তিব্বতের যুবকদেরও PLA-তে নিয়োগ করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই চিন্তার এবং উদ্বেগের। আমি চাইব কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবুক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক’। কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদের দাবি, চিন সীমান্তে অরুণাচল প্রদেশের নিশি, আদি, মিশমি, ইদু জাতির লোকেরা বসবাস করেন। তাদের সঙ্গে চিনের লোহবা জাতির মানুষদের মধ্যে অনেক মিল এবং সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, ‘এই সীমান্তে যারা বাস করেন তাঁদের সঙ্গে চিনের লোহবা সম্প্রদায়ের মানুষের ভাষার মিল আছে। কিন্ত তার মানে এই নয়, যে এই এলাকার মানুষেরা চিনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।’ অরুণাচল প্রদেশের এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘চিন এই সীমান্ত এলাকার বিসাতে বাড়ি এবং গেহলিং ও আনিন-তে রাস্তা নির্মাণ করছে। এতে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে বসবাসকারী মানুষেরা প্রভাবিত হবে। এটা অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ‘আমাদের দেশের সীমান্তকে রক্ষা করতে এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। একই সঙ্গে এই এলাকার যুবকরা যাতে কোনওভাবেই অন্য দেশের বাহিনীতে যোগ না দেয় সেটাও তাদের দেখা উচিত’।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3s1o0oW
https://ift.tt/3CtO7JZ
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : চতুর্থ দিনের শেষে নটিংহ্যাম টেস্টের পরিস্থিতি যে জায়গায় ছিল, সেখান থেকে ভারতের একটা জয়ের জোরদার আশা ছিল। সারা দিনে মাত্র ১৫৭ রান করতে পারলেই এই ম্যাচটা জিততে পারত কোহলি ব্রিগেড। কিন্তু, আশঙ্কা একটাই ছিল। সেটা হল বৃষ্টি। আজ সকাল থেকে বরুণদেবের চোখরাঙানিতে মাঠে গড়াল না একটাও বল। বাকি দুটো সেশনে কতখানি খেলা হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশয় তৈরি হয়েছে। চতুর্থ দিনটা যে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের ছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭২ বলে ১০৯ রান করেন। তবে ব্রিটিশবাহিনীর বাকিদের রান আর না বলাই ভালো। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানাধিকারী হলেন স্যাম কারেন। তিনি ৩২ রান করেছেন। নটিংহ্যামের সবুজ উইকেট নিয়ে ইতিপূর্বে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। সেই উইকেটে আজ কার্যত জ্বলে উঠলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দ্বিতীয় ইনিংসের ১৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিনি একাই পাঁচটা উইকেট শিকার করলেন। প্রথম ইনিংসে তিনি চারটে উইকেট শিকার করেছিলেন। অর্থাৎ এই টেস্ট ম্যাচে তিনি মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জোড়া উইকেট শিকার করেছেন মহম্মদ সিরাজ এবং শার্দূল ঠাকুর। একটি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও কোনও উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। আজ ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা যে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। কারণ জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান দরকার। দিনের ৯০ ওভার খেলা হলে, এই রানটা তোলা যে একেবারেই কঠিন কাজ নয়, সেকথা চোখ বন্ধ করে বলা যায়। আজ মোট ১৪ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ওপেনার কেএল রাহুল ২৬ রানে ফিরে গেলেও, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারা আপাতত উইকেটে রয়েছেন। প্রথম ইনিংসে গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল বিরাট কোহলিকে। তিনিও আজ দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খিদেয় মরিয়া হয়ে রয়েছেন। তবে শেষপর্যন্ত যা খবর পাওয়া যাচ্ছে, বৃষ্টির গতি আগের তুলনায় এখন অনেকটাই বেড়ে গেছে। আর সেকারণেই নির্দিষ্ট সময়ের তুলনায় কিছুটা আগেই মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। হাতে বাকি রয়েছে আর দুটো সেশন। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ যে ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমন একটা পরিস্থিতিতে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকেরা রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। তাঁদের দাবি, ইংল্যান্ডে আর কোনও টেস্ট ম্যাচের ভেন্যু রাখাই উচিত নয়।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/37x4My0
https://ift.tt/3fIsA6y
বৃষ্টিতে গড়াল না একটাও বল! জেতা ম্যাচ হাতছাড়া হচ্ছে ভারতের

বৃষ্টিতে গড়াল না একটাও বল! জেতা ম্যাচ হাতছাড়া হচ্ছে ভারতের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : চতুর্থ দিনের শেষে নটিংহ্যাম টেস্টের পরিস্থিতি যে জায়গায় ছিল, সেখান থেকে ভারতের একটা জয়ের জোরদার আশা ছিল। সারা দিনে মাত্র ১৫৭ রান করতে পারলেই এই ম্যাচটা জিততে পারত কোহলি ব্রিগেড। কিন্তু, আশঙ্কা একটাই ছিল। সেটা হল বৃষ্টি। আজ সকাল থেকে বরুণদেবের চোখরাঙানিতে মাঠে গড়াল না একটাও বল। বাকি দুটো সেশনে কতখানি খেলা হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশয় তৈরি হয়েছে। চতুর্থ দিনটা যে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের ছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭২ বলে ১০৯ রান করেন। তবে ব্রিটিশবাহিনীর বাকিদের রান আর না বলাই ভালো। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানাধিকারী হলেন স্যাম কারেন। তিনি ৩২ রান করেছেন। নটিংহ্যামের সবুজ উইকেট নিয়ে ইতিপূর্বে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। সেই উইকেটে আজ কার্যত জ্বলে উঠলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দ্বিতীয় ইনিংসের ১৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিনি একাই পাঁচটা উইকেট শিকার করলেন। প্রথম ইনিংসে তিনি চারটে উইকেট শিকার করেছিলেন। অর্থাৎ এই টেস্ট ম্যাচে তিনি মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জোড়া উইকেট শিকার করেছেন মহম্মদ সিরাজ এবং শার্দূল ঠাকুর। একটি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও কোনও উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। আজ ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা যে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। কারণ জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান দরকার। দিনের ৯০ ওভার খেলা হলে, এই রানটা তোলা যে একেবারেই কঠিন কাজ নয়, সেকথা চোখ বন্ধ করে বলা যায়। আজ মোট ১৪ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ওপেনার কেএল রাহুল ২৬ রানে ফিরে গেলেও, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারা আপাতত উইকেটে রয়েছেন। প্রথম ইনিংসে গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল বিরাট কোহলিকে। তিনিও আজ দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খিদেয় মরিয়া হয়ে রয়েছেন। তবে শেষপর্যন্ত যা খবর পাওয়া যাচ্ছে, বৃষ্টির গতি আগের তুলনায় এখন অনেকটাই বেড়ে গেছে। আর সেকারণেই নির্দিষ্ট সময়ের তুলনায় কিছুটা আগেই মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। হাতে বাকি রয়েছে আর দুটো সেশন। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ যে ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমন একটা পরিস্থিতিতে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকেরা রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। তাঁদের দাবি, ইংল্যান্ডে আর কোনও টেস্ট ম্যাচের ভেন্যু রাখাই উচিত নয়।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/37x4My0
https://ift.tt/3fIsA6y
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক। অবশেষে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি। আজ তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। বৈঠক চলাকালীনই কেঁদে ফেললেন মেসি। সেইসঙ্গে তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে যোগ দেওয়ারও একটা ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন। বার্সেলোনার জন্য লিওনেল মেসিকে ধরে রাখাটা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ হবে। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দেরও অধিকার নেই কোনও ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে এভাবে ছেলেখেলা করার। শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বার্সা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা। লাপোর্তা আসলে বার্সেলোনার প্রাক্তন প্রশাসনকে তিনি অভিযুক্তের কাঠগড়ায় তুলেছেন। তাঁর কথায়, ক্লাবের বর্তমান আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট বিপাকে পড়ে রয়েছে। আর তাই স্প্যানিশ লিগের ফেয়ার প্লে নীতি মেনেই মেসি নয়া চুক্তিতে সই করতে পারছেন না। তিনি আরও যোগ করেছেন, এই লিগের নিয়ম আগামীদিনে আরও শিথিল করা হবে। তবে আমরা মেসিকে হারিয়েছি বলে ওরা নিজেদের নীতিতে কোনও বদল আনবে বলে মনে হয় না। আজ বৈঠকে মেসি বললেন, 'এই সিদ্ধান্তটা যথেষ্ট কঠিন ছিল। এই সিদ্ধান্তের জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বটে, কিন্তু এই মরশুমে আমি এবং আমার পরিবার চেয়েছিলাম এখানেই থেকে যেতে।' (বিস্তারিত আসছে...)


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3AlEhYX
https://ift.tt/3lJ8rBa
চোখের জলে বার্সা বিদায়, PSG-তে যোগদানের ইঙ্গিত মেসির

চোখের জলে বার্সা বিদায়, PSG-তে যোগদানের ইঙ্গিত মেসির

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক। অবশেষে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি। আজ তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। বৈঠক চলাকালীনই কেঁদে ফেললেন মেসি। সেইসঙ্গে তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে যোগ দেওয়ারও একটা ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন। বার্সেলোনার জন্য লিওনেল মেসিকে ধরে রাখাটা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ হবে। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দেরও অধিকার নেই কোনও ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে এভাবে ছেলেখেলা করার। শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বার্সা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা। লাপোর্তা আসলে বার্সেলোনার প্রাক্তন প্রশাসনকে তিনি অভিযুক্তের কাঠগড়ায় তুলেছেন। তাঁর কথায়, ক্লাবের বর্তমান আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট বিপাকে পড়ে রয়েছে। আর তাই স্প্যানিশ লিগের ফেয়ার প্লে নীতি মেনেই মেসি নয়া চুক্তিতে সই করতে পারছেন না। তিনি আরও যোগ করেছেন, এই লিগের নিয়ম আগামীদিনে আরও শিথিল করা হবে। তবে আমরা মেসিকে হারিয়েছি বলে ওরা নিজেদের নীতিতে কোনও বদল আনবে বলে মনে হয় না। আজ বৈঠকে মেসি বললেন, 'এই সিদ্ধান্তটা যথেষ্ট কঠিন ছিল। এই সিদ্ধান্তের জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বটে, কিন্তু এই মরশুমে আমি এবং আমার পরিবার চেয়েছিলাম এখানেই থেকে যেতে।' (বিস্তারিত আসছে...)


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3AlEhYX
https://ift.tt/3lJ8rBa
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনার Delta ভ্যারিয়্যান্ট। অন্যদিকে ডেল্টা প্লাসও চিন্তা বাড়াচ্ছে। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতি দুটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন গবেষকরা। করোনা টিকা না , ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের বিষয়ে অধিক কার্যকরী কোন টিকা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি গবেষণা চালিয়েছিল ICMR। এবার সামনে এল এই গবেষণার ফলাফল। ICMR-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন দু'টি টিকাই কাজ করে। কিন্তু ডেল্টার বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড টিকা। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পর যদি কোভিশিল্ড টিকার দু'টি ডোজ গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তা ডেল্টার বিরুদ্ধে অনেক বেশি কাজ করে বলে জানা গিয়েছে গবেষণায়। এদিকে, ডেল্টা প্লাসের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতিকে রুখতে অনেকই সক্রিয়ভাবে কাজ করে এই দেশীয় টিকা, সামনে এসেছে এমনটাই। উল্লেখ্য, বিশ্বের অধিকাংশ টিকা নির্মাতা সংস্থারই দাবি, তাদের টিকাগুলি ডেল্টা এবং ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। একই মধ্যে ভারতের দুই টিকা নিয়ে চালানো এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3AlkQiN
https://ift.tt/3fKhrm1
কোভিশিল্ড না কোভ্যাক্সিন, Delta -র বিরুদ্ধে কোন টিকা বেশি কার্যকরী? জানাল ICMR

কোভিশিল্ড না কোভ্যাক্সিন, Delta -র বিরুদ্ধে কোন টিকা বেশি কার্যকরী? জানাল ICMR

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনার Delta ভ্যারিয়্যান্ট। অন্যদিকে ডেল্টা প্লাসও চিন্তা বাড়াচ্ছে। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতি দুটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন গবেষকরা। করোনা টিকা না , ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্টের বিষয়ে অধিক কার্যকরী কোন টিকা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি গবেষণা চালিয়েছিল ICMR। এবার সামনে এল এই গবেষণার ফলাফল। ICMR-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন দু'টি টিকাই কাজ করে। কিন্তু ডেল্টার বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড টিকা। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পর যদি কোভিশিল্ড টিকার দু'টি ডোজ গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তা ডেল্টার বিরুদ্ধে অনেক বেশি কাজ করে বলে জানা গিয়েছে গবেষণায়। এদিকে, ডেল্টা প্লাসের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। করোনাভাইরাসের এই প্রজাতিকে রুখতে অনেকই সক্রিয়ভাবে কাজ করে এই দেশীয় টিকা, সামনে এসেছে এমনটাই। উল্লেখ্য, বিশ্বের অধিকাংশ টিকা নির্মাতা সংস্থারই দাবি, তাদের টিকাগুলি ডেল্টা এবং ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়্যান্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। একই মধ্যে ভারতের দুই টিকা নিয়ে চালানো এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3AlkQiN
https://ift.tt/3fKhrm1
এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে কেন দেশের আমজনতার ব্যক্তিগত পরিসরে অবৈধ নজরদারি চালানো হল, এই বিতর্কের আবহে সরকার বনাম বিরোধীদের তীব্র বাদানুবাদেই কার্যত শেষের মুখে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হাতে আর মাত্র দিনপাঁচেক। তার পরেই ১৩ অগাস্ট, শুক্রবার অধিবেশন 'সিনে ডাই' করে দেওয়া হবে।পেগাসাস প্রশ্নের মীমাংসা তো দূরের কথা। এই ইস্যু এখন 'বিচারাধীন'- এই যুক্তিতে আলোচনাতেও নারাজ কেন্দ্র। এই মনোভাব আঁচ করেই সরকারকে চেপে ধরতে তাই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে বিরোধী শিবির৷ সূত্রের খবর, কৃষি আইন প্রত্যাহার, নারী নির্যাতন, পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মারাত্মক মূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার বিলগ্নীকরণ, বিমা ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, কেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো লঙ্ঘনের মত বিষয়গুলিকে হাতিয়ার করেই বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সুর চড়াতে বদ্ধপরিকর বিরোধী শিবির৷ কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, শিবসেনা, আরজেডি, সপা-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা মনে করছেন,পেগাসাস নিয়ে কিছু বলতে গেলেই যখন বিরোধী সাংসদদের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারকে চাপে ফেলতে অন্য ইস্যু হাতিয়ার করলেই ভালো ফল মিলবে। এ দিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী মাসে সম্ভবত আবার দিল্লি সফর করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে এবং কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের নাম 'কিষাণ কনভেনশন' দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি সেই সূত্রের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদের ভিতরে ফ্লোর কোঅর্ডিনেশন কেমন হবে,তা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসই মূল রণণীতি তৈরি করছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদে প্রতিদিন সকালে বিরোধী দলনেতার ঘরে রুটিন বৈঠক, তারপরে অধিবেশনের বিরতিতেও লাগাতার আলোচনা, গোটা বিরোধী শিবিরকে জোটবদ্ধ রাখছে দুই কংগ্রেসই৷ সংসদের বাইরে দলের নিজস্ব ইস্যু ও এজেন্ডা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সামান্য দূরত্ব দেখা গেলেও সংসদের ভিতরে কিন্তু দুটি দলেরই ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন দুরন্ত৷পেগাসাস ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে সাত জনের সাসপেনশন ইস্যুতে সংসদের উভয় কক্ষেই তৃণমূলের পাশে থেকেছে কংগ্রেস৷ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূল সাংসদদের সাসপেনশনকে অবৈধ ও অনৈতিক পদক্ষেপ বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে৷ সরকার পক্ষ যদিও তার পরেও অনড়ই থেকেছে। এ বার চাই কৌশল বদলের পথে বিরোধী শিবির। উল্লেখ্য,পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধী সাংসদদের মুখ খোলা নিষিদ্ধ।পেগাসাসব্যবহার করে নজরদারি সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নও গৃহীত হচ্ছে না সংসদে। অধিবেশন চলাকালীন এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাংসদদের সামনে রাখা মাইক৷ সংসদ কক্ষে অধিবেশন চলাকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় ওয়েলে নেমে কোনও পোস্টার বা প্ল্যাকার্ড দেখানো হলে, তা যাতে টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত না হয়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে তৎক্ষণাৎ- এমন অভিযোগও করছে বিরোধী শিবির৷ এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই সরকার বিরোধিতায় অন্যান্য ইস্যুগুলিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে কংগ্রেস ও তৃণমূল শিবির৷ সূত্রের দাবি, কোন কোন ইস্যুকে হাতে নিয়ে কী ভাবে সরকারকে চেপে ধরা হবে, এই মর্মে বিরোধী শিবিরের চূড়ান্ত রণকৌশল তৈরি হবে সোমবার সকালে, সংসদে বিরোধী দলের নেতাদের বৈঠকেই৷


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lFBKVh
https://ift.tt/3fI4mcQ
পেগাসাসে 'মুখই বন্ধ' ইস্যুপাল্টেই নয়া চাল?

পেগাসাসে 'মুখই বন্ধ' ইস্যুপাল্টেই নয়া চাল?

এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে কেন দেশের আমজনতার ব্যক্তিগত পরিসরে অবৈধ নজরদারি চালানো হল, এই বিতর্কের আবহে সরকার বনাম বিরোধীদের তীব্র বাদানুবাদেই কার্যত শেষের মুখে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হাতে আর মাত্র দিনপাঁচেক। তার পরেই ১৩ অগাস্ট, শুক্রবার অধিবেশন 'সিনে ডাই' করে দেওয়া হবে।পেগাসাস প্রশ্নের মীমাংসা তো দূরের কথা। এই ইস্যু এখন 'বিচারাধীন'- এই যুক্তিতে আলোচনাতেও নারাজ কেন্দ্র। এই মনোভাব আঁচ করেই সরকারকে চেপে ধরতে তাই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে বিরোধী শিবির৷ সূত্রের খবর, কৃষি আইন প্রত্যাহার, নারী নির্যাতন, পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মারাত্মক মূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার বিলগ্নীকরণ, বিমা ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, কেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো লঙ্ঘনের মত বিষয়গুলিকে হাতিয়ার করেই বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সুর চড়াতে বদ্ধপরিকর বিরোধী শিবির৷ কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, শিবসেনা, আরজেডি, সপা-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা মনে করছেন,পেগাসাস নিয়ে কিছু বলতে গেলেই যখন বিরোধী সাংসদদের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারকে চাপে ফেলতে অন্য ইস্যু হাতিয়ার করলেই ভালো ফল মিলবে। এ দিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী মাসে সম্ভবত আবার দিল্লি সফর করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে এবং কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের নাম 'কিষাণ কনভেনশন' দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি সেই সূত্রের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদের ভিতরে ফ্লোর কোঅর্ডিনেশন কেমন হবে,তা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসই মূল রণণীতি তৈরি করছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদে প্রতিদিন সকালে বিরোধী দলনেতার ঘরে রুটিন বৈঠক, তারপরে অধিবেশনের বিরতিতেও লাগাতার আলোচনা, গোটা বিরোধী শিবিরকে জোটবদ্ধ রাখছে দুই কংগ্রেসই৷ সংসদের বাইরে দলের নিজস্ব ইস্যু ও এজেন্ডা নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সামান্য দূরত্ব দেখা গেলেও সংসদের ভিতরে কিন্তু দুটি দলেরই ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন দুরন্ত৷পেগাসাস ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে সাত জনের সাসপেনশন ইস্যুতে সংসদের উভয় কক্ষেই তৃণমূলের পাশে থেকেছে কংগ্রেস৷ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূল সাংসদদের সাসপেনশনকে অবৈধ ও অনৈতিক পদক্ষেপ বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে৷ সরকার পক্ষ যদিও তার পরেও অনড়ই থেকেছে। এ বার চাই কৌশল বদলের পথে বিরোধী শিবির। উল্লেখ্য,পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধী সাংসদদের মুখ খোলা নিষিদ্ধ।পেগাসাসব্যবহার করে নজরদারি সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নও গৃহীত হচ্ছে না সংসদে। অধিবেশন চলাকালীন এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাংসদদের সামনে রাখা মাইক৷ সংসদ কক্ষে অধিবেশন চলাকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় ওয়েলে নেমে কোনও পোস্টার বা প্ল্যাকার্ড দেখানো হলে, তা যাতে টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত না হয়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে তৎক্ষণাৎ- এমন অভিযোগও করছে বিরোধী শিবির৷ এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই সরকার বিরোধিতায় অন্যান্য ইস্যুগুলিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে কংগ্রেস ও তৃণমূল শিবির৷ সূত্রের দাবি, কোন কোন ইস্যুকে হাতে নিয়ে কী ভাবে সরকারকে চেপে ধরা হবে, এই মর্মে বিরোধী শিবিরের চূড়ান্ত রণকৌশল তৈরি হবে সোমবার সকালে, সংসদে বিরোধী দলের নেতাদের বৈঠকেই৷


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3lFBKVh
https://ift.tt/3fI4mcQ
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দেশকে জগৎসভায় শ্রেষ্ট আসনে নিয়ে গেছেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে সোনা জিতেছেন। এরপরই তাঁর জন্য আসে একেরপর এক পুরস্কার। কেন্দ্রীয় সরকার ও একাধিক রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সম্মানে সম্মানিত করার কথা জানানো হয়। পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক থেকে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন তাঁকে। দেখে নেওয়া যাক ভারতের সোনার ছেলে নীরজের পুরস্কার তালিকায় কী কী রয়েছে --- গতকাল পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং ২ কোটি টাকা বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা করেন নীরজের জন্য। তিনি বলেন, ‘এটা সমস্ত ভারতীয় ও পাঞ্জাবিদের জন্য গর্বের মুহূর্ত, নীরজের পরিবারের বিভিন্ন সদস্যরা ভারতীয় সেনার বিভিন্ন পদে আছেন। ওদের উৎস পঞ্জাব।’ নীরজের অনুশীলনের বেশিরভাগ সময়টা কেটেছে এনআইএস পাটিয়ালাতে। এরআগে ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন নীরজ। এছাড়াও জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন এবং অনূর্ধ্ব ২০ বিভাগে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করেন। বর্তমানে হরিয়ানার বাসিন্দা নীরজের জন্য পুরস্কারের ঘোষণা করে হরিয়ানা সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর ঘোষণা করেন নীরজকে ৬ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, পঞ্চকুল্লায় তৈরি হতে চলা অ্যাথলিটদের এক্সিলেন্স সেন্টারের প্রধান বানানো হবে নীরজকে। গতকাল BCCI নীরজের জন্য ১ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অলিম্পিক্সে রুপো জয়ীদের জন্য ৫০ লাখ টাকা ও ব্রোঞ্জ জয়ীদের জন্য ২৫ লাখ টাকার পুরস্কার মূল্যের ঘোষণা করেন জয় শাহ। এছাড়াও চেন্নাই সুপার কিংস ১ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করে। তবে শুধু ক্রিকেট বা তাঁর রাজ্য থেকে নয়। পুরস্কার এসেছে সুদূর আকাশ থেকেও। দেশের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো ঘোষণা করেছে আগামী একবছরের জন্য তাঁরা নীরজকে বিনামূল্যে বিমানে ভ্রমণ করতে দেবেন। ইন্ডিগো সংস্থার সিইও রণজয় দত্ত একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘নীরজ আপনার এই ঐতিহাসিক পারফরমেন্সের জন্য আমরা আনন্দিত। তুমি আমাদের দেশকে গর্বিত করেছ, এবং আমি জানি সব ইন্ডিগোর কর্মীরাও খুবই গর্বিত এবং তোমাকে ফ্লাইটে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে।’


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3s4RcvA
https://ift.tt/3lIPf6Q
‘সোনার ছেলে’-র জন্য উপহারের ডালি, কী কী পুরস্কার পেলেন নীরজ?

‘সোনার ছেলে’-র জন্য উপহারের ডালি, কী কী পুরস্কার পেলেন নীরজ?

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দেশকে জগৎসভায় শ্রেষ্ট আসনে নিয়ে গেছেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে সোনা জিতেছেন। এরপরই তাঁর জন্য আসে একেরপর এক পুরস্কার। কেন্দ্রীয় সরকার ও একাধিক রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সম্মানে সম্মানিত করার কথা জানানো হয়। পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক থেকে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন তাঁকে। দেখে নেওয়া যাক ভারতের সোনার ছেলে নীরজের পুরস্কার তালিকায় কী কী রয়েছে --- গতকাল পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং ২ কোটি টাকা বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা করেন নীরজের জন্য। তিনি বলেন, ‘এটা সমস্ত ভারতীয় ও পাঞ্জাবিদের জন্য গর্বের মুহূর্ত, নীরজের পরিবারের বিভিন্ন সদস্যরা ভারতীয় সেনার বিভিন্ন পদে আছেন। ওদের উৎস পঞ্জাব।’ নীরজের অনুশীলনের বেশিরভাগ সময়টা কেটেছে এনআইএস পাটিয়ালাতে। এরআগে ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন নীরজ। এছাড়াও জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন এবং অনূর্ধ্ব ২০ বিভাগে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করেন। বর্তমানে হরিয়ানার বাসিন্দা নীরজের জন্য পুরস্কারের ঘোষণা করে হরিয়ানা সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর ঘোষণা করেন নীরজকে ৬ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, পঞ্চকুল্লায় তৈরি হতে চলা অ্যাথলিটদের এক্সিলেন্স সেন্টারের প্রধান বানানো হবে নীরজকে। গতকাল BCCI নীরজের জন্য ১ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অলিম্পিক্সে রুপো জয়ীদের জন্য ৫০ লাখ টাকা ও ব্রোঞ্জ জয়ীদের জন্য ২৫ লাখ টাকার পুরস্কার মূল্যের ঘোষণা করেন জয় শাহ। এছাড়াও চেন্নাই সুপার কিংস ১ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করে। তবে শুধু ক্রিকেট বা তাঁর রাজ্য থেকে নয়। পুরস্কার এসেছে সুদূর আকাশ থেকেও। দেশের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো ঘোষণা করেছে আগামী একবছরের জন্য তাঁরা নীরজকে বিনামূল্যে বিমানে ভ্রমণ করতে দেবেন। ইন্ডিগো সংস্থার সিইও রণজয় দত্ত একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘নীরজ আপনার এই ঐতিহাসিক পারফরমেন্সের জন্য আমরা আনন্দিত। তুমি আমাদের দেশকে গর্বিত করেছ, এবং আমি জানি সব ইন্ডিগোর কর্মীরাও খুবই গর্বিত এবং তোমাকে ফ্লাইটে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে।’


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3s4RcvA
https://ift.tt/3lIPf6Q
জয়পুর: করোনা কালে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাসের দৌলতে ব্লু-টুথ হেডফোনের ব্যবহার বেড়েছে কয়েক গুণ। ফোনের ব্লু-টুথ কানেকশন অন করে হেডফোনের সঙ্গে পেয়ার করে নিলেই কেল্লা ফতে! কোনও তার ছাড়াই দিব্যি কানের মধ্যে বাজতে থাকবে ক্লাসের পড়া বা অফিসের দরকারি মিটিংয়ের আলোচনা। কিন্তু সেই ব্লু-টুথ স্পিকারই যদি মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে? বিষয়টা চমকে ওঠার মতো হলেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানে কানে লাগানো অবস্থায় ব্ল-টুথ হেডফোন ফেটে মৃত্যু হয়েছে একজনের! বছর আঠাশের যুবক রাকেশ কুমার নাগার জয়পুরের উদয়পুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার নিজের বাড়িতে বসেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছিলেন তিনি। তাঁর ব্লু-টুথ হেডফোনটি একটি ইলেকট্রিকাল আউটলেটের সঙ্গে সংযুক্ত করা ছিল। আচমকাই তাঁর ব্লু-টুথ স্পিকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং রাকেশ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান রাকেশ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর দুই কানেই গুরুতর আঘাত লেগেছিল। সম্ভবত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের বড় ছেলের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না রাকেশের পরিবার। গত ফেব্রুয়ারিতেই সদ্য বিয়ে করেছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37qNId0
https://ift.tt/2Vz8LIc
হেডফোন ফেটে মৃত্যু

হেডফোন ফেটে মৃত্যু

জয়পুর: করোনা কালে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাসের দৌলতে ব্লু-টুথ হেডফোনের ব্যবহার বেড়েছে কয়েক গুণ। ফোনের ব্লু-টুথ কানেকশন অন করে হেডফোনের সঙ্গে পেয়ার করে নিলেই কেল্লা ফতে! কোনও তার ছাড়াই দিব্যি কানের মধ্যে বাজতে থাকবে ক্লাসের পড়া বা অফিসের দরকারি মিটিংয়ের আলোচনা। কিন্তু সেই ব্লু-টুথ স্পিকারই যদি মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে? বিষয়টা চমকে ওঠার মতো হলেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানে কানে লাগানো অবস্থায় ব্ল-টুথ হেডফোন ফেটে মৃত্যু হয়েছে একজনের! বছর আঠাশের যুবক রাকেশ কুমার নাগার জয়পুরের উদয়পুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার নিজের বাড়িতে বসেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছিলেন তিনি। তাঁর ব্লু-টুথ হেডফোনটি একটি ইলেকট্রিকাল আউটলেটের সঙ্গে সংযুক্ত করা ছিল। আচমকাই তাঁর ব্লু-টুথ স্পিকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং রাকেশ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান রাকেশ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর দুই কানেই গুরুতর আঘাত লেগেছিল। সম্ভবত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের বড় ছেলের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না রাকেশের পরিবার। গত ফেব্রুয়ারিতেই সদ্য বিয়ে করেছিলেন তিনি।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/37qNId0
https://ift.tt/2Vz8LIc
এই সময়, নয়াদিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি৷ তিন সপ্তাহের অধিবেশনে পেগাসাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই সরব ছিল বিরোধী শিবির৷ ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার কিনে দেশবাসীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল কি না, সংসদেই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তদন্ত দূরে থাক, এ নিয়ে আলোচনাই করতে দেয়নি কেন্দ্র। বিরোধীদের হট্টগোলে গোটা একটা দিনও চলেনি অধিবেশন। অথচ, এ সবের ফাঁকে-ফাঁকেই বেশ কিছু জরুরি বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ করিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধীদের সম্মিলিত প্রতিবাদেও যা আটকানো যায়নি৷ সূত্রের দাবি, বিগত তিন সপ্তাহে এমন একটিও বিল সংসদে পাশ হয়নি, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে মুখর হয়নি বিরোধী শিবির৷ এমনটাই কি চলবে? হয়তো না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এর ঠিক বিপরীত ছবি দেখা যেতে পারে সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে৷ সরকারি সূত্রের খবর, এই সপ্তাহেই সংসদে পেশ করা হতে পারে ''। যেখানে শীর্ষ আদালতের রায়কে কার্যত খারিজ করে অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে দেশের ক'টি রাজ্যের হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ তাই আর উপায় নেই। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই বিলের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে বিরোধী শিবিরকে- এমনটাই দাবি করছে সরকার পক্ষ৷ যদি তাই হয়, তাহলে সংসদের বাদল অধিবেশনে এই প্রথমবার সংসদের উভয় কক্ষে কোনও একটি বিলকে নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটি দেখা যেতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের বিশ্বাস৷ উল্লেখ্য, গত ৫ মে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে দেওয়া রায়ে জানানো হয়েছিল, এ বার থেকে কোনও রাজ্যই সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা তৈরি করতে পারবে না৷ এই অধিকার ন্যস্ত থাকবে শুধুই কেন্দ্রের হাতে৷ শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পরেই ব্যাকফুটে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলি তো বটেই, বিজেপির সরকার আছে, এমন রাজ্যের তরফেও প্রবল আপত্তি তোলা হয়৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে কেন একটি রাজ্য তার ভৌগোলিক এলাকায় বসবাসকারী অনগ্রসর শ্রেণীর অধিবাসীদের আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারবে না এবং সেই তালিকা অনুযায়ী পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে না-প্রশ্ন ওঠে। এখনও যার সদুত্তর দিতে পারেনি মোদী সরকার৷ পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী শিবিরও৷ তাদের দাবি ছিল, শীর্ষ আদালতের রায়ের পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৬৭১টি পিছিয়ে পড়া শ্রেণী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের সুযোগ হারাবে৷ একই ভাবে চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণে বঞ্চিত হবে দেশের মোট ওবিসিদের এক-পঞ্চমাংশ৷ সূত্রের খবর, এর পরেই সরকারের শীর্ষ স্তরে শুরু হয় আলোচনা৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর তালিকা তৈরির বিষয়টিতে রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরাতে গেলে কীভাবে সুপ্রিম-রায়কে সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারের মধ্যে আটকে রাখা যাবে, তা স্থির করার জন্য আলোচনা করা হয় বিশিষ্ট আইনজ্ঞদের সঙ্গেও৷ এর পরেই 'ওবিসি বিল' তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মোদী সরকার৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করা হয় ওবিসি বিল, যা অনুমোদন পেয়েছে গত বুধবার৷ সরকারি সূত্রের দাবি, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদে এই বিল পেশ করতে চায় মোদী সরকার। দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থানে একবার এই বিল অনুমোদন পেয়ে গেলে শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে সরকারের আর চিন্তার কোনও জায়গাই থাকবে না৷ সরকারের পক্ষেও 'ফিল গুড' আবহ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে ওবিসি বিল পেশ হলে বিরোধীরা আপাতত পেগ্যাসাস-বিদ্রোহ বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কারণেই অবস্থান বদলাবেন, এমনকী ওবিসি বিলকে সমর্থন করবেন বলেও দাবি করা হচ্ছে সরকারি সূত্রেই৷ এমন ইঙ্গিত অবশ্য ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পরে উত্তরপ্রদেশের বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও জানিয়ে দিয়েছেন,ওবিসি-দের জন্য আলাদা জনগণনার ক্ষেত্রে কেন্দ্র ইতিবাচক পদক্ষেপ করসলে সংসদের ভিতরে-বাইরে অবশ্যই মোদী সরকারকে সমর্থন করবে তাঁর দল। ওবিসি বিল কী সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা আগে রাজ্যও করত। কেন্দ্রের পাশাপাশি আলাদা ক্ষমতা ছিল রাজ্যের। কিন্তু গত ৫ মে মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে রায় দিতে গিয়ে শীর্ষ আদালত রাজ্যগুলির সেই অধিকার খর্ব করে। যা নিয়ে বিরোধিতায় সরব হয় বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও। সূত্রের দাবি, শীর্ষ আদালতের সেই রায় কার্যত খণ্ডন করতেই তৈরি ওবিসি বিল। উদ্দেশ্য, রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরত দেওয়া বিরোধীরা মানবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানতে বাধ্য। অন্তত রাজনৈতিক কারণেই। চলতি অধিবেশনে হয়তো এই প্রথম কোনও বিল নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটিতেও অংশ নেবেন বিরোধীরা


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Ahe8ue
https://ift.tt/2VAaGMg
শেষ সপ্তাহে ওবিসি-বিল হাতিয়ার মোদী সরকারের

শেষ সপ্তাহে ওবিসি-বিল হাতিয়ার মোদী সরকারের

এই সময়, নয়াদিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি৷ তিন সপ্তাহের অধিবেশনে পেগাসাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই সরব ছিল বিরোধী শিবির৷ ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার কিনে দেশবাসীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল কি না, সংসদেই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তদন্ত দূরে থাক, এ নিয়ে আলোচনাই করতে দেয়নি কেন্দ্র। বিরোধীদের হট্টগোলে গোটা একটা দিনও চলেনি অধিবেশন। অথচ, এ সবের ফাঁকে-ফাঁকেই বেশ কিছু জরুরি বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ করিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধীদের সম্মিলিত প্রতিবাদেও যা আটকানো যায়নি৷ সূত্রের দাবি, বিগত তিন সপ্তাহে এমন একটিও বিল সংসদে পাশ হয়নি, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে মুখর হয়নি বিরোধী শিবির৷ এমনটাই কি চলবে? হয়তো না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এর ঠিক বিপরীত ছবি দেখা যেতে পারে সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে৷ সরকারি সূত্রের খবর, এই সপ্তাহেই সংসদে পেশ করা হতে পারে ''। যেখানে শীর্ষ আদালতের রায়কে কার্যত খারিজ করে অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে দেশের ক'টি রাজ্যের হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ তাই আর উপায় নেই। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই বিলের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে বিরোধী শিবিরকে- এমনটাই দাবি করছে সরকার পক্ষ৷ যদি তাই হয়, তাহলে সংসদের বাদল অধিবেশনে এই প্রথমবার সংসদের উভয় কক্ষে কোনও একটি বিলকে নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটি দেখা যেতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের বিশ্বাস৷ উল্লেখ্য, গত ৫ মে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে দেওয়া রায়ে জানানো হয়েছিল, এ বার থেকে কোনও রাজ্যই সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা তৈরি করতে পারবে না৷ এই অধিকার ন্যস্ত থাকবে শুধুই কেন্দ্রের হাতে৷ শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পরেই ব্যাকফুটে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার৷ বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলি তো বটেই, বিজেপির সরকার আছে, এমন রাজ্যের তরফেও প্রবল আপত্তি তোলা হয়৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে কেন একটি রাজ্য তার ভৌগোলিক এলাকায় বসবাসকারী অনগ্রসর শ্রেণীর অধিবাসীদের আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারবে না এবং সেই তালিকা অনুযায়ী পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে না-প্রশ্ন ওঠে। এখনও যার সদুত্তর দিতে পারেনি মোদী সরকার৷ পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী শিবিরও৷ তাদের দাবি ছিল, শীর্ষ আদালতের রায়ের পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৬৭১টি পিছিয়ে পড়া শ্রেণী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের সুযোগ হারাবে৷ একই ভাবে চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণে বঞ্চিত হবে দেশের মোট ওবিসিদের এক-পঞ্চমাংশ৷ সূত্রের খবর, এর পরেই সরকারের শীর্ষ স্তরে শুরু হয় আলোচনা৷ সামাজিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর তালিকা তৈরির বিষয়টিতে রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরাতে গেলে কীভাবে সুপ্রিম-রায়কে সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারের মধ্যে আটকে রাখা যাবে, তা স্থির করার জন্য আলোচনা করা হয় বিশিষ্ট আইনজ্ঞদের সঙ্গেও৷ এর পরেই 'ওবিসি বিল' তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মোদী সরকার৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করা হয় ওবিসি বিল, যা অনুমোদন পেয়েছে গত বুধবার৷ সরকারি সূত্রের দাবি, বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে সংসদে এই বিল পেশ করতে চায় মোদী সরকার। দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থানে একবার এই বিল অনুমোদন পেয়ে গেলে শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে সরকারের আর চিন্তার কোনও জায়গাই থাকবে না৷ সরকারের পক্ষেও 'ফিল গুড' আবহ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে ওবিসি বিল পেশ হলে বিরোধীরা আপাতত পেগ্যাসাস-বিদ্রোহ বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কারণেই অবস্থান বদলাবেন, এমনকী ওবিসি বিলকে সমর্থন করবেন বলেও দাবি করা হচ্ছে সরকারি সূত্রেই৷ এমন ইঙ্গিত অবশ্য ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পরে উত্তরপ্রদেশের বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও জানিয়ে দিয়েছেন,ওবিসি-দের জন্য আলাদা জনগণনার ক্ষেত্রে কেন্দ্র ইতিবাচক পদক্ষেপ করসলে সংসদের ভিতরে-বাইরে অবশ্যই মোদী সরকারকে সমর্থন করবে তাঁর দল। ওবিসি বিল কী সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের তালিকা আগে রাজ্যও করত। কেন্দ্রের পাশাপাশি আলাদা ক্ষমতা ছিল রাজ্যের। কিন্তু গত ৫ মে মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে রায় দিতে গিয়ে শীর্ষ আদালত রাজ্যগুলির সেই অধিকার খর্ব করে। যা নিয়ে বিরোধিতায় সরব হয় বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও। সূত্রের দাবি, শীর্ষ আদালতের সেই রায় কার্যত খণ্ডন করতেই তৈরি ওবিসি বিল। উদ্দেশ্য, রাজ্যগুলিকে তাদের পুরোনো অধিকার ফেরত দেওয়া বিরোধীরা মানবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানতে বাধ্য। অন্তত রাজনৈতিক কারণেই। চলতি অধিবেশনে হয়তো এই প্রথম কোনও বিল নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং যথাযথ ভোটাভুটিতেও অংশ নেবেন বিরোধীরা


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3Ahe8ue
https://ift.tt/2VAaGMg
নয়াদিল্লি: কৃষক ও পড়ুয়া-সহ নানা গোষ্ঠীর সঙ্গে আগেই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার সরকারি প্রকল্পের সাহায্যপাপ্ত গোষ্ঠীর সঙ্গেও ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে মোলাকাত সেরে নিলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে তুলে ধরলেন তাঁদের দেওয়া সাহায্যের খতিয়ানও। শনিবার মধ্যপ্রদেশে 'প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা'র উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোদী বললেন, 'কোভিড-মোকাবিলার প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গরিব-কল্যাণের উপরে। এই অতিমারি আবহে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস পেয়েছেন ৮ কোটি মানুষ।' এই সময়ের মধ্যে ২০ কোটি মহিলার জনধন অ্যাকাউন্টে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন মোদী। বিরোধীদের একাংশ অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ আর চব্বিশে লোকসভা ভোটের আগে জমি পোক্ত করতেই নিজেদের ভাবমূর্তি ফেরাতে গরিব-কল্যাণের ঢাক পেটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড-মোকাবিলায় ব্যর্থতা নিয়ে আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অক্সিডেন-বেড থেকে শুরু করে সম্প্রতি টিকার আকালও ভোগাচ্ছে দেশবাসীকে। ঘুরেফিরে আঙুল উঠছে সেই সরকারের দিকেই। হালে আবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু ঠিক মুখে পেগ্যাসাস অস্ত্র হাতে পেয়েছে বিরোধী শিবির। সংসদে এ নিয়ে একটা দিনও আলোচনা করতে দেয়নি কেন্দ্র। উল্টে অভিযোগ, বিরোধী সাংসদরা কিছু বলতে গেলেই মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তবু উঠছেই। সূত্রের খবর, অধিবেশেনর শেষ সপ্তাহে কৃষি আইন থেকে শুরু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে বিরোধী শিবির। কেন্দ্রের ডিফেন্স মজবুত করতে তাই মাঠে এ বার খোদ প্রধানমন্ত্রী। অস্ত্র সেই জনসংযোগ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jCDGLC
https://ift.tt/2VAM32f
ইমেজ রক্ষায় গরিব-কল্যাণ প্রচারে মোদী!

ইমেজ রক্ষায় গরিব-কল্যাণ প্রচারে মোদী!

নয়াদিল্লি: কৃষক ও পড়ুয়া-সহ নানা গোষ্ঠীর সঙ্গে আগেই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার সরকারি প্রকল্পের সাহায্যপাপ্ত গোষ্ঠীর সঙ্গেও ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে মোলাকাত সেরে নিলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে তুলে ধরলেন তাঁদের দেওয়া সাহায্যের খতিয়ানও। শনিবার মধ্যপ্রদেশে 'প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা'র উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোদী বললেন, 'কোভিড-মোকাবিলার প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গরিব-কল্যাণের উপরে। এই অতিমারি আবহে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস পেয়েছেন ৮ কোটি মানুষ।' এই সময়ের মধ্যে ২০ কোটি মহিলার জনধন অ্যাকাউন্টে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন মোদী। বিরোধীদের একাংশ অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ আর চব্বিশে লোকসভা ভোটের আগে জমি পোক্ত করতেই নিজেদের ভাবমূর্তি ফেরাতে গরিব-কল্যাণের ঢাক পেটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড-মোকাবিলায় ব্যর্থতা নিয়ে আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অক্সিডেন-বেড থেকে শুরু করে সম্প্রতি টিকার আকালও ভোগাচ্ছে দেশবাসীকে। ঘুরেফিরে আঙুল উঠছে সেই সরকারের দিকেই। হালে আবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু ঠিক মুখে পেগ্যাসাস অস্ত্র হাতে পেয়েছে বিরোধী শিবির। সংসদে এ নিয়ে একটা দিনও আলোচনা করতে দেয়নি কেন্দ্র। উল্টে অভিযোগ, বিরোধী সাংসদরা কিছু বলতে গেলেই মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তবু উঠছেই। সূত্রের খবর, অধিবেশেনর শেষ সপ্তাহে কৃষি আইন থেকে শুরু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে বিরোধী শিবির। কেন্দ্রের ডিফেন্স মজবুত করতে তাই মাঠে এ বার খোদ প্রধানমন্ত্রী। অস্ত্র সেই জনসংযোগ।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jCDGLC
https://ift.tt/2VAM32f
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিয়ো অলিম্পিক্সে ভারতের প্রথম সোনাজয়ীর জন্য পুরস্কার ঘোষণা করল দেশের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা BCCI। গতকাল নীরজ চোপড়ার সোনা জেতার খবর আসার পর জানায় তারা নীরজকে এক কোটি টাকা পুরস্কার হিসেবে দেবে। পাশাপাশি জয় শাহ একটি টুইট করে জানান, যারা রূপোর পদক পেয়েছে তাদের ৫০ লাখ টাকা ও যারা ব্রোঞ্জ পেয়েছে তাদের ২৫ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। BCCI-এর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর। দুর্দান্ত পারফরমেন্সে গতকাল জ্যাভলিন থ্রো-তে সোনা জেতেন ২৩ বছর বয়সি নীরজ। ব্যক্তিগত ইভেন্টে অভিনব বিন্দ্রার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। পাশাপাশি অ্যাথলিট হিসেবে দেশের হয়ে প্রথম সোনা জেতেন। অধরা স্বপ্ন পূরণ করেন প্রয়াত মিলখা সিং, পিটি ঊষা ও অঞ্জু ববি জর্জের। পদক জিতে তা প্রয়াত মিলখা সিংকে উৎসর্গ করেন তিনি। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে এখনও পর্যন্ত ৭টা পদক পেয়েছে ভারত। যা অলিম্পিক্সে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ভারোত্তলনে মীরাবাই চানু রুপো জিতে দেশের হয়ে প্রথম পদক জেতেন। দেশের হয়ে দ্বিতীয় রুপো জেতেন কুস্তিতে রবি কুমার দাহিয়া। এরআগে কুস্তিতে রুপো জিতেছিলেন সুশীল কুমার (২০১২ সালে)। এঁদের প্রত্যেককেই ৫০ লাখ টাকা করে দেবে BCCI। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন, বজরং পুনিয়া, লভলিনা বরগোঁহাই, পিভি সিন্ধু। এঁরা প্রত্যেকেই পাবেন ২৫ লাখ টাকা করে। পাশাপাশি ৪১ বছর পর পদক জেতা ভারতীয় পুরুষ হকি দলকে BCCI দেবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর আগে চেন্নাই সুপার কিংস নীরজ চোপড়ার জন্য এক কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। একটি বিবৃতিতে IPL-এর এই ফ্র্যাঞ্চাইজি জানায়, ‘ওর সাফল্যকে কুর্নিশ ও সম্মান জানিয়ে, সিএসকে নীরজ চোপড়াকে ১ কোটি টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করবে।’ সঙ্গে আরও বলা হয়, ‘সিএসকে ৮৭৫৮ নম্বরের একটা জার্সি বানাবে নীরজকে সম্মান জানিয়ে।’ উল্লেখ্য গতকাল ৮৭.৫৮ মিটার দূরে জ্যাভলিন থ্রো করেন নীরজ।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lH4Kfq
https://ift.tt/3fKi3rQ
ইতিহাস লেখার পুরস্কার, নীরজকে ১ কোটি টাকা দেবে BCCI

ইতিহাস লেখার পুরস্কার, নীরজকে ১ কোটি টাকা দেবে BCCI

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিয়ো অলিম্পিক্সে ভারতের প্রথম সোনাজয়ীর জন্য পুরস্কার ঘোষণা করল দেশের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা BCCI। গতকাল নীরজ চোপড়ার সোনা জেতার খবর আসার পর জানায় তারা নীরজকে এক কোটি টাকা পুরস্কার হিসেবে দেবে। পাশাপাশি জয় শাহ একটি টুইট করে জানান, যারা রূপোর পদক পেয়েছে তাদের ৫০ লাখ টাকা ও যারা ব্রোঞ্জ পেয়েছে তাদের ২৫ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। BCCI-এর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর। দুর্দান্ত পারফরমেন্সে গতকাল জ্যাভলিন থ্রো-তে সোনা জেতেন ২৩ বছর বয়সি নীরজ। ব্যক্তিগত ইভেন্টে অভিনব বিন্দ্রার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। পাশাপাশি অ্যাথলিট হিসেবে দেশের হয়ে প্রথম সোনা জেতেন। অধরা স্বপ্ন পূরণ করেন প্রয়াত মিলখা সিং, পিটি ঊষা ও অঞ্জু ববি জর্জের। পদক জিতে তা প্রয়াত মিলখা সিংকে উৎসর্গ করেন তিনি। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে এখনও পর্যন্ত ৭টা পদক পেয়েছে ভারত। যা অলিম্পিক্সে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ভারোত্তলনে মীরাবাই চানু রুপো জিতে দেশের হয়ে প্রথম পদক জেতেন। দেশের হয়ে দ্বিতীয় রুপো জেতেন কুস্তিতে রবি কুমার দাহিয়া। এরআগে কুস্তিতে রুপো জিতেছিলেন সুশীল কুমার (২০১২ সালে)। এঁদের প্রত্যেককেই ৫০ লাখ টাকা করে দেবে BCCI। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন, বজরং পুনিয়া, লভলিনা বরগোঁহাই, পিভি সিন্ধু। এঁরা প্রত্যেকেই পাবেন ২৫ লাখ টাকা করে। পাশাপাশি ৪১ বছর পর পদক জেতা ভারতীয় পুরুষ হকি দলকে BCCI দেবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর আগে চেন্নাই সুপার কিংস নীরজ চোপড়ার জন্য এক কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। একটি বিবৃতিতে IPL-এর এই ফ্র্যাঞ্চাইজি জানায়, ‘ওর সাফল্যকে কুর্নিশ ও সম্মান জানিয়ে, সিএসকে নীরজ চোপড়াকে ১ কোটি টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করবে।’ সঙ্গে আরও বলা হয়, ‘সিএসকে ৮৭৫৮ নম্বরের একটা জার্সি বানাবে নীরজকে সম্মান জানিয়ে।’ উল্লেখ্য গতকাল ৮৭.৫৮ মিটার দূরে জ্যাভলিন থ্রো করেন নীরজ।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3lH4Kfq
https://ift.tt/3fKi3rQ
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কে প্রহর গুনছে দেশ। আরেকদিকে চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্রাফ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার ফের খানিকটা বাড়ল সংক্রমণ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, টিকা কোভিড রোখার পাশাপাশি, অন্য রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। গবেষকদের দাবি, টিকা গ্রহীতাদের ইমিউনিটি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। এ দিকে, কোভিড রুখতে সাধারণের সচেতন হওয়াও জরুরি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রাজ্যেও গতদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বেড়েছে কোভিড সংক্রমণ। শনিবার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৯ জন। যা নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ চার হাজার ৩২৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jx0yw1
https://ift.tt/2VAzLGT
ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণ-সচেতনতায় ফিরবে সুদিন?

ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণ-সচেতনতায় ফিরবে সুদিন?

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কে প্রহর গুনছে দেশ। আরেকদিকে চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্রাফ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার ফের খানিকটা বাড়ল সংক্রমণ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের। মহামারী শুরুর দিন থেকে এ দিন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। যার মধ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছ’ হাজার ৮২২ জন। আজ অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ১০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন। কোভিডের দাপট থেকে বাঁচার জন্য টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার। এখনও অবধি টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার ৪৯২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাদান করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৭ জনের।সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, টিকা কোভিড রোখার পাশাপাশি, অন্য রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। গবেষকদের দাবি, টিকা গ্রহীতাদের ইমিউনিটি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। এ দিকে, কোভিড রুখতে সাধারণের সচেতন হওয়াও জরুরি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রাজ্যেও গতদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বেড়েছে কোভিড সংক্রমণ। শনিবার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৯ জন। যা নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ চার হাজার ৩২৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3jx0yw1
https://ift.tt/2VAzLGT
নভোসিব্রিস্ক: দেখলে মনে হবে যেন চুপটি করে ঘুমিয়ে আছে সে। ছুঁলেই জেগে উঠবে! গায়ের সোনালি লোম কাদায় মাখামাখি, কিন্তু কোথাও পচন বা ক্ষয়ের চিহ্নটুকুও নেই। কে বলবে, ওর বয়স ২৮,০০০ বছর! নখ এখনও এতটাই তীক্ষ্ণ যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে তা বিঁধে গেল গবেষকের আঙুলে। কিন্তু তাতে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? ২০১৮ সালে সাইবেরিয়ার এক গুহায় যখন সিংহশিশুটির সন্ধান মিলেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা অভিভূত! তুষারযুগের এমন অক্ষত মমি আর একটিও পাননি তাঁরা। তুষারযুগের সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত, গুহা সিংহের মমি। সম্প্রতি যার বয়স নির্ধারণ করা গিয়েছে- ২৮,০০০ বছর! বিজ্ঞানীরা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছেন স্পার্টা। ২০১৭ সালে এই গুহাতেই মিলেছিল আর একটি সিংহশাবকের সন্ধান। রাশিয়ার সেমুলেখ নদীর ধারে ওই গুহায় মাত্র ৪৯ ফুটের ব্যবধানে দু'টি গুহা সিংহের মমি পেয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, এরা বোধহয় একই মায়ের সন্তান। কিন্তু রেডিয়ো কার্বন ডেটিং বুঝিয়ে দিল, এদের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার বছর! ২০১৭ সালে পাওয়া বরিসের বয়স প্রায় ৪৩,৪৪৮ বছর! তবে, বরিসের চেয়ে স্পার্টার মমির অবস্থা অনেক ভালো। স্পার্টার দাঁত, নখ, চামড়া অক্ষত। সফট টিস্যু আর অঙ্গগুলো মমি হয়ে গেলেও এতটুকু পচন ধরেনি। এমনকি কাদায় মাখা লোমও এক্কেবারে অক্ষত! স্টকহোমের প্যালিওজেনেটিক্স সেন্টারের অধ্যাপক লাভ ডালেনের কথায়, 'স্পার্টাই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত তুষারযুগের প্রাণী। ওর দেহাংশ তো বটেই, গোঁফও এক্কেবারে অটুট। বরিসের জীবাশ্মে কিছুটা পচন ধরেছিল, তবে সেটার অবস্থাও খুব খারাপ ছিল না।' বিজ্ঞানীদের মতে, দু'টি সিংহশাবকেরই বয়স ১-২ মাসের আশেপাশে। তবে, কী ভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শরীরে কোথাও কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই, তাই কোনও শিকারী প্রাণীর হাতে তাদের নিহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ডালেনের মতে, 'এদের দেহ যে ভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে এরা বরফের স্তূপে চাপা পড়েছে। সেক্ষেত্রে কাদাধসে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। হয়তো কাদাধসে ভেসে হিমবাহের ক্রিভাসে বা খাঁজে আটকে গিয়েছিল, আর তাই দেহ একেবারেই অক্ষত!' বস্তুত, তুষারযুগে সাইবেরিয়ার এই অংশে ঘুরে বেড়াতো ম্যামথ, তুন্দ্রা নেকড়ে, ভালুক, লোমশ গন্ডার, বাইসনরা। সেই সঙ্গে ছিল কেভ লায়ন বা গুহা সিংহরা, এখনকার আফ্রিকান সিংহদের থেকে আকারে সামান্য বড়। কিন্তু সাইবেরিয়ার প্রবল ঠান্ডায় তারা কী ভাবে থাকতো, সেটা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও একটা ধাঁধাঁ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গুহা-সিংহের লোম আফ্রিকার সিংহদের মতো হলেও তুষারযুগের এই সিংহদের লোমের নীচে আরও একটা লোমের আস্তরণ বা আন্ডারকোট থাকতো, আর সেটাই সম্ভবত তাদের ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখতো। রাশিয়ার এই অঞ্চলে বরফ গলার মরসুম শুরু হলেই দলে দলে বেরিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। না, ছুটি কাটাতে নয়। হিমবাহের খাঁজে বা বরফের মাঝে এমন জীবাশ্মের খোঁজে! বিশেষ করে ম্যামথের দাঁত পেলে তো কথাই নেই! হাতির দাঁতের থেকেও বেশি দামে বিকোয় সেটি। এমনই একটি টাস্ক-হান্টারের দলে যোগ দিয়েছিলেন রুশ বিজ্ঞানী ভ্যালেরি প্লটনিকোভ। ভ্যালেরির কথায়, 'ওদের সঙ্গে ছোট্ট ছোট্ট গুহায় ঘুরেছি। প্রবল ঠান্ডা, তার উপর যে কোনও সময় ধস নামার বিপদ! কিন্তু তার মধ্যেও কাজ করে দু'টি সিংহ-শাবক, একটি নেকড়ের মাথা আর ম্যামথের একটি গোটা পরিবারের মমি পাওয়া কি কম প্রাপ্তি?' আপাতত চলছে স্পার্টা আর বরিসের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, তার পর হবে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং। গুহা সিংহের বিবর্তনের ইতিহাসে বরিস আর স্পার্টা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3Ak9Xhm
https://ift.tt/3xvwTbM
সাইবেরিয়ার গুহায় 'ঘুমিয়ে' তুষার যুগের সিংহছানা

সাইবেরিয়ার গুহায় 'ঘুমিয়ে' তুষার যুগের সিংহছানা

নভোসিব্রিস্ক: দেখলে মনে হবে যেন চুপটি করে ঘুমিয়ে আছে সে। ছুঁলেই জেগে উঠবে! গায়ের সোনালি লোম কাদায় মাখামাখি, কিন্তু কোথাও পচন বা ক্ষয়ের চিহ্নটুকুও নেই। কে বলবে, ওর বয়স ২৮,০০০ বছর! নখ এখনও এতটাই তীক্ষ্ণ যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে তা বিঁধে গেল গবেষকের আঙুলে। কিন্তু তাতে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? ২০১৮ সালে সাইবেরিয়ার এক গুহায় যখন সিংহশিশুটির সন্ধান মিলেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা অভিভূত! তুষারযুগের এমন অক্ষত মমি আর একটিও পাননি তাঁরা। তুষারযুগের সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত, গুহা সিংহের মমি। সম্প্রতি যার বয়স নির্ধারণ করা গিয়েছে- ২৮,০০০ বছর! বিজ্ঞানীরা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছেন স্পার্টা। ২০১৭ সালে এই গুহাতেই মিলেছিল আর একটি সিংহশাবকের সন্ধান। রাশিয়ার সেমুলেখ নদীর ধারে ওই গুহায় মাত্র ৪৯ ফুটের ব্যবধানে দু'টি গুহা সিংহের মমি পেয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, এরা বোধহয় একই মায়ের সন্তান। কিন্তু রেডিয়ো কার্বন ডেটিং বুঝিয়ে দিল, এদের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার বছর! ২০১৭ সালে পাওয়া বরিসের বয়স প্রায় ৪৩,৪৪৮ বছর! তবে, বরিসের চেয়ে স্পার্টার মমির অবস্থা অনেক ভালো। স্পার্টার দাঁত, নখ, চামড়া অক্ষত। সফট টিস্যু আর অঙ্গগুলো মমি হয়ে গেলেও এতটুকু পচন ধরেনি। এমনকি কাদায় মাখা লোমও এক্কেবারে অক্ষত! স্টকহোমের প্যালিওজেনেটিক্স সেন্টারের অধ্যাপক লাভ ডালেনের কথায়, 'স্পার্টাই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো ভাবে সংরক্ষিত তুষারযুগের প্রাণী। ওর দেহাংশ তো বটেই, গোঁফও এক্কেবারে অটুট। বরিসের জীবাশ্মে কিছুটা পচন ধরেছিল, তবে সেটার অবস্থাও খুব খারাপ ছিল না।' বিজ্ঞানীদের মতে, দু'টি সিংহশাবকেরই বয়স ১-২ মাসের আশেপাশে। তবে, কী ভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শরীরে কোথাও কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই, তাই কোনও শিকারী প্রাণীর হাতে তাদের নিহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ডালেনের মতে, 'এদের দেহ যে ভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে এরা বরফের স্তূপে চাপা পড়েছে। সেক্ষেত্রে কাদাধসে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। হয়তো কাদাধসে ভেসে হিমবাহের ক্রিভাসে বা খাঁজে আটকে গিয়েছিল, আর তাই দেহ একেবারেই অক্ষত!' বস্তুত, তুষারযুগে সাইবেরিয়ার এই অংশে ঘুরে বেড়াতো ম্যামথ, তুন্দ্রা নেকড়ে, ভালুক, লোমশ গন্ডার, বাইসনরা। সেই সঙ্গে ছিল কেভ লায়ন বা গুহা সিংহরা, এখনকার আফ্রিকান সিংহদের থেকে আকারে সামান্য বড়। কিন্তু সাইবেরিয়ার প্রবল ঠান্ডায় তারা কী ভাবে থাকতো, সেটা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও একটা ধাঁধাঁ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গুহা-সিংহের লোম আফ্রিকার সিংহদের মতো হলেও তুষারযুগের এই সিংহদের লোমের নীচে আরও একটা লোমের আস্তরণ বা আন্ডারকোট থাকতো, আর সেটাই সম্ভবত তাদের ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখতো। রাশিয়ার এই অঞ্চলে বরফ গলার মরসুম শুরু হলেই দলে দলে বেরিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। না, ছুটি কাটাতে নয়। হিমবাহের খাঁজে বা বরফের মাঝে এমন জীবাশ্মের খোঁজে! বিশেষ করে ম্যামথের দাঁত পেলে তো কথাই নেই! হাতির দাঁতের থেকেও বেশি দামে বিকোয় সেটি। এমনই একটি টাস্ক-হান্টারের দলে যোগ দিয়েছিলেন রুশ বিজ্ঞানী ভ্যালেরি প্লটনিকোভ। ভ্যালেরির কথায়, 'ওদের সঙ্গে ছোট্ট ছোট্ট গুহায় ঘুরেছি। প্রবল ঠান্ডা, তার উপর যে কোনও সময় ধস নামার বিপদ! কিন্তু তার মধ্যেও কাজ করে দু'টি সিংহ-শাবক, একটি নেকড়ের মাথা আর ম্যামথের একটি গোটা পরিবারের মমি পাওয়া কি কম প্রাপ্তি?' আপাতত চলছে স্পার্টা আর বরিসের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, তার পর হবে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং। গুহা সিংহের বিবর্তনের ইতিহাসে বরিস আর স্পার্টা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3Ak9Xhm
https://ift.tt/3xvwTbM
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গল্ফার অদিতি অশোক। একটুর জন্য ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া হয় তাঁর। শেষ করেন চতুর্থ স্থানে। তাঁকে এবার প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন গল্ফার জীব মিলখা সিং। রবিবার অদিতির খেলা শেষের পর মিলখা সিংয়ের পুত্র জীব মিলখা বলেন, 'অদিতি অশোক যেভাবে খেললেন, তা দেখে আমি মুগ্ধ। একটা কথাই বলব, তিনি চতুর্থ স্থানে শেষ করে গল্ফে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন। লম্বা গ্যাপের পর ২০১৬ অলিম্পিক্সে গল্ফকে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর খেলার মাধ্যমে যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন'। ভারত গল্ফ এখনও খুব বেশী জনপ্রিয় নয়। বরং ধনীদের খেলা বলে অনেকের কাছে পরিচিত গল্ফ। সেই কারণে দেশে গল্ফ খেলোয়াড়ের সংখ্যা অনেক কম। সেই কারণেই অলিম্পিকে বেশি প্রচার পাননি অদিতি অশোক। পদক জয়ের সম্ভবনা তৈরি হওয়ায়, তিনি লাইমলাইটে আসেন। এই বিষয়ে এ বার মন্তব্য করলেন গল্ফার জীব মিলখা সিং। তাঁর কথায়, 'আমি সরকারের কাছে বারবার আর্জি জানিয়েছি যাতে দেশবাসীর কাছে গল্ফকে আরও জনপ্রিয় করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গল্ফ স্টিক হাতে তোলার সুযোগ সকলের পাওয়া উচিত। জনগনকে সচেতন করলে শিশুরা ছোট থেকেই গল্ফ অনুশীলনের সুযোগ পাবে'। অদিতির প্রশংসা করে জীবের সংযোজন, 'অদিতির অভিভাবকরা তাঁকে সাহায্য করেছেন। অদিতি এখন দেখিয়ে দিচ্ছেন যে সবকিছুই সম্ভব। অদিতি যা অর্জন করেছেন আমরা তাতে গর্বিত। আশাহত হওয়ার কোনও কারণ নেই'। প্রথম ভারতীয় হিসেবে গলফে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছেন অদিতি। এর আগে রিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করলেও সে বার বিশেষ ছাপ পারেননি তিনি। তবে এ বার নিজেকে প্রমাণ করে দিয়েছেন দক্ষতার সঙ্গে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে প্রয়াত 'ফ্লাইং শিখ' মিলখা সিং। এ দিন জীবের কথায় উঠে এসেছিল বাবার প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, 'বাবা সবসময় চাইতেন ভারতকে খেলার পাওয়ার-হাউস বানাতে। তিনি উপর থেকে আশীর্বাদ করছেন'। এ দিকে নীরজ চোপড়া নিজের স্বর্ণপদক মিলখা সিংকে উৎসর্গ করায় আপ্লুত জীব মিলখা সিং।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3fIUcZl
https://ift.tt/3lHpR13
'পরবর্তী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা অদিতি', প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিলখা পুত্র

'পরবর্তী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা অদিতি', প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিলখা পুত্র

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গল্ফার অদিতি অশোক। একটুর জন্য ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া হয় তাঁর। শেষ করেন চতুর্থ স্থানে। তাঁকে এবার প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন গল্ফার জীব মিলখা সিং। রবিবার অদিতির খেলা শেষের পর মিলখা সিংয়ের পুত্র জীব মিলখা বলেন, 'অদিতি অশোক যেভাবে খেললেন, তা দেখে আমি মুগ্ধ। একটা কথাই বলব, তিনি চতুর্থ স্থানে শেষ করে গল্ফে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন। লম্বা গ্যাপের পর ২০১৬ অলিম্পিক্সে গল্ফকে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর খেলার মাধ্যমে যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন'। ভারত গল্ফ এখনও খুব বেশী জনপ্রিয় নয়। বরং ধনীদের খেলা বলে অনেকের কাছে পরিচিত গল্ফ। সেই কারণে দেশে গল্ফ খেলোয়াড়ের সংখ্যা অনেক কম। সেই কারণেই অলিম্পিকে বেশি প্রচার পাননি অদিতি অশোক। পদক জয়ের সম্ভবনা তৈরি হওয়ায়, তিনি লাইমলাইটে আসেন। এই বিষয়ে এ বার মন্তব্য করলেন গল্ফার জীব মিলখা সিং। তাঁর কথায়, 'আমি সরকারের কাছে বারবার আর্জি জানিয়েছি যাতে দেশবাসীর কাছে গল্ফকে আরও জনপ্রিয় করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গল্ফ স্টিক হাতে তোলার সুযোগ সকলের পাওয়া উচিত। জনগনকে সচেতন করলে শিশুরা ছোট থেকেই গল্ফ অনুশীলনের সুযোগ পাবে'। অদিতির প্রশংসা করে জীবের সংযোজন, 'অদিতির অভিভাবকরা তাঁকে সাহায্য করেছেন। অদিতি এখন দেখিয়ে দিচ্ছেন যে সবকিছুই সম্ভব। অদিতি যা অর্জন করেছেন আমরা তাতে গর্বিত। আশাহত হওয়ার কোনও কারণ নেই'। প্রথম ভারতীয় হিসেবে গলফে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছেন অদিতি। এর আগে রিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করলেও সে বার বিশেষ ছাপ পারেননি তিনি। তবে এ বার নিজেকে প্রমাণ করে দিয়েছেন দক্ষতার সঙ্গে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে প্রয়াত 'ফ্লাইং শিখ' মিলখা সিং। এ দিন জীবের কথায় উঠে এসেছিল বাবার প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, 'বাবা সবসময় চাইতেন ভারতকে খেলার পাওয়ার-হাউস বানাতে। তিনি উপর থেকে আশীর্বাদ করছেন'। এ দিকে নীরজ চোপড়া নিজের স্বর্ণপদক মিলখা সিংকে উৎসর্গ করায় আপ্লুত জীব মিলখা সিং।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3fIUcZl
https://ift.tt/3lHpR13
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় এসে বাংলার খাবারের প্রেমে পড়েননি এমন মানুষ নেই বললেই চলে। সেই তালিকা থেকে বাদ যাননি ভারতীয় ক্রিকেটের লিটল মাস্টার সুনীল গাভাস্কর। তাঁর সঙ্গে কলকাতার মিষ্টি দইয়ের সম্পর্কটা অনেকের কাছেই অজানা। সম্প্রতি সামনে এল এই বিষয়টি। ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের বিরতিতে একটু অনুষ্ঠানে ম্যাচের বিশ্লেষণ করছিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ ও সুনীল গাভাস্কর। সেখানে তাঁদের দেওয়া হয়। ছোটো মাটির ভাঁড়, সঙ্গে কাঠের চামচ। সেই দই দেখে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন সিনিয়র গাভাস্কর। তিনি বলেন, “আমি যখন জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলাম। তখন কলকাতায় খেলতে গেলেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাবা প্রয়াত চন্ডী গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের মিষ্টি দই দিতেন। আমাদের হোটেলের ফ্রিজে মিষ্টি দইয়ের বড় হাঁড়ি রাখা থাকত।” তিনি যোগ করেন, “একবার টেস্ট খেলতে আটদিন কলকাতায় ছিলাম। পাঁচদিনের টেস্ট আর বাকি তিনদিন। প্রতিদিন আমাদের ফ্রিজে দই রাখা থাকত। আমরা সেটা খেতাম।” সুনীল গাভাস্করের যখন অধিনায়ক ছিলেন তখন সিএবির প্রেসিডেন্ট ছিলেন চন্ডী গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় দল কলকাতায় খেলতে আসলে তিনি যেতেন তাঁদের স্বাগত জানাতে। তখন সুনীল গাভাস্করের জন্য থাকত বিশেষ দই। তারপর পুরো সফরেই তাঁর রসনাতৃপ্তির জন্য দইয়ের ব্যবস্থা থাকত। পুরোটাই করতেন Sourav Ganguly- এর বাবা। সুনীল গাভাস্কর যখন বলছেন কথাগুলো তখন তাঁর পাশে বসে মিষ্টি দই চেখে যাচ্ছেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ। তাঁর অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠছিল মিষ্টি দইয়ের প্রতি সুনীল গাভাস্করের ভালোবাসাকে যে তিনি সমর্থন করছেন। কিন্তু মিষ্টি দইয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে কিছুটা অভিমান ঝরে পড়ল তাঁর গলায়। তিনি বলেন, “আমার একটাই অভিযোগ আছে, যখন CAB-র সেক্রেটারি ছিলেন, তখন তিনি আমাকে মিষ্টি দইয়ের বড় হাঁড়ি দিতেন। এখন তিনি BCCI প্রেসিডেন্ট, কিন্তু এখন তিনি কিছুই দেন না আমাকে।” তবে পুরোটাই ছিল হাসির ছলে।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3CqmSjI
https://ift.tt/2VwURWU
'BCCI প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ও আমাকে কিছুই দেয় না', সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের উপর অভিমানী গাভাস্কার

'BCCI প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ও আমাকে কিছুই দেয় না', সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের উপর অভিমানী গাভাস্কার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় এসে বাংলার খাবারের প্রেমে পড়েননি এমন মানুষ নেই বললেই চলে। সেই তালিকা থেকে বাদ যাননি ভারতীয় ক্রিকেটের লিটল মাস্টার সুনীল গাভাস্কর। তাঁর সঙ্গে কলকাতার মিষ্টি দইয়ের সম্পর্কটা অনেকের কাছেই অজানা। সম্প্রতি সামনে এল এই বিষয়টি। ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের বিরতিতে একটু অনুষ্ঠানে ম্যাচের বিশ্লেষণ করছিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ ও সুনীল গাভাস্কর। সেখানে তাঁদের দেওয়া হয়। ছোটো মাটির ভাঁড়, সঙ্গে কাঠের চামচ। সেই দই দেখে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন সিনিয়র গাভাস্কর। তিনি বলেন, “আমি যখন জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলাম। তখন কলকাতায় খেলতে গেলেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাবা প্রয়াত চন্ডী গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের মিষ্টি দই দিতেন। আমাদের হোটেলের ফ্রিজে মিষ্টি দইয়ের বড় হাঁড়ি রাখা থাকত।” তিনি যোগ করেন, “একবার টেস্ট খেলতে আটদিন কলকাতায় ছিলাম। পাঁচদিনের টেস্ট আর বাকি তিনদিন। প্রতিদিন আমাদের ফ্রিজে দই রাখা থাকত। আমরা সেটা খেতাম।” সুনীল গাভাস্করের যখন অধিনায়ক ছিলেন তখন সিএবির প্রেসিডেন্ট ছিলেন চন্ডী গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় দল কলকাতায় খেলতে আসলে তিনি যেতেন তাঁদের স্বাগত জানাতে। তখন সুনীল গাভাস্করের জন্য থাকত বিশেষ দই। তারপর পুরো সফরেই তাঁর রসনাতৃপ্তির জন্য দইয়ের ব্যবস্থা থাকত। পুরোটাই করতেন Sourav Ganguly- এর বাবা। সুনীল গাভাস্কর যখন বলছেন কথাগুলো তখন তাঁর পাশে বসে মিষ্টি দই চেখে যাচ্ছেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ। তাঁর অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠছিল মিষ্টি দইয়ের প্রতি সুনীল গাভাস্করের ভালোবাসাকে যে তিনি সমর্থন করছেন। কিন্তু মিষ্টি দইয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে কিছুটা অভিমান ঝরে পড়ল তাঁর গলায়। তিনি বলেন, “আমার একটাই অভিযোগ আছে, যখন CAB-র সেক্রেটারি ছিলেন, তখন তিনি আমাকে মিষ্টি দইয়ের বড় হাঁড়ি দিতেন। এখন তিনি BCCI প্রেসিডেন্ট, কিন্তু এখন তিনি কিছুই দেন না আমাকে।” তবে পুরোটাই ছিল হাসির ছলে।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3CqmSjI
https://ift.tt/2VwURWU
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পরনে নদিয়ার শান্তিপুরের হ্যান্ডলুম শাড়ি। হাতে ধরা বোর্ডে লেখা 'প্রটেকশন, প্রমোশন, প্রগ্রেশন অফ দ্য হ্যান্ডলুম অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস'। জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে অভিনব উপায়ে নেটিজেনদের স্বদেশী শাড়ি পরার আবেদন জানালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শনিবার ওই অভিনব চিত্র দেখা গেল নেটপাড়ায়। পার্লামেন্টের আইকনিক গান্ধী মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে মহুয়া মৈত্র, জয়া বচ্চনরা। প্রত্যেকের পরনে হ্যান্ডলুম শাড়ি। মুখে মাস্ক। করোনা বিধি মেনেই দেশীয় শাড়ি পরে তাঁত শিল্পীদের সাহায্য করার ওই আর্জি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এ দিন রাজনীতিকদের কারও হাতে 'গো স্বদেশ' লেখা বোর্ড ছিল, কারও হাতে আবার 'সেভ আওয়ার লেগাসি' লেখা। মহুয়া নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ওই ছবি আপলোড করে লেখেন, 'বিশ্ব হ্যান্ডলুম দিবসের শুভেচ্ছা। হ্যান্ডলুম পরুন, হ্যান্ডলুম শিল্প বাঁচান'। দেশের শিল্পীদের হয়ে অসাধারণ ওই প্রমোশন নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে তা বলাবাহুল্য। অনেকেই প্রশংসা করেছেন সাংসদদের ওই উদ্যোগকে। এক ফেসবুক ইউজার লেখেন, 'শান্তিপুরের তাঁত শিল্পকে তুলে ধরার জন্য আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই শিল্পকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য কুর্ণিশ'। অপর এক ইউজার লেখেন, 'হ্যান্ডলুম শিল্প বাংলার গর্ব। তা অবশ্যই বাঁচানো দরকার'। উল্লেখযোগ্যভাবে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু শিল্পীও এ দিন মহুয়ার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেছিলেন। -তে এহেন উদ্যোগ নেওয়ায় কেউ রাজনীতিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কেউ এ দিন মনে করিয়ে দিয়েছেন, 'তাঁত শিল্পীদের অবস্থা খুবই শোচনীয়'। সুরাহার জন্য তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন রাজনীতিকের কাছে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuGCT6
https://ift.tt/3rYtPDP
গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁত বাঁচানোর আর্জি মহুয়ার

গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁত বাঁচানোর আর্জি মহুয়ার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পরনে নদিয়ার শান্তিপুরের হ্যান্ডলুম শাড়ি। হাতে ধরা বোর্ডে লেখা 'প্রটেকশন, প্রমোশন, প্রগ্রেশন অফ দ্য হ্যান্ডলুম অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস'। জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে অভিনব উপায়ে নেটিজেনদের স্বদেশী শাড়ি পরার আবেদন জানালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শনিবার ওই অভিনব চিত্র দেখা গেল নেটপাড়ায়। পার্লামেন্টের আইকনিক গান্ধী মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে মহুয়া মৈত্র, জয়া বচ্চনরা। প্রত্যেকের পরনে হ্যান্ডলুম শাড়ি। মুখে মাস্ক। করোনা বিধি মেনেই দেশীয় শাড়ি পরে তাঁত শিল্পীদের সাহায্য করার ওই আর্জি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এ দিন রাজনীতিকদের কারও হাতে 'গো স্বদেশ' লেখা বোর্ড ছিল, কারও হাতে আবার 'সেভ আওয়ার লেগাসি' লেখা। মহুয়া নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ওই ছবি আপলোড করে লেখেন, 'বিশ্ব হ্যান্ডলুম দিবসের শুভেচ্ছা। হ্যান্ডলুম পরুন, হ্যান্ডলুম শিল্প বাঁচান'। দেশের শিল্পীদের হয়ে অসাধারণ ওই প্রমোশন নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে তা বলাবাহুল্য। অনেকেই প্রশংসা করেছেন সাংসদদের ওই উদ্যোগকে। এক ফেসবুক ইউজার লেখেন, 'শান্তিপুরের তাঁত শিল্পকে তুলে ধরার জন্য আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই শিল্পকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য কুর্ণিশ'। অপর এক ইউজার লেখেন, 'হ্যান্ডলুম শিল্প বাংলার গর্ব। তা অবশ্যই বাঁচানো দরকার'। উল্লেখযোগ্যভাবে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু শিল্পীও এ দিন মহুয়ার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেছিলেন। -তে এহেন উদ্যোগ নেওয়ায় কেউ রাজনীতিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কেউ এ দিন মনে করিয়ে দিয়েছেন, 'তাঁত শিল্পীদের অবস্থা খুবই শোচনীয়'। সুরাহার জন্য তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন রাজনীতিকের কাছে।


from National News in Bengali, জাতীয় খবর, India News in Bangla, Headlines of India - Eisamay https://ift.tt/3CuGCT6
https://ift.tt/3rYtPDP
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফের নিজের ব্যাটিং দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। ম্যাচের তৃতীয় দিনে অর্ধশতরান করেন। কেএল রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন। এরই মাঝে তাঁকে নিয়ে টুইট করে ভারতীয় সমর্থকদের ট্রোলের শিকার হলেন অস্ট্রেলিয় সাংবাদিক ড্যানিস ফ্রিডম্যান। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ফ্রিডম্যানের ট্রোলিংও জনপ্রিয়। বিশেষ করে ভারতীয় প্লেয়ারদের ট্রোল করে থাকেন তিনি। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের ভক্ত। তাই পাকিস্তানে তিনি জনপ্রিয়। কিন্তু ভারতীয় প্লেয়াদের কটাক্ষ করতে পিছপা হন না তিনি। গতকাল জাদেজাকে নিয়ে একটা টুইট করেন। লেখেন, 'বর্তমানে কোনও আন্তর্জাতিক প্লেয়ারের সঙ্গে রবীন্দ্র জাদেজা মেলে না।' শেষে লেখেন, 'শাহিদ আফ্রিদি লাইট।' এরপরই ভারতীয় সমর্থকরা তাঁকে টুইটে আক্রমণ করতে থাকেন। একজন বলেন, 'শাহিদ আফ্রিদি ওভাররেটেড, জাদেজা অনেকগুণ ভালো, উনি অলরাউন্ডার। সব ধরনের ক্রিকেটে উনি ভালো খেলেছেন। শাহিদ আফ্রিদি কোনওদিন মেঘলা আবহাওয়ায় সুইং বা সিমের বিরুদ্ধে ভালো খেলতে পারেননি, চশমা পরিষ্কার করুন এবং বাস্তব দেখুন।' অনেকে সোজাসুজি বলে দেন, এই টুইটের মাধ্যমে জাদেজাকে অপমান করা হয়েছে। তবে এটা প্রথমবার নয়। এর আগে একাধিক টুইটে তিনি ভারতীয় প্লেয়ারদের নিয়ে মজা করেছেন। সম্প্রতি তিনি টুইটে কেএল রাহুলকে কুয়ালালামপুর রাহুল বলেন। বিরাট কোহলির শূন্য রানে আউট হওয়া নিয়ে তিনি লেখেন, 'ভারত এগিয়ে গেল। কোহলির শূন্য প্রমাণ করল ও কতটা গুরুত্বপূর্ণ।' তবে ড্যানিস ফ্রিডম্যানের টুইটে কোনও প্রভাব পড়েনি ভারতীয় ব্যাটিংয়ে। ইংল্যান্ডকে প্রথম ইনিংসে ১৮৩ রানে শেষ করে দেয় ভারত। বুমরাহ নেন ৪টে উইকেট, মহম্মদ শামি নেন ৩টে উইকেট, শার্দুল ঠাকুর ২টি উইকেট ও মহম্মদ সিরাজ নেন ১টা উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কেএল রাহুল ও রবীন্দ্র জাদেজার ব্যাটে ভর করে ২৭৮ রান তোলে ভারত। আজ পঞ্চম দিনে ভারতের জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান বাকি।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/2VxSGlI
https://ift.tt/3CrzUgY
বিরাটদের নিয়ে কটাক্ষ! অজি সাংবাদিককে 'রগড়ে' দিল ভারতের নেটপাড়া

বিরাটদের নিয়ে কটাক্ষ! অজি সাংবাদিককে 'রগড়ে' দিল ভারতের নেটপাড়া

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফের নিজের ব্যাটিং দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। ম্যাচের তৃতীয় দিনে অর্ধশতরান করেন। কেএল রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন। এরই মাঝে তাঁকে নিয়ে টুইট করে ভারতীয় সমর্থকদের ট্রোলের শিকার হলেন অস্ট্রেলিয় সাংবাদিক ড্যানিস ফ্রিডম্যান। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ফ্রিডম্যানের ট্রোলিংও জনপ্রিয়। বিশেষ করে ভারতীয় প্লেয়ারদের ট্রোল করে থাকেন তিনি। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের ভক্ত। তাই পাকিস্তানে তিনি জনপ্রিয়। কিন্তু ভারতীয় প্লেয়াদের কটাক্ষ করতে পিছপা হন না তিনি। গতকাল জাদেজাকে নিয়ে একটা টুইট করেন। লেখেন, 'বর্তমানে কোনও আন্তর্জাতিক প্লেয়ারের সঙ্গে রবীন্দ্র জাদেজা মেলে না।' শেষে লেখেন, 'শাহিদ আফ্রিদি লাইট।' এরপরই ভারতীয় সমর্থকরা তাঁকে টুইটে আক্রমণ করতে থাকেন। একজন বলেন, 'শাহিদ আফ্রিদি ওভাররেটেড, জাদেজা অনেকগুণ ভালো, উনি অলরাউন্ডার। সব ধরনের ক্রিকেটে উনি ভালো খেলেছেন। শাহিদ আফ্রিদি কোনওদিন মেঘলা আবহাওয়ায় সুইং বা সিমের বিরুদ্ধে ভালো খেলতে পারেননি, চশমা পরিষ্কার করুন এবং বাস্তব দেখুন।' অনেকে সোজাসুজি বলে দেন, এই টুইটের মাধ্যমে জাদেজাকে অপমান করা হয়েছে। তবে এটা প্রথমবার নয়। এর আগে একাধিক টুইটে তিনি ভারতীয় প্লেয়ারদের নিয়ে মজা করেছেন। সম্প্রতি তিনি টুইটে কেএল রাহুলকে কুয়ালালামপুর রাহুল বলেন। বিরাট কোহলির শূন্য রানে আউট হওয়া নিয়ে তিনি লেখেন, 'ভারত এগিয়ে গেল। কোহলির শূন্য প্রমাণ করল ও কতটা গুরুত্বপূর্ণ।' তবে ড্যানিস ফ্রিডম্যানের টুইটে কোনও প্রভাব পড়েনি ভারতীয় ব্যাটিংয়ে। ইংল্যান্ডকে প্রথম ইনিংসে ১৮৩ রানে শেষ করে দেয় ভারত। বুমরাহ নেন ৪টে উইকেট, মহম্মদ শামি নেন ৩টে উইকেট, শার্দুল ঠাকুর ২টি উইকেট ও মহম্মদ সিরাজ নেন ১টা উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কেএল রাহুল ও রবীন্দ্র জাদেজার ব্যাটে ভর করে ২৭৮ রান তোলে ভারত। আজ পঞ্চম দিনে ভারতের জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান বাকি।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/2VxSGlI
https://ift.tt/3CrzUgY
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৮৪ রানের ঝকঝকে একটা পারফরম্যান্স ভারতীয় ক্রিকেট দলকে উপহার দিলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার কেএল রাহুল। গতকাল ম্যাচের চতুর্থ দিনের শেষে ভারত এক উইকেট হারিয়ে ৫২ রান করতে পেরেছে। আজ ম্যাচের পঞ্চম দিন। এই ম্যাচ জিততে হলে ভারতকে বাকি ৯ উইকেটে ১৫৭ রান করতে হবে। চতুর্থ দিনটা যে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের ছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭২ বলে ১০৯ রান করেন। তবে ব্রিটিশবাহিনীর বাকিদের রান আর না বলাই ভালো। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানাধিকারী হলেন স্যাম কারেন। তিনি ৩২ রান করেছেন। নটিংহ্যামের সবুজ উইকেট নিয়ে ইতিপূর্বে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। সেই উইকেটে আজ কার্যত জ্বলে উঠলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দ্বিতীয় ইনিংসের ১৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিনি একাই পাঁচটা উইকেট শিকার করলেন। প্রথম ইনিংসে তিনি চারটে উইকেট শিকার করেছিলেন। অর্থাৎ এই টেস্ট ম্যাচে তিনি মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জোড়া উইকেট শিকার করেছেন মহম্মদ সিরাজ এবং শার্দূল ঠাকুর। একটি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও কোনও উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। আজ ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা যে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। কারণ জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান দরকার। দিনের ৯০ ওভার খেলা হলে, এই রানটা তোলা যে একেবারেই কঠিন কাজ নয়, সেকথা চোখ বন্ধ করে বলা যায়। আজ মোট ১৪ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ওপেনার কেএল রাহুল ২৬ রানে ফিরে গেলেও, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারা আপাতত উইকেটে রয়েছেন। প্রথম ইনিংসে গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল বিরাট কোহলিকে। তিনিও আজ দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খিদেয় মরিয়া হয়ে রয়েছেন। আগামীকালও ট্রেন্ট ব্রিজে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বরুণদেবের চোখরাঙানি প্রথম টেস্টের অন্তিম দিনে দেখতে পাওয়া যায়, তাহলে তো আর কিছু বলার থাকবে না। নাহলে এই ম্যাচে জয়ের গন্ধ ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট দল পেতে শুরু করে দিয়েছে।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3xAgJh8
https://ift.tt/3jrfYlm
দরকার মাত্র ১৫৭, আজ জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে কোহলি ব্রিগেড

দরকার মাত্র ১৫৭, আজ জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে কোহলি ব্রিগেড

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৮৪ রানের ঝকঝকে একটা পারফরম্যান্স ভারতীয় ক্রিকেট দলকে উপহার দিলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার কেএল রাহুল। গতকাল ম্যাচের চতুর্থ দিনের শেষে ভারত এক উইকেট হারিয়ে ৫২ রান করতে পেরেছে। আজ ম্যাচের পঞ্চম দিন। এই ম্যাচ জিততে হলে ভারতকে বাকি ৯ উইকেটে ১৫৭ রান করতে হবে। চতুর্থ দিনটা যে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের ছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭২ বলে ১০৯ রান করেন। তবে ব্রিটিশবাহিনীর বাকিদের রান আর না বলাই ভালো। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানাধিকারী হলেন স্যাম কারেন। তিনি ৩২ রান করেছেন। নটিংহ্যামের সবুজ উইকেট নিয়ে ইতিপূর্বে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। সেই উইকেটে আজ কার্যত জ্বলে উঠলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দ্বিতীয় ইনিংসের ১৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিনি একাই পাঁচটা উইকেট শিকার করলেন। প্রথম ইনিংসে তিনি চারটে উইকেট শিকার করেছিলেন। অর্থাৎ এই টেস্ট ম্যাচে তিনি মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জোড়া উইকেট শিকার করেছেন মহম্মদ সিরাজ এবং শার্দূল ঠাকুর। একটি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও কোনও উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। আজ ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা যে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। কারণ জয়ের জন্য আর মাত্র ১৫৭ রান দরকার। দিনের ৯০ ওভার খেলা হলে, এই রানটা তোলা যে একেবারেই কঠিন কাজ নয়, সেকথা চোখ বন্ধ করে বলা যায়। আজ মোট ১৪ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ওপেনার কেএল রাহুল ২৬ রানে ফিরে গেলেও, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারা আপাতত উইকেটে রয়েছেন। প্রথম ইনিংসে গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল বিরাট কোহলিকে। তিনিও আজ দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খিদেয় মরিয়া হয়ে রয়েছেন। আগামীকালও ট্রেন্ট ব্রিজে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বরুণদেবের চোখরাঙানি প্রথম টেস্টের অন্তিম দিনে দেখতে পাওয়া যায়, তাহলে তো আর কিছু বলার থাকবে না। নাহলে এই ম্যাচে জয়ের গন্ধ ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট দল পেতে শুরু করে দিয়েছে।


from Sports News in Bengali, India and World Sports News, Bangla Sports News, ক্রীড়া খবর, Latest Sports News - Eisamay https://ift.tt/3xAgJh8
https://ift.tt/3jrfYlm